logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/জাতীয়
টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - image

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

15 এপ্রিল 2026, বিকাল 9:14

বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী  ‘টাইম’ প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ তথ্য জানান। মাহদী আমিন পোস্টে লিখেন, গভীর আনন্দ ও গৌরবের সঙ্গে অবহিত করছি, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা তারেক রহমান TIME 100 Most Influential People of 2026-এর বর্ণাঢ্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইম এই স্বীকৃতির মাধ্যমে তার দুরদর্শী নেতৃত্ব, সীমাহীন সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি দিয়েছে।তিনি আরও জানান, একটি কঠিন সময়ে যখন দেশে গণতন্ত্র অবরুদ্ধ ছিল এবং মানুষের ভোটের অধিকার ছিল না, তখন তারেক রহমান অটল বিশ্বাস ও সাহস নিয়ে সামনে এগিয়ে এসেছেন। নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে তিনি যে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এই ‘টাইম ১০০’ তালিকা।উপদেষ্টা লিখেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহু লড়াই সংগ্রামের পথ পেরিয়ে আবারও গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা আজ বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত। স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি দেশে ফিরেছেন, যেদিন ফিরেছেন সেদিনই তিনি বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ প্লান’।মাহদী আমিন আরও জানান, তারেক রহমান কেবল একজন নেতাই নন, তিনি বাংলাদেশের মানুষের আশার প্রতীক। তার এই অর্জন বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য গর্বের। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে এই স্বীকৃতি আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে। /টিএ

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোতে শূন্য পদের বিপরীতে ২৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী জানান, সারাদেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে কর্মকৌশল নির্ধারণে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটি কাজ করছে। প্রতিটি ইউনিয়ন ও উপজেলায় যথাক্রমে ৮ বিঘা ও ১০ বিঘা করে উন্মুক্ত খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। হাই-টেক/সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারসমূহ কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য এবং বাংলাদেশে পেপালের কার্যক্রম আরম্ভে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, নির্বাচনী ইশতেহারকে প্রাধান্য দিয়ে বেতন কাঠামোর আওতায় জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রথম ধাপে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও জানান, ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় বিদ্যমান জামানতবিহীন ঋণসীমা ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসাপ্রাপ্তির আগেই সার্টিফিকেট অব ইলিজিবেলিটির ভিত্তিতে এ ঋণ দেওয়া সহজ করা হয়েছে।/টিএ

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

পহেলা বৈশাখ আজ, স্বাগত ১৪৩৩

আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ। ১৪৩৩ সালের প্রথম দিন। এ দিনটির মধ্যদিয়ে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন আরেকটি বছর।বাঙালির হৃদয়ে প্রকৃতি এক অদৃশ্য সুরে বাঁধা। ষড়ঋতুর লীলাভূমিতে ঝড়-বৃষ্টির দামামা বাজিয়ে, ধুলোবালির মেঘ উড়িয়ে, বজ্রের গর্জনে কাঁপিয়ে বৈশাখ এসেছে এক নবজাগরণের প্রতীক হয়ে। বৈশাখের প্রতীক কৃষ্ণচূড়ার ডালেও লেগেছে আগুন, যেন বলছে-এসেছে উৎসব, এসেছে রঙ, এসেছে বৈশাখ।বৈশাখে কেবল প্রকৃতিই নয়, জেগে ওঠে বাঙালির হৃদয়। বাঙালির জীবনচক্রে প্রকৃতির মেজাজি সন্তান বৈশাখ যেন অনিবার্য। তাইতো এবারের পহেলা বৈশাখও এসেছে ভিন্ন রূপে। এ বৈশাখ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে নতুন বছর শুরু করার নয়, এ একটি নতুন সময়ের সূচনা। আজ দেশের সব মানুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে উদ্‌যাপন করবে বাংলা নতুন বছর ১৪৩২। পুরোনো সব ব্যর্থতা ভুলে গিয়ে, নতুন আশায় ও সবার মঙ্গল কামনায় জমে উঠবে নববর্ষের উৎসব। নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে চারদিকে ধ্বনিত হবে- ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো.../টিএ

এপ্রিল ১৪, ২০২৬

পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি আমাদের জীবনে প্রতি বছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষ্যে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে তিনি পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ কে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমেরসম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তার ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।’তিনি বলেন, বৈশাখি মেলা, বৈশাখি শোভাযাত্রা, হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং আমাদেরকে ঐক্যবোধে উজ্জীবিত করে। বাংলা নববর্ষ আমাদের সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির নবজাগরণ আর মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিকসরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র এবং সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।তিনি জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নেরঅংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষক, কৃষি এবং কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হলো কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। আগামী দিনগুলোতে এই কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষক এবং কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে, বাংলা নববর্ষে এটিই হোক আমাদের প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেরচর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি- এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। দেশবাসীকে তিনি আবারও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।/টিএ 

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো ও টেলিযোগাযোগ খাতের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং আন্তর্জাতিক টেলিকম জায়ান্ট টেলিনর গ্রুপের শীর্ষ নির্বাহীর মধ্যে।আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার।সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টা ২০ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান তারেক রহমান। এরপর ৯টা ৩০ মিনিটে টেলিনর প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়।বৈঠকে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের বর্তমান অগ্রগতি, ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণ এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। টেলিনর গ্রুপের পক্ষ থেকে দেশটিতে তাদের চলমান বিনিয়োগ কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয় বলে জানা গেছে।বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক টেলিকম খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান থাকা টেলিনরের সঙ্গে এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হতে পারে।এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের দিকটি এই বৈঠকের কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় ছিল বলে জানা যায়।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

পহেলা বৈশাখে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের যে ২ স্টেশন

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে  মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আংশিক ও পূর্ণ সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের দুইটি স্টেশন। এমনটিই জানিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।সোমবার (১৩ এপ্রিল) এমআরটি লাইন-৬ এর উপপ্রকল্প পরিচালক (গণসংযোগ) মো. আহসান উল্লাহ শরিফী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে ১৪ এপ্রিল শাহবাগ মেট্রো স্টেশন দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশন সারাদিন বন্ধ থাকবে।এ কারণে যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।/টিএ

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

অধ্যাপক কামরুলের কাছে চাঁদা দাবির মামলায় ৭জন গ্রেপ্তার

বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজার কিডনি প্রতিস্থাপনকারী অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনসহ সাত জনকে আটক করেছে র‍্যাব।সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার আরও ছয় সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।বতারা হলেন মঈন উদ্দিন মঈন, মো. লিটন মিয়া, মো. সুমন, মো. শাওন, স্বপন কাজি, মো. ফালান ও রুবেল।গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজি মামলার প্রধান অভিযুক্ত মঈনসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তা করেছে র‍্যাব। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিসিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় গত ১১ এপ্রিল সিকেডি হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ শেরেবাংলা নগর থানায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে এক নম্বর আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা করেন।মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবিকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে।তিনি বলেন, তার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামি মঈন স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদের ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ তার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়। তার স্ত্রী আসামিদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় তিনি আসামিদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করেন এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত তার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করেন।পরবর্তীতে তার ভাই বাসায় পৌঁছালে মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন আসামি ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন। রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে তিনি আজ রোববার বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।তার মৃত্যূর খবর নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের সহকারী অ্যাডভোকেট পারভীন সুলতানা শাম্মী।এর আগে তার ছেলে ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক জানান, লিভারজনিত সমস্যার কারণে ১১ এপ্রিল তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।১৯৩৭ সালের ১৬ জুলাই কুমিল্লা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৫৮ ও ১৯৫৯ সালে যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ১৯৬৩ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং ১৯৬৭ সালে যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডন থেকে এলএলএম ডিগ্রি লাভ করেন। একই বছরে তিনি লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।১৯৬৯ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।এ ছাড়া ১৯৭৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ঢাকার সিটি ল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ছিলেন। ১৯৬৭ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন এবং ১৯৮৯ সালে আপিল বিভাগে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি পান। তিনি দুই দফায় সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন—১৯৯৯-২০০০ এবং ২০০৮-২০০৯ মেয়াদে। পাশাপাশি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।১৯৬৯ সালে তিনি শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী মাহফুজা খানমকে বিয়ে করেন। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। মাহফুজা খানম ২০২৫ সালে মারা যান।/টিএ

এপ্রিল ১২, ২০২৬

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

শপথ নিয়েছেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল (শেরপুর-৩) ও মো. রেজাউল করিম বাদশা (বগুড়া-৬) । তাদেরকে শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।রোববার (১২ এপ্রিল) স্পিকারের কার্যালয়ে এই শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।শপথ অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপসহ অন্যান্য হুইপবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব, অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।/টিএ 

এপ্রিল ১২, ২০২৬

জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে আশাবাদী পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সেখানে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোসহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছেন। এই বৈঠকের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের বিষয়েও আভাস দিয়েছেন।গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মরিশাসের পোর্ট লুইসে নবম ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলন থেকে দেশে ফেরার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. খলিলুর রহমান এসব কথা বলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।এর আগে চলতি সপ্তাহে (৮ এপ্রিল) দিল্লি সফরকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত দোভাল এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।বৈঠকের বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় আমরা আগেই শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছি। এই সফরে আমরা সেই দাবিরই পুনরাবৃত্তি করেছি।’ তবে কৌশলগত কারণে আলোচনার সব তথ্য এখনই প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবস্থান করছেন। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তাকে এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি বর্তমানে ভারত সরকারের বিবেচনাধীন।২০২৫ সালের নভেম্বরে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী) খলিলুর রহমানের দিল্লি সফরের কয়েক দিন পরই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠায়। বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাদের প্রত্যর্পণের জন্য এই আবেদন জানানো হয়েছিল।সে সময় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রত্যর্পণের অনুরোধটি বর্তমানে ভারতের নিজস্ব বিচারিক এবং অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে সব সময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সফরটি অবশ্যই হবে, তবে আমরা এখনো তারিখ চূড়ান্ত করিনি। এই সফরের প্রস্তুতির জন্য আগামী কয়েক সপ্তাহে অনেকগুলো কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’তিনি আরও জানান, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে চিঠি আদান-প্রদান করেছেন এবং টেলিফোনে কথা বলেছেন। দুই পক্ষই এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে অত্যন্ত আগ্রহী।খলিলুর রহমান জানান, তিনি দিল্লির বৈঠকগুলো নিয়ে ‘যথেষ্ট আশাবাদী’। তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আমরা সম্পর্কের এই অগ্রযাত্রা দেখতে পাব বলে আশা করছি।’দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারত কর্তৃক গত এক বছরে সীমিত রাখা ভিসা প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করার বিষয়টিও উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘এই সংকট আরও ঘনীভূত হবে। ১৯৭০-এর দশকের তেলসংকটের মতো এটিও উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এটি মোকাবিলা করতে হবে, অন্যথায় আমরা আলাদাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হব।’খলিলুর রহমান বলেন, ‘এ বছর বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ এই আঞ্চলিক জোটকে সক্রিয় করতে আগ্রহী।’ পাশাপাশি দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা সার্ক সম্মেলন পুনরায় শুরু করার ওপরও জোর দেন তিনি।তিনি বলেন, ‘যদি আমরা সবাই মিলে কাজ করি এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশ কেন অংশ নিতে চাইছে না; সেই কারণগুলো দূর করতে পারি, তবে সার্ক সম্মেলন অনুষ্ঠানে কোনো বাধা থাকার কথা নয়। এটি মূলত অন্যদের কাছে পৌঁছানোর বিষয়।’ 

এপ্রিল ১১, ২০২৬

বাংলাদেশ শ্রম আইনের সংশোধনী বিল সংসদে পাস

জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’-এ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক-এর পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বিলটি উত্থাপন করেন। পরে এটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। সংসদের চলতি অধিবেশনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিলের সঙ্গে এই সংশোধনী বিলটিও উত্থাপন ও পাস করা হয়েছে।সংশোধিত আইনে শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা জোরদার, ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের শর্তে পরিবর্তন, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা বৃদ্ধি, মাতৃত্বকালীন সুবিধা উন্নয়নসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও কল্যাণ তহবিলসংক্রান্ত বিধান আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।জানা গেছে, পূর্বে জারি করা শ্রম সংশোধন অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করে এই বিল প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে শ্রম খাতকে আরও আধুনিক ও শ্রমিকবান্ধব করতে ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের সংশোধন আনা হচ্ছে।নতুন আইন কার্যকর হলে শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।সংসদের দিনেরকার্যসূচি অনুযায়ী, অধিবেশনে মোট১৪টিসংশোধনী বিলউত্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।এরমধ্যে৯টিবিলপাসেরজন্যপ্রস্তাব করাহয়েছেএবংনতুনকরেআরও৫টিসংশোধনী বিলআনারউদ্যোগনেওয়াহয়েছে।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬

আবু সাঈদ হত্যায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। তারা দুজনই গ্রেফতার আছেন। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব। গত ৫ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন আবু সাঈদ। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জন বর্তমানে পলাতক। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন মো. মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামীম। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, আজিজুর রহমান দুলুসহ আরও কয়েকজন। পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া। রায়ের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, তদন্তে সন্দেহাতীত ও অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার আশা, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, প্রসিকিউশন অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে এবং আসামিরা খালাস পাবেন।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo