৩৬ বছর বয়সেও যেভাবে এত ফিট তামান্না ভাটিয়া
15 এপ্রিল 2026, বিকাল 5:29
ভারতের দক্ষিণী চলচ্চিত্র থেকে বলিউড—সবখানেই তামান্না ভাটিয়ার ফিটনেস এক চর্চার বিষয়। ৩৬ বছর বয়সে পদার্পণ করেও তাঁর গ্ল্যামার আর কর্মক্ষমতা হার মানায় অনেক তরুণীকেও। সিনেপ্রেমী থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সচেতন নেটিজেন, সবার মনেই প্রশ্ন—কীভাবে নিজেকে এতটা ফিট রাখেন এই তারকা? তামান্নার এই ফিটনেসের রহস্য কোনো কঠিন ডায়েট নয়, বরং শরীরের প্রয়োজন বুঝে সঠিক খাদ্যাভ্যাস। সহজ ডায়েট ও খাদ্যাভ্যাসঅনেকেই মনে করেন তারকারা হয়তো খুব ট্রেন্ডি বা কঠিন কোনো ডায়েট অনুসরণ করেন। কিন্তু তামান্না এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তিনি শরীরের ধরন বুঝে খাবার খেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার তাঁর শরীরে খুব একটা সহ্য হয় না, তাই সচেতনভাবেই দুগ্ধজাত পণ্য এড়িয়ে চলেন তিনি। কোনো কৃত্রিম নিয়ম চাপিয়ে না দিয়ে বরং স্বাভাবিক খাবারের মাধ্যমেই তিনি শরীরের পুষ্টি নিশ্চিত করেন। সকালের শুরু ও পানীয় তামান্নার দিন শুরু হয় এক গ্লাস সাধারণ পানি পানের মাধ্যমে। এরপর তিনি সারারাত ভিজিয়ে রাখা আমন্ড, আখরোট বা কিশমিশ খান। এর সাথে থাকে একটি তাজা ফল। দিনের প্রথম পানীয় হিসেবে তিনি বেছে নেন ড্রাই ক্যাপুচিনো। তবে প্রতিদিন একঘেয়েমি কাটাতে মাঝেমধ্যে কফির বদলে চা-ও পান করেন তিনি। এই পরিমিত শুরুই তাঁকে সারাদিন সতেজ রাখতে সাহায্য করে।পুষ্টিকর প্রধান খাবারতামান্নার সকালের নাস্তা বা প্রাতরাশে থাকে প্রোটিনের প্রাধান্য। সাধারণত তিনি মুগ ডালের চিলা অথবা ডিম খেয়ে থাকেন। দুপুরের খাবারে কার্বোহাইড্রেটের বিকল্প হিসেবে তিনি বেছে নেন ‘কিনোয়া’। এর সাথে প্রোটিনের উৎস হিসেবে থাকে ডাল, ডিম, মাছ অথবা চিকেন। ভারী খাবারগুলোতেও তামান্না সবসময় ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেন।বিকেলের নাস্তা ও রাতের খাবার মিষ্টি বা চকলেটের প্রতি ঝোঁক কমাতে তামান্না বেছে নেন প্রাকৃতিক মিষ্টতা বা খেজুর। বিকেলের স্ন্যাকস হিসেবে তিনি ব্লুবেরি অথবা কলা খেতে পছন্দ করেন। আর রাতের খাবারটি হয় একেবারেই হালকা কিন্তু পুষ্টিগুণে ভরপুর। দুপুরের মতো রাতেও তিনি কিনোয়া, প্রচুর পরিমাণে সবজি এবং সালাদ রাখেন। মূলত নিয়ম মেনে খাবার গ্রহণ আর স্বাস্থ্যকর জীবনবোধই তামান্না ভাটিয়াকে করে তুলেছে চিরযৌবনা।/টিএ