logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/জাতীয়
এবার কমছে ফোনের দাম, মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য বিরাট সুখবর - image

এবার কমছে ফোনের দাম, মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য বিরাট সুখবর

13 জানুয়ারি 2026, বিকাল 7:37

সস্প্রতি কারওয়ান বাজারে মোবাইল ব্যবসায়ীরা এনইআইআর এবং মোবইলেরর বাড়তি ভ্যাট ট্যাক্স কমানোর জন্য আন্দোলনে নেমেছিলেন।  সে সময় ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর পরেই জনমনে শংঙ্কা ওঠেছিলো এই বুঝি বাড়লো মোবাইলের দাম। তবে এবার মোবাইল ফোন ব্যাবহার কারীদের জন্য বিরাট সুখবর দিলো অন্তবর্তী  সরকার।   এমন আন্দোলনের পর অনেকেই বছরের শুরুতেই নতুন ফোন কিনে ফেলেছেন, কিন্তু যারা এখনো নতুন ফোন  কিনেননি তাদেরই এবার কপাল খুলছে। হয়তো তার এখন কম বাজেটেই কিনতে পারবেন পছন্দের ফোন।ব্যবসায়ীদের টানা আন্দোলন, বাজারে বিক্রি কমে যাওয়া এবং উচ্চ দামের কারণে ভোক্তা সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর নতুন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এনবিআরের এমন সিদ্ধান্তের ফলেই কমছে ফোনের দাম।  এনবিআরের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জানাগেছে, সম্পূর্ণ প্রস্তুত মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এতে আমদানিকৃত ফোনে মোট শুল্কের বোঝা প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। একই সঙ্গে দেশে মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পকে সহায়তা দিতে সংযোজন উপকরণ আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টদের মতে, শুল্ক কমানোর এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়বে বাজারদরে। ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে প্রতিটি সেটে দাম প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে। আর দেশে সংযোজিত ফোনের দাম গড়ে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুল্ক ছাড় তাদের দীর্ঘদিনের দাবির ফল। তবে ভোক্তা পর্যায়ে এই সুবিধা কতটা দ্রুত ও পুরোপুরি পৌঁছায়, তা নির্ভর করবে বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। এখন শুল্ক ছাড়ের প্রভাব বাস্তবে কতটা প্রতিফলিত হয়, সেদিকেই নজর বাজারের।/টিএ

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

তরুণদের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা

যুবসমাজের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে আঞ্চলিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর জোর দেন তিনি।মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তিন দিনব্যাপী ‘দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা’ শীর্ষক আঞ্চলিক সম্মেলন (সার্চে-২০২৬)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মোহাম্মদ ইউনূস।তিনি বলেন, ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের শিক্ষাবিদদের একত্র হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত কয়েক মাসে ঢাকায় যা ঘটেছে, তা পর্যালোচনার একটি সুযোগ এই সম্মেলন তৈরি করেছে। এসব ঘটনা পর্যালোচনা করলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও সামগ্রিকভাবে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য আরও স্পষ্ট হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অধীনে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই তরুণদের নিজেদের চিন্তা ও মনন আছে। তারা ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে জীবন দিয়ে প্রতিবাদ করেছে। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগেই এই শহরে তরুণরা কেন অস্ত্রের মুখে দাঁড়িয়ে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিল— তাদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা না করলে একটি বড় সুযোগ নষ্ট হবে।শিক্ষার্থীদের প্রেরণার উদাহরণ হিসেবে তিনি শহীদ স্কুলছাত্র শাহরিয়ার খান আনাসের মায়ের কাছে লেখা চিঠির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে বন্ধুদের সঙ্গে রাজপথে নামাকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছিল সে।অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এসব ঘটনা হঠাৎ কোনো বিস্ফোরণ নয়। শ্রীলঙ্কা ও নেপালেও এমন ঘটনা ঘটেছে, তবে ঢাকায় তা ঘটেছে আরও ব্যাপকভাবে। তিনি সম্মেলন আয়োজনের জন্য বিশ্বব্যাংককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতার এমন আয়োজন সার্কের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সার্ককে আজ প্রায় ভুলে যাওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, সার্কের মূল ধারণাই ছিল পারস্পরিক বিনিময় ও একে অন্যের কাছ থেকে শেখা। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানিয়ে আসছেন এবং এ দাবি তিনি বারবার জানিয়ে যাবেন।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গণঅভ্যুত্থান দেশের পুরোনো কাঠামোকে ভেঙে দিয়েছে। তরুণরা নিজেদের জুলাই সনদ তৈরি করেছে এবং তারা মনে করে, দেশের সমস্যার মূল নিহিত রয়েছে সংবিধানে। সে কারণেই ভবিষ্যৎ সংবিধান নির্ধারণে গণভোটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এই বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এসব বিষয় শ্রেণিকক্ষে পড়ানো হয় না। অথচ তরুণরা ইতিমধ্যে নিজেদের রাজনৈতিক দল গঠন করেছে; ভবিষ্যতে তাদের কেউ কেউ সংসদে নির্বাচিতও হতে পারে, এমনকি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বও পেতে পারে।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা মৌলিকভাবে চাকরিকেন্দ্রিক, যা তিনি ভুল বলে মনে করেন। শিক্ষার উদ্দেশ্য কেবল চাকরির জন্য মানুষ তৈরি করা— এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, মানুষ জন্মগতভাবেই সৃজনশীল; সৃজনশীলতাই মানবসভ্যতার মূল শক্তি। চাকরিনির্ভর শিক্ষা সেই সৃজনশীল মানুষকে দাসে পরিণত করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত তরুণদের উদ্যোক্তা ও পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা, চাকরিপ্রার্থী নয়। কল্পনাশক্তিই মানুষের মূল শক্তি, আর সেই কল্পনাশক্তির জোরেই তরুণরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে জীবন দিয়েছে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।/টিএ 

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কার্যক্রম প্রভাবমুক্ত রাখতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত দেশের কোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতিমধ্যে সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়েছে, একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে নির্বাচনকালীন সময়ে যাতে কোনো ধরনের প্রভাব বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচন ছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব ধরনের নির্বাচন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতি, সাংবাদিক সমিতি, বণিক সমিতি, সমবায় সমিতি, ট্রেড ইউনিয়নসহ দেশের সব সংগঠনের নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর পর আয়োজন করতে হবে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।/টি

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে বাতিল হওয়া মনোনয়ন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে ফিরে পেয়েছেন তাসনিম জারা।শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন কমিশন। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।গত ৩ জানুয়ারি তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। পরে ৫ জানুয়ারি বিকেলে ইসিতে গিয়ে আপিল জমা দেন তিনি।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুরু হয়েছে আজ। যা চলবে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিলের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অঞ্চল ভিত্তিক ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা প্রার্থীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কেউ ইসিতে আপিল করতে পারবেন।/টিএ

জানুয়ারি ১০, ২০২৬

দুটি আসনে নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশে পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি)  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, আপিল বিভাগের আদেশেই এ সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গত ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির সংশ্লিষ্ট অংশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইসি ও এক প্রার্থীর করা আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে ইসি গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। এতে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো এলাকা নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলাকে নিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।ইসির ওই গেজেটে পাবনার এই দুই আসনসংক্রান্ত অংশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১৮ ডিসেম্বর রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে রায় দেওয়া হয়।রায়ে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে ইসির গেজেটের সংশ্লিষ্ট অংশকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে পাবনার সংসদীয় আসন দুটি আগের অবস্থায় পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।এরপর গত ২৪ ডিসেম্বর ইসি পাবনার দুই আসন নিয়ে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে আগের মতো পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভাসহ বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন—হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা—নিয়ে পাবনা-১ আসন গঠিত হয়। আর পাবনা-২ আসন গঠিত হয় বেড়া উপজেলার অবশিষ্ট পাঁচটি ইউনিয়ন ও পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে।/টিএ

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬

জুলাইয়ে বীরত্বের জন্য সম্মাননা পেল ১২শ আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিক

আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'জুলাই বীর সম্মাননা' প্রদান অনুষ্ঠান। এতে জুলাই আন্দোলনে আহত, শহীদ পরিবার এবং সাংবাদিকদের মাঝে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।বুধবার (৭ জানুয়ারি) ফেলানী হত্যা দিবসে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে ও জেএএম সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)এ দিনব্যাপী আগ্রাসন বিরোধী জুলাই সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ জনের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে জুলাইয়ে সাহসীকতার স্বীকৃতি স্বরুপ ১০২ জন সাংবাদিককে বার্তাবীর সম্মাননা দেওয়া হয়।সংগঠনটির সদস্য সচিব আলামিন আটিয়া ও ডাকসুর সদস্য তাজিনুর রহমানের সঞ্চালনায় ও ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক তারেক আজিজের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেএএম সংস্থার চেয়ারম্যান মেহরিন উজমা। এছাড়াও বিভিন্ন দল, ছাত্র সংগঠনের নেতা, শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত এবং সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী বলেন, আজ আমরা মুক্ত হয়েছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সফলতার কারণে। শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্র-জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। যারা সেসময় নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে তাদের বিচার অবশ্যই এই বাংলার মাটিতে হতে হবে। আমরা আজ প্রাথমিকভাবে আপনাদের পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত। আগামীতেও এই ধারা অব্যহত থাকবে। শুধু তাই নয়, আপনাদের কর্মসংস্থান কিভাবে তৈরি করা যায় তা নিয়েও আমরা কাজ করব।ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্ল্যাহ সিগবাহ জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষে সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে জানান " জুলাই শহীদ ও শহীদ বিচার নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র হলে তার পরিনাম ২য় জুলাই হবে। বাংলার বুকে বিদেশি আধিপত্যবাদ কায়েম করে আর কোন নব্য ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেয়া হবে না।সভাপতির বক্তব্যে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোঃ তারেক আজিজ বলেন, দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে দেড় বছর পর জুলাই যোদ্ধা আহত রা এসেছেন,জুলাই কে পুনরুজ্জীবিত করেছেন, তাই সকলকে অন্তরের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।জুলাই গাদ্দারদের কবলে পড়েছে। বাঁচাতে,বিচার পেতে এবং আগ্রাসন বিরোধী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জুলাই যোদ্ধা দের বিকল্প নাই।৭জানুয়ারি ফেলানী হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলা হয়। জুলাই যোদ্ধাদের নেতৃত্বে জেলা,উপজেলা,পাড়া, মহল্লায় আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন এর শক্তিশালী দল গড়ে তুলুন। দিল্লি, পিন্ডি,ওয়াশিংটন, লন্ডন কারো আধিপত্য বা পুতুল সরকার এ দেশে চলতে দেওয়া হবে না এটাই হবে জুলাই এর মূল আকাঙ্খা বাস্তবায়ন।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬

'জুলাই বার্তাবীর' সম্মাননা পেলেন এটিএন বাংলার আল ইমরান

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকারস্বীকৃতিস্বরূপ আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের পক্ষ থেকে ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা’ পেলেন দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টেলিভিশন এটিএন বাংলার ডিজিটাল-অনলাইনের নিউজ এডিটর আল ইমরান। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকেএ সম্মাননা দেওয়া হয়।‘আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজনকরা হয়। আন্দোলন চলাকালে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, সাহসী ভূমিকা ও ঘটনাস্থল থেকে বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য ১০২ জন সাংবাদিককে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।সাংবাদিক আল ইমরান বলেন, ’জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকরাও মাঠে থেকে সত্য ও বস্তু নিষ্ঠা সংবাদ প্রকাশ করে  গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছিলেন।  সাংবাদিকদের এই ভুমিকার কারণে ইজুলাই আন্দোলন আরো বেশি ত্বরান্বিত করে। জুলাইয়ের এই সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের সম্মাননা দেয়ায় আমি আনন্দিত। ’তিনি আরো বলেন, ’জুলাই আন্দোলনে সারাদশে ৬ জন সাংবাদিক নিহত এবং আহত হয়েছেন অনেকেই। কিন্তু এসব সাংবাদিকদের পরিবারকে যথাযথ মূল্যায়ণ করা হয়নি। অনেকেই জুলাইয়ের হিস্যা বুঝে পেলেও আড়ালে থেকে গেছেন এই সম্মুখ সারির যোদ্ধারা। যেসব সাংবাদিকরা নিহত ও আহত  হয়েছেন। তাদের পরিবারকে রাষ্ট্রের উচিত যথাযথ মূল্যায়ন করা।’/টিএ

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

জুলাই বিপ্লবী ও ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী ‘ইনকিলাব মঞ্চ’র মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এতে শুটার পলাতক ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ডিএমপির ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।  তিনি বলেন, তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলেই চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। চার্জশিট দেওয়া ১৭ জনের মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার এবং পাঁচজন পলাতক রয়েছে। হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ডিবিপ্রধান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই হাদিকে হত্যা করা হয়।  অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের কথিত ভিডিওবার্তা নিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ভিডিও বার্তা দিতেই পারে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী জুলাই বিপ্লবী ওসমান হাদিকে গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে গুলি করে দুই সন্ত্রাসী।গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।  গুলি করার পর শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী  আলমগীর শেখ ভারতে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে ফয়সাল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা।ওসমান হাদির রাজনৈতিক সতীর্থদের অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডে পতিত শক্তি আওয়ামী লীগের হাত আছে।হাদিকে গুলির ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় একটি মামলা করেন। পরে ২০ ডিসেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) ধারা সংযোজনের নির্দেশ দেন।/টিএ 

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬

জকসু নির্বাচনের শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ, চলছে গণনা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ । মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এর আগে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এদিন সকাল থেকে লাইন ধরে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছে শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ছিল উৎসবমুখর। এর মধ্যে নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়।ভোট দিতে আসা শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব রুটে নির্ধারিত সময়ে বাস চলাচল করেছে। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যেই অনেক শিক্ষার্থী দুর-দুরান্ত থেকে ক্যাম্পাসে এসে পৌঁছান।  এদিকে ভোট শেষে ওএমআর পদ্ধতিতে ভোটগণনা শুরু হয়েছে। এবারের জকসু কেন্দ্রীয় সংসদে ১৫৭ জন ও হল সংসদে ৩৩ জন প্রার্থী হয়েছেন। ভোটার সংখ্যা কেন্দ্রীয় সংসদে ১৬ হাজার ৭৩৫ এবং হল সংসদে ১ হাজার ২৪৭ জন। নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ৩৮টি এবং হল সংসদের জন্য ১টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ ছিল। মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে মোট ১৯০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। /টিএ

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬

যেকোনো স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রবেশ করতে পারবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর বা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোন অপতৎপরতা প্রতিরোধে ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভোটকেন্দ্র সহ যেকোন সময় যেকোন স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।উপদেষ্টা আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৯তম সভা শেষে সাংবাদিকদেন ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে ও মাঠ পর্যায়ে আরো সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচার-প্রচারণাকালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থার গ্রহণের জন্য সভায় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। তিনি এসময় সাধারণ জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সহযোগিতা এবং নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, রাস্তাঘাট বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। উপদেষ্টা বলেন, দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরো জোরদার করাসহ অধিক সক্রিয় ও তৎপর থাকা এবং সকল বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্ত সমন্বয় করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় শীঘ্রই চূড়ান্ত চার্জশিট দেয়া হবে। তিনি বলেন, সহযোগী সেজে ফ্যাসিস্টের এজেন্ট বা নাশকতাকারীরা যাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক দোষারোপে নাশকতাকারীরা যাতে সুযোগ না নিতে পারে বা পার পেয়ে যেতে না পারে, সে বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে।উপদেষ্টা জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে চালু হওয়া অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ অভিযানে গতকাল ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ১৪,৫৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাছাড়া এ অভিযানে ২০১টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৫৪১ রাউন্ড গুলি, ৫৬৬ রাউন্ড কার্তুজ, ১৬৫টি দেশীয় অস্ত্র, গ্রেনেড, মর্টারের গোলা, গান পাউডার, আতশবাজি, বোমা তৈরির উপকরণ, ইত্যাদি উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় মামলা ও ওয়ারেন্টমূলে ১৯,২৩৫ জন সহ সর্বমোট ৩৩,৮০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর অংশ হিসেবে চেকপোস্ট ও টহলের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীরা পার না পেয়ে যায় এবং অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার আরো বৃদ্ধি পায়।সভায় কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় ড্রাইভারদের সতর্কভাবে গাড়ি চালানো এবং এ বিষয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতিকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখার উদ্দেশ্যে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য পরিহারের বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তাছাড়া সভায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে কঠোর নজরদারি এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে নিবিড় আলোচনা হয়েছে।প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬

২৭তম বিসিএসে ৬৭৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

২৭তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশক্রমে ৬৭৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫ অনুসারে টাকা ২২০০০-৫৩০৬০/- বেতনক্রমে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।আগামী ১ জানুয়ারি ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়/দপ্তরে তাদের যোগদান করতে বলা হয়েছে।তাদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে সেরূপ পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।দুই বছর শিক্ষানবিস হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিসকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বর্ধিত করতে পারবে। শিক্ষানবিসকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা যাবে।২৭তম বিসিএস পরীক্ষা-২০০৫ এর মাধ্যমে এ পর্যায়ে কর্মকর্তা এবং ২৭তম বিসিএস পরীক্ষা- ২০০৫ এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা আপিল বিভাগের প্রদত্ত রায় অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।/টিএ 

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫

স্মার্টফোনের ইন্টারনেট দ্রুত করার টিপস

স্মার্টফোন এবং উচ্চগতির ইন্টারনেটের এই যুগে ফাইভজি হ্যান্ডসেট বা দামী ডেটা প্যাক ব্যবহার করলেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া যায় না। ধীরগতির ইন্টারনেট দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজ থেকে শুরু করে বিনোদন বা গেমিং—সব ক্ষেত্রেই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিবিদদের মতে, কিছু ছোটখাটো কৌশল অবলম্বন করলে স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।ইন্টারনেটের ধীরগতির অন্যতম প্রধান কারণ হলো ভুল নেটওয়ার্ক মোড নির্বাচন। দ্রুতগতির সেবা পেতে হলে ফোনের সেটিংস থেকে সঠিক নেটওয়ার্ক মোড বেছে নেওয়া জরুরি। অনেক সময় ফাইভজি হ্যান্ডসেট হওয়া সত্ত্বেও সেটিংসের সীমাবদ্ধতার কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়। তাই ফোনের ডিভাইস নেটওয়ার্ক অপশনে গিয়ে সিমকার্ড অনুযায়ী এলটিই, ফোরজি বা ফাইভজি মোড সঠিকভাবে সক্রিয় আছে কি না তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সচল থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয়। আমরা প্রায়ই অ্যাপ ব্যবহার শেষে সরাসরি হোম বাটনে চলে আসি, ফলে অ্যাপগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং প্রচুর ডেটা খরচ করে। ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে হলে ফোনের ‘রিসেন্ট অ্যাপ’ মেনু থেকে অব্যবহৃত অ্যাপগুলো বন্ধ করতে হবে। এছাড়া যেসব অ্যাপ একদমই প্রয়োজন নেই, সেগুলো ফোন থেকে মুছে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ।দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড পাওয়ার আরেকটি কার্যকর উপায় হলো ফোনের লোকেশন বা জিপিএস পরিষেবা বন্ধ রাখা। গুগল ম্যাপসহ লোকেশননির্ভর বিভিন্ন অ্যাপ ফোনের ডেটা ও র‍্যামকে অতিরিক্ত ব্যস্ত রাখে। এমনকি এসব অ্যাপ সরাসরি ব্যবহার না করলেও তারা প্রতিনিয়ত তথ্য সংগ্রহের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে।সুতরাং প্রয়োজন ছাড়া ফোনের কন্ট্রোল প্যানেল বা সেটিংস থেকে লোকেশন অপশনটি বন্ধ রাখলে ইন্টারনেটের গতি আগের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়া সম্ভব। এই ছোট ছোট কৌশলগুলো অবলম্বন করলে স্মার্টফোনের ব্যবহার আরও মসৃণ ও দ্রুত হবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo