logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/অন্যান্য
গাড়ির কাঁচে মুছে যায় ধুলো, মুছে না শিশুটির বেঁচে থাকার হাহাকার - image

গাড়ির কাঁচে মুছে যায় ধুলো, মুছে না শিশুটির বেঁচে থাকার হাহাকার

12 অক্টোবর 2026, বিকাল 6:23

চলাচলের পথে সিগন্যালে লাল বাতি জ্বললেই থমকে দাঁড়ায় চকচকে সব গাড়ি। আর তখনই শুরু হয় এই ছোট্ট শিশুটির বেঁচে থাকার আকুল লড়াই। খালি গায়ে, রোদে পোড়া শরীরে এক টুকরো জীর্ণ কাপড় হাতে সে ছুটে যায় কাঁচের ভিড়ে। ছোট ছোট হাতে সমস্ত শক্তি দিয়ে ধুলোবালি জমে থাকা গাড়ির গ্লাসগুলো মুছতে থাকে সে। ভিক্ষে নয়, যেন নিজের একটুখানি শ্রমের বিনিময়ে উপার্জনের এক সততার চেষ্টা।তার ছোট্ট হৃদয়ে একটাই আশা, কাজটুকু দেখে হয়তো কোনো সহৃদয় মানুষ তাকে দুটো টাকা দেবে, যা দিয়ে আজকের ক্ষুধা শান্ত হবে। কিন্তু এই যান্ত্রিক শহরের বাস্তবতা বড়ই নির্মম। হয়তো দু-একজন দয়া পরবশ হয়ে সাহায্য করে, তবে বেশিরভাগ মানুষই বিরক্তি নিয়ে তাড়িয়ে দেয় তাকে। বন্ধ কাঁচের ওপাশ থেকে আসা ধমক কিংবা তাচ্ছিল্যের হাতছানি তার অবুঝ মনকে নিঃশব্দে ভেঙে চুরমার করে দেয়।কাঁচের এপারের জীবন           ছবি: মোঃ মোবারক হোসেনযে বয়সে তার কাঁধে থাকার কথা ছিল রঙিন স্কুলব্যাগ আর মুখ ভরা হাসি, সে আজ পেটের টানে রাজপথের ধুলোয় ম্লান। গাড়ির কাঁচের ওপাশে থাকা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ির মানুষগুলো কি কখনো উপলব্ধি করতে পেরেছে এই অবুঝ বুকের ভেতরের হাহাকার? এই নির্মম বাস্তবতায় আমাদের চোখের সামনেই তিল তিল করে ঝরে পড়ে কত শত নিষ্পাপ শৈশব, আর আমরা চেয়ে থাকি নির্বাক দর্শকের মতো।

অক্টোবর ১২, ২০২৬

সিগন্যালে থমকে থাকা শৈশব, থামে না বেঁচে থাকার লড়াই

ফার্মগেট সিগন্যাল, যেখানে সময় থমকে দাঁড়ায়, কিন্তু জীবন নয়। যান্ত্রিক নগরের কোলাহলে যখন সবাই আমরা গন্তব্যে পৌঁছানোর তাড়ায় ব্যস্ত, তখন এই নিঃস্পাপ দুটি চোখ অন্য এক অদৃশ্য সীমানা পাড়ি দেয়। বাসের জানালায় চেনা মুখের ভিড়, পাশের সবুজ সিএনজিতে আপনজনের অপেক্ষা, তার মাঝে এই ছোট শরীরটি এক বিশাল জীবন সংগ্রামের নীরব সাক্ষী।জীর্ণ পোশাকে থাকা এই শিশুটি কোনো খেলনার দোকান বা বিদ্যালয়ের মাঠে নেই, তার প্রতিদিনের যুদ্ধ এই ধুলোবালি আর ইঞ্জিনের কালো ধোঁয়ার মাঝে।অবুঝ চোখের গল্প           ছবি: মোঃ মোবারক হোসেন সে হয়তো বোঝে না 'ভবিষ্যৎ' মানে কী, কিন্তু সে খুব ভালোভাবেই জানে ক্ষুধা আর বেঁচে থাকার নির্মম সত্য। তার এই বাড়িয়ে দেওয়া হাত আর তার সাথে থাকা বোতলবন্দি পানির স্বপ্ন সব কিছুতেই যেন আমাদের সমাজব্যবস্থার এক করুণ বাস্তবতার ছবি ফুটে ওঠে। এই নতুন কুঁড়ির জীবন আজ কঠিন কণ্টকাকীর্ণ পথে, যেখানে শৈশবের হাসি হার মেনেছে জীবিকার তাগিদে। এই নিঃশব্দ দৃশ্যটি আমাদের হৃদয়ের গভীরে এক দীর্ঘশ্বাস তৈরি করে, এক অদ্ভুত শূন্যতার সৃষ্টি করে, যেখানে আমরা সবাই নির্বাক দর্শকমাত্র। এই তো জীবন, যেখানে যেমন!

অক্টোবর ১২, ২০২৬

এক পায়ে দাড়িয়ে শৈশব

কবি আল মাহমুদ বলেছিলেন ,তখন কেবল ভাবতে থাকি , কেমন করে উড়বো,কেমন করে শহর ছেড়ে, সবুজ গাঁয়ে ঘুরবো !তোমরা যখন শিখছো পড়া ,মানুষ হওয়ার জন্যআমি না হয় পাখিই হবো, পাখির মতো বন্য।শালিকের একটি পা         ছবি:  মোঃ তামিম আহমেদ বৃন্তুপাখির যেমন নেই কোন নির্দিষ্ট পথ, নেই কোন কিছুর তাড়া, শুধু দিন শেষে রাত্রি বেলা নীড়ে ফিরে ছোট্ট ছানাদের একটু খানি খাওয়াতে পারাই সবচেয়ে বড় সার্থকতা। উপরের ছবিটিকে যদি প্রতীকী হিসেবে ধরি একটি দারিদ্র্য পথ শিশুর জীবন হিসেবে তাহলে কেমন হয়?শালিক পাখিটির একটি পা নেই তার গোত্রের অন্যান্য সবাই যখন দুটি পার দ্বারা স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে, তখন এই পাখিটি শিখছে কিভাবে একটি পা দিয়েই করতে হবে সকল কাজ। তবে হোঁচট খেতে হবে নিশ্চয়ই, কেননা সাধারন ভাবে যেখানে দুটি পা এর মাধ্যমে চলে তাদের দৈনন্দিন প্রক্রিয়া, সেখানে কীভাবে কেবলমাত্র একটি পা হবে এই পাখির অবলম্বন। মানিয়ে নিতে হয়েছে নিজেকে, খুব ছোট থেকেই হয়তো বুঝতে হয়েছে এক পায়ে চলার কৌশল, অন্য সব শালিক যখন দুই পায়ে ছোট ছোট লাফ দিয়ে এগিয়েছিলো কোন গাছে বসে, সে হয়তো নিজেকে মানিয়েছিল এক পা দিয়ে লাফ দিয়েই। তেমনই আমাদের সমাজে আছে এমন কিছু অবহেলিত শিশু, যাদের বাবা মা থাকলেও জীবনে চলার পথটা হয়েছে ভীষণ কঠিন। একটি শিশুর শৈশব কি, শৈশবে কেমন হয় দিন গুলো, শৈশবে বাবা মা ঠিক কতটা আদর করে, এসব কোন কিছুই পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি পথের এসব ফুলগুলোর। পথেই তাদের বাস পথেই তাদের জীবন যাত্রা , কেউ হয়তো ফুল বিক্রি করছে , কেউ করছে ভিক্ষা বৃত্তি, কেউবা আবার গাড়ির কাঁচ মুছে চাচ্ছে সামান্য অনুগ্রহ। অন্য একটি সাধারন শিশু যখন দিন পার করছে নতুন কিছু শিখে,  এই পথের ফুল গুলো তখন ভাবছে কীভাবে যোগার হবে আজকের দিনের খাবার । কীভাবে কাটবে আগামিকালের দিনটি। পাখিটিও যেমন অসামর্থ্যতা থেকে শিখেছে জীবন পার করে নেয়ার কৌশল , বয়স খুব কম হলেও এই শিশুগুলো বুঝেছে যন্ত্রণার জীবন ঠিক কেমন হয়!সকলের একটু অনুগ্রহ , আর হয়তো একটু খানি পরিকল্পনাই পারে পথের এই ফুলগুলোকে সুন্দর একটি জীবন দিতে ।

অক্টোবর ১২, ২০২৬

নায়িমের ক্ষুধা-অনিশ্চয়তা আর বেঁচে থাকার সংগ্রাম

কার্জন হলের সামনের ব্যস্ত সড়ক। শিক্ষার্থীদের ভিড়, গাড়ির হর্ন আর শহরের চেনা কোলাহলের মাঝেই এক পাশে পড়ে আছে ছোট্ট শিশু। ক্লান্ত শরীর, চোখে ঘুম। সামনে  ফুলের ঝুড়ি। ফুল বিক্রি করতে করতে রাস্তার ধারেই চোখ বুজে ঘুমিয়ে পড়েছে আট বছরের নায়িম। পাশে খুলে রাখা ছোট্ট একজোড়া সাদা রঙের জুতো, সারাদিনের পথচলায় সেটিও যেন ক্লান্ত আজ। না চুরি যাওয়ার ভয়, না আছে সর্বস্ব হারানোর আতঙ্ক। ফুলগুলো খোলা পড়ে আছে, চাইলে কেউ এসে নিয়ে যেতে পারে, তবু সেসব নিয়ে ভাবার মতো শক্তিটুকুও যেন আর নেই তার। ক্লান্ত মন আর নিথর দেহ শুধু চাইছে একটু বিশ্রাম, আর কিছুই না। কখনো কখনো ২৪ ঘন্টাই ফুল নিয়ে বসে থাকতে হয় সবগুলো ফুল বিক্রির আসায়, কিন্তু আজ আর নয়। আজ সে ভাবেনি সামনে পড়ে থাকা ফুলগুলো বিক্রি হবে কি না, রাত শেষে হাতে টাকা থাকবে কি না, পরদিন আবার নতুন করে ফুল কিনতে পারবে কি না—এসব প্রশ্ন তখন তার ঘুমের কাছে হার মেনেছে। হয়তো প্রতিদিনের ক্ষুধা, অনিশ্চয়তা আর বেঁচে থাকার সংগ্রামের কাছে ভয়টাও আজ তুচ্ছ হয়ে গেছে।ফুল বিক্রি করতে করতে রাস্তার ধারেই চোখ বুজে ঘুমিয়ে পড়েছে আট বছরের নায়িম। ক্লান্ত হয়ে পড়ে রয়েছে যেন তার জুতো জোড়াও। ছবি: আফরিন আক্তারযে বয়সে একটি শিশুর নিরাপদ ঘরে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর কথা, সেই বয়সে রাজধানীর ব্যস্ত সড়কের পাশে ফুলের ঝুড়িকে সামনে রেখেই ঘুমিয়ে পড়েছে নায়িম। পাশে তার ছোট্ট এক জোড়া জুতো, সামনে বিক্রি না হওয়া ফুল—আর মাঝে ক্লান্তিতে নিস্তেজ হয়ে যাওয়া একটি শিশুর শরীর। এই মুহূর্তে তার কাছে ফুল নয়, টাকা নয়, নিরাপত্তার চিন্তাও নয়—একটু ঘুমই যেন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।নায়িমের জীবন শুরু হওয়ার কথা ছিল স্কুল, খেলা আর পরিবারের নিরাপদ আশ্রয়ে। অথচ জীবন তাকে ঠেলে দিয়েছে রাজধানীর ফুটপাতে। শহর এগিয়ে যাচ্ছে, ব্যস্ততা বাড়ছে। অথচ কার্জন হলের সামনে পড়ে থাকা এই ছোট্ট শিশুটির জীবন যেন থেমে আছে এই ফুটপাতেই। জীবনে বাচঁতে হলে কতই না সংগ্রাম করতে হয় তা হয়ত নায়িমকে না দেখলে বোঝার উপায় নেই। বাসা বাড়ি ছেড়ে কে থাকতে চায় এই ফুটপাতে? কেউই না, জীবন বাধ্য করে এভাবে বাচতে। আজ যদি নায়িমের বাবা জেলে এবং মা ছেড়ে চলে না যেত তাহলে সে ও হয়তো স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পেত, বন্ধুদের সাথে হুরোহুরি করে সময় কাটাত আর দিন শেষে বাবা-মায়ের হাত ধরে বাসায় গিয়ে একসাথে খাওয়া দাওয়া শেষ করে তাদের নির্মল ছোয়ায় পরম শান্তিতে ঘুমের দেশে যেত। কিন্তু ভাগ্যের এই নির্মমতা তাকে বাধ্য করেছে ছয় বছর বয়স থেকে জীবনের কঠিন সংগ্রামে বেচে থাকার লড়াই লড়তে। 

অক্টোবর ১২, ২০২৬

শিশুর কোলে শিশু, পথেই থমকে যাওয়া শৈশব

জাতীয় শহীদ মিনারের বেদীর পাশে ফুল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে মাত্র ১৬ বছরের এক কিশোরী ফুল আক্তার। কিন্তু তার কোলের দিকে তাকালে থমকে যেতে হয়—সেখানে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে তার ছয় মাস বয়সী ছোট্ট কন্যাশিশু। যে বয়সে নিজের শৈশব উপভোগ করার কথা, সেই বয়সেই সে নিজেই এক শিশুর মা এবং জীবনের কঠিন যুদ্ধে অবতীর্ণ।অবাক করার বিষয় হলো; শিশুটির বাবার কোনো পরিচয় জানা নেই। মাথা গোঁজার মতো কোনো ঠাঁই বা নিরাপদ আশ্রয়ও নেই তাদের। শহীদ মিনারের সামনের খোলা প্রাঙ্গণেই কাটে তাদের দিন, আর প্রাঙ্গণের শক্ত মেঝেতেই কেটে যায় অনিশ্চিত রাত। ফুল বিক্রি করে পাওয়া সামান্য কটা টাকায় জোড়াতালি দিয়ে চলে এই দুই শিশুর জীবন সংগ্রাম।বয়স মাত্র ১৬, কিন্তু কাঁধে তুলে নিতে হয়েছে এক ছয় মাসের শিশুর জীবনের ভার। বাবার পরিচয়হীন সন্তানকে কোলে নিয়ে জাতীয় শহীদ মিনারের সামনে ফুল বিক্রি করে কাটছে কিশোরী মায়ের দিন, আর রাত কাটছে খোলা আকাশের নিচে। ছবি: আফরিন আক্তারএক শিশুর কোলে আরেক শিশুর এই চিত্রটি শুধুমাত্র দারিদ্র্যের নয়; এটি আমাদের সমাজের শিশুবিবাহ, অপ্রাপ্তবয়স্ক মাতৃত্ব, নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষাহীনতার এক করুণ প্রতিচ্ছবি। জাতীয় শহীদ মিনারের মতো ঐতিহাসিক স্মারকস্তম্ভের পাদদেশে এই অবহেলিত শৈশব ও নিঃসঙ্গ মাতৃত্ব রাষ্ট্র এবং সমাজের কাছে প্রশ্ন রেখে যায়—এই শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ এবং মৌলিক অধিকার কোথায়?

অক্টোবর ১২, ২০২৬

ঢাকায় শতবর্ষী বৃদ্ধ নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

রাজধানীর বনানীর কড়াইল বিটিসিএল কলোনি এলাকা থেকে আকালী মালিতা (প্রায় ১০০) নামে এক শতবর্ষী বৃদ্ধ নিখোঁজ হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।নিখোঁজ আকালী মালিতার বাবার নাম খাতের আলী মালিতা। তার গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানার হৈদারপুর গ্রামে।নিখোঁজের সময় তার পরনে ছিল গাঢ় সবুজ রঙের লুঙ্গি এবং সবুজ/নীল রঙের পাঞ্জাবি। তিনি খালি পায়ে ছিলেন। তার উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট, গায়ের রং কালো এবং সাদা পাকা দাড়ি রয়েছে। তার বাম চোখের নিচে জন্মদাগ রয়েছে।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি কানে কম শোনেন, স্বল্পমেয়াদি স্মৃতিভ্রংশে ভুগছেন এবং খুব কম কথা বলতে পারেন। তিনি চা ও মসজিদ পছন্দ করেন।এ ঘটনায় পরের দিন ৪ সেপ্টেম্বর বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন তার ছেলে রফিকুল ইসলাম (জিডি নম্বর : ৩১৮/৪/০৯/২০২৬)কেউ আকালী মালিতার সন্ধান পেয়ে থাকলে অথবা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।যোগাযোগ:০১৫৫২৩৩২০১৯০১৯৭৭৯১২২০০০১৫১১২১৮১৮১০১৯৬৫৩৫৪০৩০ 

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬

মকবুল আহমেদ চৌধুরীর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের পিতা, বিশিষ্ট কেমিক্যাল ব্যবসায়ী মরহুম আলহাজ্ব মকবুল আহমেদ চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মকবুল-আশুরা ট্রাস্টের উদ্যোগে ঢাকা ও লক্ষ্মীপুরে দোয়া মাহফিল, কবর জিয়ারত এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করা হয়।মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুল ফালাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানা, সলিমুল্লাহ রোডস্থ জামিআ ইসলামিয়া ওয়াহিদিয়া মাদ্রাসা এবং মরহুমের নিজ হাতে প্রতিষ্ঠিত লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জের ফাতেমা (রা.) মহিলা আলিম মাদ্রাসায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে মোহাম্মদপুর ঈদগাহ মাঠে মরহুমের কবরে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মকবুল-আশুরা ট্রাস্টের পক্ষ থেকে মোট ৫৩০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে রামগঞ্জের ফাতেমা (রা.) মহিলা আলিম মাদ্রাসার ৩৪৩ জন, পানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০৭ জন এবং রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।ঢাকায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে মরহুমের জ্যেষ্ঠ পুত্র হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, কনিষ্ঠ পুত্র হোসেন আহমেদ চৌধুরী কাজল, পরিবারের সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।স্মরণ অনুষ্ঠানে মকবুল-আশুরা ট্রাস্টের সভাপতি হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, “মৃত্যু এক অনিবার্য সত্য, তবে মানুষ তার কর্মগুণেই বেঁচে থাকে। ক্ষমতা বা ধন-দৌলত চিরস্থায়ী নয়, তাই জীবিত অবস্থায় সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা উচিত।” তিনি তাঁর পিতার সামাজিক উন্নয়নমূলক অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। 

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬

বাসযোগ্য নগরী গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অপরিকল্পিত নগর উন্নয়নের ফলে ঢাকা শহরে পার্ক, খেলার মাঠ, সবুজ এলাকা, জলাধার ও জলাভূমি ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এর ফলে নগরের তাপমাত্রা, বায়ু ও শব্দদূষণ, যানজট এবং জনস্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিরাপদ ফুটপাত, রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা, হাঁটাবান্ধব অবকাঠামো, নিরাপদ সাইকেল চলাচল এবং মানসম্মত গণপরিবহন নিশ্চিত করা জরুরি।সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের কৈবর্ত সভাকক্ষে আয়োজিত “বাসযোগ্য নগরী গঠনে আমাদের করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।সভায় বক্তারা বলেন, ঢাকা শহরের মাত্র ৫-৭ শতাংশ মানুষ ব্যক্তিগত গাড়িতে যাতায়াত করেন। বিপরীতে ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ দৈনন্দিন যাতায়াতে হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহনের ওপর নির্ভরশীল। তাই নগর পরিকল্পনায় অধিকাংশ মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে পার্ক, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, জলাধার ও সবুজ এলাকা সংরক্ষণ, কাঁচাবাজারের পরিবেশ ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং এসব নাগরিক সুবিধায় সবার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মিঠুনের সঞ্চালনায় সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংস্থার পরিচালক গাউস পিয়ারী। বক্তব্য দেন সমাজকর্মী ও তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক সৈয়দা রত্না, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর হুমায়ুন কবির সুমন, ক্যাবের অর্গানাইজিং সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ, ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার নাঈমা আকতার, শিশুদের মুক্ত বায়ুসেবন সংস্থার সদস্য মো. সেলিম, অ্যাকশন ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশনের মেরিনা আক্তার, ডিডিপির সভাপতি জাকির হোসেন, ব্রেভের নির্বাহী পরিচালক জাকিয়া জাহান, ধানমন্ডি কচিকণ্ঠ হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এইচ এম নুরুল ইসলাম, বেঙ্গলী মিডিয়াম হাই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন, রায়েরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সবিতা রাণী পাল, বারসিকের রুমা আক্তার, ডিওয়াইডিএফের হেড অব এনভায়রনমেন্ট মো. মুন্না হোসেন, গ্রিন ভয়েসের আহসান হক, ডাব্লিউডিডিএফের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিন অফিসার রওশন আরা চৌধুরী, ভিডিসির এস এম শফিউল ইসলাম, ছায়াতল বাংলাদেশের মিতু খাতুন এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিয়িং বাংলাদেশের পলিসি অফিসার তালুকদার রিফাত পাশাসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।সভায় অংশগ্রহণকারীরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে হাঁটা ও সাইকেলে নিরাপদ যাতায়াত, শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বিদ্যালয়ে যাতায়াত, মাঠ-পার্ক ও এলাকাভিত্তিক গণপরিসর উন্নয়ন, জলাধার রক্ষা, দূষণ হ্রাস এবং কাঁচাবাজারকে মানসম্মত করার বিষয়ে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।বক্তারা ফুটপাতের মান উন্নয়ন, প্রশস্তকরণ ও দখলমুক্ত করা; সাইকেলের জন্য নির্দিষ্ট লেন ও রুট নেটওয়ার্ক তৈরি; ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন; শহরের খাস জমি দখলমুক্ত করে পুকুর খনন; শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা এবং পরিবেশদূষণের উৎস চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেন।এ ছাড়া দখল ও দূষণকারীদের শাস্তির আওতায় আনা, মাঠ-পার্কগুলোকে কোনো ক্লাবের নিয়ন্ত্রণে না রেখে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এনে সবার প্রবেশাধিকার ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং মাঠ-পার্কে প্রবেশ ও খেলাধুলার জন্য কোনো অর্থ আদায় না করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।কাঁচাবাজারের মানোন্নয়নে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় দক্ষ জনবল নিয়োগ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কার্যকর ও সক্রিয় মনিটরিং, বাজার ব্যবস্থাপনা আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের যথাযথ বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে ভোক্তা ও ব্যবসায়ী উভয়ের জন্য প্রবেশগম্যতা, অন্তর্ভুক্তি ও অধিকার নিশ্চিত করে পরিকল্পিত অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা তৈরির আহ্বান জানানো হয়।আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সম্মিলিতভাবে মানববন্ধন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারাভিযান, গাড়িমুক্ত সড়ক কর্মসূচি এবং স্কুলভিত্তিক প্রচারণা আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।স্থানীয় জ্ঞান, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও মানুষের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণের লক্ষ্যে ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিয়িং বাংলাদেশ ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে সভাস্থলে একটি প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।সভায় ধানমন্ডি কচিকণ্ঠ হাই স্কুল, বেঙ্গলী মিডিয়াম হাই স্কুল, শিশুদের মুক্ত বায়ুসেবন সংস্থা, ছায়াতল বাংলাদেশ, ডিডিপি, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিয়িং বাংলাদেশ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আগস্ট ২৪, ২০২৬

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ‘হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ’ শীর্ষক সেমিনার

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ নিয়ে রাজধানীতে বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশনের (আর্গো) উদ্যোগে শনিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে যারা বাধা দিচ্ছেন তাদের নিন্দা জানিয়ে সেমিনারে বলা হয়, হযরত রাসুল (সা.)-এর শুভ জন্মদিন সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে আনন্দের দিন। তাই এই দিনটিতে রাসুল প্রেমিকরা যাতে নির্বিঘ্নে আনন্দ উদযাপন করতে পারেন সরকারের প্রতি সেই আহবান জানানো হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হুজুর।বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ইসলামী চিন্তাবিদ এবং বিভিন্ন পেশার আশেকে রাসুলরা সেমিনারে অংশ নেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হযরত রাসুল (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ, আত্মশুদ্ধি এবং উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, মানুষের জীবনে ধর্মের শিক্ষা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের অন্তর, চরিত্র ও আচরণে প্রতিফলিত হয়।ঈদে মিলাদুন্নবি প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী হুজুরের অবদান তুলে ধরে কুদরত এ খোদা বলেন, মুসলিম জাতির ধারনা ছিল ১২ রবিউল আউয়ালেই হযরত রাসুল (সা.) ওফাত লাভ করেছেন। যে কারনে মুসলমানরা দয়াল রাসুলের (সা.) জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের রহমত থেকে বঞ্চিত ছিল। কিন্তু হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিল দিয়ে প্রমাণ করেছেন, তিনি ওফাত লাভ করেছেন ১ রবিউল আউয়াল, আর জন্মগ্রহণ করেছেন ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে।আগে বাংলাদেশে সিরাতুন্নবি পালিত হতো উল্লেখ করে প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর অব্যাহত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করা শুরু করেছে। এজন্য রাসুল প্রেমিকরা আজীবন দেওয়ানবাগী হুজুরকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্বরণ করবে।সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালতের সাবেক সদস্য বিচারপতি মো. আওলাদ আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান৷এছাড়া বক্তব্য দেন নজরুল গবেষক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন এবং সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডা. দেওয়ান ফারুকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আহসানুল হাদী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।  সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশনের (ARGOO) আহ্বায়ক ড. পিয়ার মোহাম্মদ।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

রাসুলপ্রেম, আত্মশুদ্ধি ও মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্মদিন ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষে রাজধানীতে সোমবার  (১৭ আগস্ট) বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।দেওয়ানবাগীর দল ওলামা মিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে সোমবার বিকেলে মতিঝিলের এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন পাঁচ শতাধিক দেশবরেণ্য আলেম।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হুজুর। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত  বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক)।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর কুদরত এ খোদা রাসুলপ্রেম, আত্মশুদ্ধি এবং উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, মুসলিম জাতির ধারনা ছিল ১২ রবিউল আউয়ালেই হযরত রাসুল (সা.) ওফাত লাভ করেছেন। যে কারনে মুসলমানরা দয়াল রাসুলের (সা.) জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের রহমত থেকে বঞ্চিত ছিল। কিন্তু শাহ দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিল দিয়ে প্রমাণ করে দিলেন, তিনি ওফাত লাভ করেছেন ১ রবিউল আউয়াল, আর জন্মগ্রহণ করেছেন ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে।আগে বাংলাদেশে সিরাতুন্নবি পালিত হতো উল্লেখ করে প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর অব্যাহত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করা শুরু করেছে।ইমাম কুদরত এ খোদা তাঁর আলোচনায় হযরত রাসুল (সা)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসাকে আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানুষের অন্তরে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হলে পরিবার, সমাজ কিংবা বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।তিনি আলেম-ওলামা ও আশেকে রাসুলদের প্রতি মহানবি (সা.)-এর প্রেম, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা তথা মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আলেম-ওলামা, আশেকে রাসুল ও ইসলামী চিন্তাবিদরা হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, তাঁর প্রতি ভালোবাসা, ঈদে মিলাদুন্নবির তাৎপর্য, আত্মশুদ্ধি, সুফিবাদ এবং ব্যক্তি ও সমাজজীবনে মহানবি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।উক্ত অনুষ্ঠানে মোহাম্মদী ইসলামের মিলাদ শরিফ পাঠ করা হয়। আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং বিশ্বমানবতার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।/টি

আগস্ট ১৮, ২০২৬

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ফ্রান্সের নেতৃত্বে শাহ সুহেল ও আশিক উল্লাস

ফ্রান্সে কর্মরত বাংলাদেশি সংবাদকর্মীদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, ফ্রান্স’-এর কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্যারিসের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত আত্মপ্রকাশ ও সাধারণ সভায় নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন ইকবাল মোহাম্মদ জাফর।শাহ সুহেল আহমদকে সভাপতি ও  আশিক আহমেদ উল্লাসকে সাধারণ সম্পাদক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্য নেতৃবৃন্দ হলেন- সহ সভাপতি জান-ই-আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু বাকার আল আমিন, কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম রনি, প্রচার সম্পাদক তানভীর তালুকদার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নিপু বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ কায়সার আহমেদ। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাদল পাল, ইকবাল মোহাম্মদ জাফর এবং সাহাদ উদ্দিন।সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়।নবগঠিত কমিটির নেতারা বলেন, ফ্রান্সে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে সংগঠনটি কাজ করবে। একই সঙ্গে ফ্রান্সে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও সাফল্যের সংবাদ আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo