logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/বিনোদন
ঈদে ফিরছে ‘ইমরান-শো: বকুল ও চন্দনে, গানের বন্ধনে’ - image

ঈদে ফিরছে ‘ইমরান-শো: বকুল ও চন্দনে, গানের বন্ধনে’

23 ফেব্রুয়ারি 2026, বিকাল 3:48

ঈদ আয়োজনে তৃতীয়বারের মতো পর্দায় ফিরছে সংগীতবিচিত্রা ‘ইমরান-শো: বকুল ও চন্দনে, গানের বন্ধনে’। গানের সঙ্গে গল্প, স্মৃতি আর আড্ডার মেলবন্ধনে সাজানো এই বিশেষ পর্ব এবারও প্রচারিত হবে ঈদের তৃতীয় দিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে এটিএন বাংলায়।জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের উপস্থাপনায় সাজানো এবারের আয়োজনে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকবি কবির বকুলের লেখা এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী চন্দন সিনহার কণ্ঠে সাতটি গান পরিবেশিত হবে। প্রেম, বেদনা ও সম্পর্কের নানা অনুভূতিকে ঘিরে গানগুলো সাজানো হয়েছে একটি সুনির্দিষ্ট ন্যারেটিভে, যা অনুষ্ঠানটিকে শুধু সংগীত পরিবেশনা নয়, বরং একটি আবেগময় অভিজ্ঞতায় পরিণত করেছে।এবারের বিশেষত্ব—চন্দন সিনহার কণ্ঠে থাকছে তিনটি নতুন গান। পাশাপাশি তাঁর গাওয়া দ্বৈত গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা ও আতিয়া আনিসা। চন্দনের গাওয়া একটি গান নতুনভাবে পরিবেশন করেছেন সানিয়া সুলতানা লিজা। উপস্থাপনার পাশাপাশি ইমরান মাহমুদুল দর্শক উপস্থিতিতে গেয়েছেন চন্দনের জনপ্রিয় গান ‘আমি নিঃস্ব হয়ে যাব’, যা অনুষ্ঠানে যুক্ত করেছে বাড়তি আবেগ।চন্দন সিনহা জানান, এবারের পর্বে চমক হিসেবে থাকছে কবির বকুলের কণ্ঠেও তাঁর একটি গান। গীতিকবি হিসেবে পরিচিত বকুলের কণ্ঠে গান পরিবেশন অনুষ্ঠানটিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।প্রথমবারের মতো এ আয়োজনে রাখা হয়েছে দর্শক উপস্থিতি। গানের ফাঁকে কথোপকথনে অংশ নেবেন অভিনেতা মুকিত জাকারিয়া, নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী এবং গীতিকবি লিটন অধিকারী রিন্টু। তাঁদের অংশগ্রহণে শিল্পীজীবন, গানের পেছনের গল্প এবং সৃষ্টির নানা দিক উঠে আসবে আলাপচারিতায়।অনুষ্ঠানটি নিয়ে ইমরান মাহমুদুল বলেন, দর্শকদের ভালোবাসাই তাঁকে তৃতীয়বারের মতো এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাঁর ভাষায়, ‘বকুল ভাই ও চন্দনদার সঙ্গে আমার রসায়ন চমৎকার। তাই “ইমরান-শো”তে কাজটি সাবলীলভাবে করতে পারি।’‘ইমরান-শো: বকুল ও চন্দনে, গানের বন্ধনে’–এর গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছেন কবির বকুল। গান, আড্ডা ও দর্শকদের অংশগ্রহণের সমন্বয়ে এবারের পর্বটি ঈদ টেলিভিশন আয়োজনে একটি বিশেষ সংযোজন হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। 

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬

হঠাৎ কেন খালি পায়ে সালমান মুক্তাদির ও দিশা ইসলাম?

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজন ‘ভালোবাসার আড্ডা ইন নাম্বার ওয়ানস্টাইল’ - এ হঠাৎই খালি পায়ে হাজির হয়ে কৌতূহলের ঝড় তুলেছেন সালমান মুক্তাদির ও দিশা ইসলাম। কেন এই অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি, এ প্রশ্নেই মুখর দর্শক ও সোশ্যাল মিডিয়া। এই রহস্য ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল আলোচনা, যা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়েছে সকল নিউজ চ্যানেলেও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই- “হঠাৎ খালি পাকেন?” এটা কী নিছক স্টাইল, নাকি কোনো গোপনবার্তা? সালমান - দিশা কি নতুন কোনো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছেন? সবাই যখন জাঁকজমক আর চাকচিক্যে ব্যস্ত, তখন এই জুটির ‘খালি পায়ের’ সাদামাটা উপস্থিতি যেন এক নীরব সংকেত। জল্পনা-কল্পনা আর কৌতূহল যখন তুঙ্গে, তখন এই জুটির নীরবতা যেন রহস্যের পারদ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।এই জনপ্রিয় দম্পতির এমন খালি পায়ের এই রহস্যময় উপস্থিতির প্রশ্নগুলোই ঘুরে ফিরে ফ্যানদের মনে তৈরি করছে হাজারোকৌতুহল! রহস্যের উন্মোচন এখন তবে কেবলসময়ের ব্যাপার!

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

১.৫০ কোটি জরিমানা বহাল, বিজয়ের আবেদন নাকচ

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়ের জন্য সময়টা মোটেও স্বস্তির নয়। একের পর এক বিতর্ক ও আইনি জটিলতায় ক্রমেই চাপে পড়ছেন তিনি। ‘জননয়গণ’ সিনেমা নিয়ে আদালতের স্থগিতাদেশের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বড় ধাক্কা খেলেন বিজয়। আয়কর ফাঁকির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরোপিত ১ কোটি ৫০ লাখ রুপির জরিমানা বহাল রেখেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট।ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি সেন্থিলকুমার রামমূর্তির একক বেঞ্চ বিজয়ের করা রিট পিটিশন খারিজ করে দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আয় গোপনের অভিযোগে আয়কর বিভাগ যে জরিমানা করেছিল, তা আইনসম্মতভাবেই আরোপ করা হয়েছিল।এর আগে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে অভিনেতা বিজয়ের বাসভবনে তল্লাশি চালায় আয়কর বিভাগ। সে সময় তদন্তকারীদের দাবি ছিল, বিজয় প্রায় ১৫ কোটি রুপির আয়ের তথ্য গোপন করেছিলেন। পরে ওই আয়ের ভিত্তিতে ২০১৮ সালে তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫০ লাখ রুপির জরিমানা নির্ধারণ করা হয়।এই জরিমানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২২ সালে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন বিজয়। তার আইনজীবীদের যুক্তি ছিল, নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করার পর আয়কর বিভাগ নোটিশ পাঠিয়েছে, যা আইনসম্মত নয়।তবে আদালত সেই দাবি গ্রহণ করেননি। বিচারপতি জানান, আয়কর আইনের ২৬৩ ধারা অনুযায়ী সঠিক সময়েই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং পুরো প্রক্রিয়াই বৈধ ছিল। ফলে আয়কর বিভাগের জরিমানা আদায়ে আর কোনো আইনগত বাধা নেই। যদিও হাইকোর্টে আবেদন নাকচ হয়েছে, তবুও বিজয় চাইলে ইনকাম ট্যাক্স অ্যাপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করার সুযোগ থাকছে।/টিএ

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬

একনজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩, পাচ্ছেন যারা

২০২৩ সালের চলচ্চিত্রাঙ্গনে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সবচেয়ে বড় আয়োজন—জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার—এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২৮টি ক্যাটাগরিতে মোট ৩০ জন শিল্পী ও কুশলীকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে সৃজনশীলতা ও অবদানের স্বীকৃতি দিতেই প্রতিবছরের মতো এবারও এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।এবারের আসরে চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান আজীবন সম্মাননা যৌথভাবে পাচ্ছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং বরেণ্য চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চু। বছরের সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে কে. এম. হালিমুজ্জামান ওরফে খন্দকার সুমন প্রযোজিত সিনেমা ‘সাঁতাও’। একই সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালকের পুরস্কারও জিতেছেন খন্দকার সুমন—যা ‘সাঁতাও’-এর সাফল্যকে আরও উজ্জ্বল করেছে।অভিনয় বিভাগে এবার সবচেয়ে আলোচিত নাম আফরান নিশো। প্রথম সিনেমাতেই বাজিমাত করে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি পাচ্ছেন শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার। অন্যদিকে, একই বছরে প্রশংসিত অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে ‘সাঁতাও’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন আইনুন পুতুল।পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মাননা পাচ্ছেন মনির আহমেদ শাকিল (সুড়ঙ্গ) এবং শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী হয়েছেন নাজিয়া হক অর্ষা (ওরা সাত জন)। শ্রেষ্ঠ খল চরিত্রে নির্বাচিত হয়েছেন আশীষ খন্দকার (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন) এবং শ্রেষ্ঠ কৌতুক চরিত্রে পুরস্কার পেয়েছেন শহীদুজ্জামান সেলিম (সুড়ঙ্গ)। শিশু শিল্পী বিভাগে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন মো. লিয়ন, আর বিশেষ পুরস্কার পাচ্ছেন আরিফ হাসান ও আনাইরা খান—উভয়েই ‘আম কাঁঠালের ছুটি’ সিনেমার জন্য।সংগীত ও সৃজনশীল বিভাগেও ছিল চমক। ‘প্রিয়তমা’ ও ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা সংগীত বিভাগে একক আধিপত্য দেখিয়েছে। ‘ও প্রিয়তমা’ গানের জন্য বালাম হয়েছেন শ্রেষ্ঠ গায়ক এবং ‘সুড়ঙ্গ’-এর জন্য অবন্তী দেব সিঁথি শ্রেষ্ঠ গায়িকার পুরস্কার পেয়েছেন। ‘ঈশ্বর’ গানের জন্য সোমেশ্বর অলি শ্রেষ্ঠ গীতিকার এবং প্রিন্স মাহমুদ শ্রেষ্ঠ সুরকার নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হয়েছেন ইমন চৌধুরী, সেরা কাহিনিকার ফারুক হোসেন, চিত্রনাট্যকার নিয়ামুল মুক্তা, আর শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা হিসেবে যৌথভাবে পুরস্কার পেয়েছেন রায়হান রাফী ও সৈয়দ নাজিম উদ দৌলা। শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘মরিয়ম’ এবং প্রামাণ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘লীলাবতী নাগ: দ্য রেবেল’ রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে।/টিএ

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

এশিয়ার সেরা সিনেমার তালিকায় বাংলাদেশের তিন চলচ্চিত্র

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রবিষয়ক ওয়েবসাইট এশিয়ান মুভি পালস সম্প্রতি প্রকাশ করেছে ‘২০২৫ সালে এশিয়ার সেরা ২০ সিনেমা’র তালিকা। এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের তিনটি সিনেমা—যা দেশের চলচ্চিত্রের জন্য নিঃসন্দেহে গর্বের খবর। তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে মেহেদী হাসান পরিচালিত ‘বালুর নগরীতে’, ১৭ নম্বরে সৌমিত্র দস্তিদারের ‘জুলাই ৩৬ : রাষ্ট্র বনাম নাগরিক’ এবং ১৯ নম্বরে নুহাশ হুমায়ূনের ‘২ষ’।এশিয়ান সিনেমাকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে ২০০৯ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে এশিয়ান মুভি পালস। ২০১৯ সাল থেকে নিয়মিতভাবে তারা এশিয়ার সেরা সিনেমার তালিকা প্রকাশ করছে, যা চলচ্চিত্রবিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের তালিকায় বাংলাদেশের একাধিক সিনেমার উপস্থিতি দেশের সমসাময়িক চলচ্চিত্র আন্দোলনের শক্ত অবস্থানকেই নির্দেশ করে।তালিকার পঞ্চম স্থানে থাকা ‘বালুর নগরীতে’ নিয়ে এশিয়ান মুভি পালস লিখেছে, এটি ছোট পরিসরের হলেও একেবারেই দুর্লভ একটি আর্টহাউস রত্ন। সিনেমাটির ছন্দ মসৃণ, গতি শান্ত এবং আবহ গভীর। কেন্দ্রীয় চরিত্র এমা—যার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ভিক্টোরিয়া চাকমা—বিড়ালের লিটার বক্সের জন্য স্কুটারে করে শহরের নানা প্রান্ত থেকে বালু সংগ্রহ করেন। বালু খুঁজতে গিয়েই একদিন তিনি খুঁজে পান একটি কাটা আঙুল, যা গল্পকে নিয়ে যায় অপ্রত্যাশিত মোড়ে।‘জুলাই ৩৬ : রাষ্ট্র বনাম নাগরিক’ সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধের দলিল, যা ইতিহাসকে পুনরুদ্ধার করে সাহসী কণ্ঠগুলোকে সামনে নিয়ে আসে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই সিনেমায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সংগ্রাম ও প্রতিবাদ স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।অন্যদিকে নুহাশ হুমায়ূনের ‘২ষ’ নিয়ে এশিয়ান মুভি পালসের মন্তব্য—কয়েকটি অসাধারণ গল্পের মাধ্যমে সিনেমাটি দর্শককে মুগ্ধ করে। কিছু দুর্বলতা থাকলেও এটি একটি প্রশংসনীয় অ্যানথোলজি। প্রতিবেদনের একেবারে শেষাংশে প্ল্যাটফর্মটি জোরালোভাবে জানিয়েছে, এশিয়ার সিনেমার ভিড়ে বাংলাদেশের উত্থানকে আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। নানা ঘরানা ও ফরম্যাটে আত্মবিশ্বাসী পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি নির্মাতারা ধীরে ধীরে নিজেদের একটি স্বতন্ত্র সিনেম্যাটিক পরিচয় গড়ে তুলছেন।/টিএ

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬

গান নিয়ে বিতর্কের পর আবেগঘন বার্তা নেহা কক্করের

গায়িকা নেহা কক্কর যেন বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রে থাকেন। কখনো মন্তব্য, কখনো আবার গান বা আচরণ—নানা কারণেই আলোচনায় আসেন তিনি। সম্প্রতি তেমনই এক বিতর্কের পর হঠাৎ করেই সবকিছু থেকে বিরতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় এই গায়িকা, যা নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে বিনোদন অঙ্গনে।আজ ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে নেহা জানান, তিনি কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের সব দায়িত্ব থেকে আপাতত সরে দাঁড়াচ্ছেন। কিছুদিন আগেই নেহা ও তাঁর ভাই টনি কক্করের গাওয়া গান ‘ললিপপ’ মুক্তি পায়। গানটি প্রকাশের পর এর কথা ও দৃশ্যায়ন নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন নেহা। অনেকেই গানটিকে অশালীন ও অভব্য বলে আখ্যা দেন, যা তাঁর ওপর মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ইনস্টাগ্রামে দেওয়া আবেগঘন বার্তায় নেহা লিখেছেন, তিনি ‘দায়িত্ব, সম্পর্ক, কাজ এবং সবকিছু থেকে বিরতি নিচ্ছেন’। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানান। ঠিক কত দিনের জন্য এই বিরতি, সে বিষয়ে কিছু জানাননি নেহা। তবে এতদিন পাশে থাকার জন্য ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তিনি।এছাড়া নিজের মানসিক শান্তির কথাও তুলে ধরেছেন এই গায়িকা। নেহা বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন, ভক্ত ও পাপারাজ্জিরা যেন তাঁর ছবি তোলা বা ভিডিও করার চেষ্টা না করেন। তাঁর ভাষায়, এতে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পাবেন এবং নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।উল্লেখ্য, ‘ক্যান্ডি শপ’ গানটি ইউটিউবে ২৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ অর্জন করলেও সমালোচনা পিছু ছাড়েনি। অনেক দর্শক গানটিকে আকর্ষণহীন বলে মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ গান, নাচ ও ভিজ্যুয়াল স্টাইল নিয়ে আপত্তি তুলেছেন, আবার কেউ কে-পপ স্টাইল অনুকরণের অভিযোগও এনেছেন। এই সমালোচনার আবহেই নেহা কক্করের এই বিরতির ঘোষণা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।/টিএ

জানুয়ারি ২০, ২০২৬

‘ডন ৩’ ঘিরে নতুন চমক: শর্তসাপেক্ষে ফিরছেন শাহরুখ খান!

বলিউডের অন্যতম আলোচিত ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ডন’ আবারও শিরোনামে। দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তায় থাকা ‘ডন ৩’ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এক গুঞ্জনে—নিজের আইকনিক চরিত্রেই ফিরতে পারেন শাহরুখ খান। তবে এগারো দেশের পুলিশের ‘মোস্ট ওয়ানটেড’ ডন হয়ে ফিরতে একটি স্পষ্ট শর্ত জুড়ে দিয়েছেন বলিউড বাদশাহ। খবর অনুযায়ী, শাহরুখ চান তাঁর সুপারহিট ছবি ‘জওয়ান’-এর পরিচালক অ্যাটলি কুমারকে ‘ডন ৩’-এর সঙ্গে যুক্ত করতে। তাঁর মতে, অ্যাটলির মতো দক্ষিণী ঘরানার নির্মাতা যুক্ত হলে ছবির পরিসর যেমন বাড়বে, তেমনি নতুন প্রজন্মের দর্শকদের মধ্যেও আলাদা আকর্ষণ তৈরি হবে।তবে শাহরুখের এই শর্ত নিয়ে এখনো পর্যন্ত ‘ডন’ সিরিজের নির্মাতা ফারহান আখতারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এর আগে ‘ডন ৩’-এর নায়ক হিসেবে রণবীর সিংয়ের নাম ঘোষণা করা হলেও, পরে তিনি নিজেই এই প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর থেকেই শাহরুখ খানের প্রত্যাবর্তন নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়। জানা গেছে, রণবীর বর্তমানে সঞ্জয় লীলা বানসালি, লোকেশ কঙ্গরাজ ও অ্যাটলির মতো পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী এবং একই ঘরানার চরিত্রে বারবার অভিনয় করতে চাইছেন না।নায়ক নির্বাচনের পাশাপাশি নায়িকা নির্বাচন নিয়েও বিপাকে পড়েছেন ফারহান আখতার। ‘ডন ৩’-এর জন্য একজন শক্তিশালী ও অ্যাকশননির্ভর চরিত্রে স্বচ্ছন্দ অভিনেত্রী খুঁজছেন তিনি। শুরুতে স্ক্রিপ্ট পড়ে কিয়ারা আদভানি গল্প পছন্দ করলেও শেষ পর্যন্ত ছবিটিতে রাজি হননি। এরপর কৃতি শ্যাননের নাম শোনা গেলেও সেখানেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।এরপর ফারহান আখতার নিজেই দীপিকা পাড়ুকোনের নাম প্রস্তাব করেন। তাঁর মতে, এই চরিত্রের জন্য এমন একজন অভিনেত্রী প্রয়োজন, যাঁর অ্যাকশন দৃশ্যে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্যে সাবলীলতা আছে—এই দিক থেকে দীপিকা অন্যদের তুলনায় এগিয়ে। তবে তিনি চূড়ান্ত কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই। এরই মধ্যে দীপিকার সাম্প্রতিক মা হওয়া, নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজ এবং কর্মঘণ্টা ও পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিতর্কের কারণে তাঁর সময়সূচি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে সেলিম খান–জাভেদ আখতার জুটির হাত ধরে প্রথম ‘ডন’ চরিত্রটি পর্দায় আসে, যেখানে অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। ২০০৬ সালে শাহরুখ খানের হাত ধরে নতুন রূপে ফিরে আসে ‘ডন’, যা ব্যাপক সাফল্য পায়, এরপর ২০১১ সালে মুক্তি পায় এর সিক্যুয়েল। দুই বছর আগে ‘ডন ৩’ তৈরির ঘোষণা এলেও চিত্রনাট্য পছন্দ না হওয়ায় তখন সরে দাঁড়ান শাহরুখ। সে সময় তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে ভক্তদের তীব্র প্রতিক্রিয়াও দেখা গিয়েছিল, যা এখন আবার নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে ‘ডন ৩’-কে নিয়ে এসেছে।/টিএ

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬

আবারো জুটি বাঁধছেন দেব-শুভশ্রী!

দীর্ঘদিনের বিরতি ও নানা বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে আবারও বড় পর্দায় একসঙ্গে ফিরতে চলেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় জুটি দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলী। শোনা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় তাদের নতুন সিনেমাটি মুক্তি পেতে পারে। এই খবরে ইতিমধ্যেই টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, আর ভক্তদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে নতুন করে প্রত্যাশা।২০২৫ সালে প্রায় এক দশক পর ‘ধূমকেতু’ সিনেমার মাধ্যমে দেব-শুভশ্রীর পর্দায় ফেরা হলেও, মুক্তির পর নানা জটিলতা সেই আনন্দকে ম্লান করে দেয়। ছবির প্রচারণায় শুভশ্রীর অনুপস্থিতি এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে দুই তারকার সম্পর্কের অবনতি ঘটে বলে আলোচনা হয়। তবে সময়ের সঙ্গে সেই মান-অভিমান কাটিয়ে আবারও একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা সামনে আসায় অনুরাগীরা আশার আলো দেখছেন।ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি পরিচালক ও অভিনেতা পরমব্রত চ্যাটার্জির একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে দেব ও শুভশ্রীকে দীর্ঘক্ষণ আলাপ করতে দেখা যায়। এই দৃশ্য তাদের একসঙ্গে ফেরার গুঞ্জনকে আরও জোরালো করেছে। যদিও এখনো নতুন সিনেমার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবু আলোচনা থেমে নেই।টালিপাড়ার অন্দরমহলে গুঞ্জন, আসন্ন এই সিনেমাটি দেবের ব্যবসাসফল ছবি ‘খাদান’-এর সিক্যুয়েল হতে পারে। যদি তা-ই হয়, তাহলে সিনেমাটিতে প্রেম, অ্যাকশন ও রোম্যান্সের মেলবন্ধন দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেব-শুভশ্রী জুটির অতীত সাফল্যের কথা মাথায় রাখলে, এমন একটি প্রকল্প দর্শকের আগ্রহ বাড়াবে—এটাই স্বাভাবিক।এর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে দেব ও শুভশ্রী দুজনেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে ভবিষ্যতে তারা আবার জুটি বাঁধতে পারেন। সেই কথায় ভরসা রেখেই অনুরাগীরা এতদিন অপেক্ষা করছিলেন। উল্লেখ্য, গত দেড় দশকে ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’, ‘চ্যালেঞ্জ’, ‘খোকাবাবু’ ও ‘খোকা ৪২০’-এর মতো একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছে এই জুটি। ব্যক্তিগত ও পেশাগত দূরত্বের কারণে দীর্ঘদিন তাদের একসঙ্গে দেখা না গেলেও, এবার হয়তো সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে।/টিএ

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬

শাকিব খানের নতুন নায়িকা তাসনিয়া ফারিণ

ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান মানেই যেন নতুন চমক। এবার পর্দায় আসছেন ’প্রিন্স’ নামের এ্যাকশন সিনেমা নিয়ে। এই ছবিতে প্রথমবারের মতো শাকিব খানের সাথে জুটি বাধঁতে যাচ্ছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। যদিও আরেক নায়িকা কলকাতার ইধিকা পলকে নিয়ে গুঞ্জন ছিল। তবে সব গুঞ্জন উড়িয়ে প্রিন্সের জন্য ফারিণকেই চুড়ান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সবশেষ তাণ্ডব সিনেমায় ঝড় তুলেছিলেন মেগাস্টার শাকিব খান। এবার প্রিন্স নিয়ে আবারো পর্দায় হাজির হবেন এই মহা তারকা। একাধিক সূত্রে জানাগেছে, চলতি সপ্তাহে তাসনিয়া ফারিণের সঙ্গে সিনেমাটি নিয়ে চুক্তি সম্পন্ন হবে। ইতোমধ্যে তার সঙ্গে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে।গত ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ইনসাফে শরিফুল রাজের সঙ্গে জুটি বাধেন তাসনিয়া ফারিণ। সেই সিনেমায় উত্তাপ ছড়িয়েছিলে এই লাবন্যময়ী অভিনেত্রী। এবার শাকিব খানের সাথে প্রিন্স সিনেমার মধ্য দিয়ে ভক্তদের আবারো চমকে দিলেন তাসনিয়া ফারিণ।জানাগেছে , সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ। ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মসের ব্যানারে শিরিন সুলতানার প্রযোজনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘প্রিন্স’। অ্যাকশন ধাঁচের সিনেমাটি আগামী ঈদে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে। ডিসেম্বরেই সিনেমাটির শুটিং শুরুর কথা রয়েছে। /টিএ

নভেম্বর ১২, ২০২৫

মারা যাননি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, নিশ্চিত করে যা বললেন মেয়ে এশা

বলিউড জগতের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে সোমবার (১০ নভেম্বর) রাত থেকেই নানা সংবাদ ছড়াচ্ছে। অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে নেয়ার পর ভেন্টিলেশন সাপোার্টে নেয়া হয়েছে তাকে। এরইমধ্যে গতরাতে খবর ছড়ায়―মারা গেছেন ধর্মেন্দ্র! যা মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) কিছু সংবাদমাধ্যমেও আসে। যা প্রকৃত অর্থে সত্য নয় বলে জানিয়েছেন অভিনেতার মেয়ে এশা দেওল।এদিন সকালে সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে এক বিবৃতিতে বাবার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন এশা দেওল। সেখানেই জানিয়েছেন, তার বাবাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরটি সঠিক নয়।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিনেত্রী এশা দেওল লিখেছেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমার বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। সবাইকে অনুরোধ করব, আমাদের পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। বাবার দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন।প্রসঙ্গত, ১৯৩৫ সালের ৮ ডিসেম্বর পাঞ্জাবের নসরালি গ্রামে জন্ম ধর্মেন্দ্রর। ছোটবেলা থেকেই সিনেমার প্রতি বেশ আগ্রহ ছিল তার। পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে তরুণ বয়সেই ভারতীয় রেলে কেরানির পদে চাকরি নেন। ওই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। তারপর প্রথম বিয়ে হয় প্রকাশ কৌরের সঙ্গে।এ সময় ধর্মেন্দ্র বুঝতে পারেন, রেলের চাকরিতে তার মন টিকছে না। জায়গা করে নেন ক্যামেরার সামনে। তারপর স্বপ্ন পূরণের আশায় পাড়ি জমান মুম্বাইয়ে। সেখানেও ভাগ্যকে সহজে লক্ষ্যে নিতে পারছিলেন না। ধারাবাহিকভাবে অডিশন দিতে থাকেন। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরা’ সিনেমায় সুযোগ পান।ধর্মেন্দ্র দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘শোলে’, ‘ছুপকে ছুপকে’, ‘ধরমবীর’, ‘ফুল অউর পাথর’, ‘সত্যকাম’, ‘রাজা জানি’, ‘রাখওয়ালা’র মতো একাধিক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন দর্শকদের।/টিএ

নভেম্বর ১১, ২০২৫

সোনাক্ষী সিনহার  সম্পদ ছাড়াল ১০০ কোটি!

সোনাক্ষী সিনহা বলিউডে এমন এক অভিনেত্রী, যিনি সবসময়ই তার চরিত্রের ভিন্নতা ও গভীরতা দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। তিনি প্রথম থেকেই প্রমাণ করেছেন যে, শুধু পারিবারিক পরিচয়ের জোরে নয়, বরং নিজস্ব প্রতিভা ও পরিশ্রম দিয়েই একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যায়। পুলিশের চরিত্র থেকে শুরু করে যৌনকর্মীর ভূমিকায় তার অভিনয়—সব জায়গাতেই তিনি দর্শকদের চমকে দিয়েছেন। সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র ‘জটাধরা’-তেও তার অভিনয়ের রূপান্তর প্রশংসা কুড়িয়েছে। সংলাপ, অভিব্যক্তি ও শরীরী ভাষার নিখুঁত ব্যবহার তাকে করে তুলেছে বলিউডের অন্যতম বহুমাত্রিক অভিনেত্রী।বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা সব সময়ই থাকেন আলোচনায়—কখনো তার অভিনয়ের জন্য, কখনো বা ব্যক্তিগত জীবনের কারণে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার নতুন ছবি ‘জটাধরা’, যেখানে একদম নতুন রূপে দেখা গিয়েছে তাকে। চরিত্রে ভিন্নতা আনার দিক থেকে তিনি সবসময়ই সাহসী। পুলিশের চরিত্র থেকে যৌনকর্মীর ভূমিকায়, প্রতিটি চরিত্রে সোনাক্ষী নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখে গেছেন।অভিনয়ে যেমন তিনি নিয়মিত, তেমনি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সবসময় থাকেন খবরের শিরোনামে। বছরখানেক আগে বিয়ের পর আবারও আলোচনায় আসেন তার বিপুল সম্পদের কারণে। জানা গেছে, বর্তমানে প্রায় ১০০ কোটি রুপি সম্পদের মালিক এই বলিউড তারকা। যা প্রমাণ করে—তিনি শুধু অভিনয়ে নয়, আর্থিক দিক থেকেও অত্যন্ত সফল ও বিচক্ষণ।শত্রুঘ্ন সিনহার কন্যা হলেও সোনাক্ষী নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন একক প্রচেষ্টায়। ২০২০ সালে তিনি মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সমুদ্রসংলগ্ন ১৬ তলার একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনেন, যার দাম ছিল ১৪ কোটি রুপি। এটি ছিল তার জীবনের অন্যতম বড় স্বপ্ন পূরণের মুহূর্ত। পরিবারের বাইরে এসে নিজের ঠিকানা তৈরি করা তার স্বাধীনতার প্রতীকও বটে।২০২৩ সালে নতুন ঠিকানায় ওঠার পর তিনি বিনিয়োগ হিসেবেও আরেকটি ফ্ল্যাট কেনেন একই ভবনের ১১ তলায়। ২০২৪ সালে সেই ফ্ল্যাট বিক্রি করে ৬১ শতাংশ লাভ করেন তিনি—যা তার আর্থিক জ্ঞান ও পরিকল্পনার পরিচয় দেয়। পাশাপাশি একই বছর নেটফ্লিক্সের আলোচিত ওয়েব সিরিজ ‘হীরামণ্ডি’-তে অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি ২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পান।অভিনয়ের পাশাপাশি সোনাক্ষী যুক্ত আছেন নানা বিজ্ঞাপন ও ব্যবসায়িক উদ্যোগে। ২০২৪ সালে তিনি নিজের একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডও চালু করেন। তার বিলাসবহুল জীবনযাত্রার সাক্ষী তার গ্যারেজ—যেখানে আছে দুটি মার্সিডিজ বেনজ ও একটি বিএমডব্লু। এই সাফল্যের গল্প প্রমাণ করে, সোনাক্ষী সিনহা শুধু এক প্রতিভাবান অভিনেত্রীই নন, তিনি আধুনিক যুগের এক আত্মনির্ভর ও শক্তিশালী নারী। /টিএ

নভেম্বর ১০, ২০২৫

২৯ বছর পর ভক্তকে লেখা সালমান শাহ’র চিঠি ভাইরাল!

বাংলা চলচ্চিত্রের অমর নায়ক সালমান শাহ, যিনি ‘স্বপ্নের নায়ক’ হিসেবে কোটি ভক্তের হৃদয়ে এখনো রাজত্ব করে যাচ্ছেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ পৃথিবী ছেড়ে গেলেও, তার প্রতি ভক্তদের ভালোবাসা আজও অমলিন।এই মহান অভিনেতার জীবনে রয়েছে অসংখ্য স্মৃতি, যার মধ্যে অন্যতম তার ভক্তদের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। সালমান শাহ শুধু সিনেমার পর্দায় নয়, বাস্তব জীবনেও ভক্তদের ভালোবাসাকে মর্যাদা দিতেন। তিনি তাদের সঙ্গে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন, তাদের আবেগ ও শুভেচ্ছাকে নিজের শক্তি হিসেবে গ্রহণ করতেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সালমান শাহর একটি চিঠি। যা তিনি এক তার ভক্তকে লিখেছিলেন। ১৯৯৫ সালের ৮ই মার্চ সালমান শাহ তার ব্যক্তিগত ডায়রিতে যেই হৃদয়স্পর্শী চিঠি লিখেছিলেন, তা ছিল ভক্ত ইথেনের উদ্দেশে। চিঠিতে তিনি লিখেন, স্নেহের ইথেন, আমার অনেক ভালোবাসা ও স্নেহাশিষ নিও। তোমার চিঠি অনেক আগেই আমি পেয়েছি। কিন্তু অসম্ভব ব্যস্ততার কারণে উত্তর দিতে সামান্য দেরি হয়েছে বলে আমি দুঃখিত। মাসুম ভাইয়ের কাছে তোমার কথা অনেক শুনেছি। তোমার মতো একজন ভক্ত আমার আছে জেনে সত্যি খুব আনন্দ পাই এবং মনে মনে খুব গর্বও বোধ করি।চিঠিতে সালমান শাহ আরো লিখেন, তোমাদের মতো অসংখ্য ভক্তদের ভালোবাসাই আমার কাজের প্রেরণা। তোমাদের এই ভালোবাসা আমৃত্যু যেন আমার সাথে থাকে-এই দোয়াই বিধাতার কাছে করি। ব্যস্ততার কারণে অতি সংক্ষেপে চিঠিটা শেষ করতে হচ্ছে বলে আবারও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ভবিষ্যতে আবারও চিঠি লেখার আমন্ত্রণ রইলো। ইতি সালমান শাহ।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন এবং একের পর এক হিট ছবি উপহার দেন। তার অকাল মৃত্যূ বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হলেও, তার অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা তাকে আজও জীবন্ত করে রেখেছে কোটি মানুষের হৃদয়ে।/টি

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo