logo
/অর্থনীতি
সোনালী ব্যাংকের নতুন দুই ডিএমডিকে পরিচালনা পর্ষদের শুভেচ্ছা - image

সোনালী ব্যাংকের নতুন দুই ডিএমডিকে পরিচালনা পর্ষদের শুভেচ্ছা

12 অক্টোবর 2026, বিকাল 7:00

সোনালী ব্যাংক পিএলসির নতুন দুই ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) মো. জামান মোল্লা ও মো. সাফায়েত হোসেন পাটওয়ারীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ।সোমবার (১২ অক্টোবর) সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. শওকত আলী খানসহ পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্য নতুন দুই ডিএমডিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।গত ৮ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে একই ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে পদায়ন পান মো. জামান মোল্লা ও মো. সাফায়েত হোসেন পাটওয়ারী।রাষ্ট্রমালিকানাধীন বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে তাঁদের এ পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।টি/

অক্টোবর ১২, ২০২৬

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৫ টাকা করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে আগের দামের তুলনায় এখন বেশি দামে স্বর্ণ কিনতে হবে ক্রেতাদের।নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ২৮১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪০ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৯৪ টাকা।এর আগে গত সোমবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। তখন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। নতুন দামে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ৫৮৪ টাকা।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৬২ দফায় কমানো হয়েছে। অর্থাৎ, চলতি বছরে দাম বাড়ানোর তুলনায় কমানোর ঘটনা এখন পর্যন্ত বেশি ঘটেছে। তবে সর্বশেষ সমন্বয়ে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।অন্যদিকে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ দফায় দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ দফায় কমানো হয়। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের সংখ্যা বেড়েছে। স্বর্ণের দামের এই ওঠানামায় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে।টি/

অক্টোবর ০৯, ২০২৬

আজকের মুদ্রার রেট: ৮ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি প্রবাসীদের পাঠানো অর্থও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, রেমিট্যান্স ও প্রবাসীদের লেনদেনের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার গুরুত্বপূর্ণ। আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার নির্ধারিত বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মুদ্রাবাজারে বৃহস্পতিবার ইউএস ডলার কেনার দাম ১২৩ টাকা এবং বিক্রির দাম ১২৩ টাকা ১৫ পয়সা। একই সময়ে ইউরো কেনার দাম ১৩৭ টাকা ৬৯ পয়সা এবং বিক্রির দাম ১৩৭ টাকা ৯২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে, পাউন্ড কেনার দাম ১৬২ টাকা ৪৮ পয়সা এবং বিক্রির দাম ১৬২ টাকা ৭৭ পয়সা। জাপানি ইয়েনের ক্ষেত্রে কেনা ও বিক্রির দাম ৭৭ পয়সা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ডলার কেনার দাম ৮৫ টাকা ৬০ পয়সা এবং বিক্রির দাম ৮৫ টাকা ৭৮ পয়সা।সিঙ্গাপুর ডলার কেনার দাম ৯৬ টাকা ৭ পয়সা এবং বিক্রির দাম ৯৬ টাকা ২৪ পয়সা। কানাডিয়ান ডলার কেনার দাম ৮৬ টাকা ২৬ পয়সা এবং বিক্রির দাম ৮৬ টাকা ৩৯ পয়সা। অন্যদিকে, ইন্ডিয়ান রুপি কেনা ও বিক্রির দাম ১ টাকা ২৭ পয়সা করে নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া সৌদি রিয়েলের কেনার দাম ৩২ টাকা ৭৯ পয়সা এবং বিক্রির দাম ৩২ টাকা ৭৬ পয়সা। তবে মুদ্রার বিনিময় হার বাজার পরিস্থিতি, চাহিদা-জোগান এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।/টি

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

আজকের স্বর্ণের দাম: ৩ অক্টোবর ২০২৬

টানা তিন দফা দাম কমার পর দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভ্যাটসহ প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা।বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে শনিবার (৩ অক্টোবর) দেশের বাজারে নতুন নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।বাজুসের মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা থেকে বেড়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা।এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।স্বর্ণ ও রুপার এসব দাম বাজুসের নির্ধারিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী প্রযোজ্য।টি/

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করায় সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমেছিল। তবে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের প্রতি ব্যারেল ফিউচার মূল্য ১ দশমিক ১৪ ডলার বা ১ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে ১০৩ দশমিক ৭৩ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ৮৯ দশমিক ৭২ ডলারে পৌঁছায়। খবর রয়টার্সের।চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে। গত জুলাইয়ের পর এটিই হতে পারে এক মাসে ব্রেন্টের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি। অন্যদিকে, মে মাসের পর প্রথমবারের মতো ১০৬ ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম চলতি মাসে প্রায় ৪ শতাংশ বাড়ার পথে রয়েছে।জ্বালানি বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া দৈনিক তেল পরিবহনের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা গেছে। ওই সময়ে প্রতিদিন গড়ে ৬৫ লাখ থেকে ১ কোটি ২৬ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত তেল পরিবহন হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনের প্রাথমিক তথ্য যাচাই ও চূড়ান্ত হিসাবের পর এই পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।এর আগে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কেপলার জানিয়েছিল, চলতি সেপ্টেম্বরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বেড়ে দৈনিক ১ কোটি ৬৩ লাখ ২৮ হাজার ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর পর এটি মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির সর্বোচ্চ পরিমাণ।টি/

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

টানা তিন দফায় কমল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে টানা তিন দফায় কমেছে স্বর্ণের দাম। সর্বশেষ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা।এর আগে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছিল। ফলে তিন দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম মোট ৬ হাজার ৬৫ টাকা কমেছে।নতুন দরে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমেছে ১ হাজার ৮০৮ টাকা; নতুন দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা করা হয়েছে।এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। নতুন নির্ধারিত দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন নির্ধারিত দর কার্যকর থাকবে। তবে গহনার নকশা অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে। সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে গহনা বদল এবং পুরোনো গহনা কেনাবেচার ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।টি/

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে শুক্রবার স্বর্ণের দাম সামান্য বেড়েছে। তবে শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদহার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে পারে—এমন প্রত্যাশায় চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটির দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৮৮ দশমিক ৩৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৩২৩ দশমিক ১০ ডলার।এদিকে চলতি সপ্তাহে মার্কিন ডলারের দরও বাড়ার পথে রয়েছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বাড়ায় স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ওএএনডিএর জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং বলেন, বাজারের মূল নজর এখন সুদহারের পরিস্থিতির দিকে। ফেড আরও কঠোর নীতি গ্রহণ করতে পারে—এমন প্রত্যাশা বাড়লে ডলার শক্তিশালী হয়, যা সাধারণত স্বর্ণের দামের জন্য নেতিবাচক।যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আরও সুদহার বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে—ফেডের দুই নীতিনির্ধারকের এমন বক্তব্যের পর উচ্চ সুদহার দীর্ঘ সময় বহাল থাকার প্রত্যাশা জোরালো হয়েছে। ফিলাডেলফিয়া ফেডের প্রেসিডেন্ট আনা পলসন বলেন, মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে ফিরিয়ে আনা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এ লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় নীতিপথ তিনি সমর্থন করবেন। নিউইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামসও আরও কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হলেও সুদহার বাড়লে সুদ বা মুনাফা পাওয়া সম্পদের আকর্ষণ বাড়ে, ফলে স্বর্ণের চাহিদায় চাপ তৈরি হতে পারে।তবে বছরের বাকি সময়ে স্বর্ণের বিষয়ে ইতিবাচক থাকার কথা জানিয়েছেন জে. রোটবার্ট অ্যান্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা জোশুয়া রোটবার্ট। তাঁর মতে, চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাড়তে থাকা সরকারি ঋণের কারণে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা অব্যাহত থাকতে পারে। এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ০ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৩ দশমিক ৮১ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৫৬ দশমিক ৯০ ডলার হলেও প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৫৭ দশমিক ৫৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তিন ধাতুর দামই চলতি সপ্তাহে কমার পথে রয়েছে।/টি

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য ডিজিটাল ঋণ সম্প্রসারণের বড় সুযোগ

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) অর্থায়ন নিয়ে ‘ইকোসিস্টেম ম্যাপিং অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক স্টাডি অন এমএসএমই ফাইন্যান্সিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর)  ঢাকায় একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংক, এসএমই ফাউন্ডেশন, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ফিনটেক কোম্পানি, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী এবং উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের ‘ব্রিজিং দ্য গ্যাপ: আনলকিং স্মল বিজনেস ফাইন্যান্স থ্রু ফিনটেক পার্টনারশিপস’ উদ্যোগের আওতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে গবেষণা পার্টনার হিসেবে লাইটক্যাসেল পার্টনার্স পরিচালিত গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন ও প্রকাশ করা হয়। এসএমই ফাউন্ডেশন ছিল বাস্তবায়নকারী পার্টনার এবং ভিসা ছিল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার। দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সিনিয়র অ্যাডভাইজার, ইনোভেশন অ্যান্ড ফিউচার ইকোনমি এবং ব্রিজিং দ্য গ্যাপ কর্মসূচির প্রকল্প প্রধান মি. ফিলিপ গ্রাওভাক অনুষ্ঠানে প্রজেক্টের প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরেন।গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৭১ লাখ ৬০ হাজার ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ রয়েছে, যা দেশের মোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬১ দশমিক ২ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। তবে এমএসএমই খাতে আনুমানিক ২৮০ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থায়ন ঘাটতি রয়েছে। মোট ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের ৯২ দশমিক ৬ শতাংশই ক্ষুদ্র বা মাইক্রো উদ্যোগ, অথচ তারা বিতরণ করা মোট ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের ঋণের মাত্র ১৪ শতাংশ পেয়ে থাকে। এতে আনুষ্ঠানিক অর্থায়নে তাদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে বলে উঠে এসেছে।৩২৯টি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের ওপর জরিপ, ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যদাতার সাক্ষাৎকার, ১২টি গভীর সাক্ষাৎকার এবং চারটি ফোকাস গ্রুপ আলোচনার মাধ্যমে পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া ৯৫ দশমিক ২ শতাংশ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ অর্থের ঘাটতির মুখোমুখি হয়েছে এবং ৮৬ শতাংশ সাধারণত ঋণ নেয়। তবে মাত্র ৫৮ শতাংশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণের জন্য আবেদন করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনকারীদের মধ্যে মাত্র ২ দশমিক ৬২ শতাংশ তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কথা জানিয়েছে। অর্থাৎ, অনেক ব্যবসা আনুষ্ঠানিক ঋণের আবেদন করার পর্যায়েই পৌঁছাতে পারছে না।গবেষণায় ডিজিটাল অর্থায়নেরও বড় সম্ভাবনা দেখা গেছে। প্রায় ৮৭ শতাংশ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের অনলাইনে বা ডিজিটাল উপস্থিতি রয়েছে এবং ৯৭ শতাংশ মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। কিন্তু মাত্র ১১ দশমিক ৫৫ শতাংশ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঋণ পেয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত ডিজিটাল ঋণপণ্যগুলোর বেশিরভাগই ৫০ হাজার টাকা বা তার কম এবং স্বল্পমেয়াদি। অন্যদিকে, প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ তিন লাখ টাকার বেশি ঋণ এবং ৮৫ শতাংশ ছয় মাসের বেশি মেয়াদের ঋণ পছন্দ করে। ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের মোট ঋণের প্রায় ৫৭ শতাংশই ব্যবসার চলতি মূলধনের জন্য নেওয়া হয়।গবেষণায় নারী উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান এবং সেবা খাতের ব্যবসাগুলোকে ডিজিটাল ঋণ ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক উদ্যোগের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগে ডিজিটাল ঋণ সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকা নারীদের মধ্যে ৮৩ দশমিক ১ শতাংশ এ ধরনের ঋণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একইভাবে, সেবা খাতের ৮৬ শতাংশ ব্যবসা ডিজিটাল ঋণের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে।প্যানেল আলোচনায় মূলত ফিন্যান্স ও প্রযুক্তিতে সহজে প্রবেশের সুযোগ তৈরি, ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা, ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা এবং অর্থায়ন ব্যবস্থাকে আরও মানসম্মত ও ডিজিটাল করা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ডেটার গুরুত্ব ও ডেটা বিশ্লেষণের চ্যালেঞ্জ, ব্যাংক, গ্রাহক ও ডিজিটাল ব্যবস্থার মধ্যে দূরত্ব কমানো, ডিজিটালভাবে ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরি নিয়েও কথা বলা হয়। এছাড়া, ডিজিটাল লেনদেনের তথ্য ব্যবহার করে বিকল্প পদ্ধতিতে ঋণগ্রহীতার ঋণ পাওয়ার সক্ষমতা (ক্রেডিট) যাচাই করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলভাবে তথ্য ব্যবহার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং গ্রাহকের সম্মতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।এই গবেষণায় চারটি অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলো হলো—ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঋণ দেওয়ার পরীক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণ, আন্তঃসংযোগযোগ্য ও গ্রাহকের সম্মতিভিত্তিক তথ্যব্যবস্থা তৈরি, ছোট অঙ্কের ঋণকে বাণিজ্যিকভাবে আরও কার্যকর করা এবং দায়িত্বশীল আর্থিক উদ্ভাবনের জন্য নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করা।মি. ফিলিপ গ্রাওভাক মূলধন ও নীতিমালার মধ্যে যে দূরত্ব রয়েছে, তা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, “আমাদের মূলধনের অভাব নেই, নীতিগত উদ্যোগেরও অভাব নেই; এই দুটির মধ্যে কার্যকর সংযোগের অভাব আছে।” অন্যদিকে, প্রধান অতিথি মি. মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশের সাবেক মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং সাবেক অর্থসচিব, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগকে আলাদাভাবে বিবেচনা করার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে ভুল বা সবার জন্য এক ধরনের নীতিমালা তৈরি না হয়।দি এশিয়া ফাউন্ডেশন ১৯৫৪ সাল থেকে বাংলাদেশে সরকারি প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজের সংগঠন, বেসরকারি খাত, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কাজ করে আসছে। এর লক্ষ্য হলো দেশের জটিল উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখা। আমাদের কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠান ও নীতিনির্ধারণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা, নারীদের অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোকে ডিজিটাল দক্ষতায় সক্ষম করে তোলা, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং গবেষণালব্ধ তথ্য ও প্রমাণ তৈরি করে নীতিনির্ধারণ ও চিন্তাশীল নেতৃত্বে অবদান রাখা। এর মাধ্যমে আমরা আরও কার্যকর, সহনশীল, অর্থনৈতিকভাবে বৈচিত্র্যময় এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়তা করতে চাই।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

সোনার ভরিতে সর্বোচ্চ ১,৬৯১ টাকা বৃদ্ধি

বাংলাদেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৯১ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি শনিবার সকাল ৯টার দিকে বৈঠক করে নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরই নতুন মূল্যতালিকা কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হয়।নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এর আগে শুক্রবার একই মানের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ফলে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ৬৯১ টাকা।এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।/টি

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

দেশের বাজারে স্বর্ণের সর্বশেষ দাম কত

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় প্রতিদিনই ওঠানামা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।সবশেষ গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণের দাম বাড়ায় বাজুস। ওই দিন প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ার কারণে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। এর আগে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। অর্থাৎ সর্বশেষ দফায় ভরিতে দাম বেড় ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত দামের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। গহেছে ১ হাজার ৫০ টাকা।এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত দামের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।এদিকে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১৬ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৭৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯১ টাকা।/টি

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সংঘাত আবারও তীব্র হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের হামলা-পাল্টা হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৪ জুলাইয়ের পর বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো ব্রেন্ট ক্রুডের দাম শতকের ঘর অতিক্রম করে।বাংলাদেশ সময় বুধবার দুপুর ১টা ২১ মিনিটে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ১৫ ডলার বা ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১০০ দশমিক ০৭ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৭০ ডলার বা ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৭৩ ডলারে পৌঁছায়।চলতি সপ্তাহের শুরুতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরবের একাধিক কৌশলগত জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুতি বিদ্রোহীরা। এতে প্রধান তেল স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের আগুন ধরে যায়। এ হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে।রাইস্ট্যাড এনার্জির তথ্য অনুযায়ী, ৩০ আগস্ট যুদ্ধ পুনরায় শুরুর আগের সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০ লাখ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছিল। আগের সপ্তাহের তুলনায় এই প্রবাহ ছিল প্রায় দ্বিগুণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কৌশলগত এই সমুদ্রপথ দিয়ে তেল পরিবহনের পরিমাণ প্রতিদিন ২০ লাখ ব্যারেলের নিচে নেমে এসেছে। ফলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।সরবরাহ ঘাটতির ঝুঁকি বাড়ায় গোল্ডম্যান স্যাকস, ব্যাংক অব আমেরিকা ও এইচএসবিসিসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তেলের ভবিষ্যৎ দামের পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় আগস্টের শুরু থেকে ব্রেন্টের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর ৩০ এপ্রিল ব্রেন্টের দাম একপর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ দশমিক ৪১ ডলারে উঠেছিল।টি/ 

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটি ঘোষণা

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ)-এর নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় ফাউন্ডেশনের লাইব্রেরি ভবনের দ্বিতীয় তলায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়।উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ফাউন্ডেশনের উপস্থিত ভোটাররা সরাসরি ভোট প্রদান করেন।নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. সরোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. দিলোয়ার হোসেন নির্বাচিত হন।এছাড়া সহ-সভাপতি পদে মো. বুলবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. সাইদুর রহমান সিকদার এবং কোষাধ্যক্ষ পদে কাজী মো. মিজানুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. দিলোয়ার হোসেন বলেন, কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ঐক্য সুদৃঢ় করার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ফাউন্ডেশনের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় কর্মচারীদের দক্ষতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নবনির্বাচিত কমিটি সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করবে।তিনি আরও বলেন, কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে কমিটি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
footer small logo

Design & Developed by:

developed-company-logo