logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/লাইফস্টাইল
রমজানে সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস - image

রমজানে সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

24 ফেব্রুয়ারি 2026, বিকাল 3:57

এসেছে পবিত্র রমজান মাস। এই মাসে রোজা রাখার পাশাপাশি শরীর সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা না থাকলে দুর্বলতা, পানিশূন্যতা বা হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নিয়ম মেনে স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার গ্রহণ করলে খুব সহজেই সুস্থ থাকা সম্ভব। ভিটামিন, মিনারেলস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরকে রাখে কর্মক্ষম ও সতেজ।ইফতার শুরু করা উচিত এক গ্লাস পানি ও ৩–৪টি খেজুর দিয়ে (ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মাঝারি আকারের ২টি যথেষ্ট)। খেজুর তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায় এবং এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন বি১ ও বি২ রয়েছে। ইফতারের শরবত হিসেবে ডাবের পানি, লাচ্ছি, লেবুর শরবত, তোকমা দানা, ইসবগুলের শরবত, স্মুদি বা চিনি ছাড়া ফলের জুস রাখা যেতে পারে। চিনির পরিবর্তে মধু বা গুড় ব্যবহার করা ভালো। এসব পানীয় শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে এবং সারাদিনের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।ইফতারে ছোলা একটি চমৎকার পুষ্টিকর খাবার। এর ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে রক্তে গ্লুকোজ ধীরে বাড়ায়, ফলে ডায়াবেটিক রোগীরাও পরিমিত পরিমাণে খেতে পারেন। ছোলায় প্রোটিন, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, ফলিক এসিড ও জিংক রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। দই-চিড়া আরেকটি পুষ্টিকর খাবার; চিড়ায় কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও আয়রন থাকে এবং দই প্রোবায়োটিক হওয়ায় হজমে সাহায্য করে। সেদ্ধ ডিম, সবজি বা চিকেন স্যুপ, ভাত-মাছ-সবজি কিংবা সবজি ও ডিম দিয়ে নুডুলসও রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি তরমুজ, কলা, বাঙ্গি, পেঁপে, আনারস, পেয়ারা, মালটা ও আপেলের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল ইফতারে উপকারী। তবে অতিরিক্ত মসলাদার বা ভারী খাবার যেমন হালিম পরিমিত খাওয়াই ভালো।ইফতারে বেশি খাওয়া হলে রাতের খাবার তুলনামূলক হালকা হওয়া উচিত। ইফতারের প্রায় তিন ঘণ্টা পর রাতের খাবার খাওয়া ভালো। রুটি ও সবজি, চিকেন বা ভেজিটেবল স্যুপ, দুধ-ভাত, দুধ-রুটি, দুধ-মুড়ি, সাগু বা ওটস খাওয়া যেতে পারে। অনেকেই ইফতারের পর রাতের খাবার বাদ দেন, যা স্বাস্থ্যকর নয়। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত ও হালকা খাবার গ্রহণ করলে হজম ভালো থাকে এবং ঘুমও স্বস্তিদায়ক হয়।সেহেরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সেহেরির পর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। তাই এমন খাবার বেছে নিতে হবে যা ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘসময় শক্তি জোগায়। লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি, ওটস বা লাল চিড়া ভালো বিকল্প। ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার ক্ষুধা কমায় ও রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। সবুজ ও রঙিন শাকসবজি, মটরশুঁটি, টমেটো, গাজর, লাউ, পটল, ঝিঙে ইত্যাদি রাখা উচিত। প্রোটিনের জন্য অল্প চর্বিযুক্ত মাছ, মাংস বা লো-ফ্যাট দুধ খাওয়া যেতে পারে। কেউ ভাত বা রুটি খেতে না চাইলে দই, লাল চিড়া, কলা, খেজুর ও বাদাম মিলিয়ে পুষ্টিকর খাবার তৈরি করা যায়।রমজানে সুস্থ থাকতে কিছু নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি। ইফতারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ এতে অ্যাসিডিটি ও বদহজমের সমস্যা হতে পারে। ডায়াবেটিক রোগীরা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক করবেন। খাবার ধীরে ধীরে ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে এবং ইফতার থেকে সেহেরি পর্যন্ত অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিমিত খাবার গ্রহণ এবং ইফতারের দুই ঘণ্টা পর হালকা হাঁটা বা ব্যায়াম উপকারী। পাশাপাশি কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা-কফি, তামাক, ধূমপান, টিনজাত ও প্রসেসড খাবার, অতিরিক্ত লবণ ও চিনি পরিহার করাই হবে স্বাস্থ্যসম্মত রমজানের চাবিকাঠি।/টিএ

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

রমজান আসছে: আপনি কতটা প্রস্তুত?

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আবারও আমাদের দ্বারে কড়া নাড়ছে পবিত্র মাহে রমজান। আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এই শ্রেষ্ঠ মাসে আমরা অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি। তবে রমজানের প্রকৃত সুফল পেতে কেবল উপবাস নয়, প্রয়োজন সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি।আপনার রমজানকে আরও ফলপ্রসূ করতে প্রস্তুতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে তুলে ধরা হলো:১. মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতিরমজান শুধু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন নয়, বরং চরিত্র সংশোধনের মাস।নিয়ত শুদ্ধ করা: কেবল লোকদেখানো নয়, বরং স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য রোজা রাখার মানসিকতা তৈরি করা।কুরআন তিলাওয়াত: দীর্ঘদিনের অনভ্যাস কাটাতে এখন থেকেই অল্প অল্প করে কুরআন পড়ার চর্চা শুরু করা।তওবা ও ইস্তিগফার: বিগত দিনের ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে সুন্দর আগামীর সংকল্প করা।২. শারীরিক ও স্বাস্থ্যগত প্রস্তুতিহঠাৎ করে সারাদিন না খেয়ে থাকা শরীরের জন্য কঠিন হতে পারে। তাই প্রয়োজন আগাম সতর্কতা:খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও মশলাযুক্ত খাবার পরিহার করে পুষ্টিকর খাবারের অভ্যাস করা।পর্যাপ্ত পানি পান: শরীরকে আর্দ্র রাখতে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত প্রচুর পানি পানের মানসিক প্রস্তুতি রাখা।চিকিৎসকের পরামর্শ: যাদের দীর্ঘমেয়াদী রোগ (যেমন: ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ) আছে, তারা রোজা রাখার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে কথা বলে ওষুধের সময়সূচী ঠিক করে নিন।৩. পারিবারিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনারমজানের বাজার নিয়ে শেষ মুহূর্তের হুড়োহুড়ি এড়াতে এবং সংযম বজায় রাখতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:বাজেট প্রণয়ন: অহেতুক অপচয় রোধে মাসের শুরুতেই একটি বাজেট তৈরি করুন।বাজার সদ্ব্যবহার: প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো আগেভাগেই সংগ্রহ করে রাখা, যাতে ইবাদতের সময় বাজারে বেশি সময় নষ্ট না হয়।দানের প্রস্তুতি: যাকাত ও ফিতরা প্রদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই নির্বাচন করে রাখা।৪. সময়ের ব্যবস্থাপনারমজানে কর্মব্যস্ততা ও ইবাদতের মধ্যে ভারসাম্য রাখা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।একটি রুটিন তৈরি করুন যেখানে কাজ, বিশ্রাম, তিলাওয়াত এবং তারাবির নামাজের নির্দিষ্ট সময় থাকবে।সোশ্যাল মিডিয়া বা অপ্রয়োজনীয় বিনোদনে সময় কম ব্যয় করার পরিকল্পনা করুন।শেষ কথা: রমজান আসে আমাদের ত্যাগের শিক্ষা দিতে, ভোগের নয়। এই এক মাস যদি আমরা নিয়ম এবং নিষ্ঠার সাথে অতিবাহিত করতে পারি, তবে তার ইতিবাচক প্রভাব থাকবে সারা বছর।/টিএ

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

আজ রোজ ডে: প্রিয় মানুষটিকে কোন রঙের গোলাপ দেবেন?

ভালোবাসার আবেশে ভরে উঠেছে চারপাশ—শুরু হয়ে গেছে ভালোবাসার বিশেষ সপ্তাহ। আজ শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, রোজ ডে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো ভ্যালেন্টাইন ডে বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের। প্রতি বছর এই দিনটিতে প্রিয় মানুষের হাতে একটি গোলাপ তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়েই ভালোবাসার সপ্তাহের সূচনা হয়। রঙিন গোলাপ আর নীরব অনুভূতির আদান–প্রদানে দিনটি হয়ে ওঠে আরও অর্থবহ।প্রেম ও ভালোবাসা প্রকাশে ফুলের ভূমিকা চিরকালই অনন্য। আর ফুলের রাজা হিসেবে পরিচিত গোলাপ ভালোবাসা দিবস ঘিরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে সব গোলাপ যে একই অনুভূতির কথা বলে, তা নয়। গোলাপের রঙ বদলালে বদলে যায় তার ভাষা, অর্থ ও বার্তা। তাই মনের কথা ঠিকভাবে পৌঁছে দিতে গোলাপের রঙ বেছে নেওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ।কথিত আছে, একটি গোলাপ মানুষের হৃদয়ের গভীরতম অনুভূতিকে প্রকাশ করতে পারে। ভালোবাসা, আবেগ, কৃতজ্ঞতা কিংবা মুগ্ধতা—সব কিছুরই নিজস্ব রঙ আছে। যেমন, লাল গোলাপ চিরন্তন প্রেম ও গভীর আবেগের প্রতীক। প্রিয় মানুষটির প্রতি নিঃশর্ত ভালোবাসা জানাতে চাইলে লাল গোলাপই সবচেয়ে শক্তিশালী বার্তা বহন করে। আর গোলাপি গোলাপ প্রকাশ করে প্রশংসা, সৌজন্য ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।কিছু গোলাপ আবার অনুভূতির সূক্ষ্ম দিকগুলো তুলে ধরে। ল্যাভেন্ডার গোলাপ মানেই প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়া—এক মুহূর্তেই হৃদয় চুরি হয়ে যাওয়ার গল্প। কমলা গোলাপ প্রকাশ করে তীব্র আকর্ষণ, আগ্রহ ও দমিয়ে রাখা আবেগ; মনের কথা মুখে বলতে না পারলে এই গোলাপই হয়ে ওঠে নীরব দূত। পিচ রঙের গোলাপ লাজুক ভালোবাসার প্রতীক—ভালোবাসা আছে, কিন্তু স্বীকার করার সাহস এখনো জোগাড় হয়নি।সবশেষে আসে সম্পর্কের অন্য রঙগুলো। হলুদ গোলাপ বন্ধুত্বের প্রতীক—প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে আনন্দ, উষ্ণতা আর হাসির মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার সুন্দর প্রকাশ। আর সাদা গোলাপ বোঝায় পবিত্রতা, সরলতা ও নিষ্কলুষ মন। রোজ ডে-তে এটি খুব প্রচলিত না হলেও, কারও নির্মল অনুভূতির প্রতি সম্মান জানাতে সাদা গোলাপ হতে পারে এক অনন্য উপহার। /টিএ

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬

প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়ার ৭টি উপকারিতা

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সকালের নাশতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের প্রথম খাবার যদি পুষ্টিকর হয়, তবে সারাদিন শরীর ও মন দুটোই থাকে চাঙা। এই দিক থেকে ডিম একটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। প্রতিদিন সকালের নাশতায় ডিম রাখলে যে উপকারগুলো পাওয়া যায়, তা নিচে তুলে ধরা হলো—১. উচ্চমানের প্রোটিনের চমৎকার উৎসডিমে রয়েছে সম্পূর্ণ প্রোটিন, যা শরীরের পেশি গঠন ও ক্ষয় পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং শরীর পায় প্রয়োজনীয় শক্তি।২. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়কডিমে থাকা প্রোটিন হজম হতে সময় নেয়, ফলে ক্ষুধা কম লাগে। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।৩. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়ডিমে থাকা কোলিন স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সহায়তা করে। শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা মানসিক কর্মক্ষমতা উন্নত করে।৪. চোখের স্বাস্থ্যে উপকারীডিমে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এগুলো বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি দুর্বলতার ঝুঁকি কমাতে কার্যকর।৫. শক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করেডিমে থাকা ভিটামিন বি–১২ ও রিবোফ্লাভিন শরীরে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে সারাদিন কাজ করার জন্য শরীর থাকে সতেজ ও কর্মক্ষম।৬. হাড় ও পেশি মজবুত করেডিমে রয়েছে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে শক্তিশালী করে। পাশাপাশি প্রোটিন পেশি গঠনে সহায়তা করে, ফলে শরীর থাকে সবল।৭. ত্বক ও চুলের যত্নে কার্যকরডিমে থাকা বায়োটিন ও প্রোটিন ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ডিম খেলে ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বজায় থাকে।সতর্কতাতবে যাদের কোলেস্টেরলজনিত সমস্যা বা বিশেষ কোনো শারীরিক জটিলতা রয়েছে, তাদের নিয়মিত ডিম খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।/টিএ 

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

সকালে হালকা গরম পানি কেন জরুরি

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের ছোট একটি অভ্যাসই শরীর ও ত্বকে বড় পরিবর্তন আনতে পারে—আর সেটি হলো হালকা গরম পানি পান। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে বা দিনের যেকোনো সময় খাবারের আগে বা পরে ঈষদুষ্ণ পানি পান করলে শরীরের ভেতর থেকে জমে থাকা বর্জ্য পরিষ্কার হয়। ফলে পেট থাকে হালকা, ত্বক হয় উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত, আর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে অতিরিক্ত চর্বি।বিশেষজ্ঞরা জানান, নিয়মিত হালকা গরম পানি পান করলে বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ নানা পেটের সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে আসে। শরীর দ্রুত ডিটক্স হয় এবং হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। হজম প্রক্রিয়া ঠিক থাকলে শরীরে বাড়তি মেদ জমার সুযোগও থাকে না। তাই যারা ওজন কমাতে চান, তারা প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও সামান্য মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন—মাত্র এক সপ্তাহেই পরিবর্তন চোখে পড়বে।গরম পানি শুধু ওজন কমাতেই নয়, বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায়ও কার্যকর। মাইগ্রেন, উচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ, জয়েন্টের ব্যথা, হাঁটু ও গোড়ালির ব্যথা, হঠাৎ হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া, কাশি, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ—এমনকি পিরিয়ডের সময় হওয়া তীব্র ক্র্যাম্প কমাতেও গরম পানির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় গরম পানি পান করলে অ্যাবডোমিনাল মাসলের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং ব্যথা দ্রুত উপশম হয়।ত্বক ও চুলের যত্নেও হালকা গরম পানির জুড়ি নেই। যারা ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে খালি পেটে গরম পানি পান করলে ধীরে ধীরে ব্রণ কমতে পারে। এটি স্কিন সেলের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে, ত্বক টানটান রাখে এবং বলিরেখা হ্রাস করে। একইভাবে, চুল পড়া, অকালপক্বতা ও খুশকি কমাতে গরম পানি স্কাল্পের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে, ফলে চুল হয় মজবুত ও চকচকে।এছাড়াও মানসিক অবসাদ দূর করতে হালকা গরম পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মন ভালো হয়। শরীর ব্যথা করলে গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গোসল উপকারী। ত্বকের সমস্যায় গরম পানিতে নিমপাতা ভিজিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করা যেতে পারে। এমনকি দাঁতের ব্যথা কমাতে দিনে কয়েকবার হালকা গরম পানি দিয়ে কুলি করলেও সুফল পাওয়া যায়। ছোট এই অভ্যাসই হতে পারে সুস্থ ও সুন্দর জীবনের চাবিকাঠি।/টিএ

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

ঘুম থেকে উঠেই পানি পান কেন জরুরি?

ঘুম থেকে উঠে মানুষ প্রথমেই বিভিন্ন কাজ করে থাকেন। তবে অনেকেরই অভ্যাস সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানি পান করা, কেউ আবার খালি পেটে গরম পানি পান করেন। চিকিৎসকদের মতে, ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগে কোনও খাবার না খাওয়াই ভালো, তবে পানি পান করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে পানি পান শরীরকে হাইড্রেট রাখে, হজমে সাহায্য করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করলে শরীরের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। সারা রাত ঘুমের সময় মুখে যে ব্যাকটেরিয়া ও টক্সিন তৈরি হয়, খালি পেটে পানি পান করলে তা মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ফলে শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার হয় এবং দিন শুরুর জন্য শরীর প্রস্তুত হয়ে ওঠে।খালি পেটে পানি পান কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকর। যারা নিয়মিত কোষ্ঠকাঠিন্য বা মুখের ঘায়ের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য এই অভ্যাস খুবই উপকারী। একই সঙ্গে সকালে পানি পান হজমশক্তিকে সক্রিয় করে তোলে। দীর্ঘ সময় ঘুমানোর ফলে হজমপ্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, তাই সকালে এক গ্লাস পানি পান করলে হজম আবার স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসে।সকালে খালি পেটে পানি পান করলে শরীরের এনার্জি লেভেল বাড়ে। এটি রাতভর জমে থাকা টক্সিন বের করে শরীরকে হালকা ও সতেজ অনুভব করায়। নিয়মিত পানি পান ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস পানি পান করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও স্বাস্থ্য চোখে পড়ার মতো উন্নত হয়।ওজন কমাতেও খালি পেটে পানি পান সহায়ক। পানিতে কোনও ক্যালোরি না থাকায় এটি পেট ভর্তি রাখে এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমায়। ফলে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে থাকে ও ওজন কমতে সাহায্য করে। পাশাপাশি খালি পেটে পানি পান নতুন রক্তকোষ তৈরিতে সহায়তা করে, রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখে এবং উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যও উপকারী।বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশই পানি দিয়ে তৈরি, তাই সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। তবে অতিরিক্ত পানি পানও ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ এতে শরীরের খনিজের ভারসাম্য নষ্ট হয়। আবার পানি কম পান করলে ডিহাইড্রেশন দেখা দিতে পারে। সুস্থ জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিন ১০–১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত, তবে খেতে খেতে পানি পান করার অভ্যাস এড়িয়ে চলাই ভালো।/টিএ

জানুয়ারি ২০, ২০২৬

ডায়েট নয়, অভ্যাস বদলালেই কমবে ওজন

ওজন কমানোর কথা ভাবলেই অনেকের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কঠিন ডায়েট চার্ট, ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিমে ঘাম ঝরানো কিংবা পছন্দের খাবার ত্যাগের ভয়ের ছবি। এই ধারণার কারণেই বহু মানুষ শুরুতেই নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েন। অথচ ওজন নিয়ন্ত্রণ মানেই যে কষ্টকর নিয়মে বাঁধা পড়তে হবে, বিষয়টি এমন নয়।পুষ্টিবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রায় সামান্য কিন্তু সচেতন কিছু পরিবর্তন আনলেই ক্র্যাশ ডায়েট বা নিয়মিত জিম ছাড়াও ধীরে ধীরে উল্লেখযোগ্য ওজন কমানো সম্ভব। স্থূলতা শুধু শারীরিক গঠনের ওপর প্রভাব ফেলে না, বরং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে—যার ফল হিসেবে আত্মবিশ্বাসের অভাব, মানসিক চাপ বা হতাশা দেখা দিতে পারে। তাই সময় থাকতেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।ব্যস্ত জীবনে যাদের আলাদা করে ব্যায়ামের সময় বের করা কঠিন, তাদের জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর উপায়। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন মানে শুধু সেদ্ধ খাবারে সীমাবদ্ধ থাকা নয়; বরং প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবার থেকেই ক্যালোরি সম্পর্কে সচেতন হয়ে স্বাস্থ্যকর নির্বাচন করা। এই ক্ষেত্রে ক্যালোরি, প্রোটিন, ফাইবার ও ফ্যাটের সঠিক ভারসাম্য বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলাই হবে প্রথম শর্ত। সাদা চাল বা ময়দার পরিবর্তে ব্রাউন রাইস, কিনোয়া কিংবা মাল্টিগ্রেন আটার মতো বিকল্প খাদ্যতালিকায় রাখলে কম কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। সকালের নাস্তা কোনোভাবেই বাদ দেওয়া উচিত নয়, কারণ এটি সারাদিনের শক্তি ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখে।ওজন কমানোর মূল ভিত্তি হলো ‘ক্যালোরি ডেফিসিট’—অর্থাৎ শরীর যত ক্যালোরি খরচ করছে, তার চেয়ে কম ক্যালোরি গ্রহণ করা। পর্যাপ্ত ফাইবার ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে অপ্রয়োজনীয় খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। পাশাপাশি, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের মতো পদ্ধতি ধীরে ধীরে ও শরীরের সামর্থ্য বুঝে অনুসরণ করা যেতে পারে, তবে বিশেষ শারীরিক অবস্থায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন। তাড়াহুড়ো না করে নিয়মিতভাবে এই স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো মেনে চললেই এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন চোখে পড়বে।/টিএ

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬

এবার দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণ ভরিতে ১ লাখ ৮৮ হাজার ১৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণ ভরিতে ১ হাজার ৪৭০ টাকা কমায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৮৮ হাজার ১৫২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।   এদিকে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। এর আগে, সবশেষ গত ১৬ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ৬৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬২২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৫ হাজার ১৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৫৪ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩৭ বার, আর কমেছে মাত্র ১৭ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।   এমআর/এটিএন বাংলা

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫

এবার মোবাইল ক্যামেরা ব্যবহার করে বাস্তব বিশ্ব পর্যবেক্ষণ করবে ইলন মাস্কের গ্রোক এআই।

ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান xAI তাদের চ্যাটবট গ্রোকের নতুন ফিচার ‘গ্রোক ভিশন’ উন্মোচন করেছে। এই ফিচার ব্যবহারকারীদের মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে বাস্তব জগতের যেকোনো বস্তু যেমন সাইনবোর্ড, পণ্য বা ডকুমেন্ট স্ক্যান করে তার সম্পর্কে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দেবে—গ্রোক তখনই সে বস্তু শনাক্ত করে উত্তর দেবে। বর্তমানে এই সুবিধা শুধু আইওএস ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য এটি এখনো চালু হয়নি। তবে ‘ভয়েস মোডে’ বহু ভাষায় অডিও সাপোর্ট ও রিয়েল-টাইম সার্চের সুবিধা যোগ হয়েছে, যা ব্যবহার করা যাবে ‘সুপারগ্রোক’ প্ল্যানের মাধ্যমে, যার মাসিক মূল্য ৩০ ডলার। গ্রোক ভিশন কেবল শব্দ নয়, এখন ছবি থেকেও তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এই ফিচার ই-কমার্স, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং ডিজাইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করবে। যেমন, চিকিৎসায় রোগ শনাক্তকরণ, শিক্ষার্থীদের জন্য চিত্র বিশ্লেষণ করে সহায়তা, এমনকি পণ্যের নকশা বুঝে পরামর্শ দিতেও সক্ষম হবে। এ ছাড়া গ্রোকে যুক্ত হয়েছে ‘মেমোরি’ নামের একটি নতুন ফিচার, যা পূর্বের কথোপকথনের তথ্য মনে রাখতে পারে। এতে গ্রোক ব্যবহারকারীর অভ্যাস, পছন্দ ও আগ্রহ বুঝে ভবিষ্যতের কথাবার্তা ও পরামর্শ আরও নিখুঁত করতে পারে। ব্যবহারকারীরা চাইলে কোন তথ্য মনে রাখা হয়েছে তা দেখে নিতে পারবেন এবং প্রয়োজনে তা মুছতেও পারবেন। এই সব ফিচারের মাধ্যমে গ্রোক কেবল কথোপকথনের বাইরে বের হয়ে বাস্তব পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করছে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৈনন্দিন ব্যবহারে নতুন মাত্রা যোগ করছে। এখন এটি ওপেনএআই ও গুগলের মতো জায়ান্টদের জন্যও একটি বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫

ডিএনএ মেরামতকারী প্রোটিনের গঠন উদ্ঘাটন, ক্যানসার চিকিৎসায় উন্মোচিত হতে পারে নতুন সম্ভাবনা

ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব আইওয়ার একদল গবেষক। তাঁরা ডিএনএ মেরামতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রোটিন, ‘আরএডি ৫২’-তে এক নতুন ও অপ্রত্যাশিত গঠন আবিষ্কার করেছেন, যা ক্যানসার কোষকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে। **নেচার জার্নালে** প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, এই নতুন গঠনকে লক্ষ্য করে আরএডি ৫২-ভিত্তিক নতুন ধরনের ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব আইওয়ার কারভার কলেজ অব মেডিসিনের অধ্যাপক মারিয়া স্পাইস। তিনি বলেন, আরএডি ৫২ ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। কারণ, এই প্রোটিনটি সাধারণ কোষের জন্য অতটা জরুরি না হলেও, কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসার কোষ টিকে থাকার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত, মানবদেহে ডিএনএ মেরামতের জন্য একাধিক সিস্টেম থাকে। তবে যেসব ক্যানসার কোষে **BRCA1** বা **BRCA2** জিনের ত্রুটি থাকে, সেখানে এই সিস্টেমগুলো কাজ করে না। এ ধরনের সমস্যা স্তন, ডিম্বাশয়, প্রোস্টেট এবং মস্তিষ্কের ক্যানসারে দেখা যায়। যখন প্রথাগত ডিএনএ মেরামত পদ্ধতি ব্যর্থ হয়, তখন ক্যানসার কোষগুলো বিকল্প পথে, অর্থাৎ আরএডি ৫২-র ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। গবেষকেরা মনে করছেন, যদি এই প্রোটিনকে লক্ষ্য করে ওষুধ তৈরি করা যায়, তাহলে ক্যানসার কোষগুলোর ডিএনএ মেরামত ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, এরই মধ্যে কিছু অণু শনাক্ত করা হয়েছে যা আরএডি ৫২-কে বাধা দিতে পারে। এসব অণুর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কেমোথেরাপির তুলনায় অনেক কম এবং এগুলো ক্যানসার কোষ ধ্বংসে কার্যকর। আরএডি ৫২-এর গঠন পর্যবেক্ষণের জন্য গবেষকেরা ব্যবহার করেছেন উন্নত প্রযুক্তি **ক্রায়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপি (Cryo-EM)**, যা অত্যন্ত স্পষ্ট ৩ডি চিত্র তৈরি করতে সক্ষম। এই পদ্ধতিতে দেখা গেছে, আরএডি ৫২ আসলে একটি নয়, বরং দুটি রিংয়ের সমন্বয়ে গঠিত, যার প্রতিটিতে থাকে ১১টি প্রোটিন উপাদান। এই রিংগুলো ডিএনএর ‘রিপ্লিকেশন ফর্ক’-কে ঘিরে রাখে—যেখানে ডিএনএ কপি হয়। এতে ডিএনএর ভাঙন ঠেকানো যায় এবং ক্যানসার কোষ টিকে থাকতে পারে। গবেষকেরা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করে আরও দেখেছেন, একক অণুর স্তরে আরএডি ৫২ ডিএনএর সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে চলাফেরা করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অবস্থান পরিবর্তন করে। এই গতিশীল আচরণই ক্যানসার কোষের টিকে থাকার অন্যতম কৌশল হতে পারে। আরএডি ৫২ প্রোটিনের গঠন জানার পর গবেষকেরা এখন এমন ওষুধ তৈরিতে আশাবাদী, যা এই প্রোটিনের নির্দিষ্ট অংশকে টার্গেট করে কাজ করবে। ইতিমধ্যে তাঁদের হাতে কিছু ছোট অণু রয়েছে যেগুলো আরএডি ৫২-এর সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে। ভবিষ্যতে এসব অণু আরও উন্নত করে ক্যানসার চিকিৎসার এক নতুন দিক উন্মোচনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। এই আবিষ্কার **BRCA-সম্পর্কিত ক্যানসার রোগীদের** জন্য কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার, আরও কার্যকর ওষুধ তৈরি এবং চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

এপ্রিল ০৬, ২০২৫

মার্কিন নির্বাচন নিয়ে ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’

এটিএন বাংলা ডেস্ক: আগামী ৮ নভেম্বর ২০১৬ অনুষ্ঠিত হবে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে রয়েছে ব্যাপক কৌতুহল ও আগ্রহ। এমনি এক প্রেক্ষাপটে ডিবেট ফর ডেমেক্রেসি ও এটিএন বাংলা যৌথ আয়োজনে প্রচার হবে সংসদীয় ধারার বিতর্ক প্রতিযোগিতা ‘ইউসিবি পাবলিক পার্লামেন্ট’। এ পর্বের বিষয় মার্কিন নির্বাচন। আর মার্কিন নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোন প্রভাব ফেলবে কিনা শীর্ষক বিষয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেছে ধানমন্ডিস্থ ইবাইস ইউনিভার্সিটি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এ পর্বের বিজয়ী দল ইবাইস ইউনিভার্সিটি। হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ এর সঞ্চালনা ও পরিচালনা এবং সেলিম দৌলা খান এর প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে আজ (২১ অক্টোবর), সকাল ১১টা ১০ মিনিটে এটিএন বাংলায়।

অক্টোবর ২০, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo