logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/রাজনীতি
আমরা কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিইনি, দেবও না‌: ফখরুল - image

আমরা কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিইনি, দেবও না‌: ফখরুল

01 মার্চ 2026, বিকাল 3:12

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী  মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যার যেটা কাজ সে সেটা করবে। যারা দুর্নীতি করবে তাদের দেখার জন্য দুদক আছে। আমরা কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেইনি, দেবও না।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সরকারি সকল দপ্তরের অফিস প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে একটি টিম এসেছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের মধ্যেই মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।তিনি আরও জানান, জেলা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি এবং আগামী প্রকল্পগুলোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মাদক নিয়ন্ত্রণে।মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের উন্নয়ন, পৌরসভার অবকাঠামো ও কৃষি প্রকল্প বাস্তবায়ন, জনগণের খাদ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নারীদের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে জেলায় ফ্যামিলি কার্ডের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।উপদেষ্টাদের দুর্নীতিবিষয়ক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এ বিষয়ে সময় নষ্ট না করে ভবিষ্যতের জন্য কাজ করা উচিত। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশকে সমৃদ্ধ করা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দৃঢ় করা।এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, জেলা পুলিশ সুপার বেলাল হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।/টিএ

মার্চ ০১, ২০২৬

কোনো অপরাধীদের স্থান বিএনপিতে নেই: মঈন খান

সহিংসতা বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিষয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, কোনো অপরাধীর স্থান এই দলে নেই, এই রাজনীতিতে নেই। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি করেছে, তা পূরণ করা রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব। দেশ পরিচালিত হবে আইনের শাসনের ভিত্তিতে।প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, অংশগ্রহণমূলক ও সহনশীল রাজনীতিই আমাদের লক্ষ্য। দলীয় অবস্থান ও সম্ভাব্য বিভিন্ন পদ নিয়ে ছড়ানো গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কে কোথায় যাচ্ছে বা কে কী পদ পেতে পারে—এসব নিয়ে আমরা বিভ্রান্ত নই। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। বিএনপি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের পক্ষে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তিনি আরও বলেন, সহিংসতা, জুলুম বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিষয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট। আইনের আওতায় বিচার হতে হবে। কোনো অপরাধীর স্থান এই দলে নেই, এই রাজনীতিতে নেই।বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত করে মঈন খান বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই দেশ পরিচালনা করবে। আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি করি না, করবও না। আমরা চাই স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ। রাষ্ট্রপতি পদসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলীয় আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব সিদ্ধান্ত দলীয় ফোরামে আসে এবং সময়মতো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। গুজবের ভিত্তিতে রাজনীতি হয় না।শেষে তিনি বলেন, এই দেশ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। এটি ১৮ কোটি মানুষের বাংলাদেশ। জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণই হবে মূল শক্তি।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

ঢাকা-৮ আসনের শপথ স্থগিত চেয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আবেদন

ঢাকা-৮ আসনের শপথ স্থগিত রাখার আবেদন করেছেন ১১ দলীয় জোটের পক্ষে শাপলা কলির প্রার্থী এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর গতকাল (শনিবার) নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর লেখা আবেদনটি তার পক্ষে আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ইসিতে জমা দেন এনসিপি নেতা কাজী ফখরুল ইসলাম।আবেদনে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী ১১ দফায় ১২টি কেন্দ্রের অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেন।আবেদনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ঢাকা-৮ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ও তার নেতা-কর্মী, এজেন্ট, পরিবারের সদস্য কর্তৃক ভোট রিগিং, প্রভাব বিস্তার, ফলাফল আটকে রাখা, বাতিলকৃত ভোট গণনাভুক্ত করাসহ নানাবিধ নির্বাচনী অনিয়মের আশ্রয় নেয় এবং এক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইজিং অফিসার এবং আসনের রিটার্নিং অফিসার নির্বাচনী অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে এবং ভোট কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে আমাকে চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণা না করে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেন।আবেদনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছে, ‘সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমি এই দরখাস্তের মাধ্যমে কারচুপি ও অনিয়মের বিষয় নির্বাচন কমিশনের নজরে আনছি এবং আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

বাংলাদেশই বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা: তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সবসময় বলতেন—বাংলাদেশ ছাড়া তাদের আর কোনো ঠিকানা নেই। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীও বিশ্বাস করে, বাংলাদেশই তাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা। এ বিশ্বাস থেকেই বিএনপি জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছে এবং জনগণের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করতে চায়। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।তারেক রহমান বলেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে জনগণ তাদের দীর্ঘদিন ধরে কেড়ে নেওয়া অধিকার প্রয়োগ করবে। এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নয়, বরং একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। তিনি বলেন, দেশকে পুনর্গঠন করতে হলে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন, আর সেই লক্ষ্যেই বিএনপি একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের কাছে এসেছে।নারীদের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, নারীদের কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত না করলে দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। খালেদা জিয়া তার শাসনামলে নারীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। ভবিষ্যতেও নারীদের স্বাবলম্বী করতে বিএনপি কাজ করবে। তিনি জানান, প্রত্যেক নারীর কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে তারা রাষ্ট্রীয় সহায়তা সহজে পেতে পারে।একই সঙ্গে কৃষকদের প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে, যার মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ নেওয়া সম্ভব হবে। তিনি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের ঘোষণা দেন এবং বলেন, এনজিও থেকে নেওয়া ক্ষুদ্রঋণ সরকারের পক্ষ থেকে পরিশোধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই অঞ্চল কৃষিনির্ভর হওয়ায় কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিকে পরিণত করার কথাও জানান তিনি।জনসভায় তিনি পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে চিনিকল ও তাঁতশিল্প স্থাপন, ক্যাডেট কলেজ নির্মাণ, হিমাগার স্থাপন, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রতিশ্রুতি দেন। তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনি জনসভায় এক দল আরেক দলের বিরুদ্ধে কথা বললে জনগণের কোনো উপকার হয় না; জনগণ জানতে চায় কে তাদের জন্য কী করবে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে ধর্ম কোনো বিষয় ছিল না এবং আগামীতেও বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দ্রুত ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।টিএ

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬

২০ বছর পর সিরাজগঞ্জ যাচ্ছেন তারেক রহমান

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ধানের শীষের প্রচারণায় সারা দেশে ঘুরছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরই অংশ হিসেবে প্রায় ২০ বছর পর সিরাজগঞ্জ জেলায় সফরে যাচ্ছেন তিনি। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় রংপুর থেকে ঢাকায় ফেরার পথে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকপাড়ায় বিসিক শিল্প পার্কে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। এই মঞ্চে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার সব সংসদীয় আসনের দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন তিনি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের এমপি পদপ্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা জনসভাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘তারেক রহমানের জনসভা সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।’ উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর তারেক রহমান সর্বশেষ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ধোপাকান্দি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন। /টিএ

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

‘দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে কাজ করার আহ্বান’

সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।জানা গেছে, বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে বিএনপির চেয়ারম্যান মঞ্চে উঠেন। মঞ্চে ওঠার আগে তারেক রহমান সমাবেশেস্থলের পাশে থাকা জুলাই আন্দোলনের আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।এর আগে স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ এবং ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় তার কাছে ময়মনসিংহের তারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান স্থানীয় নেতারা।তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, লৎফুরজ্জামান বাবর।/টিএ

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

দিল্লি নয় পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

 ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। এভাবেই দলের নীতি তুলে ধরছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানবৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে পুণ্যভূমি সিলেটে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।দেশ গড়তে ধানের শীষে ভোট চেয়ে তারেক রহমান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি। এই নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হলে দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে।ধানের শীষ নির্বাচিত হলে স্বৈরাচারমুক্ত দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে। তাই ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে হবে। এসময় উপস্থিত নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে তিনি জানতে চান, তারা ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে পারবেন কি না? জনস্রোত থেকে তখন হাত তুলে ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব আসে। তারেক রহমান এসময় বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ’। বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’ এসময় বিএনপির আগের একটি স্লোগান ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’-এর ব্যাখ্যা দেন তিনি।তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারে গেলে মা–বোনদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চায়। সিলেটের বহু মানুষ বিদেশে যায়।আমরা মানুষকে ট্রেনিং দিতে চাই। কাজের সুযোগ তৈরি করে দিতে চাই। ‘যারা পালিয়ে গেছে, তারা বাকস্বাধীনতা, ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তারাই ইলিয়াস আলী, দিনারের মতো শত হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। গুম-খুনের মামলা দিয়ে জর্জরিত করা হয়েছে।’গত ১৬ বছর এই দেশকে অন্য দেশের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে দেশের জনগণের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।তথাকথিত উন্নয়নের নামে অর্থ লুটপাট হয়েছে। এই অবস্থার উন্নয়ন করতে চাই। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। দেশে-বিদেশে বসে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের থেকে সচেতন থাকতে হবে। দেশের মানুষ আগেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে। আগামীতেও জনগণ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।তারেক রহমান বক্তব্যের মধ্যে সমাবেশে আসা কে হজ করেছেন জানতে চান। কয়েকজন হাত ওঠালে তিনি একজনকে ডেকে নেন মঞ্চে। তার নাম এটিএম হেলাল, বাড়ি সুনামগঞ্জে। তারেক রহমান বলেন, ‘এই সুনামগঞ্জের মানুষ আছে এখানে?’ জবাবে অসংখ্য লোক হাত তোলেন। তখন তারেক রহমান বলেন, ‘এই লোক আপনাদের?’ জনতা ‘হ্যাঁ’ উত্তর দেন।তাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘কাবা শরীফের মালিক কে?’ হেলাল তখন বলেন—‘আল্লাহ’। তারেক রহমান বলেন, ‘এই দুনিয়া, পৃথিবীর মালিক কে?’ উত্তর আসে—‘আল্লাহ’, একইভাবে ‘সূর্য-নক্ষত্রের মালিক কে?’, ‘আল্লাহ’, ‘বেহেশত-দোযখের মালিক কে?’, ‘আল্লাহ’ প্রশ্নোত্তর শোনা যায়। তখন তারেক রহমান বলেন, আপনারা সবাই সাক্ষ্য দিলেন, বেহেশত-দোযখ, চন্দ্র, নক্ষত্র, এই পৃথিবী ও কাবার মালিক আল্লাহ।তিনি একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কি অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? তাহলে কী দাঁড়াল, একটি দল বেহেশত দেওয়ার কথা বলে, সেটা শিরক হবে না? যার মালিক আল্লাহ, কাজেই আগেই তো আপনাদের ঠকাচ্ছে। নির্বাচন হলে কেমন ঠকানো ঠকাবে? শুধু ঠকাচ্ছে না মানুষকে, যারা মুসলমান, তাদের শিরক করাচ্ছে তারা—নাউজুবিল্লাহ।’বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, প্রিয় ভাই-বোনেরা, কেউ কেউ বলে, ওমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। ১৯৭১ সালে লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে প্রিয় মাতৃভূমি। সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার সময় যাদের ভূমিকার কারণে এই দেশের লক্ষ লক্ষ ভাইয়েরা শহীদ হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মা-বোনেরা সম্মানহানি হয়েছে, তাহলে তো, তাদের বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে।‘প্রিয় ভাই-বোনেরা, এই গোষ্ঠী, এই হঠকারিতা, মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের টেক ব্যাক বাংলাদেশে থাকতে হবে। আমরা দেশকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করেছি। এখন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করলে হবে না, মানুষকে স্বাবলম্বী করে নিজের পায়ে গড়ে তোলার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রত্যেক মানুষ যাতে ঠিকভাবে, ভালোভাবে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে পারে। মানুষ যাতে নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে, এটাই হচ্ছে—টেক ব্যাক বাংলাদেশ।’তিনি বলেন, আমরা বিগত ১৫ বছর দেখেছি, অমুককে দেখেছি, তমুককে ক্ষমতায় রাখার জন্য, সে জন্যই বলেছি দিল্লি নয়। আমরা দেখেছি, যারা ’৭১ সালে ছিল, তারা ওদের সঙ্গে লাইন মেরেছিল। যাদের কথা একটু আগে বললাম, যারা মিথ্যা কথা বলে মানুষকে ঠকাচ্ছে। আমরা দেখেছি, তাদের আস্তানা কোথায়—যেমন দিল্লি নয়, তেমন পিন্ডি নয়, নয় অন্য দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।তারেক রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি দেশের সব মানুষ হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস, সে জন্যই আমরা দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বিশ্বাস করি। কেবল ভোট ও কথা বলার অধিকার নয়, দেশের মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে মা-বোনদের, কৃষক-শ্রমিক, যুবকসহ সব শ্রেণির মানুষকে বিএনপি চায় ক্ষমতায় গেলে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে।‘আরেকটি কথা বলি—আমরা দেখেছি—শহীদ জিয়ার সময়, বেগম খালেদা জিয়ার সময় দেশকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম। দেশে কলকারখানা গড়ে তোলা হয়েছিল, মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল। তাই সবার আগে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ। আগামী ১২ তারিখে ভোটে জিতে নবী করিম (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করবো। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’  

জানুয়ারি ২২, ২০২৬

তারেক রহমানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন।মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাক্ষাৎ হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও চলমান ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।এর আগে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ড. মাহাদী আমিন এবং প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।/টিএ

জানুয়ারি ২০, ২০২৬

প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচারের জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিক সরকার: তারেক রহমান

প্রতিটি অন্যায়ের বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আগামী দিনে অবশ্যই বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’ এর উদ্যোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে, গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।এ সময় তিনি বলেন, ‘আবার যদি আমরা একটি দায়িত্বশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সরকার গঠনের সুযোগ হাতছাড়া করি, তাহলে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের প্রতি জুলুম করা হবে, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি অমর্যাদা করা হবে। ৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন এ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, নব্বইয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত ১৬ বছরে যারা গুম-শহীদ হয়েছেন, বিভিন্নভাবে নির্যাতিত-পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, চব্বিশের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, যারা বিভিন্নভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচারকে যদি প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তাহলে আগামী দিনে অবশ্যই বাংলাদেশের একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রয়োজন।গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আজকে সামনে বসে আছেন, এখানে উপস্থিত হয়েছেন শত কষ্ট বুকে নিয়ে, এ মানুষগুলো যাতে ন্যায়বিচার পেতে পারে দেশের আইন অনুযায়ী যাতে ন্যায়বিচার পেতে পারে, সেই ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার একটি মাত্র উপায় হচ্ছে বাংলাদেশে আগামী দিনে অবশ্যই একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যেই সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করবে, যেই সরকার মানুষের, যারা নির্যাতিত হয়েছেন, অত্যাচারিত হয়েছেন তাদের প্রতি ন্যায় বিচার করবে।’তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আসুন, আমরা আজকে সেই শপথ গ্রহণ করি, আমরা আজকে সেই প্রত্যাশা করি। আপনাদের আজকে এখানে আসা এখানে উপস্থিত হওয়া যাতে বৃথা না যায়।আপনাদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, সেই অন্যায়ের বিচার যাতে হতে পারে, আপনারা যাতে ন্যায়ের ন্যায্যতা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যেন আমরা কাজ করি।’কেউ কেউ গণতন্ত্রের পথকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাপ্রিয়, গণতন্ত্রপ্রিয় প্রতিটি মানুষের সামনে জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। কেউ কেউ বিভিন্ন রকম কথা বলে একটি অবস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে, গণতন্ত্রের যে পথ তৈরি হয়েছে সেটি যাতে বাধাগ্রস্ত হয়।’এ সময় তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আমি অনুরোধ করব, বাংলাদেশের দল মত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, সে প্রতিটি মানুষকে আজ সজাগ থাকার জন্য- যারা বিভিন্ন উসিলা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করে গণতন্ত্রের পথকে আবার নষ্ট করার বা ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন, তারা যাতে সফল হতে না পারে।/টিএ

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে।  শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে দলটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।বৈঠক শেষ দলটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দলের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। এ প্রেক্ষিতে বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে শূন্য পদে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে তিনি দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।/টিএ

জানুয়ারি ১০, ২০২৬

১৯ বছর পর বগুড়ায় তারেক রহমানের সফর

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী রোববার, ১১ জানুয়ারি ঢাকার বাইরে তার প্রথম সফরে যাচ্ছেন। সফরের শুরুতেই তিনি বগুড়া সফর করবেন, যা দীর্ঘ ১৯ বছর পর তার বগুড়ায় আগমন। বিএনপির গুলশান কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপকালে তারেক রহমান নিজেই এ সফরের কথা জানান। সোমবার রাতে অনুষ্ঠিতব্য দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সফরটি চূড়ান্ত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক শিডিউল ঘোষণা করা হতে পারে।বগুড়া জেলা বিএনপির সূত্র অনুযায়ী, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর বগুড়া সফর করেছিলেন। দীর্ঘ ১৯ বছর ১৮ দিন পর আবার বগুড়ার মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন তিনি। এ উপলক্ষে জেলার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বহুদিন পর প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।সফরসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে তারেক রহমান বগুড়ায় পৌঁছাবেন এবং রাতে একটি হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি সকাল ১০টায় শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত গণদোয়া কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। এই দোয়া মাহফিল তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হবে।গণদোয়া শেষে তারেক রহমান শহরের সাতমাথা, তিনমাথা ও মাটিডালি হয়ে মহাস্থানে হযরত শাহ সুলতান বলখী মাহী সাওয়ার (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি রংপুরের উদ্দেশে রওনা দেবেন। রংপুরে গিয়ে তিনি জুলাই শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন বলে জানিয়েছেন বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল।দীর্ঘদিন পর নেতার আগমন উপলক্ষে গণসংবর্ধনাসহ নানা কর্মসূচির চিন্তা করা হলেও নির্বাচনী আচরণবিধির কারণে তা বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং তার মনোনয়নপত্র ইতোমধ্যে বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়া রংপুরে যাওয়ার পথে শিবগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে সংক্ষিপ্তভাবে স্বাগত জানাবেন।/টিএ

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬

নভেম্বরের শেষের দিকেই দেশে ফিরছেন তারেক রহমান: সালাহউদ্দিন আহমদ

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরতে পারেন বলে বেশ কয়েকদিন ধরে গুঞ্জণ উঠেছিলো। কিন্তু এবার তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে নতুন তথ্য জানালেন স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, চলতি মাসের শেষের দিকে দেশে ফিরবেন  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকায় নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা আশা করছি, এই মাসের শেষের দিকেই তিনি দেশে ফিরবেন। দু-একদিন এদিক-ওদিক হতে পারে, তবে আমরা আশাবাদী।এর আগেও বিএনপির নেতারা বারবার জানিয়েছেন, খুব শিগগির তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। নভেম্বরের শেষ নাগাদ তার ফেরার সম্ভাবনার কথাও দলের ভেতর থেকে শোনা যাচ্ছিল। তবে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ জানায়নি বিএনপি।২০০৮ সালে জরুরি অবস্থার সময় পরিবারসহ দেশ ছাড়েন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। তখন থেকে তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। জুলাই মাসের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার জটিলতা কেটে গেলেও তিনি এখনো দেশে ফেরেননি। গত ৬ অক্টোবর বিবিসি বাংলায় প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কবে দেশে ফিরবেন। উত্তরে তিনি বলেন, দ্রুতই মনে হয়। দ্রুতই ইনশাআল্লাহ।সাক্ষাৎকারে জানতে চাওয়া হয়, নির্বাচনের আগে তিনি দেশে থাকবেন কি না। জবাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, রাজনীতি করছি, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নির্বাচনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন যখন হবে, তখন আমি কীভাবে দূরে থাকব? আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা, ইচ্ছা ও আগ্রহ থাকবে সেই প্রত্যাশিত নির্বাচনে জনগণের মাঝেই থাকার। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে দল পরিচালনা ও নির্বাচনী কৌশলে সক্রিয় ভূমিকা রাখলেও তারেক রহমান কখনো সরাসরি ভোটের ময়দানে প্রার্থী হননি। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাহজাহানপুর) এবং ১৯৯৬ সালের জুন থেকে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে নির্বাচন করে আসছেন। এই দুই আসনে তিনি কখনো পরাজিত হননি। মায়ের সেই ঐতিহ্যবাহী আসনেই এবার ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারেক রহমান। আগামী এয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নেতাকর্মীরা সারাদেশে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর এই মহুর্তে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবরে নতুন করে উজ্জীবিত হচ্ছে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। আ/ই 

নভেম্বর ১২, ২০২৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo