logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/স্পোর্টস
বাংলাদেশের ইতিহাসে এবার যে রেকর্ড গড়লেন হাসান মাহমুদ - image

বাংলাদেশের ইতিহাসে এবার যে রেকর্ড গড়লেন হাসান মাহমুদ

11 অক্টোবর 2026, বিকাল 1:51

আবুধাবিতে রীতিমতো ঝড়ই তুললেন হাসান মাহমুদ। আগের দিনের শেষ ভাগে যেখানে উইকেটের জন্য হাপিত্যেশ করতে হয়েছে দলকে, সেখানে সকালে তিনি রীতিমতো হ্যাটট্রিকই বাগিয়ে বসলেন! সেই হ্যাটট্রিকেই তিনি গড়েছেন এমন এক রেকর্ড, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনোই হয়নি। হ্যাটট্রিকের আগে পরেও হাসান মাহমুদ অস্বস্তিতে রেখেছেন আফগান ব্যাটারদের। ৫৫ রান খরচায় তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট। আর তাতেই শেষ ২১ রানে ৬ উইকেট খুইয়ে আফগানরা গুটিয়ে গেছে ২৪০ রানে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে পেয়ে গেছে ১০৬ রানের লিড।হাসানের এই হ্যাটট্রিকে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন হলো যেন দেশের ক্রিকেটে। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক ছিল আরও ২টি। ২০০৩ সালে পেশোয়ার টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম হ্যাটট্রিকটি করেছিলেন অলক কাপালি। এরপর ২০১৩ সালে দেশের মাটিতে সোহাগ গাজী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন হ্যাটট্রিক। তবে এই দুই বোলারের পরিচয়ই ছিল– স্পিনার। অলক কাপালি ছিলেন লেগি, আর সোহাগ গাজী ছিলেন অফ স্পিনার। আরও একটা পরিচয়ও ছিল দুজনের, কাপালি ছিলেন অলরাউন্ডার, আর সোহাগ ‘মিনি অলরাউন্ডার’।কিন্তু পেসার হিসেবে কেউই এ পর্যন্ত হ্যাটট্রিক করতে পারেননি। আজ সে দিগন্তটাই খুলে দিলেন হাসান। আরও একটা দিক থেকে হাসানের এই হ্যাটট্রিক ‘বিশেষ’; তার তিনটি উইকেটই হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ধরনে। প্রথমটিতে বোল্ড, দ্বিতীয়টিতে ক্যাচ, তৃতীয়টিতে এলবিডব্লিউ। ফুটবলে ‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিকের’ হিসাবের মতো যদি ক্রিকেটেও একই রকম হিসাব রাখা হতো তাহলে এটাও সে ক্যাটাগরিতে পড়তে পারত বটে!তবে যা হয়েছে তাও কম কীসে? টেস্টে হ্যাটট্রিক কি চাট্টিখানি কথা? সাদা পোশাকে হ্যাটট্রিক কতটা বিরল, তার হিসেবটা বোঝা যাবে যদি একটা তথ্য সামনে আসে। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস প্রায় ১৪৯ বছরের দীর্ঘ। এই সময়ে হ্যাটট্রিক হয়েছে মোটে ৫০টি, হাসানের হ্যাটট্রিকই ছুঁল সে মাইলফলক। এ দিক থেকেও এটা ইতিহাসই বটে!

অক্টোবর ১১, ২০২৬

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে পাকিস্তান

পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব পেয়েই ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন সাহিবজাদা ফারহান। তার ৮৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস এবং মাজ সাদাকাতের অর্ধশতকে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাওয়ালপিন্ডিতে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ১৮.৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন নতুন অধিনায়ক ফারহান। ফখর জামানকে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৩১ বলে ৫৪ রান যোগ করেন তিনি। ফখর ১৩ বলে ২১ রান করে ফিরলেও রানের গতি কমতে দেননি ফারহান। পরে মাজ সাদাকাতকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৫২ বলে ৯২ রানের জুটি গড়েন তিনি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই ১ উইকেটে ৭০ রান তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় পাকিস্তান।মাত্র ৩৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন ফারহান। অন্যদিকে ২৮ বলে ফিফটি তুলে নেন সাদাকাত। তিনি ৫০ রান করে ফিরলেও দলের জয়ের পথ সহজ করে দেন। ফারহান ৫৩ বলে ১০টি চার ও চারটি ছক্কায় ৮৯ রান করে আউট হন, তখন জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৪ রান। শেষদিকে শাদাব খান শূন্য রানে ফিরলেও খাজা নাফে ৭ বলে অপরাজিত ১২ রান করে ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। শ্রীলঙ্কার হয়ে ইশান মালিঙ্গা ও তিকশানা দুটি করে উইকেট নেন।এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। দলীয় ৯ রানে কুশল মেন্ডিস এবং ১৮ রানে কামিল মিশারার উইকেট হারায় সফরকারীরা। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন লাহিরু উদারা। কামিন্দু মেন্ডিসের সঙ্গে ৬০ এবং দাসুন শানাকার সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়েন তিনি। ৫৫ বলে ১১টি চার ও একটি ছক্কায় ৯১ রান করেন উদারা। নাসিম শাহর বলে ইনিংসের ১৯তম ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ায় সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৯ রান দূরে থামতে হয় তাকে। পাকিস্তানের হয়ে নাসিম শাহ ৩৬ রানে ৩ উইকেট এবং মোহাম্মদ ইমরান রানধাওয়া ২১ রানে ২ উইকেট শিকার করেন।এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। নতুন অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচেই ফারহানের এমন পারফরম্যান্স দলের জন্য বড় প্রাপ্তি। অন্যদিকে উদারার ৯১ রানের ইনিংসও শ্রীলঙ্কাকে হার থেকে বাঁচাতে পারেনি। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে আগামী রোববার (১১ অক্টোবর), একই ভেন্যু রাওয়ালপিন্ডিতে।টি/

অক্টোবর ১০, ২০২৬

মাঠে ফিরেই জোড়া গোল নেইমারের

গত ২ সেপ্টেম্বর ডান পায়ের ঊরুর চোটে পড়েছিলেন নেইমার জুনিয়র। দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকার পর অবশেষে মাঠে প্রত্যাবর্তন করলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। চোট কাটিয়ে ফেরা নেইমারের ওপর ভর করেই ফ্ল্যামেঙ্গোর বিপক্ষে ২-২ গোলের এক রোমাঞ্চকর সমতা নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সান্তোস। ঘরের মাঠ ভিলা বেলমিরোয় ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-র এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও জোড়া পেনাল্টিতে দলকে মূল্যবান এক পয়েন্ট এনে দেন এই ফরোয়ার্ড।পূর্ণ ম্যাচ ফিটনেস না থাকায় সান্তোসের শুরুর একাদশে স্থান পাননি নেইমার। ফিলিপে কুতিনিওর বদলি হিসেবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তিনি যখন মাঠে নামেন, ততক্ষণে সান্তোস ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে। সফরকারী ফ্ল্যামেঙ্গোর হয়ে ৪৩ মিনিটে দানিলো এবং প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে গোল করেন লুকাস পাকেতা। গোল পেতে মরিয়া সান্তোস কোচ কুকা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নেইমারকে মাঠে নামান, যদিও শুরুতেই সান্তোস গোলের স্পষ্ট সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না।ম্যাচের শেষ দিকে শুরু হয় আসল নাটকীয়তা। ফ্ল্যামেঙ্গোর বক্সের ভেতর জর্জিনিও হ্যান্ডবল করলে ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি এবং জর্জিনিওকে লাল কার্ড দেখানো হয়। ভিএআরের সিদ্ধান্তের কারণে খেলা প্রায় ১০ মিনিট (৯ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড) বন্ধ থাকে, যা ২০১৯ সালে ব্রাজিলিয়ান লিগে ভিএআর চালু হওয়ার পর দীর্ঘতম বিরতির রেকর্ড। বিরতি শেষে ৮২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে ব্যবধান ২-১ করেন নেইমার।একজন খেলোয়াড় বেশি থাকার সুযোগ নিয়ে সান্তোস ম্যাচের ৮৬ মিনিটে আবারও সমতায় ফেরে। সান্তোস ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল বারবোসাকে বক্সে ফাউল করেন ফ্ল্যামেঙ্গো উইঙ্গার লুইস আরাউহো। ফলস্বরূপ পাওয়া দ্বিতীয় পেনাল্টি থেকেও স্পট কিকে গোল করে দলকে ২-২ সমতায় ফেরান নেইমার। এর আগে মাঠে নেমেই রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে ১০ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখার পাশাপাশি পাকেতার সাথে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি। চোটগ্রস্ত ডান পা নিয়ে সতর্ক থাকলেও ফ্রি-কিক ও কর্নার নেন বাঁ পায়ে, তবে উভয় পেনাল্টি শটেই ডান পা ব্যবহার করেন তিনি। ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, “চোট থেকে ফেরায় দূরপাল্লার পাস দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চাইনি। দারুণ ফল, ব্রাজিলিয়ান লিগে এই দুটো দলই সেরা।”এই রোমাঞ্চকর ড্রয়ের মাধ্যমে দুই দলেরই সাম্প্রতিক জয়ের ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়েছে। এতে সান্তোসের টানা ৭ ম্যাচ এবং ফ্ল্যামেঙ্গোর টানা ৫ ম্যাচের জয়রথ থামল। বর্তমানে ২৯ ম্যাচ শেষে ৬১ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিলিয়ান সিরি আ লিগ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ফ্ল্যামেঙ্গো, আর সমান সংখ্যক ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে সান্তোস।টি/

অক্টোবর ০৯, ২০২৬

এক ড্রতেই র‌্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে ব্রাজিল

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ড্রয়ের খেসারত দিতে হলো ব্রাজিলকে। সর্বশেষ ফিফা পুরুষ ফুটবল র‌্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ষষ্ঠ স্থানে নেমে গেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বিপরীতে টানা চার ম্যাচ জিতে দুই ধাপ এগিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে পর্তুগাল। বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রকাশিত সর্বশেষ র‌্যাঙ্কিংয়ে এমন পরিবর্তন দেখা গেছে।ব্রাজিলের অবস্থান পতনের মূল কারণ অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র। ওই ম্যাচে ২ দশমিক ০২ র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট হারায় ব্রাজিল। পরে অবশ্য অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ এবং ভারতকে ৪-০ গোলে হারায় দলটি। তবে সেই দুই জয়ের পরও আগের অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে ব্রাজিলের পয়েন্ট ১৮০৬ দশমিক ৫১।অন্যদিকে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা পর্তুগালের র‌্যাঙ্কিংয়ে এসেছে বড় উন্নতি। উয়েফা নেশন্স লিগে চার ম্যাচের চারটিতেই জয় পেয়েছে তারা। ওয়েলসকে ১-০, নরওয়েকে দুই ম্যাচে ২-১ গোলে এবং ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে পর্তুগাল। তাদের বর্তমান পয়েন্ট ১৮০৭ দশমিক ৬৯।ব্রাজিলের পাশাপাশি এক ধাপ পিছিয়েছে মরক্কোও। মালির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর ষষ্ঠ স্থান থেকে সপ্তমে নেমে গেছে দলটি। মরক্কোর বর্তমান পয়েন্ট ১৮০৫ দশমিক ৩৪। তবে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দলের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন শীর্ষে, এরপর যথাক্রমে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড রয়েছে।র‌্যাঙ্কিংয়ের অষ্টম থেকে ১১তম স্থানেও কোনো পরিবর্তন আসেনি। এই চারটি অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, মেক্সিকো ও কলম্বিয়া। ফলে সাম্প্রতিক ম্যাচের ফলের প্রভাবেই ব্রাজিল ও পর্তুগালের অবস্থানে অদলবদল হলেও শীর্ষস্থানীয় দলগুলোর মধ্যে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।টি/

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় জানালেন মেসি

বুয়েনস আইরেসের নীল-সাদা গ্যালারিতে তখন শুধুই কান্নার রোল। আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানিয়ে দিলেন সময়ের সেরা জাদুকর লিওনেল মেসি। মাঠের ফুটবল, গ্যালারির ৮৫ হাজার ভক্তের আবেগ আর নেইমার-রোনালদোর মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সি খুলে রাখলেন 'এলএম১০'। ২১ বছরের একটা রূপকথার গল্প যেন এক নিমিষেই শেষ হয়ে গেল।গত ৬ অক্টোবর ২০২৬, বুয়েনস আইরেসের ঐতিহ্যবাহী এস্তাদিও মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম সাক্ষী হলো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তের। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের সেরা নায়ককে বিদায় জানাল আর্জেন্টিনা।ম্যাচ শুরুর আগেই মনুমেন্তালের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় ৩৯ বছর বয়সী মেসি এবং কোচ লিওনেল স্কালোনির চোখের জল বাঁধ মানেনি। ম্যাচের ১০ম মিনিটে যখন খেলা থামিয়ে পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে স্ট্যান্ডিং ওভেশন দিচ্ছিল, তখন যেন থমকে গিয়েছিল পুরো ফুটবল বিশ্ব।বিদায়ী ম্যাচেও মেসি ছিলেন স্বমহিমায় উজ্জ্বল। নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজের দুটি গোলে অ্যাসিস্ট করার পর ৭১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ক্যারিয়ারের ১২৬তম আন্তর্জাতিক গোলটি করেন তিনি। শুধু তাই নয়, ম্যাচ শেষে রেফারি তার পকেটের সব কার্ড মেসিকে উপহার দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে মেসি যখন বিদায়ী বক্তব্য দিতে যান, তখন যেন সৃষ্টি হয় এক আবেগঘণ মুহূর্তের। মেসি জানান, বিদায়ের এই বিশেষ মুহূর্তে তার ভাবনায় সবচেয়ে বেশিজুড়ে আছেন তার বাবা হোর্হে মেসি। মূলত ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয় এবং বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পর নিজের ফুটবল ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হওয়ায়, ৩১ আগস্ট তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিদায়ের ক্ষণে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামের স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, এই মাঠেই আমি আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম আনন্দের দিন উদযাপন করেছিলাম যখন আমরা বিশ্বকাপ জিতে এখানে ফিরেছিলাম। সেই স্মৃতি আমি জীবনেও ভুলব না।মেসির এই বিদায়ে কেঁদেছে পুরো ফুটবল দুনিয়া। নেইমার জুনিয়র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, "আমাকে ফুটবলকে আরও ভালোবাসতে শেখানোর জন্য ধন্যবাদ লিও।" অন্যদিকে, পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও এই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর গৌরবময় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ২০৮ ম্যাচে ১২৬ গোল, একটি বিশ্বকাপ ও দুটি কোপা আমেরিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবুজ গালিচাকে চিরতরে বিদায় বললেন ফুটবলের এই মহাতারকা। 

অক্টোবর ০৭, ২০২৬

ভারতের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত

আক্রমণাত্মক ব্যাটিং, সাহসী নেতৃত্ব আর কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে সামনে থেকে পথ দেখানোর ক্ষমতা—ভারতের নারী ক্রিকেটে হারমানপ্রীত কৌরের পরিচয় বহুমাত্রিক। তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় নারী দল পেয়েছে ঐতিহাসিক সাফল্য, জিতেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, এশিয়ান গেমসে এসেছে সোনার পদক। দীর্ঘদিনের সেই সফল অধ্যায়ের ইতি টেনে এবার ভারতের সব ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন হারমানপ্রীত। তাঁর বিদায়ে ভারতীয় নারী ক্রিকেটে একটি বড় যুগের সমাপ্তি ঘটল।২০১৬ সালে প্রথমবার ভারতের পূর্ণকালীন অধিনায়কের দায়িত্ব নেওয়া হারমানপ্রীত বছরের পর বছর দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। ব্যাটার হিসেবেও তাঁর আগ্রাসী মানসিকতা ও বড় ম্যাচে পারফর্ম করার সামর্থ্য তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। তবে অধিনায়ক হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে কৌশলগত সিদ্ধান্ত, দল পরিচালনা ও প্রত্যাশার চাপও সামলাতে হয়েছে তাঁকে। নেতৃত্ব ছাড়ার ফলে এবার সেই চাপ কিছুটা কমবে এবং নিজের ব্যাটিং ও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন তিনি।গুয়াহাটিতে বিসিসিআইয়ের একটি পর্যালোচনা সভার পর হারমানপ্রীতের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা আসে। সভায় গত কয়েক মাসের দলের পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন হারমানপ্রীত, দীর্ঘদিনের সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা এবং প্রধান কোচ অমল মজুমদার। সভায় হারমানপ্রীতকে সিদ্ধান্তটি নিতে রাজি করানো হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে তাঁর সিদ্ধান্তের সময় নিয়ে ক্রিকেটমহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। পরবর্তী সময়ে নেতৃত্বের দায়িত্ব স্মৃতি মান্ধানার হাতে যাওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া দীর্ঘ বার্তায় হারমানপ্রীত জানিয়েছেন, নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত তাঁর জন্য সহজ ছিল না। জাতীয় দলের জন্য নিজের সময়, শ্রম, ঘাম এমনকি ব্যক্তিগত স্বপ্নের কিছু অংশও বিসর্জন দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। অধিনায়ক হিসেবে নেওয়া তাঁর অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হলেও প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে দলের স্বার্থই কাজ করেছে বলে দাবি করেছেন হারমানপ্রীত। তাঁর ভাষায়, তিনি দেখেছেন দলের সবচেয়ে কঠিন সময়, হৃদয়ভাঙা পরাজয়, সমালোচনা ও সন্দেহের মুহূর্ত; আবার দেখেছেন সাফল্য, জয় ও দেশের প্রতিনিধিত্বের গর্বও।অধিনায়কত্ব ছাড়লেও ক্রিকেট থেকে সরে যাচ্ছেন না হারমানপ্রীত। বরং নতুন অধ্যায়ে আরও বেশি স্বাধীনভাবে নিজের খেলায় মন দিতে চান তিনি। তাঁর বিশ্বাস, ভারতীয় নারী দল এখন প্রতিভা, চরিত্র ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ এবং ভবিষ্যতের জন্য ভালো অবস্থানে রয়েছে। নেতৃত্বের দায়িত্ব শেষ হলেও ভারতীয় ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা শেষ হবে না—এমন বার্তাই দিয়েছেন তিনি। হারমানপ্রীতের নেতৃত্বের অধ্যায় শেষ হলেও ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর যাত্রা অব্যাহত থাকছে; সামনে তাই দেখা যেতে পারে আরও আগ্রাসী ও স্বাধীন এক হারমানপ্রীতকে।টি/

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

বিদায়ের মঞ্চে মেসি, শেষ ম্যাচ কবে ও কোথায়

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ ম্যাচ ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে আর্জেন্টাইন মহাতারকার। বাংলাদেশ সময় ৭ অক্টোবর ভোর ৫টায় ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।আন্তর্জাতিক বিরতিতে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মেসি। দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেওয়া এই তারকার সম্ভাব্য বিদায়ী ম্যাচ ঘিরে বাড়ছে সমর্থকদের উন্মাদনা। ঘরের মাঠে জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবারের মতো মেসিকে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা।মেসির জন্য ম্যাচটি হয়ে উঠতে পারে ক্যারিয়ারের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত। তবে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটিই তার নিশ্চিতভাবে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ—এমন দাবি করার আগে মেসি ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রয়োজন। ফলে তার আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার সাফল্যে ভরপুর। তার নেতৃত্বে ২০২১ ও ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালে ফিফা বিশ্বকাপ জেতে আলবিসেলেস্তেরা। জাতীয় দলের জার্সিতে এমন অর্জনের পর মেসির সম্ভাব্য বিদায় তাই শুধু আর্জেন্টিনার সমর্থকদের নয়, বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।শেষ পর্যন্ত ম্যাচটির তারিখ, সময় ও ভেন্যু নিয়ে চূড়ান্ত তথ্য নিশ্চিত হলে মেসির বিদায়ী মুহূর্ত দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনবেন সমর্থকেরা। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক উপস্থিতি সত্যিই এই ম্যাচে হলে, বেনিনের বিপক্ষে লড়াইটি একটি প্রীতি ম্যাচের গণ্ডি পেরিয়ে দেশটির ফুটবল ইতিহাসের স্মরণীয় এক বিদায়মঞ্চে পরিণত হবে।টি/

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

এশিয়ান গেমসের ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে ভারতের স্বর্ণ জয়

হাসান নওয়াজের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে পাকিস্তানের লড়াই জমে উঠলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ২১২ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ১৯ রানে হেরে গেছে পাকিস্তান। শনিবার নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের জমজমাট ফাইনাল খেলায় পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বর্ণপদক নিজেদের নামে নিশ্চিত করেছে ভারত।টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা পায় ভারত। অভিষেক শর্মার ঝড়ো ২৮ বলে ৬১ রানের ওপর ভর করে পাওয়ার প্লেতেই ২ উইকেটে ৮১ রান তোলে তারা। মাঝের ওভারে পাকিস্তান কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনলেও শেষ দিকে তিলক ভার্মার ২২ বলে ৫১ এবং শিবম দুবের ১৫ বলে ২৭ রানের ইনিংস ভারতকে ৬ উইকেটে ২১১ রানের বিশাল সংগ্রহ এনে দেয়। পাকিস্তানের হয়ে আরাফাত মিনহাস ও আহমেদ দানিয়াল দুটি করে উইকেট শিকার করেন।বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান (১০), উসমান খান (৩) এবং মাজ সাদাকাত (২৩) দ্রাই ফিরে গেলে মাত্র ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে দল। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে সাইম আইয়ুবের (২৯) সঙ্গে ৮৭ রানের দায়িত্বশীল জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ল দেখান হাসান নওয়াজ। ২৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করে হাসান ম্যাচের চিত্র বদলে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালান।পরবর্তী ব্যাটারদের থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ায় পাকিস্তানের ওপর জয়ের চাপ বাড়তেই থাকে। শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য ৩৮ রানের প্রয়োজন হলে হাসান একাই ম্যাচটি বের করার চেষ্টা করেন। তবে শেষ ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৫১ বলে ৫টি চার ও ৭টি ছক্কার সাহায্যে ৯৬ রানের এক লড়াকু ইনিংস উপহার দেন হাসান। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানে গিয়ে থমকে যায়।ভারতের বল হাতে দারুণ নৈপুণ্য দেখান স্পিনার অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর এবং পেসার শিবম দুবে। তারা প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটারদের ওপর ক্রমাগত চাপ বজায় রাখেন। হাসান নওয়াজের একা লড়ে যাওয়া সত্ত্বেও ভারতের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শেষ পর্যন্ত ১৯ রানের জয়ে শ্রেয়াস আইয়ারের দল এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের উৎসব সম্পন্ন করে।টি/

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

পাকিস্তানের কাছে ম্যাচ হারের কারণ জানালেন লিটন

পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে হারের পেছনে প্রস্তুতির ঘাটতি এবং উইকেটের আচরণ সম্পর্কে ধারণা না থাকাকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তার মতে, ম্যাচের শুরুর দিকে উইকেট বুঝতে না পারায় ব্যাটিংয়ে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।বৃষ্টির কারণে ২০ ওভারের ম্যাচ নেমে আসে ১৩ ওভারে। আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে পাকিস্তান একসময় ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও সেই চাপ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় নিয়ে ফাইনালে উঠে যায় পাকিস্তান।ম্যাচ শেষে লিটন বলেন, “গত কয়েক দিনে এখানে কোনো ম্যাচ আমরা দেখিনি, উইকেটে অনুশীলনের সুযোগও পাইনি। তাই প্রথম কয়েক ওভার আমরা কোনো ধারণা ছাড়াই খেলেছি। ধীরে ধীরে ব্যাটসম্যানরা উইকেট বুঝতে পেরেছে।” শুরুতেই এর খেসারত দিতে হয় বাংলাদেশকে। ৩.২ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে ঘুরে দাঁড় করান তাওহীদ হৃদয়। তার ২৫ বলে ৪২ রানের ইনিংস এবং মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে জুটির প্রশংসা করেন লিটন।বল হাতে শুরুটাও ভালো করেছিল বাংলাদেশ। ৫৩ রানের মধ্যে পাকিস্তানের চার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে ম্যাচে চাপ তৈরি করেছিল তারা। তবে মাঝের ওভারে সেই চাপ ধরে রাখতে পারেনি বোলাররা। হাসান নওয়াজ ও আবদুল সামাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় পাকিস্তান। লিটনের মতে, “মাঝের ওভারগুলোতে আরেকটু ভালো বোলিং করতে পারলে এবং কম ছক্কা দিলে আমাদের সুযোগটা আরও ভালো থাকত।”মোস্তাফিজুর রহমানের দুই ওভারে ৪১ রান দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে তার ব্যবহারের সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন অধিনায়ক লিটন। তিনি বলেন, “অনেক বিকল্প ছিল। আজ মোস্তাফিজ যদি তিন উইকেট নিত, তাহলে এই প্রশ্নটা করতেন না। সে অনেক দিন ধরেই এই কাজ করছে। আমার মনে হয়েছে, মোস্তাফিজই সেরা বিকল্প এবং তাই তাকে ব্যবহার করেছি।” ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য পূরণ না হলেও বাংলাদেশের সামনে এখনো পদক জয়ের সুযোগ রয়েছে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত ১২৪ রানে শ্রীলঙ্কাকে হারানোয় শনিবার ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।টি/

অক্টোবর ০১, ২০২৬

বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দল ঘোষণা

বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। নিয়মিত অধিনায়ক সোফি মলিনেক্স ও পেসার লুসি হ্যামিল্টনকে ওয়ানডে সিরিজে পাওয়া যাবে না। তাদের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া নারী দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন তালিয়া ম্যাকগ্রা।বাংলাদেশ সিরিজে না থাকলেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরবর্তী টি-টোয়েন্টি সিরিজে মলিনেক্স ও হ্যামিল্টনকে পূর্ণ ফিট অবস্থায় পাওয়ার আশা করছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ৯ থেকে ১৪ অক্টোবর ব্রিসবেনের অ্যালান বর্ডার ফিল্ডে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার নারী দলের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর সিডনিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে অস্ট্রেলিয়া।এদিকে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকা অলরাউন্ডার গ্রেস হ্যারিসকে এবারের দলে রাখা হয়নি। ইনজুরি ও স্কোয়াড পুনর্গঠনের কারণে বাংলাদেশ সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার হাতে আপাতত রয়েছে ১২ জন ক্রিকেটার। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্কোয়াডে পরিবর্তন আসতে পারে।নির্বাচক প্রধান শন ফ্লেগলার জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগ ডব্লিউএনসিএলের পরবর্তী রাউন্ডের ম্যাচ শেষ হওয়ার পর স্কোয়াডে আরও একজন ক্রিকেটার যুক্ত করা হতে পারে। একই সঙ্গে ব্রাউনের চোট নিয়েও আপডেট দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হলেও অক্টোবরের শেষে শুরু হতে যাওয়া নারী বিগ ব্যাশ লিগের কোনো এক পর্যায়ে ব্রাউনের ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচক প্রধান।বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য ঘোষিত অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডে রয়েছেন সোফি মলিনেক্স, নিকোলা ক্যারি, অ্যাশলে গার্ডনার, কিম গার্থ, লুসি হ্যামিল্টন, অ্যালানা কিং, ফোবে লিচফিল্ড, তালিয়া ম্যাকগ্রা, বেথ মুনি, এলিসে পেরি, মেগান শুট, আনাবেল সাদারল্যান্ড, জর্জিয়া ভল ও জর্জিয়া ওয়ারহ্যাম। এর মধ্যে মলিনেক্স ও হ্যামিল্টন শুধু টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বিবেচিত হয়েছেন, আর ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন ম্যাকগ্রা।/টি

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ

বৃষ্টির কারণে এক বলও মাঠে না গড়িয়েই এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার শেষ চারের সূচিও চূড়ান্ত হয়েছে। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে লিটন দাসের দলের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।আগামী ১ অক্টোবর জাপানের কোরোগি অ্যাথলেটিক পার্কে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। ম্যাচটি শুরু হবে স্থানীয় সময় সকাল ৯টায়, বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায়। বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল ছিল মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। তবে টানা বৃষ্টি ও মাঠ খেলার অনুপযোগী থাকায় টসও করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি পরিত্যক্ত হলে উচ্চতর আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের সুবিধায় সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ।পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। হংকংয়ের বিপক্ষে তাদের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটিও বৃষ্টির কারণে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার পর র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় শেষ চারে জায়গা করে নেয় পাকিস্তান। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে না খেলেই সেমিফাইনালে ওঠা দুই দল এবার সরাসরি মুখোমুখি হচ্ছে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লড়াইয়ে।অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। একই ভেন্যুতে ১ অক্টোবর ম্যাচটি শুরু হবে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে, বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। ভারত আফগানিস্তানের বিপক্ষে এবং শ্রীলঙ্কা তাদের কোয়ার্টার ফাইনালও বৃষ্টির কারণে খেলতে পারেনি। ফলে চারটি কোয়ার্টার ফাইনালের একটিতেও টস হয়নি; র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়েছে চার সেমিফাইনালিস্ট।এখন বাংলাদেশের সামনে পাকিস্তানের বাধা। এই ম্যাচে জয় পেলে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পাশাপাশি এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটে অন্তত একটি পদক নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের। আর হেরে গেলে খেলতে হবে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে। তাই ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যেই পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে লিটন দাসের দল।/টি 

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

শচীনের রেকর্ড ছোঁয়ার হাতছানি, কোহলির সামনে বড় সুযোগ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই একাধিক ব্যক্তিগত মাইলফলক ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলির সামনে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিরুবনন্তপুরমে মুখোমুখি হবে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুর্দান্ত রেকর্ড থাকা কোহলি এই ম্যাচে ব্যাট হাতে নামবেন আরও কয়েকটি রেকর্ডের হাতছানি নিয়ে।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৩ ম্যাচে ৪১ ইনিংসে কোহলি করেছেন ২ হাজার ২৬১ রান। তার ব্যাটিং গড় ৬৬.৫০। এই দলের বিপক্ষে রয়েছে ৯টি সেঞ্চুরি ও ১১টি ফিফটি। ওয়ানডেতে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক কোহলির মোট রান এখন ১৪ হাজার ৯৪১। ৩১৪ ম্যাচের ৩০২ ইনিংসে এই রান করেছেন তিনি। ফলে ১৫ হাজার রান পূর্ণ করতে প্রয়োজন মাত্র ৫৯ রান। এই মাইলফলক স্পর্শ করলে শচীন টেন্ডুলকারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় এবং ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের ক্লাবে ঢুকবেন কোহলি।এদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির সেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ৮৫টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আরেকটি শতক করতে পারলে সেটি বেড়ে হবে ৮৬। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটেও রয়েছে বড় মাইলফলকের সুযোগ। সেখানে কোহলির সেঞ্চুরি ৫৯টি, আর শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ৬০টি। ফলে আরও দুটি শতক করলে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে শচীনের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবেন তিনি। ভারতের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শচীনের ৪২টি সেঞ্চুরির বিপরীতে কোহলির রয়েছে ৪১টি।তিরুবনন্তপুরমের মাঠও কোহলির জন্য সুখস্মৃতির। এই ভেন্যুতে দুটি ওয়ানডে খেলে কোনোবারই আউট হননি তিনি। দুই ম্যাচে তার সংগ্রহ ১৯৯ রান। এর মধ্যে ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপরাজিত ১৬৬ রানের ইনিংসটি ছিল বিশেষ নজরকাড়া। ঘরের মাঠে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও তার নাগালে। ভারতের মাটিতে শচীনের ১৬৪ ম্যাচে ৬ হাজার ৯৭৬ রানের বিপরীতে কোহলির সংগ্রহ ১৩০ ম্যাচে ১২৭ ইনিংসে ৬ হাজার ৮৬৭ রান। অর্থাৎ এই রেকর্ড ভাঙতে তার প্রয়োজন ১১০ রান।চলতি বছরও ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে রয়েছেন কোহলি। ছয় ইনিংসে তার সংগ্রহ ৩৮৪ রান, ব্যাটিং গড় ৬৪.০০ এবং স্ট্রাইক রেট ১০৬-এর বেশি। এর মধ্যে রয়েছে একটি সেঞ্চুরি ও তিনটি ফিফটি। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেই একসঙ্গে একাধিক ব্যক্তিগত মাইলফলক ছোঁয়ার সুযোগ থাকছে ভারতের এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের সামনে।টি/

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo