logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/অর্থনীতি
৫ ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক - image

৫ ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

15 মে 2026, বিকাল 4:57

প্রবাসীদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি প্রবাহ বাড়ার কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এতে মুদ্রাটির মূল্য হ্রাসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ৫টি ব্যাংক থেকে ৪ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই ক্রয়ে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৫৮৮ কোটি মার্কিন ডলার (৫ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত ক‌রে‌ছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ডলারের দাম কমে গেলে রপ্তানিকারক ও রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীরা অনুৎসাহী হয়ে পড়তে পারেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপ মূলত বাজারে ডলারে দাম একটি নির্দিষ্ট সীমার নিচে নামতে না দেওয়ার ইঙ্গিত।গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা-বেচা করে আসছে। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বড় অঙ্কের ডলার বিক্রি করলেও চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ধীরে ধীরে ক্রয়ের মাধ্যমে রিজার্ভে চাপ কমানোর চেষ্টা করছে। আজকের কেনাকাটার ফলে রিজার্ভ কিছুটা শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদরা।বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমপিএ পদ্ধতিতে ডলার কেনা-বেচার ফলে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক দাম নির্ধারণ সম্ভব হয়, যা ব্যাংকগুলোর জন্যও ইতিবাচক। তবে তারা মনে করছেন, ডলার বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনতে আমদানি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো বাড়ানো দরকার।রিজার্ভের চাপ ও বৈদেশিক লেনদেন ঘাটতির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিটি পদক্ষেপ এখন বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে। তাই এই ধরনের হস্তক্ষেপ বাজারে আস্থা ফেরাতে সহায়ক হতে পারে বলছেন বিশ্লেষকেরা। 

মে ১৫, ২০২৬

বাইকার-অটোরিকশাচালকদের দুঃসংবাদ দিল সরকার

নতুন অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব বাড়াতে একের পর এক কর-ভ্যাট বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে সরকার। নিত্যপণ্যে উৎসে কর বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য প্যাকেজ ভ্যাট এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা-মোটরসাইকেল নিবন্ধনে অগ্রিম আয়কর আরোপের প্রস্তাবে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। আজ (১৪ মে)  বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনবিআরের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এসব প্রস্তাব চূড়ান্ত হতে পারে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্ব বৈঠকে আরও অংশ নেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানসহ বাজেটসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই এসব বিষয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।প্রথা অনুযায়ী প্রতিবছর বাজেট প্রণয়নের আগে এনবিআর বাণিজ্য সংগঠন, খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন, বিভাগীয় ও জেলা চেম্বার, অর্থনীতিবিদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে। এসব বৈঠকে প্রাপ্ত সুপারিশ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে একটি রূপরেখা তৈরি করা হয়। সেই রূপরেখা চূড়ান্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে এনবিআর।এরই ধারাবাহিকতায় আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবে এনবিআর। এতে রাজস্ব আদায় বাড়াতে এনবিআরের প্রস্তাবনাগুলো উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় যেমন-ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা, করপোরেট কর হার, রপ্তানির উৎসে কর, পণ্য ও সেবার ওপর ভ্যাট-সম্পূরক শুল্ক আরোপের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। সে অনুযায়ী বাজেট চূড়ান্ত করা হয়।সূত্র জানায়, এবারের বাজেটে রাজস্ব আদায় বাড়াতে নিত্যপণ্য সরবরাহে উৎসে কর বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। ধান, ধানের কুড়া, চাল, গম, আলু, গবাদি পশু, মাছ, মাংস, পেঁয়াজ, রসুন, মটর, বছালা, মসুর, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ডাল, ভুট্টা, আটা, ময়দা, লবণ, ভোজ্যতেল, চিনি, বীজ, পাটকাঠি, সরিষা, তিল, কাঁচা চা-পাতা, গোলমরিচ, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা এবং পাট সরবরাহের উৎসে কর দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে এক শতাংশ করা হতে পারে। এতে বাজারে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।পাশাপাশি রপ্তানি প্রণোদনার উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা হতে পারে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন খাতে রপ্তানি প্রণোদনার জন্য সরকার ৯ হাজার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। আগামী অর্থবছরেও রপ্তানি পরিস্থিতি ও প্রণোদনার হার অপরিবর্তিত থাকলে উৎসে করের হার দ্বিগুণ করার মাধ্যমে সরকার অতিরিক্ত প্রায় ৯০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে পারে।/টিএ 

মে ১৪, ২০২৬

বন্ধ হচ্ছে দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান

দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আগামী জুলাই থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের বন্ধ বা অবসায়নের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। সভায় ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে দীর্ঘদিন ধরে সংকটে থাকা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়।বন্ধ বা অবসায়নের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় শতভাগের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছিল।এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম ধাপে ধাপে গুটিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।/টিএ 

মে ১৩, ২০২৬

যেসব মোটরসাইকেলে দিতে হবে না কর

মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রিম আয়কর দিতে হবে না। এর বেশি সিসি হলে আনুপাতিক হারে অগ্রিম আয়কর দিতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিসিভেদে মোটরসাইকেলের ওপরও দুই হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হতে পারে। সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে। সূত্রে জানাগেছে, সিসিভেদে মোটরসাইকেলের ওপর অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হতে পারে। ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রিম আয়কর দিতে হবে না। তবে ১১১ থেকে ১২৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে বছরে কর দুই হাজার টাকা। ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসি পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিবছর ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হবে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সবশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০।যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাদিউজ্জামান  বলেন, সড়ক আইনে মোটরসাইকেল বৈধ বাহন। তাই ব্যক্তিগত গাড়ি বা অন্য যানবাহনের মতো এই বাহনের ওপর অগ্রিম আয়কর আরোপ যুক্তিযুক্ত, তাছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়। এতে করজালের কলেবর বাড়বে। যারা কর দিচ্ছে, তাদের ওপর চাপ কমবে। জানা যায়, বর্তমানে মোটরসাইকেল চালকদের অগ্রিম আয়কর দিতে হয় না। শুধু এককালীন নিবন্ধন ফি ও ২ বছর পরপর রোড ট্যাক্স দিতে হয়। ৫০ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের সর্বমোট রেজিস্ট্রেশন ফি ৯ হাজার ২৯১ টাকা। পরবর্তী ২ বছর পরপর প্রতি কিস্তি এক হাজার ১৫০ টাকা করে ৪টি কিস্তিতে অবশিষ্ট চার হাজার ৬০০ টাকা রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়। ১২৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ফি ১১ হাজার ৭৬৪ টাকা। পরবর্তী ২ বছর পরপর প্রতি কিস্তি ২,৩০০ টাকা করে ৪টি কিস্তিতে অবশিষ্ট ৯ হাজার ২০০ টাকা রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।বিদ্যমান আয়কর আইন অনুযায়ী, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মোটরসাইকেল মালিকরা অগ্রিম আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারবেন।সূত্র : যুগান্তর/টি 

মে ১২, ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

পেনশনভোগী ও সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে নতুন পে-স্কেল, যেখানে বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় বেতন কমিশনের প্রাথমিক সুপারিশে এই তথ্য উঠে এসেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নবম পে-স্কেলটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হতে পারে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতে আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি খসড়া বরাদ্দ রাখার প্রস্তাবও রয়েছে।তবে পুরো পে-স্কেল কার্যকর হবে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। পূর্ণ বাস্তবায়ন ২০২৮-২৯ অর্থবছরের আগে হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে।প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে কয়েকটি ভাতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে,  বৈশাখী ভাতা: বর্তমান মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব, টিফিন ভাতা: ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ, শিক্ষা ভাতা: সন্তানদের জন্য মাসিক ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার প্রস্তাবপ্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে সরকারি চাকরিজীবীদের আয় ও সুবিধায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে।/টিএ 

মে ১১, ২০২৬

১০ মে ২০২৬: আজকের স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সবশেষ ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা।গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম সেদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ রোববার (১০ মে) দেশের বাজারে একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এর আগে, সবশেষ গত ৬ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।/টিএ

মে ১০, ২০২৬

দেশের রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৫.৬১ বিলিয়ন ডলারে

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ এখন বেড়ে  দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে । এই রিজার্ভের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। গতকাল শুক্রবার (৮ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় স্থিতিশীল থাকা এবং আমদানি ব্যয়ে নিয়ন্ত্রণ আসার কারণে রিজার্ভ পরিস্থিতির এই উন্নতি হয়েছে। এর ফলে বৈদেশিক লেনদেনের ওপর চাপ কমছে এবং ডলারের বাজারেও ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে রিজার্ভ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে প্রবাসী আয়। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।একইসঙ্গে দেশের তৈরি পোশাক খাতের রফতানি প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক ঋণ ও উন্নয়ন সহযোগিতার অর্থ ছাড় পাওয়ার কারণে রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসপণ্যের আমদানি কমে যাওয়ায় ডলারের ওপর চাপ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বাজারে অতিরিক্ত ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে না। বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভ বাড়ার অর্থ হলো দেশের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হওয়া। বর্তমানে যে পরিমাণ রিজার্ভ রয়েছে, তা দিয়ে আগামী পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় অনায়াসে নির্বাহ করা সম্ভব। রিজার্ভ শক্তিশালী থাকলে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছায়। এতে বৈদেশিক লেনদেনে আস্থা বাড়ে এবং দেশের ক্রেডিট সক্ষমতাও উন্নত হয়। এ ছাড়া রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতির ফলে ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমবে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন।/টিএ 

মে ০৯, ২০২৬

সৌদি থেকে এলো ১ লাখ টন তেল

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় নোঙর করেছে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমটি নিনেমিয়া’। এর ফলে কাঁচামালের অভাবে বন্ধের উপক্রম হওয়া রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি আবার উৎপাদনে ফিরছে। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেল থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে।ইস্টার্ণ রিফাইনারি পিএলসি’র উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন্স) মামুনুর রশীদ খান বলেন, সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ৯৪ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে একটি জাহাজ কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় নোঙর করেছে।। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিকেল ৫টার পর তেল পরিশোধন কার্যক্রম আবার শুরু হবে। প্রথমদিকে দৈনিক প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। শুরুতে কারিগরি সমন্বয়ের প্রয়োজন হওয়ায় উৎপাদন কম রাখা হচ্ছে। যা পরবর্তী সময় ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে।ইআরএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত বলেন, তেল সরবরাহের সব প্রস্তুতি আমাদের নেওয়া আছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই ৫টি ইউনিটে পুরোদমে উৎপাদন শুরু হবে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে গেলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি পরিবহন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ফলে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর দেশে অপরিশোধিত তেলের আর কোনো চালান আসেনি। দীর্ঘ দেড় মাস যাবত ইস্টার্ন রিফাইনারি তাদের পাইপলাইনে জমে থাকা ‘ডেড স্টক’ বা তলানির তেল দিয়ে কোনো রকমে কার্যক্রম সচল রেখেছিল। ৫টি ইউনিটের মধ্যে ৩টি সীমিত আকারে চললেও বাকি ২টি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ১৩ ধরনের জ্বালানির পরিবর্তে উৎপাদন নেমে এসেছিল মাত্র ২টিতে।/টিএ

মে ০৭, ২০২৬

বৃহস্পতিবার ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ফুয়েল পাশ নিবন্ধন সেবা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সার্ভার ও স্টোরেজ সিস্টেমে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৫ ঘণ্টার জন্য ফুয়েল পাশ নিবন্ধন সেবা বন্ধ থাকবে।আজ বুধবার (৬ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।নোটিশে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিআরটিএর সার্ভার ও স্টোরেজ সিস্টেমে মেইনটেনেন্স কার্যক্রম চলবে। এ সময় ফুয়েল পাশ রেজিস্ট্রেশন সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেবার মান উন্নয়ন এবং সিস্টেমকে আরও নির্ভরযোগ্য করতে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হচ্ছে।সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময় শেষে ফুয়েল পাশ সেবা স্বাভাবিকভাবে পুনরায় চালু হবে। 

মে ০৬, ২০২৬

মের শুরুতেই এলো ৩১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

মে মাসের প্রথম ৩ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এ হিসেবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। গতকাল সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি মে মাসের প্রথম ৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মে পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ৯৬৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২০ দশমিক ৪০ শতাংশ।এর আগে গত এপ্রিলে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।/টিএ

মে ০৫, ২০২৬

ফের কমল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেট কত

দেশের বাজারে টানা চার দফায় বড় ধরনের পতন ঘটেছে স্বর্ণের দামে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ চার দফায় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে মোট ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা কমানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ স্বর্ণের দাম কমায় বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর একদিন আগে বুধবার সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করে সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।এর আগে, গত ২৮ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এরও আগে, গত ২৩ এপ্রিল স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৭ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।/টিএ

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

‘অর্থনীতিকে গতিশীল করতে ব্যবসায়ীদের মতামতকে গুরুত্ব দেবে সরকার’

জ্বালানি সংকট, উচ্চ সুদহার এবং নতুন বিনিয়োগে স্থবিরতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির । তিনি বলেন তাই নতুন বিনিয়োগের পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবসা ও শিল্পখাতকে টিকিয়ে রাখাও এখন বড় দায়িত্ব। অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সরকার ব্যবসায়ী সমাজের মতামতকে গুরুত্ব দেবে। বাজেটে বেসরকারি খাতের প্রস্তাবনা অন্তর্ভুক্ত হবে।বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই আয়োজিত ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শ কমিটির ৪৬তম সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে চাঙা করা এখন শুধু অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্যই নয়, সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থেও জরুরি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকার আগামী বাজেটে বেসরকারি খাতের প্রস্তাবনাগুলো কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।তিনি বলেন, ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ও লজিস্টিক খাতেও বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেসরকারি খাত থেকে নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা আশা করছে সরকার।খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।অর্থমন্ত্রীকে ব্যবসাবান্ধব উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সঠিক হাতে রয়েছে। আগামীদিনে এর ইতিবাচক ফলাফল দেশবাসী দেখতে পাবে।এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও এফবিসিসিআই প্রশাসক আব্দুর রহিম খানের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় শীর্ষ ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo