logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/জাতীয়
এইচএসসি পরীক্ষা কেন বন্ধ হয়নি, কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী - image

এইচএসসি পরীক্ষা কেন বন্ধ হয়নি, কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

14 জুলাই 2026, বিকাল 4:35

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা কেন পেছানো হয়নি তার কারণ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।মন্ত্রী বলেছেন, ‘সারা বাংলাদেশের ডিসি এবং ইউএনওদের সাথে কথা বলেছি, কুমিল্লা মহিলা কলেজ ছাড়া আর কোথাও সমস্যা হয়নি। সবাই জানিয়েছে পরীক্ষা নিতে কোনো সমস্যা নেই।’আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।মন্ত্রী বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখতে পেলাম কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের মাঠ পানিতে ভরে গিয়েছে। সাথে সাথে আমরা মেয়র, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং ডিসিকে বললাম এই পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তর করার জন্য। তারা তখন সকলকে নৌকায় করে ওই স্কুলের পাঁচ তলা ভবনে পরীক্ষা নিয়েছে।’এ সময় তিনি আরও বলেন, যে শিক্ষার্থীর কাপড় পানিতে ভিজেছে, তার বাড়ি থেকে পোশাক এনে দিয়ে পরীক্ষা দেবার সুযোগ দেয়া হয়েছে।/টি

জুলাই ১৪, ২০২৬

এবার ঢাকা বোর্ড ঘেরাও শিক্ষার্থীদের

‎টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতসহ তিন দফা দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করেছে শিক্ষার্থীদের একাংশ। এর আগে তারা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ‘২০২৬ ব্যাচ এইচএসসি পরীক্ষার্থী’ পরিচয়ে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচি শেষে তারা মিছিল নিয়ে নীলক্ষেত মোড় হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের/মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ গেট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন।এদিন ‎দুপুর প্রায় ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে মিছিলটি ভিসি চত্বরের পূর্ব পাশে পৌঁছালে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। এ সময় সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়ানো হয়। কিছু সময় অবস্থানের পর শিক্ষার্থীরা পুনরায় তোরণ গেট হয়ে পলাশী মোড়ের দিকে অগ্রসর হয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার দিকে আসেন।শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো আমরা শুনছি, পাশাপাশি তাদের বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হচ্ছে। আমরাও সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

জুলাই ১৪, ২০২৬

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মাদক কারবারে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাস

সাইবার স্পেস বা যেকোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য কেনাবেচা, সরবরাহ ও আর্থিক লেনদেনের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে একটি সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। আজ সোমবার  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল’ পাসের জন্য উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে অনুমোদন পায়। নতুন এই সংশোধনীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে (ডিএনসি) আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।বিদ্যমান আইনে সরাসরি মাদক উৎপাদন, বিক্রি ও সেবনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান চালু রয়েছে। তবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংঘটিত মাদক অপরাধ দমনে এবার আইনে নতুন ধারা যুক্ত করা হলো।পাস হওয়া বিল অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে মাদক বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রচার, ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ বা মধ্যস্থতা করা এখন থেকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অপরাধে ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট এমনকি ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল সম্পদের ব্যবহারও শাস্তিমূলক অপরাধের আওতায় পড়বে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সাইবার মাধ্যমে সংঘটিত এসব অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির কাছ থেকে সরাসরি মাদক উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।অপরাধ প্রমাণিত হলে দোষী ব্যক্তিকে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি রাখা হয়েছে অনূর্ধ্ব ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান। তবে এই অপরাধ যদি কোনো আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে ঘটে, সেক্ষেত্রে আসামিদের যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার কথা বলা হয়েছে।ডিজিটাল অপরাধ দমনের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতেও এই বিলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সংস্থাটি তাদের নিজস্ব ডগ স্কোয়াড গঠন করতে পারবে এবং তাদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্রের প্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাধারণ আদালতের এখতিয়ার বহাল রেখে মাদকপ্রবণ এলাকাগুলোতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পৃথক ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ প্রতিষ্ঠার বিধানও নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে।সোমবার বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়। বিলের ওপর আলোচনাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগের বিষয়টি উঠে আসে।এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘মাদকদ্রব্য কেনাবেচায় বাহিনীর কোনো সদস্য জড়িত থাকলে এ ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’/টি

জুলাই ১৩, ২০২৬

আসুন সবাই মিলে দেশের জন্য কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কদিন আগে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে এ দেশ থেকে স্বৈরাচার হটিয়েছি। এবার আসুন সবাই মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি।তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ যখন হয়েছিল, দল নির্বিশেষে সকলে মিলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম। এইমাত্র ক’দিন আগের কথা, আমরা এই দেশ থেকে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি। সকল শ্রেণি-পেশা, সকল ধর্ম-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমে এসে এই দেশটাকে হটিয়েছে। তার মানে আমরা সকলে মিলে যদি কাঁধে কাঁধ রেখে দেশের জন্য, মানুষের জন্য যদি ভালো কাজগুলো করি, তাহলে সকলে মিলে উপকৃত হবো।’আজ সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশালের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকায় সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী জনসাধারণের প্রতি এ আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী একটি নারিকেল গাছের চারা রোপণ করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।/টি

জুলাই ১৩, ২০২৬

সব উপজেলা হাসপাতালে চালু হবে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা চালু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এ নিয়োগে প্রায় ৮০ শতাংশ নারীকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়া এবং দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সেবার মান ও পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক প্যাথলজি বিভাগ স্থাপন এবং নবজাতকের মায়েদের জন্য মাতৃদুগ্ধ পান করানোর বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হবে।/টি

জুলাই ১৩, ২০২৬

২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা

সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ করার আগে কেউ পদত্যাগ করলে তিনি পেনশন সুবিধা প্রাপ্য হবেন না বলে আপিল বিভাগের এক রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ২৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি গত ৯ জুলাই প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।এর আগে হাইকোর্টের এক রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করে গত ১১ মার্চ ওই রায় দেন বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগ। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক। তাদের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী মাহবুব মোরশেদ নিজেই।রায়ে বলা হয়েছে, আইনসভা প্রজ্ঞা ও যৌক্তিক বিবেচনার ভিত্তিতে এমন বিধান করেছে যে ২৫ বছরের চাকরির সময়সীমা পূর্ণ হওয়ার আগে কোনো সরকারি কর্মচারী পদত্যাগ করলে তিনি কোনো সুবিধার অধিকারী হবেন না।নথিপত্র থেকে জানা যায়, সহকারী বিচারক হিসেবে ১৯৯১ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন মাহবুব মোরশেদ। সার্ভিসের ১৯ বছর পূর্ণ করে ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি মাহবুব মোরশেদ স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র দেন, তখন তিনি অতিরিক্ত জেলা জজ। সার্ভিসের ১৯ বছর হিসাবে ৬১ শতাংশ পেনশন ও আনুতোষিক মঞ্জুরের জন্য ২০১৫ সালে আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তিনি।এর ধারাবাহিকতায় প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করলে আগের চাকরিকাল বাজেয়াপ্ত (যত দিন চাকরিতে ছিলেন) হবে। অর্থাৎ পেনশনের জন্য তা গণনাযোগ্য হবে না (বিএসআর প্রথম খণ্ডের বিধি-৩০০ সেকশন-৩)। পেনশনারের (মাহবুব মোরশেদ) চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়নি। তিনি ২৫ বছর পূর্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট বিধানের আলোকে পেনশনের জন্য কোনো আবেদন করেননি বলে পেনশনপ্রাপ্ত নন (১৯৭৪ সালের গণকর্মচারী অবসর আইনের ৯ ধারা)।এ অবস্থায় বিধি-৩০০ এবং ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জে করে মাহবুব মোরশেদ ২০১৬ সালে রিট করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০২১ সালের ১৮ মার্চ রায় দেন। রায়ে ২০১৫ সালের ২৫ মার্চের ওই চিঠি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে চাকরির মেয়াদ অনুসারে মাহবুব মোরশেদের পেনশনসহ অন্যান্য বকেয়া সুবিধা গণনা ও মঞ্জুর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ চলমান রাখেন। এর ধারাবাহিকতায় আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।রাষ্ট্রপক্ষের করা ওই আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করে গত ১১ মার্চ ওই রায় দেন আপিল বিভাগ। সূত্র: যুগান্তর

জুলাই ১২, ২০২৬

জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ভাষাসৈনিক ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১২ জুলাই) এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের রাজনৈতিক জীবন ও অবদানের কথা স্মরণ করেন।শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বাংলাদেশের রাজনীতির একজন প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।তারেক রহমান উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, সংসদীয় সংস্কৃতির বিকাশ এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি আজীবন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আদর্শে অবিচল ছিলেন।শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দলের দীর্ঘ সংগ্রাম, প্রতিকূল পরিস্থিতি ও দুঃসময়ের কোনো পর্যায়েই ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সমুন্নত রেখেছেন। বিশেষ করে দীর্ঘ সময়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংসদীয় ব্যক্তিত্ব, বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়ক ও সত্যিকারের দেশপ্রেমিককে হারালো। তার আদর্শ, সততা ও কর্মময় জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।/টি

জুলাই ১২, ২০২৬

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিক, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার কনিষ্ঠ পুত্র নওফেল জমির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। বিএনপিও তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শোকবার্তা প্রকাশ করে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে।বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীমও এক শোকবার্তায় জানান, ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মৃত্যুবরণ করেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, মরহুমের জানাজার নামাজ ও দাফনের সময়সূচি পরিবারের পক্ষ থেকে পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জমির উদ্দিন সরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে বিএ (অনার্স), এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল সনদ লাভ করেন। ১৯৬০ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে তিনি সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন বিষয়ে দেশের অন্যতম খ্যাতিমান আইনজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। মহান মুক্তিযুদ্ধেও তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জমির উদ্দিন সরকার শিক্ষামন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন। এছাড়া ২০০২ সালে রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। আইনমন্ত্রী থাকাকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিল প্রণয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।রাজনীতি ও আইন পেশার পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তারেও বিশেষ অবদান রাখেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। নিজ জেলা পঞ্চগড়ে তিনি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা, সংসদীয় গণতন্ত্র ও আইনবিষয়ক একাধিক গ্রন্থ রচনা করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি স্ত্রী নূর আখতারকে ২০২৩ সালে হারান। মৃত্যুকালে তিনি এক কন্যা ও দুই পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। /টি

জুলাই ১২, ২০২৬

দেশে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারি পর্যায়ে দেশে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে।আজ শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রাম থেকে অধিক সংখ্যক রোগীকে চিকিৎসার জন্য যেন ঢাকায় আসতে না হয়, সেজন্য সরকার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ সময় সিনিয়র চিকিৎসকদের প্রান্তিক পর্যায়ে গিয়ে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ৫১ বেডের হাসপাতালগুলো ১০০ বেডে উন্নিত করা হবে। সরকারি চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায়।এর আগে, সকালে ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তার আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

জুলাই ১১, ২০২৬

হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল ৭৫০ শিশুর

হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল ৭৫০ শিশুরগত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।  এনিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ১১৭ দিনে দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৫০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার (১০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। একই সময় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে হাম ও ৯০১ এর হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৯। 

জুলাই ১০, ২০২৬

প্রতি নবজাতকের জন্মে একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে মানবসমাজের সম্পর্ক গভীর ও অবিচ্ছেদ্য। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণকে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। একটি সন্তান জন্মগ্রহণ করলে একটি করে গাছ লাগিয়ে সেই জন্ম উদযাপনেরও আহ্বান জানান তিনি।বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করেন। একই সঙ্গে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন।/টি

জুলাই ০৯, ২০২৬

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: আইনমন্ত্রী

 আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন আগামী চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে ।আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিষয়ে আপিল বিভাগের রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।তবে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী প্রক্রিয়ায় এবং কারা নিয়ে গঠিত হবে, সে বিষয়ে রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি দেখার পর বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান তিনি।এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন। এ রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হয়েছে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।রায়ের পর সাংবাদিকরা জানতে চান, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে কি না। জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ইনশাল্লাহ, ইনশাল্লাহ। এটি আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিএনপির আন্দোলনের ফসল। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে আন্দোলন হয়েছিল, তার ফল ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই ধারণা থেকেই পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে বিএনপি সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বিল উত্থাপন করে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন করেছিল।তিনি বলেন, গত ১৬-১৭ বছর ধরে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে এসেছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ এবং ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’—এই দাবিকে সামনে রেখেই আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে।আইনমন্ত্রীর ভাষ্য, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এ কারণে এ বিষয়ে সরকার রাজনৈতিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

জুলাই ০৯, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo