logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/অর্থনীতি
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্বোধন - image

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্বোধন

14 জুলাই 2026, বিকাল 6:52

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) টেকসই ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে মাসব্যাপী এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর আয়োজন করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্ট (এসএমইএসপিডি) এর প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন ইউনিট (পিআইইউ)- ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এআইবিটিআই) এর উদ্যোগে প্রকল্প কর্মসূচীটি ঝালকাঠিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।সোমবার (১৩ জুলাই) আয়োজিত মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও ইডিপি-এসআইসিআইপি-এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মোঃ মাসুম বিল্লাহ। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোঃ শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক ও এসআইসিআইপি-এর ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর আইয়ুব আলী এবং ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এমরান সাহরিয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এআইবিটিআই)-এর প্রিন্সিপাল ও এসইভিপি মোঃ আব্দুর রহিম দুয়ারী।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ মাসুম বিল্লাহ বলেন, দেশের ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা পরিচালনা, উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দক্ষ উদ্যোক্তাই একটি শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত্তি। তাই প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতাকে বাস্তব ব্যবসায় প্রয়োগের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন উদ্যোক্তা গড়ে তোলা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অংশগ্রহণের জন্য তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক আইয়ুব আলী প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, কার্যক্রম, প্রত্যাশিত ফলাফল এবং প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।উল্লেখ্য, ২০ কার্যদিবসব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে উদ্যোক্তাদের উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসায় পরিকল্পনা প্রণয়ন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ ও এসএমই অর্থায়ন, হিসাবরক্ষণ, বিপণন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ই-কমার্স, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন, শিল্প ব্যবস্থাপনা, নেতৃত্ব, আইনগত বিষয়, পরিবেশবান্ধব ব্যবসা পরিচালনা এবং টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ কর্মসূচি নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশের শিল্প ও অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

জুলাই ১৪, ২০২৬

টানা দুই দফায় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ পাঁচ দফা মূল্য সমন্বয়ের মধ্যে চারবারই দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর মধ্যে টানা দুই দফায় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি মোট ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে, ১৩ জুলাই বাজুস প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল। সে সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা। ফলে ১৩ ও ১৪ জুলাইয়ের দুই দফা মূল্য সমন্বয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি মোট ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমেছে।বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৯১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৬ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার দাম হ্রাস করা হয়।/টি

জুলাই ১৪, ২০২৬

আইইএর সতর্কতা: সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেল রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রভাবে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক তেল রপ্তানি দৈনিক ৩৭ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। শাফাক নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।শুক্রবার প্রকাশিত আইইএর প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংস্থাটির মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে।আইইএর তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে বিশ্বে দৈনিক তেল সরবরাহ ৪১ লাখ ব্যারেল বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই বৃদ্ধি সত্ত্বেও সরবরাহের পরিমাণ এখনো যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় কম রয়েছে। পাশাপাশি চলতি বছরে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে দৈনিক প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেলের ঘাটতি থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে চলতি বছরে বিশ্বে তেলের দৈনিক চাহিদাও প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল কমে যেতে পারে। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকলে ২০২৭ সালে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৭৫ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশা করছে আইইএ।বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই নৌপথের নিরাপত্তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কয়েকটি কৌশলগত স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।/টি

জুলাই ১২, ২০২৬

আবারও বেড়েছে স্বর্ণ-রুপার দাম

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, আজ শনিবার (১১ জুলাই) থেকে সারা দেশে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই দুই ধাতু।শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বাজুস স্বর্ণের ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং রুপার ভরিতে ১১৭ টাকা দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর দাম বৃদ্ধির কারণে এ সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের ডিজাইনভেদে মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্য অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল থাকবে।এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাজুস স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল। সেদিন প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। তবে এক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ানো হলো।অন্যদিকে, নতুন মূল্য অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি ২ হাজার ৯১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৮৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৪ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। একই সময়ে রুপার দাম ৫৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে ২৮ বার বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে।

জুলাই ১১, ২০২৬

জুলাইয়ের শুরুতেই দেশে এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের শুরুতেই দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার ৯১৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৩৪ লাখ ডলার বা প্রায় ১ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকার রেমিট্যান্স।সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জুলাই মাসের প্রথম পাঁচ দিনের মধ্যে শুধু রোববার (৫ জুলাই) একদিনেই দেশে এসেছে ২১ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা মাসের শুরুতেই প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময় দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ দিনে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি এবং প্রণোদনা সুবিধা এ প্রবৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে।এর আগে সদ্য বিদায়ী জুন মাসের ৩০ দিনে দেশে মোট ২৮১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৪ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। ধারাবাহিকভাবে উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ জুলাই পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৭ হাজার ৬৫৮ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৩ হাজার ১৩ দশমিক ১৯ মিলিয়ন ডলার।/টি

জুলাই ০৯, ২০২৬

দেশে ভরিতে স্বর্ণের দাম কমলো ৩,২৬৬ টাকা

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা দাম কমিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা।সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টায় এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের ঘোষণা দেয় বাজুস। সংগঠনটি জানায়, নতুন মূল্য একই দিন দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে। এ সমন্বিত দাম মঙ্গলবারও দেশের বাজারে কার্যকর থাকবে।নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা।এর আগে সর্বশেষ শুক্রবার (৩ জুলাই) বাজুস ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়েছিল। তখন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির প্রভাবে আবারও দাম সমন্বয় করা হলো।বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৮৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৪৩ দফা কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।/টি

জুলাই ০৭, ২০২৬

সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের জরুরি নির্দেশনা

রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতসহ অন্যান্য প্রযোজ্য খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা বা রপ্তানি ভর্তুকির আবেদন নিরীক্ষার জন্য অডিট ফার্ম নিয়োগে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নির্দেশনা দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের জন্য প্রযোজ্য হবে।রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ (এফইপিডি-১) থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়। সার্কুলারটি দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো হয়েছে। এতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা বা রপ্তানি ভর্তুকির আবেদন নিরীক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।সার্কুলার অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১-এর অনাপত্তি সাপেক্ষে ব্যাংকের হিসাব নিরীক্ষায় নিয়োজিত সমসংখ্যক অডিট ফার্ম দিয়ে নগদ সহায়তা বা রপ্তানি ভর্তুকির আবেদন নিরীক্ষা করানো যাবে। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত অডিট ফার্ম নিয়োগ করতে হলে তার যৌক্তিকতা, সংশ্লিষ্ট অডিট ফার্মের পূর্ববর্তী নিয়োগের তথ্য, আবেদনপত্রের সংখ্যা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন নিতে হবে।এছাড়া, সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ বিষয়ে পূর্বে জারি করা ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ সালের এফই সার্কুলার নম্বর-২০ এবং ৬ জুলাই ২০২৪ সালের এফই সার্কুলার পত্র নম্বর-১০-এর অন্যান্য নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট সব সার্কুলার আগের মতোই বহাল থাকবে। নতুন নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দেশের সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।/টি

জুলাই ০৬, ২০২৬

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার : ৫ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিধি বাড়তে থাকায় প্রতিদিনই বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনের গুরুত্ব বাড়ছে। প্রবাসী আয় দেশে পাঠানো, আমদানি-রপ্তানি এবং বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রোববার (৫ জুলাই) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। এদিন মার্কিন ১ ডলারের বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭০ পয়সা। এছাড়া ইউরোপীয় ১ ইউরোর মূল্য ১৪৩ টাকা ৩৫ পয়সা এবং ব্রিটিশ ১ পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৪ টাকা ৮৮ পয়সা।মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি ১ রিয়ালের মূল্য ৩২ টাকা ৭৯ পয়সা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ১ দিরহাম ৩৩ টাকা ৬৫ পয়সা, কাতারের ১ রিয়াল ৩৩ টাকা ৯২ পয়সা এবং ওমানের ১ রিয়ালের মূল্য ৩১৯ টাকা ৫ পয়সা। এছাড়া বাহরাইনের ১ দিনারের বিনিময় হার ৩২৮ টাকা ১২ পয়সা এবং কুয়েতের ১ দিনারের মূল্য ৪০২ টাকা ১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মধ্যে মালয়েশিয়ার ১ রিংগিতের মূল্য ৩০ টাকা ২৮ পয়সা, সিঙ্গাপুরের ১ ডলার ৯৫ টাকা ৯৪ পয়সা, অস্ট্রেলিয়ার ১ ডলার ৮৫ টাকা ৯৩ পয়সা, নিউজিল্যান্ডের ১ ডলার ৭০ টাকা ৫৭ পয়সা এবং কানাডার ১ ডলার ৮৬ টাকা ৬৪ পয়সা। এছাড়া ভারতের ১ রুপির মূল্য ১ টাকা ২৫ পয়সা, জাপানের ১ ইয়েন ০.৭৬৬ টাকা, দক্ষিণ কোরিয়ার ১ ওন ০.০৮০১৩১৭৯ টাকা, সুইজারল্যান্ডের ১ ফ্রাঁ ১৫০ টাকা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ১ রান্ডের মূল্য ৭ টাকা ৬০ পয়সা।তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের ওঠানামার কারণে যে কোনো সময় মুদ্রা বিনিময় হারে পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে প্রবাসী আয় প্রেরণ বা বৈদেশিক লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জের সর্বশেষ বিনিময় হার যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা

চলতি জুলাই মাসের জন্য দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ টাকা।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে বিইআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এলপিজির দাম নির্ধারণের বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন এই দর সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে।এর আগে, সবশেষ গত ২ জুন ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। সেই সঙ্গে ওইদিন যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।/টি 

জুলাই ০২, ২০২৬

রেমিট্যান্সে রেকর্ড, গত অর্থবছরে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স অর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে বৈধ চ্যানেলে দেশে এসেছে ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ ডলার) রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ। বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করে। আগের অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পাঠানোর সুযোগ বৃদ্ধির কারণে প্রবাসীরা আগের তুলনায় বেশি বৈধ চ্যানেল ব্যবহার করছেন। এর ইতিবাচক প্রভাবেই চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।তবে অর্থবছরের শেষ মাস জুনে রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা ধীরগতি দেখা গেছে। প্রাথমিক হিসাবে জুনে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সঙ্গে আগের বছরের জুনের তুলনায়ও এ মাসে রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে। তবে ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য প্রাথমিক হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় চূড়ান্ত হিসাবে এ অঙ্ক কিছুটা বাড়তে পারে। সংশ্লিষ্টদের মতে, মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে ঈদকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানোর প্রবণতা থাকায় ঈদ-পরবর্তী সময়ে জুনে রেমিট্যান্সে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা নিম্নগতি দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে, রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ৩২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।/টি

জুলাই ০১, ২০২৬

জুলাইয়ে নতুন পে-স্কেলের গেজেট, দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রত্যাশিত নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বা গেজেট আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ করা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। এদিকে চলতি সপ্তাহেই মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন কমিটি নবম পে কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন এবং বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে পারে।অর্থ বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতনকাঠামো তিন ধাপের পরিবর্তে দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। আর নতুন ভাতা ২০২৭-২৮ অর্থবছরের শুরু থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে নবম পে কমিশনের মূল সুপারিশের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কমানো হতে পারে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।সূত্রগুলো বলছে, শুরুতে তিন ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তাব থাকলেও তা বাস্তবায়নে প্রশাসনিক ও গাণিতিক জটিলতা দেখা দেয়। বিশেষ করে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের কারণে অনেক কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করলে প্রকৃত বেতন বৃদ্ধি খুবই সামান্য হতো, এমনকি কারও কারও মোট বেতন সাময়িকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কাও ছিল। সরকারি কর্মচারীদের আপত্তির পর বাস্তবায়ন কমিটি নতুন করে দুই ধাপে পে-স্কেল কার্যকরের সুপারিশ করেছে।এর আগে ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, প্রায় ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই বেতনকাঠামোয় বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়। এদিকে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর পৃথক বেতনকাঠামোর প্রতিবেদনও প্রায় চূড়ান্ত করেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা।/টি

জুন ৩০, ২০২৬

বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য সম্প্রসারণে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, খাদ্যপণ্য সরবরাহ এবং শিল্প সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) শিল্প মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব পাকিস্তান (টিসিপি)-এর চেয়ারম্যান আসিম আজিম সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুন নাসের খান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে কৃষিপণ্য, সার, ভোজ্যতেল, ডাল, ছোলা, চিনি, ইউরিয়া এবং পাটসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দুই দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে নতুন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি বাণিজ্য সহজীকরণ, শিল্পায়ন এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের চলমান সংস্কার কার্যক্রম বাণিজ্য সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।টিসিপি চেয়ারম্যান আসিম আজিম সিদ্দিকী জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশে চাল, ডাল, ছোলা, সার ও ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আগ্রহী। একই সঙ্গে পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের উচ্চমানের পাট ও পাটজাত পণ্যের উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে বলেও তিনি জানান। এছাড়া সরকারি পর্যায়ে খাদ্যপণ্যের বাণিজ্য সহজ করতে টিসিবি ও টিসিপির মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই এটি স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।বৈঠকে আরও জানানো হয়, যেসব পণ্য সরাসরি রপ্তানি সম্ভব নয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তানি প্রতিনিধিদল। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিদ্যমান নীতিমালা ও আইনগত কাঠামো অনুসরণ করা হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম দ্রুত সক্রিয় করা, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দল বিনিময় এবং কৃষি ও শিল্পখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে উভয় পক্ষ একযোগে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়।/টি

জুন ২৯, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo