logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/আন্তর্জাতিক
ইরানকে আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের - image

ইরানকে আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

14 জুলাই 2026, বিকাল 3:53

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, আলোচনার সুযোগ এখনো রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র নিচ্ছে। স্থানীয় সময় সোমবার (১৩ জুলাই) রেডিও উপস্থাপক হিউ হিউইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) মানেনি। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের কারণেই ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারেনি, যা হলে ইসরাইলের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ত। তিনি বলেন, ‘আজ রাতে আমরা তাদের ওপর খুব কঠোরভাবে হামলা চালাব। আগামীকালও একইভাবে হামলা হবে। তারা এর বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারবে না।’সাক্ষাৎকারের কিছুক্ষণ পরই যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রেসিডেন্টের নির্দেশে টানা তৃতীয় রাতের মতো ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের হাতে কার্যত তেমন কোনো সক্ষমতা নেই এবং তারা শুধু বড় বড় কথা বলছে।এ ছাড়া ট্রাম্প ইরানের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত দেন। নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত এই স্থাপনাটি যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানান তিনি। ট্রাম্পের ভাষ্য, প্রয়োজন হলে খুব শিগগিরই সেখানে হামলা চালানো হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, গভীর ভূগর্ভে নির্মিত এই স্থাপনাটি এতটাই সুরক্ষিত যে সবচেয়ে শক্তিশালী বাঙ্কার-ভেদী বোমাও এটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে নাও সক্ষম হতে পারে। তথ্যসূত্র: সামা টিভি।/টি

জুলাই ১৪, ২০২৬

খামেনিসহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করবে ইরান

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেছেন, দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিসহ নিহত প্রত্যেক নাগরিকের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি। তেহরানে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।ইসমাইল বাঘেই বলেন, নিহতদের হত্যার বিচার নিশ্চিত করা সরকারের স্পষ্ট দায়িত্ব এবং এ প্রক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে। তিনি জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কথিত অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ, নথিভুক্তকরণ এবং বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক সব ধরনের সুযোগ কাজে লাগাবে ইরান। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক পরিসরে বিষয়টি তুলে ধরারও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি যৌথ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইরান বলেও জানান বাঘেই। তবে তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে মাসকাটের সঙ্গে এ বিষয়ে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। /টি

জুলাই ১৩, ২০২৬

ওমান-কাতারসহ একযোগে ৫ দেশে ইরানের হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের পাঁচটি দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ও সেনাবাহিনীর দাবি, ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এই সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতেও অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে তারা। তবে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি দেশ দাবি করেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বেশ কয়েকটি হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে।আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক আগ্রাসন এবং সর্বশেষ হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযানের তৃতীয় ধাপ। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর ও বিধ্বংসী জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইরান।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানানো হয়, ওমানের দুকম বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের লজিস্টিক সহায়তা কেন্দ্র ও জ্বালানি সরবরাহ প্ল্যাটফর্মে হামলা চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ও কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংসের দাবি করেছে আইআরজিসি। একই সঙ্গে কুয়েতে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, গোলাবারুদ গুদাম ও রাডার স্থাপনা এবং বাহরাইনে যোগাযোগ ও রাডার স্থাপনায় বিস্ফোরকবাহী ড্রোন হামলার কথাও জানানো হয়েছে। জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে মার্কিন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলারও দাবি করেছে ইরান।হামলার পরপরই উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করা হয়। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাসিন্দাদের ঘরে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছে। একইভাবে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে আহ্বান জানিয়েছে। কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।এদিকে ইরানের এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে সব দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

জুলাই ১২, ২০২৬

ইরানে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

ইরানকে পুরোপুরি ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি তাকে হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে দেশটির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে।ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন, ইরানের দিকে বর্তমানে ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ইরান সরকার যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে হত্যার কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাহলে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের পর আরও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে পাল্টা হামলা চালানো হবে। এ বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী আগামী এক বছরের জন্য ইরানের সব এলাকা ধ্বংস ও নির্মূল করার সক্ষমতা রাখে। প্রয়োজনে এই অভিযানের সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তার এই বক্তব্যের ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে।এদিকে ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে জানালেও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা উত্তেজনা কমিয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি করতে কাজ করছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।/টি

জুলাই ১১, ২০২৬

জেলের খাবার ‘অতিরিক্ত মসলাযুক্ত, কারাগারে নিজেই নিজের রান্না করতে আদালতের দ্বারস্থ কয়েদি!

জেলের খাবার ‘অতিরিক্ত মসলাযুক্ত, কারাগারে নিজেই নিজের রান্না করতে আদালতের দ্বারস্থ কয়েদি!কথিত এক সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক মার্কিন নাগরিক ভারতের দিল্লির একটি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিহার জেলের ভেতরে নিজের খাবার নিজে রান্না করার অনুমতি চেয়েছেন। তার দাবি, কারাগারের অতিরিক্ত মসলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার তিনি সহ্য করতে পারছেন না।ম্যাথিউ ভ্যানডাইক নামের ওই মার্কিন নাগরিক গত এপ্রিল মাস থেকে বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। বিশেষ এনআইএ (জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা) আদালতকে তিনি জানান, জেলের খাবারের সাথে মানিয়ে নিতে না পেরে দীর্ঘ সময় ধরে না খেয়ে থাকার কারণে গত তিন মাসে তার ওজন প্রায় ১৪ কেজি কমে গেছে। পাতিয়ালা হাউস কোর্টে দায়ের করা আবেদনে ভ্যানডাইক তার পরিবারের মাধ্যমে জেলের ভেতরে ইন্ডাকশন কুকার ও পোর্টেবল স্টোভসহ রান্নার সরঞ্জাম এবং অলিভ অয়েল ও পাস্তার মতো খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের অনুমতি চেয়েছেন, যাতে তিনি নিজেই নিজের খাবার তৈরি করে নিতে পারেন।ভ্যানডাইক গত ৬ মে থেকে অনশন ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন। তার দাবি, কারাগারের নিয়মিত খাদ্যতালিকা তার শরীরে প্রচণ্ড অস্বস্তি তৈরি করছে এবং স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে। একজন মার্কিন নাগরিক হিসেবে ভারতীয় কারাগারের এই ধরনের খাবার নিয়মিত খাওয়া তার পক্ষে যেমন অভ্যস্ততা বহির্ভূত, তেমনি শারীরিকভাবেও অসম্ভব।নিজের শারীরিক দুর্বলতার কথা উল্লেখ করে ভ্যানডাইক আরও জানিয়েছেন, জেলের মশার কামড়ে তার ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। তাই সুরক্ষার জন্য মশা তাড়ানোর ওষুধ ও মশারি সরবরাহের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।চলতি বছরের মার্চ মাসে ছয়জন ইউক্রেনীয় নাগরিকের সাথে এই মার্কিন নাগরিককে গ্রেফতার করে এনআইএ। তদন্তকারীদের অভিযোগ, এই দলটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামে অবৈধভাবে প্রবেশ করে মিয়ানমার সীমান্তে চলে যায়। সেখানে তারা মিয়ানমারের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত এবং ভারতে সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে সহায়তাকারী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ভ্যানডাইককে প্রথমে কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে গত ৬ এপ্রিল তিহার জেলে স্থানান্তর করা হয়।আদালত এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিহার জেল কর্তৃপক্ষকে তাদের বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে, আগামী ২১ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। 

জুলাই ১০, ২০২৬

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থনের কারণ জানালেন নেতানিয়াহু

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থনের কারণ জানালেন নেতানিয়াহুফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এ আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এছাড়া ইসরাইলপন্থি অবস্থানের কারণে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেকে বারবার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি। খবর আই২৪ নিউজের।সম্প্রতি একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসির চেয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের বন্দনাতেই বেশি মুখর নেতানিয়াহু। ইসরাইলের প্রতি অটল সমর্থনের কারণে মিলেকে আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।মিলের শাসনামলে ইসরাইল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার সম্পর্ক যখন আরও গভীর হচ্ছে, ঠিক তখনই ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য সামনে এল। দেশ দুটি সম্প্রতি ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য হলো কৌশলগত, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।ইসরাইলপন্থি অবস্থানের জন্য মিলেকে বারবার সাধুবাদ জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। এই অবস্থানের অংশ হিসেবে শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ও ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় সমন্বয়ের মতো বিষয়গুলো উঠে এসেছে।‘মোজো পডকাস্ট’-এ কথা বলার সময় বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেখানে বিশ্বকাপ এবং এই প্রতিযোগিতায় তিনি কোন দলকে সমর্থন করছেন, তা নিয়ে কথা বলেন। বিশ্বকাপে কাকে সমর্থন করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি আর্জেন্টিনার দিকে কড়া নজর রাখছেন।সঞ্চালক তাৎক্ষণিকভাবে লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করলেও নেতানিয়াহু প্রথমেই অন্য একটি কারণ সামনে আনেন—আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে। তিনি আর্জেন্টাইন নেতার প্রশংসা করে বলেন, তাকে ইসরাইলের একজন গুরুত্বপূর্ণ মিত্র বলে মনে করেন তিনি। নেতানিয়াহু বলেন, ‘মিলে ইসরাইলের একজন বড় বন্ধু।’ নেতানিয়াহু স্বীকার করেন যে তারা দুজন এই অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে বেশ পছন্দ করেন। তবে আলাপের পরের অংশে তিনি আর্জেন্টিনার ক্রীড়া শক্তির কথাও স্বীকার করেন। তিনি বলেন, দেশটির একটি ‘খুব ভালো দল’ এবং একজন ‘বিশেষভাবে অভিজ্ঞ’ খেলোয়াড় রয়েছে, যা দিয়ে তিনি স্পষ্টতই লিওনেল মেসিকে বুঝিয়েছেন।সঞ্চালক যখন উল্লেখ করেন যে মেসি প্রায় দুই দশক ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলছেন এবং নেতানিয়াহু নিজেকে তার সঙ্গে মেলাতে পারেন কিনা, তখন প্রধানমন্ত্রী একটি ম্যাচের জন্য মেসির ইসরাইল সফরের সময় তার সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করেন।এদিকে, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে (রাউন্ড-অফ-১৬) মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের পর রেফারিং নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছে, ঠিক এর কয়েক দিনের মাথায় নেতানিয়াহুর এ মন্তব্য সামনে এলো।এফ/এইচ

জুলাই ১০, ২০২৬

ছাত্রকে গোসলের ছবি পাঠানোর অপরাধে কারাগারে শিক্ষিকা

প্রতিবার গোসল করার সময় এক ১৪ বছর বয়সী ছাত্রকে নিজের নগ্ন ছবি পাঠানোর অপরাধে ক্যাসিডি কার্টার নামের এক মার্কিন শিক্ষিকাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২১ বছর বয়সী ওই শিক্ষিকা যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার সাউথ ডিয়ারবর্ন কমিউনিটি স্কুল কর্পোরেশনে একজন বিকল্প শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে কর্মরত থাকাকালীন তিনি স্ন্যাপচ্যাটে ওই নাবালক ছাত্রের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন এবং পরবর্তীতে তাকে আপত্তিকর ছবি পাঠাতে শুরু করেন।আদালতের নথি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দি সান’-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ওই ভুক্তভোগী ছাত্রটি স্কুলের একজন কল্যাণ কর্মকর্তাকে পুরো ঘটনাটি জানায়। ওই কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে অবহিত করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারের সময় আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা শিক্ষিকার ফোন ও কম্পিউটার জব্দ করেন এবং সেখানে কার্টারের পাঠানো আপত্তিকর বার্তা ও নগ্ন ছবির সত্যতা খুঁজে পান।নথিগুলোতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই শিক্ষিকা মূলত গভীর রাতে ছাত্রটিকে এসব নগ্ন ছবি পাঠাতেন এবং বার্তা পাঠিয়ে বলতেন যে তিনি তাকে ভালোবাসেন। ছেলেটি একপর্যায়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে অন্য এক শিক্ষককে ছবিগুলোর কথা জানালে পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপরই পুলিশ কার্টারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং আদালত তাকে এই শাস্তি প্রদান করেন।ডিয়ারবর্ন কাউন্টির প্রসিকিউটর লিন ডেডেন্স জানিয়েছেন, কার্টারের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে শিশু যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ছাত্রটি ওই এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় এবং মামলার আইনি জটিলতায় জড়াতে না চাওয়ায় মার্কিন দণ্ডবিধি অনুযায়ী অভিযোগ কিছুটা পরিবর্তন করা হয়। শেষ পর্যন্ত মাঝারি ধরনের শারীরিক আঘাত ও নির্যাতনের একটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করার পর আদালত কার্টারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন।

জুলাই ০৯, ২০২৬

মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও একমুখী আক্রমণকারী (কামিকাজে) ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিনের শুরুতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এই হামলা চালায় বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।ইরানের সেনাবাহিনীর দাবি, হামলায় কুয়েতের একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কাতারের একটি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং বাহরাইনের একটি জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেসটিভির তথ্য অনুযায়ী, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স কুয়েতের আরিফজান ও আলি আল সালেম এবং বাহরাইনের জুফায়ের ও শেখ ইসা ঘাঁটিসহ চারটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।এই হামলার দাবি এমন সময় এলো, যার কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় বেসামরিক অবকাঠামো এবং উত্তরাঞ্চলের গোলেস্তান প্রদেশের একটি সেতুতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার, নৌ-সক্ষমতা এবং সামরিক লজিস্টিক অবকাঠামো রয়েছে।এদিকে বাহরাইনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাহরাইন দাবি করে, ইরান বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালিয়েছে, যা দেশটির আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা। তবে কতটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছিল কিংবা কতটি ভূপাতিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই পাল্টাপাল্টি হামলার এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি লঙ্ঘন করায় তারা কাতার ও বাহরাইনে মার্কিন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট অন্তত ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। তবে উভয় পক্ষের এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি। সূত্র: এএফপি, প্রেসটিভি, আলজাজিরা।/টি

জুলাই ০৯, ২০২৬

প্রতিবেশী দেশগুলোকে ইরানের সতর্কবার্তা

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। দেশটির দাবি, এই হামলা যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের গুরুতর লঙ্ঘন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান।বুধবার (৮ জুলাই) ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ৪ নম্বর দফা লঙ্ঘন করে ইরানের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত কয়েকটি পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।বিবৃতিতে বলা হয়, এ হামলা যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের প্রথম দফারও স্পষ্ট লঙ্ঘন। ওই দফায় সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার বিষয়ে সম্মতি ছিল বলে দাবি করেছে তেহরান।ইরান আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সব রাষ্ট্রের, বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর দায়িত্ব হলো—তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে কোনো আগ্রাসী পক্ষ যেন ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে না পারে।তেহরান সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের হামলায় কোনো দেশের সহযোগিতা আগ্রাসনের অপরাধে অংশগ্রহণ ও সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হবে।একই সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও মহাসচিবের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে ইরান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না। পাশাপাশি হামলার উৎস ও দায়ী পক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।/টি

জুলাই ০৮, ২০২৬

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের কড়া অবস্থান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) কার্যত বাতিল হয়ে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার কোনো আগ্রহ তার নেই এবং আলোচনাকে তিনি সময়ের অপচয় বলে মনে করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা চাইলে আলোচনা চালিয়ে যেতে পারেন বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প, যদিও সেই আলোচনার সফলতা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, দেশটির হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে তারা তা ব্যবহার করত। একই সঙ্গে ন্যাটো সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টকে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান। এছাড়া স্পেনকে ন্যাটোর একটি ‘ভয়াবহ অংশীদার’ হিসেবে আখ্যা দেন তিনি।এদিকে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র বন্দর আব্বাস, সিরিক ও কেশম দ্বীপে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের তেল বিক্রির অনুমতিও বাতিল করেছে ওয়াশিংটন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর এটি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান। এর জবাবে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বন্দর মাহশাহর ও বুশেহরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বন্দর মাহশাহরে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। হামলার সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা চলছিল বলে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটন বারবার সমঝোতা লঙ্ঘন করছে। খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সও দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘প্রকাশ্য আগ্রাসন’ হিসেবে উল্লেখ করে ‘বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া’র হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এরই মধ্যে বাহরাইন ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।/টি

জুলাই ০৮, ২০২৬

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার দাবি ব্রিটিশ এমপিদের

ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৭১ জন এমপি ও লর্ডস সদস্য। মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে স্কাই নিউজের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপারের কাছে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে আইনপ্রণেতারা এ দাবি জানান। চিঠিতে বলা হয়, ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর পদ্ধতিগত ও নথিভুক্ত নির্যাতনের দায় ইসরাইল সরকারের এবং এর জন্য প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও দায়ী।লেবার পার্টির এমপি নিল ডানকান-জর্ডানের নেতৃত্বে লেখা ওই চিঠিতে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ৩০ জন এমপি ও ৭ জন লর্ডস সদস্যসহ বিভিন্ন দলের আইনপ্রণেতারা স্বাক্ষর করেন। তারা ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, নেতানিয়াহু ও ইয়ারিভ লেভিনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে ‘দায়মুক্তির অবসান’ ঘটাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।চিঠিতে আরও বলা হয়, গত বছর ইসরাইলের ডানপন্থি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোটরিচের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্বাগত হলেও তা ফিলিস্তিনি বন্দিদের প্রতি ইসরাইল সরকারের আচরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারেনি। এতে জাতিসংঘের ফেব্রুয়ারির একটি প্রতিবেদনেরও উল্লেখ করা হয়, যেখানে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর নির্যাতন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, ব্যাপক হত্যাকাণ্ড এবং জীবনধারণের উপকরণ ধ্বংসের মতো কর্মকাণ্ড নিয়মিত পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে।/টি

জুলাই ০৭, ২০২৬

কোমের জামকারান মসজিদে আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল

ইরানের কোম শহরের পবিত্র জামকারান মসজিদে দেশটির প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের জানাজার নামাজ আদায় করতে লাখো শোকাহত মানুষের সমাগম হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক কমান্ডার এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন।জানাজার নামাজে ইমামতি করেন গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আবদুল্লাহ জাভাদি আমোলি। নামাজ শেষে জামকারান মসজিদ থেকে হযরত ফাতিমা মাসুমেহ (আ.)-এর মাজারের উদ্দেশ্যে জানাজার মিছিল বের হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। আগের দিন বিকেল থেকেই কোম শহরে মানুষের ঢল নামে এবং ভোরের আগেই জামকারান মসজিদের প্রাঙ্গণ ও প্রার্থনা কক্ষগুলো পূর্ণ হয়ে যায়।শোকাহতদের মিছিল ইরানের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি লাল ব্যানার বহন করে পায়ে হেঁটে ও বিভিন্ন যানবাহনে করে জানাজার স্থানের দিকে এগিয়ে আসে। পুরো এলাকা শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে এবং ধর্মীয় পরিবেশে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য দেখা যায়।এর আগে শুক্রবার তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় আয়াতুল্লাহ খামেনির মরদেহ শায়িত রাখার মধ্য দিয়ে কয়েক দিনব্যাপী জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শনিবার ও রোববার সর্বজনীন বিদায় এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি অব্যাহত থাকে। সোমবার তেহরানের বিভিন্ন সড়কে জানাজার গাড়িবহর অতিক্রম করার সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন।জানানো হয়েছে, বুধবার ইরাকে এ-সংক্রান্ত অনুষ্ঠান চলবে। এরপর বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে চূড়ান্ত জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে অষ্টম শিয়া ইমাম ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।/টি

জুলাই ০৭, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo