logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/বিনোদন
‘রকস্টার’ দিয়ে নতুন রূপে সাবিলা নূর - image

‘রকস্টার’ দিয়ে নতুন রূপে সাবিলা নূর

30 মে 2026, বিকাল 4:39

ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ সাবিলা নূর ধীরে ধীরে বড়পর্দায়ও নিজের জায়গা শক্ত করছেন। সম্প্রতি ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান–এর বিপরীতে অভিনীত রকস্টার সিনেমা নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছেন তিনি। মুক্তির দিন নির্মাতা আজমান রুশো–এর সঙ্গে দর্শকদের নিয়ে ছবিটি উপভোগ করেন সাবিলা। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।সাবিলা নূর জানান, অভিনয়ে সবসময় নতুন কিছু করার চেষ্টা থাকে তার। তিনি বলেন, ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করাই তার লক্ষ্য। তাণ্ডব কিংবা বনলতা এক্সপ্রেস–এর মতো কাজের মাধ্যমে তিনি নিজের ইমেজ ভাঙার চেষ্টা করেছেন। তার ভাষায়, দর্শক যেন প্রতিটি সিনেমায় তাকে নতুনভাবে দেখতে পারে, সেই জায়গাটিকেই গুরুত্ব দেন তিনি।‘রকস্টার’ সিনেমায় ‘মিরা’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাবিলা। চরিত্রটির প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময় খুব বেশি পাওয়া যায়নি। মাত্র দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি।সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশংসা করেন সাবিলা নূর। তিনি বলেন, শাকিব খান একজন অত্যন্ত নিবেদিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ শিল্পী। সহশিল্পী হিসেবে তিনি খুবই সহযোগিতাপরায়ণ, যা কাজের পরিবেশকে সহজ করে তোলে।সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশের পর অনেকেই বলিউডের রণবীর কাপুর অভিনীত Rockstar–এর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে সাবিলা স্পষ্ট করে বলেন, দুই সিনেমার গল্প সম্পূর্ণ আলাদা। তাদের ‘রকস্টার’-এ একজন মানুষের জীবন, তার সংগীতযাত্রা এবং বাস্তবতার গল্প উঠে এসেছে। কোরবানির ঈদের ব্যস্ততার মধ্যেও দর্শকদের হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখার আহ্বান জানান তিনি, যাতে ভবিষ্যতে দেশে আরও ভিন্নধারার সিনেমা নির্মাণে উৎসাহ তৈরি হয়।/টিএ

মে ৩০, ২০২৬

ঢাকা মাতাতে আসছেন অনুপম রায়

ঢাকা মাতাতে আসছেন কলকাতার জনপ্রিয় সংগীত তারকা অনুপম রায়। আগামী ২৬ জুন গোটা ব্যান্ডসহ ঢাকায় একটি লাইভ কনসার্টে পারফর্ম করবেন তিনি। ‘অন ট্রু সাউন্ড’ শিরোনামের এই কনসার্টটি আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন’। ইতিমধ্যেই আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনসার্টটির আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করা হয়েছে। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনুপম রায় এবার একা নন, তার পুরো ব্যান্ড দল নিয়ে ঢাকায় আসছেন। প্রিয় তারকার আসার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ঢাকার শ্রোতাদের মাঝে বেশ উদ্দীপনা ও উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে।বাংলাদেশে আসা প্রসঙ্গে বরাবরই ভীষণ উচ্ছ্বসিত অনুপম রায়। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, আমন্ত্রণ পেলেই আমি বাংলাদেশে আসার জন্য স্যুটকেস গোছানো শুরু করি। কারণ এখানকার মানুষ এবং তাদের ভালোবাসা আমাকে বারবার টেনে আনে।শিগগিরই এই কনসার্টের ভেন্যু এবং টিকিট বিক্রির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।/টিএ 

মে ২৯, ২০২৬

শাকিবের ‘রকস্টার’ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

আসন্ন ঈদুল আজহার সিনেমা নিয়ে যখন দর্শকদের মাঝে টানটান উত্তেজনা, ঠিক তখনই বিনোদনপ্রেমীদের জন্য এলো এক আকস্মিক ধাক্কা। ঈদের বড়পর্দায় মুক্তির তালিকায় থাকা সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা শাকিব খান অভিনীত ‘রকস্টার’। রাত পোহালেই রুপালি পর্দায় মুক্তি পাওয়ার কথা সিনেমাটি। দর্শক মহলেও অগ্রিম টিকিট কাটার ধুম ও তুমুল উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স চেইন ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’ এক অনাকাঙ্ক্ষিত দুঃসংবাদ দিল।মূলত কারিগরি বা কনটেন্ট ফাইল সংক্রান্ত জটিলতার কারণে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রদর্শনী সাময়িকভাবে আটকে গেছে। তবে শাকিবের ‘রকস্টার’ একাই এই ভাগ্য বরণ করেনি, একই তালিকায় যুক্ত হয়েছে ঈদের আরেক প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘মাসুদ রানা’। ফাইল এসে না পৌঁছানোয় সিনেমা দুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে এই মুহূর্তে এক ধরণের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বুধবার (২৭ মে) স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক জরুরি নোটিশের মাধ্যমে দর্শকদের এই সংকটের কথা জানায়। তারা স্পষ্ট করে বলেছে যে, ‘রকস্টার’ এবং ‘মাসুদ রানা’ সিনেমা দুটির কনটেন্ট ফাইল এখনো তাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। আর এই ফাইল না পাওয়ার কারণে ছবি দুটির শোর সময়সূচি (শো-টাইম) প্রকাশ করা কিংবা অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করা কর্তৃপক্ষের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দর্শকদের বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে মাল্টিপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘আপনাদের ধৈর্য এবং সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। পরবর্তী ঘোষণার জন্য অনুগ্রহ করে আমাদের অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মগুলোতে চোখ রাখুন।’ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুতই টিকিট ও শোর ব্যাপারে আপডেট দেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়।ঈদের ঠিক আগমুহূর্তে, যখন হল বুকিং ও টিকিট বিক্রির ভরা মৌসুম, তখন সিনেমা দুটির ফাইল সময়মতো পৌঁছাতে না পারাকে প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থার বড় গাফিলতি হিসেবে দেখছেন ক্ষুব্ধ সিনেপ্রেমীরা। যদিও একই দিনে ‘রকস্টার’ সিনেমার পোস্টার শেয়ার করে আজমান রুশো পরিচালিত ছবিটির রাজকীয় আগমনের বার্তা দিয়েছিল সিনেপ্লেক্স। তবে ঈদের এই উৎসবমুখর সময়ে দ্রুত জটিলতা না কাটলে সিনেমা দুটি যে বড় অঙ্কের দর্শক খরায় পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।/টিএ

মে ২৭, ২০২৬

কান চলচ্চিত্র উৎসবে সাদা টাক্সেডোতে অনন্য ঐশ্বরিয়া

৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী আয়োজনে হাজির হয়ে বরাবরের মতোই সবার নজর কেড়েছেন ‘কুইন অব কান’খ্যাত সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। এবারের উৎসবের শেষ দিনে তিনি বেছে নিয়েছিলেন একেবারে ভিন্নধর্মী একটি সাদা টাক্সেডো লুক। স্টাইলিশ সেই পোশাকের সঙ্গে পালকের বোয়া আর নতুন হেয়ারস্টাইলের মেলবন্ধনে রেড কার্পেটে এক অনন্যা ও অপরূপী রূপে ধরা দেন এই অভিনেত্রী। তার এই সাহসী ও রাজকীয় লুকটি ইতিমধ্যেই ফ্যাশন দুনিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছে।কানের মঞ্চে সাবেক এই বিশ্বসুন্দরীর জন্য পালকের বোয়াযুক্ত কাস্টম পোশাকটি তৈরি করেছেন বিখ্যাত চীনা ডিজাইনার চেনি চ্যান। এর স্টাইলিংয়ের মূল দায়িত্বে ছিলেন ভারতীয় সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট মোহিত রাই ও তার দল এবং গহনা হিসেবে যুক্ত ছিল যুক্তরাজ্যের হাসানজাদেহ জুয়েলারি। সম্প্রতি জনপ্রিয় ফ্যাশন ম্যাগাজিন ‘ভোগ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডিজাইনার চেনি চ্যান বলেন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের ওপর সাদা রঙ সবসময়ই দারুণ লাগে। মূলত ঐশ্বরিয়ার অভিনীত ‘তাল’, ‘মহব্বতে’ ও ‘দেবদাস’ সিনেমার আইকনিক লুকগুলো থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এই বিশেষ পোশাকটি ডিজাইন করেছেন।রেড কার্পেটের এই লুকে ঐশ্বরিয়া কোনো ভারী গহনা ব্যবহার না করে অত্যন্ত পরিমার্জিত ফ্যাশন বেছে নিয়েছেন। তিনি পায়ে পরেছিলেন সাদা পিপ-টো পাম্পস এবং আঙুলে জড়িয়েছিলেন চমৎকার ডায়মন্ড রিং। তবে পোশাকের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার বারগান্ডি রঙের খোলা চুল। সফট ব্লোআউট ওয়েভে সাজানো তার এই নতুন হেয়ারস্টাইলটিকে অনেকেই ফ্যাশন বিশ্লেষকরা অভিনেত্রীর সাম্প্রতিক সময়ের সেরা লুকগুলোর একটি বলে আখ্যায়িত করছেন।পোশাকের সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং মেকআপেও ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। অভিনেত্রীর মেকআপে ব্যবহার করা হয়েছিল গাঢ় প্লাম লিপস্টিক, উইংড আইলাইনার, শিমারি আইশ্যাডো, হাইলাইটার ও সফট ব্রোঞ্জারের এক নিখুঁত কম্বিনেশন। তাছাড়া তার বিশেষ টাক্সেডোতে ছিল ঝলমলে সিকুইন, ক্রিস্টাল-খচিত বোতাম এবং স্তরযুক্ত নচ ল্যাপেল। জ্যাকেটের প্যাডেড শোল্ডার, ফুল স্লিভ এবং কাফে লেস ট্রিম পুরো লুকে একটি চমৎকার নাটকীয়তা যোগ করেছিল, যেখানে কোমরের ফিটিং কাটটি তার অবয়বকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।জ্যাকেটের ভেতরে এই বলিউড ডিভা পরেছিলেন লেস এমব্রয়ডারির কাজ করা একটি সাদা বুস্টিয়ার এবং সাথে ছিল সিলভার সিকুইন-খচিত ফ্লেয়ার প্যান্ট। তবে পুরো অবয়বকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করেছে পালক দিয়ে তৈরি টেকসই বোয়া ও ক্যাট-ইয়ার স্টাইলের একটি বিশেষ শাল। সব মিলিয়ে কানের সমাপনী দিনে এই চোখধাঁধানো রূপের মাধ্যমে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন যেন বিশ্বমঞ্চে আবারও প্রমাণ করলেন—কেন তিনি ফ্যাশন সাম্রাজ্যের অবিসংবাদিত রানী এবং কেন তিনি এখনও সেরা।/টিএ

মে ২৫, ২০২৬

মানসিক অবসাদ জয় করে নতুন জীবনে রাধিকা

বিনোদন জগতের অন্যতম জনপ্রিয় ও সদা হাস্যোজ্জ্বল সংগীতশিল্পী শানের স্ত্রী রাধিকা মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন ছিল গত ২১ মে। বিশেষ এই দিনে জীবনের এক অন্ধকার অধ্যায়ের কথা ভক্তদের সামনে এনেছেন তিনি। জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করে রাধিকা জানান, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করে এসেছেন তিনি। আর এই পোস্টে তার মানসিক অবসাদ ও তা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পই ফুটে উঠেছে।সংগীতশিল্পী শানের সুরেলা কণ্ঠের পাশাপাশি তার মুখের মিষ্টি হাসির ভক্ত সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। অনুরাগীদের মতে, শানের এই হাসি তাদের ইতিবাচক শক্তি জোগায়। কিন্তু পর্দার পেছনের গল্পটা ছিল ভিন্ন। গত একটি বছর ধরে মারাত্মক মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন গায়কের স্ত্রী রাধিকা। সম্প্রতি নিজের সেই কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতার কথা সামাজিক মাধ্যমে খোলাখুলি শেয়ার করে নেন তিনি। একই সঙ্গে জীবনের সেই চরম সংকটে স্বামী শান কীভাবে তার পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, সে কথাও উল্লেখ করেন।মানসিক অবসাদকে জয় করতে গত এক বছরে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন রাধিকা। সঠিক চিকিৎসা ও থেরাপির পর বর্তমানে নিজেকে অনেক বেশি সুখী, হালকা এবং আত্মসচেতন বলে মনে করছেন তিনি। জন্মদিনের আবহে নিজের এই মানসিক পরিবর্তন ও সুস্থ হয়ে ওঠার সার্টিফিকেটকেই জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার বলে মানছেন শানপত্নী। রাধিকা বলেন, "নিজেকে উন্নত করাই ছিল এ বছরের উপহার। আর এটাই হয়তো আমার জীবনের সবচেয়ে গর্বের জন্মদিন।"সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে রাধিকা জানান, তিনি নিয়মিত মনোবিদের পরামর্শ নিয়েছেন এবং নিজের মানসিক সুস্থতার একটি প্রশংসাপত্রের ছবিও ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন— "জন্মদিনের শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ। এ বছরটা আমার কাছে একদম আলাদা। এই জন্মদিনে নিজেকে আরও শক্তিশালী এবং সম্পূর্ণ মনে হচ্ছে।"রাধিকা স্পষ্ট ভাষায় জানান, তিনি যে অবসাদের মধ্য দিয়ে গেছেন তা কখনোই লুকিয়ে রাখতে চাননি। এটি তার জীবনের অন্যতম কঠিন সময় হলেও নিজের ওপর এবং চিকিৎসার ওপর তার পূর্ণ বিশ্বাস ছিল যে সুস্থ হওয়া সম্ভব। তবে এই লড়াইয়ে পরিবারের অবদান সবচেয়ে বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমার পরিবারের সমর্থন ছাড়া এই জয় সম্ভব হতো না। আমার স্বামী শান, সন্তান সোহম ও মাহি, আমার বাবা-মা এবং বোনেরা সবসময়ে ছায়ার মতো আমার পাশে ছিলেন।"/টিএ

মে ২৩, ২০২৬

মারা গেছেন অভিনেতা দিলু মজুমদার

দেশের জনপ্রিয় বর্ষীয়ান অভিনেতা দিলু মজুমদার আর নেই। বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর খবরে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যার ঠিক আগে দিলু মজুমদার হঠাৎ শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থতা অনুভব করেন। এরপর দ্রুত তাঁকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলেও তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ গণমাধ্যমকে জানান, এটি ছিল একটি ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক এবং তাঁর হার্ট ব্লক হয়ে গিয়েছিল। তিনি অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “দিলু মজুমদার একাধারে দুর্দান্ত অভিনেতা ও দক্ষ সংগঠক ছিলেন। চলতি মাসের প্রথম দিনও তিনি ‘রাঢ়াঙ’ নাটকের সাড়ে তিন শ তম প্রদর্শনীতে অভিনয় করেছেন। শুরু থেকে এই নাটকের প্রতিটি শো-তে তিনি ছিলেন। তাঁর এই চলে যাওয়া নাট্য অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”নাট্য অঙ্গনে প্রায় তিন যুগের দীর্ঘ ক্যারিয়ার ছিল দিলু মজুমদারের। জনপ্রিয় নাট্যদল ‘আরণ্যক’-এর মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করে পরবর্তীতে তিনি টেলিভিশন নাটক ও বিজ্ঞাপনেও নিয়মিত কাজ করে পরিচিতি লাভ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ছেলে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর আগামী শুক্রবার (২২ মে) উত্তরার একটি কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।/টিএ 

মে ২১, ২০২৬

চাইলে জেলে দিতে দিতে পারেন : সালমান খান

বলিউডের ‘ভাইজান’ খ্যাত সালমান খান বরাবরই অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং নিজের আত্মসম্মানের প্রশ্নে সোচ্চার। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালের বাইরে পাপারাজ্জিদের অতি-উৎসাহী আচরণে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিস্ফোরক বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেতা। তারকাদের ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করার এই প্রবণতা নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বলিউড সুলতান।সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালের বাইরে সালমান খানকে দেখা মাত্রই তাকে ফ্রেমবন্দি করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন পাপারাজ্জিরা। রেস্টুরেন্ট কিংবা হাসপাতালের মতো জায়গায় তারকাদের এমন ব্যক্তিগত মুহূর্তে বাধা দেওয়াকে একদমই ভালোভাবে নেননি সালমান। হাসপাতালের সেই কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে তাকে কেবলই একটি ‘কনটেন্ট’ বানিয়ে অর্থ উপার্জনের এই মানসিকতাকে ‘অমানবিক’ বলে তীব্র নিন্দা জানান তিনি।"আমি বরাবরই সংবাদমাধ্যমের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং তাদের কাজকে সম্মান করেছি। সবসময় চেয়েছি তারা যেন নিজেদের কাজ শান্তিতে করতে পারেন।"পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে নিজের এই ক্ষোভের কথা জানান সালমান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, গণমাধ্যমের প্রতি তার শ্রদ্ধা থাকলেও অন্যের দুঃখ-কষ্টকে পুঁজি করে ব্যবসা করার এই নোংরা প্রবণতা তাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে।হাসপাতালের সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের একাংশের প্রতি তীব্র প্রশ্ন তুলে ভাইজান বলেন, ‘কারও জীবনের চেয়ে কি একটা ছবি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?’ একই সাথে নিজের শক্ত অবস্থানের কথা জানান দিয়ে ৬০ বছর বয়সী এই তারকা হুঁশিয়ারি দিয়ে লেখেন, ‘আমি ৬০ বছর বয়সে পৌঁছেছি ঠিকই, কিন্তু লড়াই করতে ভুলিনি। জেলে দিতে চাইলে দিতে পারেন।’/টিএ

মে ২০, ২০২৬

না ফেরার দেশে অভিনেত্রী কারিনা কায়সার

লিভারজনিত জটিলতায় মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাই নেওয়ার পর শুক্রবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে শোবিজ অঙ্গন ও ভক্তদের মাঝে।কায়সার হামিদ জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের সময় হঠাৎ করেই কারিনার রক্তচাপ অনেক নিচে নেমে যায়। পরে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। কয়েক দিন ধরেই লিভারজনিত জটিলতায় সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়।পরে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চলছিল তাঁর চিকিৎসা। চিকিৎসকেরা প্রথমে তাঁর ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেন এবং একই সঙ্গে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। পাশাপাশি হেপাটাইটিস এ ও ই–জনিত জটিলতায় লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়েও ব্যস্ত ছিলেন কারিনা কায়সার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। পরে নাটক ও ওটিটির জগতেও নিজের অবস্থান তৈরি করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ ও ৩৬-২৪-৩৬। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তরা গভীর শোক প্রকাশ করছেন।/টিএ

মে ১৬, ২০২৬

শেফালী জরিওয়ালার মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন তার স্বামী

২০২৫ সালের জুন মাসে মাত্র ৪২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে যান ‘কাঁটা লাগা’ খ্যাত জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী শেফালী জরিওয়ালা। ‘বিগ বস ১৩’-তে অংশগ্রহণ করে নতুন করে আলোচনায় আসা এই অভিনেত্রীর আকস্মিক মৃত্যু স্তম্ভিত করেছিল বিনোদন জগতকে। তার অকাল প্রয়াণকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা গুঞ্জন ও বিতর্ক, যা নিয়ে এতদিন ভক্তদের মাঝে ধোঁয়াশা ছিল।সম্প্রতি সেই সব জল্পনা ও বিতর্কের অবসান ঘটাতে মুখ খুলেছেন শেফালীর স্বামী, অভিনেতা পরাগ ত্যাগী। সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন ভিডিওবার্তা শেয়ার করে তিনি স্পষ্ট করেন যে, শেফালীর মৃত্যু নিয়ে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে তার অধিকাংশই ভিত্তিহীন। বিশেষ করে, বয়স ধরে রাখার জন্য বা ‘অ্যান্টি-এজিং’ ইনজেকশন নেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে যে দাবি উঠেছে, পরাগ সেটিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।পরাগ তার ভিডিওতে প্রশ্ন তোলেন, কোন ইনজেকশনের কথা বলা হচ্ছে তা যেন তাকেও জানানো হয়। তিনি জানান, শেফালী নিয়মিত কোনো অ্যান্টি-এজিং ওষুধ গ্রহণ করতেন না। তবে সুস্থ থাকার জন্য এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাসে একবার মাল্টিভিটামিন, ভিটামিন সি, কোলাজেন এবং গ্লুটাথিয়নের আইভি ড্রিপ নিতেন তিনি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এগুলো সাধারণ স্বাস্থ্য রক্ষার অনুষঙ্গ হিসেবেই পরিচিত।মৃত্যুর দিনের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে পরাগ আরও বলেন, শেফালী সেদিন উপবাস করেছিলেন ঠিকই, তবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তিনি খাবার গ্রহণ করেছিলেন। তাই খালি পেটে কোনো ইনজেকশন বা ওষুধ নেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে যে খবর রটেছে, তা একেবারেই সঠিক নয়। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই এমন স্পর্শকাতর তথ্য প্রচার না করার জন্য তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানান।পরিশেষে পরাগ ত্যাগী বলেন, শেফালীর তারুণ্য ও সুস্বাস্থ্যের আসল রহস্য ছিল তার সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ও নিয়মিত ব্যায়াম। তিনি কোনো দিনই নিজেকে পছন্দের খাবার থেকে বঞ্চিত করেননি; আইসক্রিম বা চাইনিজ—সবই খেতেন পরিমিত পরিমাণে। সত্য না জেনে কাউকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়ে পরাগ বলেন, ভিত্তিহীন জল্পনা ছড়ানোর আগে প্রকৃত তথ্য জেনে নেওয়া উচিত।/টিএ

মে ১৪, ২০২৬

কারিনাকে লিভার দিচ্ছেন তার ভাই

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার গুরুতর অসুস্থ হয়ে বর্তমানে ভারতের চেন্নাই-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লিভার ফেইলিউরের কারণে তাকে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সেখানে নেওয়া হয়। তার দুই ভাই মোস্তফা এস হামিদ ও সাদাত হামিদের রক্ত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন লিভার দান করবেন।কারিনার বাবা কায়সার হামিদ জানান, মেয়ের সঙ্গে চেন্নাইয়ে গেছেন তার মা লোপা কায়সার ও দুই ভাই। বর্তমানে হাসপাতালে তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তিনি দেশবাসীর কাছে মেয়ের সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার মেটাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে কায়সার হামিদ জানান, আগে কারিনার ফুসফুসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। এরপর লিভারের অপারেশন করা হবে। তার রক্তচাপ, হৃদ্‌যন্ত্র ও কিডনি স্বাভাবিক থাকলেও ফুসফুসে পানি জমে আছে, যা পরিষ্কার করা হচ্ছে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কারিনা আগে থেকেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। পরে তিনি হেপাটাইটিস এ-তে আক্রান্ত হন এবং সংক্রমণ দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে। গত শুক্রবার তার লিভার ফেইলিউর হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।/টিএ

মে ১৩, ২০২৬

কিংবদন্তি অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই

বাংলা নাট্যাঙ্গনের কিংবদন্তি পুরুষ, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা ও নির্দেশক আতাউর রহমান আর নেই। সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তার প্রয়াণের খবরে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।বরেণ্য এই নাট্যব্যক্তিত্বের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা রওনক হাসান এবং অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু। গভীর শোক প্রকাশ করে রওনক হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, মঞ্চের প্রেরণাদায়ী সারথি আতাউর রহমানের চিরবিদায়ে জাতি এক অপূরণীয় সম্পদ হারালো। সংস্কৃতি অঙ্গনের সহকর্মীরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।আতাউর রহমান গত শুক্রবার নিজ বাসায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। এরপর থেকে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। প্রথমে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ধানমন্ডির হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে পড়লে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ লড়াই শেষে সোমবার মধ্যরাতে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করা আতাউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মঞ্চনাটককে আধুনিক ও গতিশীল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। একাধারে নাট্যনির্দেশক, অভিনেতা ও লেখক হিসেবে তিনি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে রেখেছেন। তার মেধা ও কর্মতৎপরতা বাংলাদেশের নাট্যচর্চাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সহায়তা করেছে।শিল্প-সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আতাউর রহমান একুশে পদক এবং দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত হয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান ঘটল। দেশের নাট্যবোদ্ধা ও সংস্কৃতিকর্মীরা মনে করেন, আতাউর রহমান তার কালজয়ী কাজ এবং নির্দেশনার মাধ্যমে এ দেশের মঞ্চনাটকের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন।/টিএ

মে ১২, ২০২৬

বাইফা অ্যাওয়ার্ডে সেরা গীতিকার ও সুরকারের পুরস্কার পেলেন মাহবুবুল খালিদ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম অ্যান্ড আর্টস (বাইফা) অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন স্বনামধন্য কবি, গীতিকার ও সুরকার মাহবুবুল খালিদ। ‘মাগুরার ফুল‘ শিরোনামের গানটির জন্য "৫ম বাইফা অ্যাওয়ার্ড" এ সেরা গীতিকার ও সুরকারের সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।গত শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাইফা পুরস্কারের পঞ্চম আসরের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।গত বছর মাগুরায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যাওয়া ৮ বছর বয়সি শিশু আছিয়াকে নিয়ে লেখা হয়েছে হৃদয়স্পর্শী গান ‘মাগুরার ফুল’। গানটি রচনার পাশাপাশি সুরও করেছেন মাহবুবুল খালিদ। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার।‘মাগুরার ফুল’ গানের মাধ্যমে গীতিকার শিশু ও নারী নির্যাতনসহ যেকোনো মানুষের উপর সকল ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতার আহ্বান জানিয়েছেন। 

মে ১১, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo