logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/সারাদেশ
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে লক্ষাধিক মানুষের র‍্যালি - image

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে লক্ষাধিক মানুষের র‍্যালি

27 আগস্ট 2026, বিকাল 2:43

ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধ করে হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হুজুর। হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর ১৫০১তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালির পূর্বে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। র‍্যালিতে লক্ষাধিক আশেকে রাসুল অংশ নেন।এর আগে দিনব্যাপী আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বেশ কয়েকটি দরবারের পির সাহেবগণ সহ বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।  ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আশেকে রাসুলদের জন্য সবথেকে আনন্দের দিন উল্লেখ করে কুদরত এ খোদা হুজুর বলেন, মুসলিম জাতি দীর্ঘদিন এই আনন্দ উদযাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। তারা জানতো, হযরত রাসুল (সা.) একই দিনে জন্ম ও ওফাত লাভ করেছেন। কিন্তু বিংশ শতাব্দির অন্যতম সংস্কারক সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) হুজুর মুসলিম জাতির এই ভুল ভেঙে দেন। তিনি ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন, হযরত মোহাম্মদ (সা.) ওফাত লাভ করেছেন ১ রবিউল আউয়াল, আর জন্মগ্রহণ করেছেন ১২ রবিউল আউয়াল।এই কারণে আজ মুসলিম জাতি দয়াল রাসুল (সা.)-এর জন্মদিনে প্রাণভরে আনন্দ করার সুযোগ পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন কুদরত এ খোদা।হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ইসলামে এমন শতাধিক সংস্কার করেছেন বলে সম্মেলনে বক্তারা জানান। তারা বলেন, দেওয়ানবাগী হুজুরের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন শুরু করেছে।সম্মেলনে দেশবরেণ্য আলেমগণের পাশাপাশি বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক), নজরুল গবেষক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জাকির হোসেন, কলাম লেখক ও গবেষক ড. মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন সোহেল, জাতীয় আইন কলেজের সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান মিয়া এবং হযরতুল আল্লাম মুহাদ্দিস এমরান হোসাইন মাজহারীসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৬

২০২৭ সালেই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

২০২৭ সালেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, এটি সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব হবে।বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলের পানি সংকট, নদীভাঙন ও মরুকরণের ঝুঁকি মোকাবিলায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী ২০২৭ সালেই এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।সারের সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধী দল কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলাররাই এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সময়ে নতুন কোনো ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আগের ডিলারদের বাতিল না করে শূন্য পদে নতুন ডিলার নিয়োগের জন্য দ্বিতীয় পরিপত্র জারি করা হয়েছে এবং তৃতীয় পরিপত্রের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতি ইউনিয়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে একজন করে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে সার সংগ্রহ করতে পারেন। কেউ যেন অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এ কর্মসূচি নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও বর্তমানে সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে তাদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।উত্তরাঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একসময় অল্প গভীরতায় পানি পাওয়া গেলেও বর্তমানে অনেক এলাকায় ২০০ ফুট খুঁড়েও পানির সন্ধান মিলছে না। বরেন্দ্র অঞ্চলের কিছু স্থানে ৬০০ থেকে ৭০০ ফুট গভীরেও পানির সংকট দেখা দিয়েছে।তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এসব নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ধীরে ধীরে মরুকরণের ঝুঁকিতে পড়ছে। কুড়িগ্রামে ৫৪টি এবং পঞ্চগড়ে প্রায় ৫০টি নদী থাকলেও এর অনেকগুলো এখন আর আগের মতো জীবন্ত নেই।ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতিসংঘের নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যার পানি নিশ্চিত করা হলে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রেয়াজুল ইসলাম কালু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী, ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা।/এমআর/

আগস্ট ২৬, ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ ৫ জেলের মরদেহ উদ্ধার

উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলার ‘এফবি বরকত’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে গভীর সমুদ্রে তাদের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রলারটির মালিক ও মাঝি বাদল মোল্লা।এর আগে সোমবার দুপুরের দিকে সাগরে প্রচণ্ড ঝড় ও তুফানের মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়। ওই সময় ট্রলারটিতে ১৩ জন জেলে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও পাঁচজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। নিহতরা হলেন—নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), সাইকুল (৩৩), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)। তাদের সবার বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নে।উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, দুর্ঘটনার সময় সাগরে প্রচণ্ড ঝড় চলছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির মধ্যে কয়েকজন জেলে ক্লান্ত হয়ে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ বড় ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়। পরে আটজন জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর একটি অন্য ট্রলারে উঠে প্রাণে বাঁচেন।দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সাগরে একটি ট্রলার পাঠানো হয়। প্রায় ২২ ঘণ্টার অভিযান শেষে ডুবে যাওয়া ‘এফবি বরকত’-এর সন্ধান পাওয়া যায়। পরে ট্রলারটির ভেতর থেকে নিখোঁজ পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাদল মোল্লা জানান, মরদেহগুলো একটি ট্রলারে করে উপকূলের দিকে নিয়ে আসা হচ্ছে। পাথরঘাটায় পৌঁছাতে সন্ধ্যা হতে পারে।বরগুনা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সোমবারই ডুবে যাওয়া ট্রলারের সন্ধানে সমিতির পক্ষ থেকে একটি ট্রলার সাগরে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়ার পর এর ভেতর থেকে পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উপকূলে আনার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।/টি

আগস্ট ২৫, ২০২৬

চিকিৎসকদের মহানবীর আদর্শ ধারণের আহ্বান

চিকিৎসকদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সততা, দয়া ও সেবামূলক শিক্ষা ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের দায়িত্বশীলরা। তারা বলেন, চিকিৎসাসেবা শুধু পেশা নয়, এটি মানুষের জীবন ও কল্যাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি মহান দায়িত্ব। তাই রোগীর প্রতি সহমর্মিতা, সততা ও মানবিক আচরণ চিকিৎসকদের পেশাগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়া উচিত।সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিরাতুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আমাদের জন্য তাঁর আদর্শ’ প্রতিপাদ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।বক্তারা বলেন, মানবজাতির সার্বিক কল্যাণ, নৈতিক চরিত্রের উৎকর্ষ সাধন এবং সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। তাঁর জীবন ছিল সত্যবাদিতা, আমানতদারি, দয়া, ক্ষমা, ন্যায়বিচার ও মানুষের সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত।তারা বলেন, একজন চিকিৎসক প্রতিদিন অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কাজ করেন। ফলে চিকিৎসকদের আচরণে মানবিকতা ও সহমর্মিতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। রোগীর আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে সবার সঙ্গে সমান আচরণ, রোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া এবং পেশাগত দায়িত্বে সততা বজায় রাখার মাধ্যমে মহানবীর (সা.) শিক্ষা অনুসরণ করা সম্ভব।আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, মহানবী (সা.) শুধু ধর্মীয় জীবনের জন্য নয়, মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুসরণীয় আদর্শ রেখে গেছেন। তাঁর জীবন থেকে সততা, দায়িত্ববোধ, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সেবার শিক্ষা গ্রহণ করে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ প্রয়োজন। চিকিৎসকদের মতো সমাজের গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবীদের নৈতিক অবস্থান আরও দৃঢ় হলে মানুষের প্রতি দায়িত্বশীলতা ও সেবার মানও বাড়বে।সভায় সভাপতিত্ব করেন এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মারুফ শাহরিয়ার। অনুষ্ঠানে সংগঠনটির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

আগস্ট ২৪, ২০২৬

সিরাতুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও গজল সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

সিরাতুন্নবী (সা.) উদযাপন কমিটির আয়োজনে এবং সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্রের বাস্তবায়নে এক আলোচনা সভা, হামদ-নাত ও গজল সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকার বেইলি রোডস্থ বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশন অডিটোরিয়ামে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশবরেণ্য শতাধিক শিল্পী ও শিশু-কিশোরদের হামদ-নাত ও গজলের সুরেলা কণ্ঠে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো অডিটোরিয়াম।অনুষ্ঠানে সিরাতুন্নবী (সা.) উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব এবং সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্রের সভাপতি মাহবুব মুকুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও ইসলামিক স্কলার প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান। প্রধান আলোচক হিসেবে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক ও বক্তা শায়খ আলী হাসান উসামা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান বলেন, "হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জীবনব্যাপী মানবতার কল্যাণের জন্য কাজ করে গেছেন এবং মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোয় ফিরিয়ে এনেছেন। তিনি দরিদ্র অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে দরিদ্র অবস্থাতেই ইন্তেকাল করেছেন। মহানবী তাঁর পার্থিব ভাগ্যের পরিবর্তনের কোনো তৎপরতা না চালিয়ে তিনি কেবল মানবতার মুক্তির মিশন নিয়ে এগিয়ে গেছেন।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় মহানবী (সা.)-এর নাম সবার উপরে এবং তাঁর জীবন আদর্শই আমাদের একমাত্র অনুসরণীয় পথ।প্রধান আলোচকের বক্তব্যে শায়খ আলী হাসান উসামা বলেন, "মানুষের মুক্তি এবং মানবতার কল্যাণের জন্য যত গুণের প্রয়োজন, তার সবই আল্লাহর ইচ্ছায় ধারণ করতে পেরেছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। জীবনের প্রতিটি খুঁটিনাটি দিক ও বিভাগে তিনি ছিলেন একজন পরিপূর্ণ মানুষ। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর প্রতিষ্ঠিত আদর্শই কেবল মানবজাতিকে প্রকৃত মুক্তি দিতে পারে।"অনুষ্ঠানের আকর্ষণীয় পর্ব হামদ-নাত ও গজল সন্ধ্যায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী মনির খান, আবু বকর সিদ্দিক এবং আগুনসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় শতাধিক শিল্পী। পাশাপাশি শিশু-কিশোর শিল্পীদের সম্মিলিত কোরাস হামদ-নাত উপস্থিত দর্শকদের বিশেষভাবে বিমোহিত করে। 

আগস্ট ২৩, ২০২৬

অস্বচ্ছল মেধাবীদের স্বপ্নপূরণে আসপাডা: বার্ষিক শিক্ষার অগ্রগতি বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত

“মেধা ঝরতে দেব না - অর্থের অভাব হবে না” - এই মানবিক অঙ্গীকারকে হৃদয়ে ধারণ করে সমাজের অস্বচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলোয় এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আসপাডা পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। ২০০৮ সালে শুরু হওয়া মাসিক শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম ইতোমধ্যে শত শত শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন সম্ভাবনা ও স্বপ্নের দ্বার খুলে দিয়েছে।এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে  শনিবার (২২ আগস্ট) ময়মনসিংহ সদরের দিঘারকান্দা বাইপাস মোড়ে অবস্থিত আসপাডা প্রশিক্ষণ একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় “আসপাডা থেকে মাসিক বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বার্ষিক শিক্ষার অগ্রগতি বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান - ২০২৬”।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে হাবীবা মীরা। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসপাডা পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. রোকন-উদ-দৌলা।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন আসপাডা পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক লায়ন আলহাজ মো. আবদুর রশিদ।স্বাগত বক্তব্যে লায়ন আলহাজ মো. আবদুর রশিদ উপস্থিত অতিথি, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি শিক্ষাখাতে আসপাডার দীর্ঘদিনের কার্যক্রম, অর্জন এবং শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচি শুরুর পেছনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।তিনি বলেন, সমাজে এমন অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের স্বপ্ন আছে, যোগ্যতা আছে; কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাদের অনেকের শিক্ষাজীবন মাঝপথে থেমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। সেইসব শিক্ষার্থীর স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতেই আসপাডার এই পথচলা।আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনা শেষ করা পর্যন্ত আসপাডা যে আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে, তা কোনোদিন ফেরত দিতে হবে না। শিক্ষার্থীদের কাছে তার একমাত্র প্রত্যাশা - তারা প্রতিষ্ঠিত ও স্বাবলম্বী হওয়ার পর নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সমাজের অন্য কোনো অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াবে।তিনি আরও বলেন - আসপাডা আজ তোমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, একদিন তোমরাও যেন অন্য কারও স্বপ্ন পূরণের সঙ্গী হও। সমাজে ভালো কাজের এই ধারাবাহিকতাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।ভবিষ্যতেও এই শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আবদুর রশিদ বলেন, আসপাডার বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবীদের মধ্যে কেউ পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ না পেলে, তাদের জন্য আসপাডার পক্ষ থেকে কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার এ বক্তব্যে উপস্থিত শিক্ষার্থী, প্রাক্তন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও অতিথিদের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।প্রধান আলোচক মো. রোকন-উদ-দৌলা বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে আসপাডার এই মহতী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ পেয়েছেন। শিক্ষাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পূর্ণ মানবিক ও নিঃস্বার্থভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ সত্যিই অনুকরণীয়।তিনি বর্তমান ও প্রাক্তন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য অর্জন করলেই চলবে না; শিক্ষার প্রকৃত সার্থকতা তখনই, যখন সেই জ্ঞান ও যোগ্যতা দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে। তিনি শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে হাবীবা মীরা আসপাডার এমন মহতী ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সমাজের অস্বচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শিক্ষাজীবনকে এগিয়ে নেওয়ার এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।তিনি বলেন - অর্থের অভাবে যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন থেমে না যায়, আসপাডা সেই স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার যে দায়িত্ব নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।নারী শিক্ষার প্রসার এবং নারীদের সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন উজ্জ্বল উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, আসপাডা ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদেরও সমহারে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করছে - এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ জন্য তিনি আসপাডাকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে আসপাডার জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেত্রকোনা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফারজানা পারভীন, আসপাডা পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (কার্যক্রম) সুদেব চন্দ্র রায় এবং পরিচালক (মানবসম্পদ) শরিফ রায়হান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত বর্তমান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষাজীবন, পারিবারিক সংগ্রাম এবং পড়াশোনার অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, আসপাডা পাশে না দাঁড়ালে অর্থের অভাবে তাদের অনেকের পড়াশোনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়ত; কারও কারও শিক্ষাজীবন হয়তো মাঝপথেই থেমে যেত। আসপাডার সহযোগিতায় তারা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।অনুষ্ঠানের অন্যতম আবেগঘন অংশ ছিল প্রাক্তন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ। আসপাডার সহায়তায় পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘ শিক্ষাযাত্রায় আসপাডার ভূমিকার কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।তারা বলেন, আসপাডা পাশে না দাঁড়ালে হয়তো তাদের অনেকের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যেত কিংবা জীবনের স্বপ্নপূরণের পথ এতদূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো না। আজ কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তারা গর্বের সঙ্গে স্মরণ করেন সেই সময়ের কথা, যখন আসপাডার মতো একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান তাদের পাশে দাঁড়িয়ে জীবনের গতিপথ বদলে দিয়েছিল।প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করেন মাকসুদুল আলম নাঈম (বিসিএস -কর), ডা. মো. নাঈম মিয়া, ভেটেরিনারি সার্জন (বিসিএস), এবং অতিকুল ইসলাম, যিনি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠান সিইজিআইএস-এ মৎস্য গবেষক হিসেবে কর্মরত।উল্লেখ্য, আসপাডা পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে মাসিক শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে। এর মধ্যে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা সম্পন্ন করে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছেন। তাদের মধ্যে ২০ জনেরও বেশি বিসিএস কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। কেউ প্রশাসন ও পুলিশ ক্যাডারে, কেউ চিকিৎসা, ব্যাংকিং, প্রকৌশল, শিক্ষা ও গবেষণাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।আসপাডার বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিসিএস কর্মকর্তা, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যাংকার, আইনজীবী, বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার এবং দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা।বর্তমানে আসপাডার মাসিক শিক্ষাবৃত্তিপ্রাপ্ত অধিকাংশ শিক্ষার্থীই সমাজের অত্যন্ত অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান। আসপাডার আর্থিক ও মানবিক সহায়তায় তারা দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের পদচারণা আসপাডার দীর্ঘদিনের এই কার্যক্রমের সাফল্যের উজ্জ্বল সাক্ষ্য বহন করছে।শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের কঠিন সময়ে ছায়ার মতো পাশে দাঁড়ানোর জন্য আসপাডা পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক লায়ন আলহাজ মো. আবদুর রশিদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য অতিথিরাও আসপাডার শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তারা আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন ঝরে না পড়ে, সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আসপাডার এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করার এবং এই মহতী কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।আলোচনা, অনুভূতি প্রকাশ এবং আগামী দিনের স্বপ্ন ও প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন যেন হয়ে উঠেছিল এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মানবিকতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য মিলনমেলা।সবশেষে মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের উপস্থাপক মীর আহসান হাবীব বাপ্পী।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

১০ বছর বয়সী রেদোয়ান ইসলাম রাইফ নিখোঁজ

রাজধানীর কাফরুল থানাধীন আশিদাগ, ছাপরা মসজিদ এলাকা থেকে রেদোয়ান ইসলাম রাইফ (১০) নামে এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে।পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে নিজ বাসার নিচে চিপস কিনতে বের হয় রেদোয়ান। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে আর বাসায় ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।নিখোঁজ রেদোয়ান ইসলাম রাইফের পিতা শাহিদুল ইসলাম এবং মাতা রাশিদা বেগম। তার বয়স ১০ বছর।রেদোয়ানের সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি শিশুটির সন্ধান পেয়ে থাকলে বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে দ্রুত কাফরুল থানায় অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।/টি

আগস্ট ১৮, ২০২৬

সাতক্ষীরায় পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে সাইকেল র‍্যালি

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক-এর আয়োজনে এই সাইকেল র‍্যালি বের হয়।র‍্যালিটি সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সামনে থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এসে শেষ হয়।এসময় অংশগ্রহণকারীরা ‘আসুন গাছ লাগাই, প‌রি‌বেশ বাঁচাই’, ‘যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করুন’, ‘প‌রি‌বেশ য‌দি না থা‌কে, আমরাও কিন্তু থাকব না’, ‘বৃক্ষনিধন বন্ধ করুন’, ‘বন্যা খরা জ‌লোচ্ছ্বাস, গাছ কাঁট‌লে সর্বনাশ’, ‘বৃক্ষ লাগাই ভু‌রি ভু‌রি, তপ্ত বায়ু শীতল ক‌রি’, ‘আমরাই পা‌রি সবুজ পৃ‌থিবী গড়‌তে’, ‘পা‌নি দূষণ বন্ধ ক‌রো’, ‘ফুল পা‌খি গাছ পুকু‌রের নগর চাই’ প্রভৃতি স্লোগান সম্বলিত প্লাকার্ড বহন করে।র‍্যালি পূর্ব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান, যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সভাপতি ইমতি জামিল, সাবেক সভাপতি আব্দুর রহমান নীরব, সদস্য আজ‌মিরা খাতুন, রা‌ফিদ রা‌হি, তাপস মন্ডল, আবু তা‌য়ের প্রমুখ।এসময় তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, বৃক্ষরোপণ ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই পরিবেশ সুরক্ষার দায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু আমরা নিজেদের দায়িত্ব ভুলে গিয়ে অন্যের কাঁধে দায় চাপাই। বর্তমানে যে তাপপ্রবাহ চলছে তার অন্যতম প্রধান কারণ বৃক্ষ নিধন। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। সেই সঙ্গে দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে সকলকে সচেষ্ট হতে হবে। এজন্য সচেতনতার বিকল্প নেই। 

আগস্ট ১৭, ২০২৬

রাজশাহীর মোহনপুরে গৃহবধূর কবজি কর্তন, বিচারের দাবিতে কাটা হাত নিয়ে থানায় স্বামী

পারিবারিক বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে রাজশাহীর মোহনপুরে ফাহিমা (৪২) নামের এক গৃহবধূর ডান হাতের কবজি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। নিজ স্বামীর দুলাভাই জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর এই হামলার অভিযোগ উঠেছে। নৃশংস এই ঘটনার পর অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্ত্রীর বিচ্ছিন্ন কবজি হাতে নিয়ে সরাসরি মোহনপুর থানায় হাজির হন ভুক্তভোগীর স্বামী শরিফুল ইসলাম।​শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার বাকশিমইল ইউনিয়নের করিশা গ্রামে এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে শরিফুল ইসলামের পরিবারের সাথে একই গ্রামের মৃত মাইনুল ইসলামের ছেলে এবং তাঁর দুলাভাই জালাল উদ্দিনের বিরোধ চলছিল। শনিবার সন্ধ্যায় সেই শত্রুতার জেরে জালাল ধারালো চাপাতি নিয়ে ফাহিমার ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে কোপ লেগে ফাহিমার ডান হাতের কবজি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। রক্তাক্ত ও মারাত্মক আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ফাহিমাকে তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন স্বজন ও স্থানীয়রা।​পরদিন রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে আহতের স্বামী শরিফুল ইসলাম স্ত্রীর বিচ্ছিন্ন হওয়া কব্জিটি একটি পাত্রে করে নিয়ে মোহনপুর থানায় গিয়ে হাজির হন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আকুতি জানান। কাটা হাত নিয়ে থানায় উপস্থিত হওয়ার ঘটনাটি থানা প্রাঙ্গণে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ​এ মর্মান্তিক ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত তৎপর হয় পুলিশ।রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আকতার জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে হামলায় সরাসরি জড়িত প্রধান অভিযুক্ত জালাল উদ্দিন ও তার সহযোগী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এই হামলায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন এবং গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে

আগস্ট ১৪, ২০২৬

নেত্রকোণায় পিকআপ-সারবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

নেত্রকোণায় ময়মনসিংহ - নেত্রকোণা আঞ্চলিক মহাসড়কের  নারান্দিয়ায় পিকআপভ্যান ও সারবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে  ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৪ জন।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ময়মনসিংহ-নেত্রকোণা সড়কের পূর্বধলা উপজেলার  নারান্দিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।পূর্বধলা থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন  জানান, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোণাগামী একটি পিকআপভ্যানের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা সারবোঝাই একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষ ও এক নারী নিহত হন। স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা  আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে পাঠান হয়।পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে অন্য আহত আরো ২ জন মারা যান।দুর্ঘটনার পর সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্যামগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ ও শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ যান চলাচল চালু করতে  ঘটনাস্থলে কাজ করছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬

চৌগাছায় বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দেয়া ঋতুর এসএসসিতে জিপিএ-৫, উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শঙ্কা

এসএসসি পরীক্ষার মানবিক বিভাগে যখন ফেলের সংখ্যা বেশি, তখন ক্যান্সারের রোগী বাবার লা'শ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় বসা চৌগাছার ঋতু খাতুন জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।ঋতু যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে পরিবারের একমাত্র উপার্জনাক্ষম বাবাকে হা'রিয়ে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শং'কায় পড়েছে অদম্য মেধাবী মেয়েটি।ঋতু খাতুন উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের মৃত কবির হোসেন ও রেহেনা খাতুন দম্পতির ২ মেয়ের মধ্যে ছোট।ঋতুর পরিবার ও স্কুল সূত্রে জানা যায়, ঋতুরা দুই বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ক্যা*ন্সার আক্রান্ত বাবাকে বাড়িতে রেখে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু করে ঋতু। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ঋতুর বাবা কবির হোসেন বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১০ মে ঋতুর ইতিহাস পরীক্ষার দিন ভোর রাতে ঋতুর বাবা হাসপাতালে মা'রা যান। লা*শ বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয় সকালেই। অন্যদিকে উপজেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দুরের গ্রাম হাকিমপুর থেকে চৌগাছা শহরের ছারা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঋতুর পরীক্ষা। ঋতুকে পরিবারের পক্ষ থেকে জানতে দেয়া হয়নি যে তার বাবা মারা গেছেন। পরে ঋতু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছানোর পর লা'শ নেয়া হয় বাড়িতে। পরীক্ষা শেষে বাড়িতে গিয়ে ঋতু জানতে পারে বাবা আর ইহজগতে নেই। শেষ বারের মত বাবার মুখ দেখে বিদায় দিয়ে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বসতে হয় তার। বাবা হা'রানোর শোক নিয়েই পরবর্তী পরীক্ষাগুলো শেষ করে ঋতু। ১০ আগস্ট রেজাল্টের পর দেখা যায় ঋতু জিপিএ-৫ পেয়েছে।রেজাল্টের পর প্রতিক্রিয়ায় ঋতু জানায়, বাবা বেঁচে থাকলে রেজাল্ট দেখে খুবই খুশি হতেন। সবার কাছে বাবার জন্য দোয়াও প্রার্থনার পাশাপাশি বাবার অবর্তমানে নিজের উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শঙ্কার কথাও জানিয়েছে সে।স্কুলের সহকারী শিক্ষক শাহানাজ পারভীন জানান, ঋতু খুবই মেধাবী। সে ভালো করবে এটা শিক্ষকরা প্রত্যাশা করতেন। অসুস্থ বাবা ও পরিবারের দারিদ্রতার বাঁধা ঋতুর ফলাফলে কোন বাঁধা হয়ে দাড়াতে পারেনি। স্কুলের শিক্ষকদের প্রত্যাশা ঋতু ভবিষ্যতেও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখবে। সমাজের বিত্তবানদের বাবাহারা ঋতুর পাশে দাড়ানোর আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, কোন শিক্ষা বৃত্তির ব্যবস্থা করতে পারলে ঋতুর উচ্চ শিক্ষা সহজ হবে।চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, এটি খুবই খুশির সংবাদ। উপজেলা প্রশাসন এই অদম্য মেধাবীর পাশে থাকবে। ঋতুর উচ্চ শিক্ষার বিষয়ে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে বলেও জানান তিনি।/টি

আগস্ট ১০, ২০২৬

পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর বিকল্প নেই: বরকত উল্লাহ বুলু

মানিক ভূঁইয়া, নোয়াখালী প্রতিনিধি:পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলু এমপি।রোববার (৯ আগস্ট) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাসান হাট স্কুলে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড চৌমুহনী শাখার উদ্যোগে এক হাজার গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহাব উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইমাম হোসেন বাবুল। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক চৌমুহনী শাখার ব্যবস্থাপক এম এ হান্নান।বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের সঠিকভাবে তত্ত্বাবধান করতে হবে। একই সঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মকে জাতীয় এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত করতে হবে।অনুষ্ঠানে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন, বকশী হাট শাখার ব্যবস্থাপক মাসুদুর রহমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এক মিলিয়ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।  

আগস্ট ০৯, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo