logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/জাতীয়
পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা - image

পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

25 ফেব্রুয়ারি 2026, বিকাল 1:49

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডে শহিদ হওয়া সদস্যদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন । বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে তারা এই শ্রদ্ধা জানান। এসময় তাদের সঙ্গে ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান।এর আগে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাগরিক হিসেবে বিষয়টি সবার উপলব্ধিতে থাকা জরুরি। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পর নানা ধরনের মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের মর্যাদা, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে যেন কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে জন্য পুনরায় শপথে বলীয়ান হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।’২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার কিছু দিন পর ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্র্যাজেডি ঘটে। ওই ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়। নারকীয় সেই হত্যাযজ্ঞের ১৭তম বার্ষিকী আজ। গত বছর দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা দেয় অন্তর্বর্তী সরকার।পিলখানা ট্র্যাজেডির ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিচারিক আদালতের রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় ২৫৬ জনকে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান ২৭৮ জন। একই ঘটনায় করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির মধ্যে পলাতক রয়েছেন ২০ জন। বিচারিক আদালতে মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে।/টিএ 

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নবনিযুক্ত আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির

দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।  বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে আইজিপি পদে নিয়োগের পূর্বে তিনি এপিবিএনর অতিরিক্ত আইজি ছিলেন। তিনি বিদায়ী আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএম এর স্থলাভিষিক্ত হলেন।এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মো. আলী হোসেন ফকিরকে আইজিপি পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। মো. আলী হোসেন ফকির ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫৩ম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।তিনি অত্যন্ত সততা, দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সাথে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নেত্রকোনা, ফেনী ও মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। তিনি আরআরএফ সিলেটের কমান্ড্যান্ট এবং ৩ এপিবিএন খুলনা, ৫ এপিবিএন ঢাকা, ৭ এপিবিএন সিলেটের অধিনায়ক ছিলেন। ডিআইজি হিসেবে তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স‌‌‌ এবং এসপিবিএনে কর্মরত ছিলেন।মো. আলী হোসেন ফকির কসোভো ও আইভরি কোস্ট জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি সরকারি দায়িত্ব পালন এবং প্রশিক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন।বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। এছাড়া, তিনি ১৫তম বিসিএস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের আহ্বায়ক এবং অফিসার্স ক্লাব ঢাকা ও খুলনা ক্লাবের সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বিকম (অনার্স) ও এমকম এবং এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। মো. আলী হোসেন ফকির ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাট জেলার সদর থানাধীন এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। এর আগে নবনিযুক্ত আইজিপি বুধবার সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এসে পৌঁছালে একটি সুসজ্জিত পুলিশ দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।/টিএ 

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর, জাতীয় শহিদ সেনা দিবস আজ

২৫ ফেব্রুয়ারি, দেশের ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর দিন। ২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদও ছিলেন।রক্তক্ষয়ী ওই ঘটনার ১৭ বছর পূর্ণ হলো আজ। গত বছর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দিনটিকে ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করা হচ্ছে।২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে নৃশংসভাবে সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, অনেকের মরদেহ গুম এবং ধ্বংসেরও চেষ্টা করা হয়েছিল। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাও দেশবাসীকে নাড়া দিয়েছিল। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই হত্যাকাণ্ড দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।এ ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হারায় বহু মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা। এর প্রভাব পড়ে পুরো সশস্ত্র বাহিনীর মনোবলে। তাই দিনটি শুধু বাহিনীর নয়, সমগ্র জাতির জন্যই গভীর শোকের।দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হন। দীর্ঘ সময় যথাযথ গুরুত্বে দিনটি পালন না হলেও ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হচ্ছে। তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিলখানার হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই। তবে এ ঘটনার পেছনে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র যেন সফল না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।জাতীয় শহিদ সেনা দিবসে আজ দেশজুড়ে শ্রদ্ধা, শোক ও প্রতিজ্ঞার মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হচ্ছে পিলখানার শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের।/টিএ 

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

বন্ধ শ্রমবাজার চালু করা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী নুর

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, আগামী তিন মাসে সরকারের অগ্রাধিকার হচ্ছে দুই-একটি বন্ধ শ্রমবাজার চালু করা এবং কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে অভিবাসন ব্যয় নির্দিষ্ট করে দেওয়া। সেই সঙ্গে প্রতারণায় অভিযুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর নিবন্ধন স্থগিত করা এবং নিবন্ধিত এজেন্সিগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রথম তিন মাসে আমাদের প্রাধান্য হচ্ছে বন্ধ শ্রমবাজারের দুই-একটা চালু করা। বিশেষ করে অভিবাসন ব্যয় কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে নির্ধারণ করে দেওয়া। বিভিন্ন দেশের যে দূতাবাস আছে সেখানে লেবার উইং বাড়ানো নিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের আলাপ-আলোচনা হয়েছে। কর্মসংস্থান যেহেতু সরকারের একটি অগ্রাধিকার সে ক্ষেত্রে আমাদের চিন্তাভাবনা হচ্ছে যে আমাদের বর্তমানে কোন কোন দেশে কী ধরনের শ্রমবাজার আছে এটা ফাইন্ড আউট করা এবং লং টার্মের জন্য এটা নিয়ে একটা কাজ করা।বিদেশে যাওয়ার নামে অনেক মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছে, পাচার হচ্ছে এ ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে তিন হাজার রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স আছে। তারা অনেকেই আসলে সঠিকভাবে কাজ করছে না। অনেকে সাব-এজেন্সি দিয়ে কাজ করাচ্ছে। তারা ঠিকই মানুষের এক টাকার জায়গায় পাঁচ টাকা নিচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। তো আমরা বলছি যে সব এজেন্সি বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ থাকবে সেগুলো আমরা প্রয়োজনে স্থগিত করে দেব। কারণ হচ্ছে তাদের কারণে কিন্তু শুধু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এমনটা না, বরং বাইরে আমাদের মার্কেটরও দুর্নাম হচ্ছে। সুতরাং এই কর্মকাণ্ডে যারা যুক্ত হচ্ছে এবং যে সব এজেন্সি দায়সারাভাবে লোক পাঠাচ্ছে কিন্তু তাদের ফলোআপ করছে না সেগুলোকে আমরা জবাবদিহির মধ্যে নিয়ে আসব।বিদেশে কর্মসংস্থানের বিষয়ে নুরুল হক নুর বলেন, বাংলাদেশের বর্তমানে একটি সম্ভাবনাময় জায়গা হচ্ছে জাপান। যেখানে একটা আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়েছে যে, আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ কর্মী পাঠানো হবে। সে ক্ষেত্রে জাপানিজ ভাষা জানা লাগে। আমাদের দেশে যারা যাচ্ছে, তারা ভাষার ক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে আছে। সে জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় থেকেও ট্রেনিং হচ্ছে। আরো বেসরকারি যে প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভাষা শিক্ষাকে যেন সহজতর করা যায় এবং প্রয়োজনে আমরা আর্থিক সাপোর্টও দিতে পারি সেই চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, এক লাখ জনশক্তি যে লক্ষ্য রয়েছে সেটাকে আমরা ১০ লাখে পরিণত করতে চাই। এখন কতটুকু পারব সেটা জানি না, তবে এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএ) সভাপতি পার্থ সারথি দাস ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রায়হান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আল ইমরান প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

কে কোন দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে  সরকার । মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রী পদমর্যাদায় পাঁচজন এবং প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় পাঁচজন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।  মন্ত্রী পদমর্যাদায় মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে রাজনৈতিক; মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়।প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র, দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ডা. জাহেদ উর রহমানকে পরিসি ও স্ট্রাটেজির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ ছাড়াও মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণারয় এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্হান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্ব সরকার গঠন করে বিএনপি।২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়। /টিএ

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

প্রথমবার সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রথমবারের মতো অফিস করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে আসেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে আসেন। এই সময়ে তাঁকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধানগণ।'প্রধানমন্ত্রী তিনবাহিনীর প্রধানগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর এটাই সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম অফিস।এরপর প্রধানমন্ত্রী তার চেম্বারে বসেন। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরীকে ‘র‌্যাঙ্ক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, প্রতিরক্ষা সচিব মোঃ আশরাফ উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মোঃ মেহেদুল ইসলাম।/টিএ

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬

সব বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিএনপির চেয়ারম্যান ও  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সচিবালয়ের সভাকক্ষে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ৩৮ মিনিটে দেশের সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।সদস্য সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে পরিচিতির সময় ধরে নেন নতুন মন্ত্রী। এরপর দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নির্বাচনের পরবর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কূটনৈতিক জোনের সুরক্ষা, জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ দমন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ- সবই বৈঠকের প্রধান আলোচ্যসূচি ছিল।উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি শক্তিশালী করা এবং কারা ব্যবস্থাপনার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া মাঠপর্যায়ের পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য জানানো হতে পারে। নতুন মন্ত্রীর নেতৃত্বে এই সমন্বয় বৈঠককে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।/টিএ 

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬

১২ মার্চ বসবে সংসদ, নির্বাচন করা হবে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমেই আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করা হবে ।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা জাতীয় সংসদের অধিবেশন কবে আহ্বান করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। নির্ধারণ হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি অধিবেশন আহ্বানের যে প্রজ্ঞাপন জারি করবেন, তা অধিবেশন শুরুর কমপক্ষে ১৫ দিন আগে জারি করতে হয়।এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। রাষ্ট্রপতি সেটি অনুমোদন করে সংসদ অধিবেশন আহ্বান করবেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করবেন। সেটি নির্ধারণ হয়েছে ১২ মার্চ।সংসদ অধিবেশন আহ্বান করা হবে।তিনি বলেন, সেই সংসদ অধিবেশনে কী কী কর্মসূচি থাকবে, কার্যসূচি (অর্ডার অব দ্য ডে) সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন এবং ইন্টারিম গভর্নমেন্টের আমলে প্রণীত অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে। প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির ভাষণও থাকবে।অন্যান্য বিষয় সংসদের নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।নতুন রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার নির্বাচন বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। তবে স্পিকার নির্বাচন পরে হবে।গতকাল মোহাম্মদপুরের আদাবরে একটি অফিসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের একটি সংবাদ আমাদের কাছেও এসেছে। আমি বিষয়টি খোঁজ নিতে বলেছি এবং তদন্ত করে আমাদের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছি।যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে আমরা এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তন আসতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু পরিবর্তন আসবে। তবে একটু সময় দিতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

রমজানে ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সৌদির নতুন নির্দেশনা

চলতি রমজানে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। পবিত্র মাসে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে মুসল্লির সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাতায়াত ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইবাদতের পরিবেশ শান্ত ও নিরাপদ রাখতে সমন্বিত এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামাজের আগে ও পরে কেন্দ্রীয় এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে নির্ধারিত পথ ব্যবহার, সাইনবোর্ড অনুসরণ এবং নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখার মাধ্যমে সকল মুসল্লির জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করাই এ পদক্ষেপের লক্ষ্য।মসজিদের প্রবেশপথে আধুনিক ডিজিটাল সংকেত ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় সবুজ সংকেত প্রদর্শিত হলে বোঝাবে ভেতরে জায়গা খালি আছে, আর লাল সংকেত মানে নির্দিষ্ট স্থান পূর্ণ হয়ে গেছে। এর ফলে মুসল্লিরা সহজেই পরিস্থিতি বুঝে বিকল্প পথ বা স্থান বেছে নিতে পারবেন, যা ভিড় নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।যানজট এড়াতে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে বাস, ট্যাক্সি ও হারামাইন হাই স্পিড রেলওয়ে ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল এবং অনুমোদনহীন যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যাতে সড়ক ও প্রবেশপথগুলো সচল থাকে এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মুসল্লিদের জন্য আলাদা নামাজের স্থান ও বৈদ্যুতিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিশুদের ঘন ভিড় এলাকায় না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত বিশ্রাম গ্রহণ, অগ্নিনিরাপত্তা বিধি মেনে চলা এবং ডিজিটাল অনুমতিপত্র সংগ্রহ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অস্ত্র বহন, ভিক্ষাবৃত্তি, অননুমোদিত বিক্রি এবং চলাচলে বাধা সৃষ্টি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যাতে পবিত্র রমজানে ইবাদতের পরিবেশ সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ থাকে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করলেন তারেক রহমান। আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তিনি কার্যালয়ে পৌঁছান।কার্যালয়ে পৌঁছে তিনি প্রাঙ্গণে একটি স্বর্ণচাঁপার চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি সেখানে মোনাজাত করেন।পরে প্রধানমন্ত্রী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘অমর একুশে’ স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন।এর আগে কার্যালয়ে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।কার্যালয়ে মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নাম ধরে কাছে ডাকেন এবং তাদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন।/টিএ

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

বেকারত্ব বাড়ায় এমন শিক্ষা ব্যবস্থা বাদ দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলা ভাষাকে সর্বক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বেকারত্ব বাড়ায় এমন শিক্ষা ব্যবস্থা বাদ দিয়ে কার্যকরী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুরে মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাষাকে সব জায়গায় গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্ব দরবারে করতে হবে প্রতিষ্ঠিত। প্রাথমিক শিক্ষায় পাঠদান পদ্ধতি আরও যুক্তিযুক্ত করতে হবে। শিশুদের হাতে-কলমে শিক্ষার ওপর দিতে হবে গুরুত্ব। যে শিক্ষা ব্যবস্থা বেকারত্ব বাড়ায় তা বাদ দিয়ে কার্যকরী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।         এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষা ঠিকমত দিতে না পারলে দেশ গঠন সম্ভব নয়। বিশ্বমানের শিক্ষা সারাদেশে ধারাবাহিকভাবে চালু করতে হবে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে যতগুলো দফতর রয়েছে, সবগুলো দুর্নীতিমুক্ত দেখতে চান বলেও জানান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসা সরকারের এই দুই প্রতিনিধি।/টিএ

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে দোয়া, ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও  মহান শহিদ দিবসের  প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগের নজির স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণেই আনুষ্ঠানিক দোয়া মাহফিলে অংশ নিলেন বলে দলীয় ও সরকারি সূত্র জানিয়েছে।রাত ১২টা ৮ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাধারণত শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার ত্যাগ করেন। তবে এবার সেই প্রচলিত রীতি ভেঙে তিনি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণেই অবস্থান করে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।দোয়া পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা নাজির মাহমুদ। মোনাজাতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।এ সময় দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সফলতা কামনা করা হয়। দোয়া শেষে তিনি তাঁর মন্ত্রিসভা, দল এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকেও পৃথক পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রতিবছর একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo