logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/অর্থনীতি
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম - image

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

12 আগস্ট 2026, বিকাল 2:44

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী মুদ্রানীতির গতিপথ বোঝার জন্য দেশটির মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এর প্রভাবে মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সামান্য কমেছে। তবে দিনের শুরুতে দাম বেড়ে আড়াই মাসের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছিল।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ১১টা ৫০ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৭৬ দশমিক ৩১ ডলারে নেমে আসে। এর আগে দিনের শুরুতে দাম বেড়ে ৪ হাজার ৪৩৪ দশমিক ৮৪ ডলারে উঠেছিল, যা গত ৫ জুনের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪৪১ দশমিক ১০ ডলারে স্থির হয়েছে।জেনার মেটালসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জ্যেষ্ঠ মেটালস স্ট্র্যাটেজিস্ট পিটার গ্র্যান্ট বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে বাজার চলতি সপ্তাহের মূল্যস্ফীতির তথ্যের দিকে তাকিয়ে আছে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) এবং বৃহস্পতিবার উৎপাদক মূল্যসূচকের (পিপিআই) তথ্য প্রকাশের কথা রয়েছে। এসব তথ্যের ওপর ফেডের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির সিদ্ধান্ত অনেকটাই নির্ভর করতে পারে।এর আগে গত শুক্রবার দুর্বল কর্মসংস্থানের তথ্য প্রকাশের পর আগামী মাসে ফেড সুদের হার বাড়াবে—এমন প্রত্যাশা থেকে সরে আসেন বিনিয়োগকারীরা। এর প্রভাবে সেদিন স্বর্ণের দাম একলাফে ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে যায়। তবে সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা এখনো সেপ্টেম্বরে সুদহার বাড়ার ৫০ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে ৭৯ শতাংশ সম্ভাবনা দেখছেন। সাধারণত উচ্চ সুদহারের পরিবেশে স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যায়।এদিকে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও স্বর্ণের বাজারে প্রভাব ফেলছে। শান্তি চুক্তির বিষয়ে তেহরানের শর্তের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজস্ব দাবি জানিয়েছেন এবং যুদ্ধ, হামলা ও বিক্ষোভে নিহতদের জন্য ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে। সব মিলিয়ে মূল্যস্ফীতি, সুদের হার ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকেই এখন নজর স্বর্ণবাজারের বিনিয়োগকারীদের।/টি

আগস্ট ১২, ২০২৬

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি চালু হওয়া নিয়ে কূটনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাবে বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই এশিয়ার বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯১ সেন্ট বা ১ দশমিক ০৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৪ দশমিক ৪৬ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৬১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ৭৯ ডলারে পৌঁছেছে।এর আগে ওমান ও ইরানের কূটনৈতিক আলোচনার সূত্র ধরে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হলে গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় ৭ শতাংশের বেশি কমে যায়। এতে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে ইরান জানায়, মধ্যস্থতার আলোচনা অগ্রসর হলেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সমঝোতা সম্ভব নয়।ইরানের এই অবস্থানের পরই আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ্বের মোট খনিজ তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই নৌপথে চলাচল ব্যাহত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং কূটনৈতিক আলোচনার অগ্রগতির ওপরই এখন অনেকটা নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের পরবর্তী গতিপথ।/টি

আগস্ট ১০, ২০২৬

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: ৮ আগস্ট ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিন দিন বাড়ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, প্রবাসী আয় ও বিভিন্ন ধরনের লেনদেনের কারণে বিদেশি মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ। শনিবার (৮ আগস্ট) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১ মার্কিন ডলারের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ১২৩ টাকা ৩৪ পয়সা। অন্যদিকে ১ ইউরোর বিনিময় হার ১৪৫ টাকা ২৩ পয়সা এবং ১ ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম ১৬৭ টাকা ৩ পয়সা। সুইজারল্যান্ডের ১ ফ্রেঞ্চের বিনিময় হার ১৪৯ টাকা ২৫ পয়সা।এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মধ্যে ১ মালয়েশিয়ান রিংগিত ৩০ টাকা ২৩ পয়সা, ১ সিঙ্গাপুর ডলার ৯৭ টাকা ৩ পয়সা, ১ জাপানি ইয়েন ৭৮ পয়সা এবং ১ ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৫ পয়সা। এ ছাড়া ১ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিনিময় হার ৮৭ টাকা ৬৭ পয়সা এবং ১ নিউজিল্যান্ড ডলার ৭২ টাকা ৯৯ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ১ সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার ৩৩ টাকা, ১ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৩৩ টাকা ৬৯ পয়সা, ১ কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৯৯ পয়সা এবং ১ ওমানি রিয়াল ৩২১ টাকা। এ ছাড়া ১ বাহরাইনি দিনার ৩২৮ টাকা ৩৫ পয়সা এবং ১ কুয়েতি দিনারের বিনিময় হার ৪০৩ টাকা ১ পয়সা।অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে ১ কানাডিয়ান ডলারের বিনিময় হার ৮৮ টাকা ৫১ পয়সা এবং ১ দক্ষিণ আফ্রিকান রান্ড ৭ টাকা ৬৭ পয়সা। এসব হার গুগল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাজার পরিস্থিতি ও লেনদেনের সময় অনুযায়ী যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ হার যাচাই করা প্রয়োজন।সূত্র: গুগল

আগস্ট ০৮, ২০২৬

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা (পিওর গোল্ড)-এর দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে।নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে আগের নিয়মই বহাল থাকবে।স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ২৯২ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৯৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ বার দাম বেড়েছে, ৪৯ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।/টি

আগস্ট ০৬, ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন

চলমান সংঘাত সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর ফলে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে আন্তর্জাতিক বাজারের দুই প্রধান বেঞ্চমার্ক তেলের দাম।মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৬১ ডলার বা ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৮৩ দশমিক ৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ০৬ ডলার বা ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ৭৮ দশমিক ৫৫ ডলারে নেমে এসেছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কমেছে। এর প্রভাবেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে এই বড় ধরনের পতন ঘটেছে।টানা তিন কার্যদিবসে প্রায় ১৭ শতাংশ দরপতনের পর ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দামই ১৩ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন অবস্থানে পৌঁছানোর পথে রয়েছে। এতে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে মূল্যস্থিতিশীলতার নতুন ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের এই দরপতন আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলেও, পরিস্থিতি কতটা স্থায়ী হবে তা নির্ভর করবে সংঘাত পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপ্রকৃতির ওপর। এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।/টি

জুলাই ২৯, ২০২৬

খেলাপি ঋণ ও তারল্য সংকট নিয়ে সতর্ক বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক এবং চতুর্থ প্রজন্মের বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের লাগামহীন বৃদ্ধি ও তারল্য সংকট উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংকিং খাতের মধ্যে এই দুই ধরনের ব্যাংকই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ ব্যাংকিং সেক্টর আপডেট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চ শেষে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে এ হার ছিল ২৯ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থাৎ, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।একই সময়ে ২০১৩ সালে কার্যক্রম শুরু করা নয়টি চতুর্থ প্রজন্মের বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ৫২ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে। ২০২৫ সালের মার্চ শেষে এ হার ছিল ৪৪ দশমিক ৪ শতাংশ।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ ব্যবস্থাপনার কারণে এই দুই শ্রেণির ব্যাংক তীব্র তারল্য চাপে রয়েছে।মার্চ শেষে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোর অ্যাডভান্স-টু-ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) দাঁড়িয়েছে ১২০ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর গড় এডিআর ১০১ দশমিক ৬ শতাংশ। কয়েকটি ব্যাংকের এডিআর ১০০ শতাংশেরও বেশি, যা আমানতের তুলনায় অতিরিক্ত ঋণ বিতরণের ইঙ্গিত দেয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ঋণ পোর্টফোলিও দ্রুত বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করায় চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর এডিআর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অথচ পুরো ব্যাংকিং খাতের গড় এডিআর বর্তমানে ৮২ দশমিক ৭ শতাংশ, যা তুলনামূলকভাবে অনেক স্বস্তিদায়ক অবস্থান নির্দেশ করে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমিত তারল্য ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা, দ্রুত ঋণ সম্প্রসারণ এবং কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে ইসলামী ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।গত বছর তীব্র তারল্য সংকট এবং এস আলম গ্রুপ ও নজরুল ইসলাম মজুমদারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত ঋণ অনিয়মের প্রেক্ষাপটে সংকটে থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠন করা হয়।কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এসব ব্যাংকে খেলাপি ঋণের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দুর্বল ঋণ ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলার ঘাটতি এবং সম্ভাব্য সুশাসন সংকটের ইঙ্গিত বহন করছে।যদিও সামগ্রিক ব্যাংকিং খাত তারল্য পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত করতে এডিআর কমাতে সক্ষম হয়েছে, তবে আমানত প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক ধীর থাকায় ইসলামী ও চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি এখনো উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে।অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতের অন্যান্য অংশ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় প্রজন্মের বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার ১৯ দশমিক ২ শতাংশে রয়েছে। বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অবস্থান আরও শক্তিশালী; তাদের খেলাপি ঋণের হার ৬ দশমিক ৩ শতাংশ এবং এডিআর ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ, যা পর্যাপ্ত তারল্য ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, ইসলামী ও চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ এবং দ্রুত বাড়তে থাকা খেলাপি ঋণ দেশের ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠছে।প্রতিবেদনে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, এডিআর গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় বিদ্যমান দুর্বলতা আরও বিস্তৃত আর্থিক ঝুঁকিতে রূপ নিতে পারে, যা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: জাগো নিউজ /টি

জুলাই ২৮, ২০২৬

আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা।সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ করে বাজুস। সংগঠনটি জানিয়েছে, নতুন দাম সোমবার সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ গত ২৪ জুলাই স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কারুকাজের ওপর নির্ভর করে মজুরি আলাদাভাবে যুক্ত হবে।সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৯৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৪৮ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছরে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার দাম হ্রাস করা হয়।/টি

জুলাই ২৭, ২০২৬

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার : ২৬ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের কারণে প্রতিদিনই বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন। ফলে প্রবাসী আয় দেশে পাঠানো এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রোববার (২৬ জুলাই) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে মার্কিন ডলার, ইউরো ও পাউন্ডের মতো প্রধান মুদ্রাগুলোর দর আগের তুলনায় বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের কাছে।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ান ১ রিংগিতের মূল্য ৩০ টাকা ২২ পয়সা এবং সৌদি ১ রিয়াল ৩২ টাকা ৮৯ পয়সা। মার্কিন ১ ডলারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৩ টাকা ৩৬ পয়সা। ইউরোপীয় ১ ইউরো (ইতালিয়ান ইউরোসহ) ১৪২ টাকা ৮০ পয়সা এবং ব্রিটিশ ১ পাউন্ডের দর ১৬৪ টাকা ৯০ পয়সা।এছাড়া সিঙ্গাপুরের ১ ডলার ৯৬ টাকা ৩৯ পয়সা, অস্ট্রেলিয়ান ১ ডলার ৮৬ টাকা ৪০ পয়সা, নিউজিল্যান্ডের ১ ডলার ৭১ টাকা ৬৭ পয়সা এবং কানাডিয়ান ১ ডলার ৮৭ টাকা ৫৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১ দিরহাম ৩৩ টাকা ৭০ পয়সা, ওমানি ১ রিয়াল ৩২০ টাকা, বাহরাইনি ১ দিনার ৩২৮ টাকা ৬০ পয়সা, কাতারি ১ রিয়াল ৩৪ টাকা এবং কুয়েতি ১ দিনার ৪০২ টাকা ৩১ পয়সা রয়েছে তালিকায়।অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ডের ১ ফ্রাঁ ১৪৭ টাকা ৩২ পয়সা, দক্ষিণ আফ্রিকার ১ রান্ড ৭ টাকা ৩৩ পয়সা, জাপানের ১ ইয়েন ০.৭৫৫ টাকা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ১ ওন ০.০৮৩৮৮৬২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের ১ রুপি ১ টাকা ২৪ পয়সা হিসেবে লেনদেন হচ্ছে।তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় মুদ্রা বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই লেনদেনের আগে সর্বশেষ হার জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।/টি

জুলাই ২৬, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কহারের আওতায় এসেছে। এতে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।শুক্রবার (২৫ জুলাই) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ১৯৭৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারার আওতায় জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগে তদন্ত শেষে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) বিশ্বের ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির জন্য নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছে।২৩ জুলাই ঘোষিত এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওয়াশিংটন সময় শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এর ফলে ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার আওতায় আগে আরোপিত অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের পরিবর্তে নতুন শুল্ক কাঠামো কার্যকর হলো।নতুন ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বিদ্যমান ‘মোস্ট ফেভার্ড নেশন’ (এমএফএন) শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৮৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশও সেই তালিকায় থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকসহ দেশের অন্যান্য রপ্তানি পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।অন্যদিকে, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে। ফলে এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা পাবে বলে মনে করছে সরকার।এদিকে বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদি ট্যারিফ-রেট কোটা (টিআরকিউ) চালুর বিষয়টিও বিবেচনা করছে ইউএসটিআর। এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে ৩০১ ধারার অতিরিক্ত শুল্ক মওকুফের সুযোগ তৈরি হতে পারে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আরও বড় প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বস্ত্র উপকরণের ব্যবহার বাড়বে এবং মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখা এবং দেশের প্রধান রপ্তানি খাতগুলোর টেকসই প্রবৃদ্ধি, নীতিগত স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।/টি

জুলাই ২৫, ২০২৬

কমেছে স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী আজ সোমবার (২০ জুলাই) থেকে সারা দেশে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা, যা আগের তুলনায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা কম। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা।এর আগে গত ১৩ জুলাইও স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় আবারও দাম কমানো হলো।চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৯১ বার সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৪৪ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৪৬ দফা কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি ও তেজাবি স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই এসব সমন্বয় করা হচ্ছে।/টি

জুলাই ২০, ২০২৬

জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে দেশে এলো ১৫৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৮ হাজার ৯৬৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে)।বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। সে তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় কমেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, শুধু ১৪ জুলাই একদিনেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (১১৫ মিলিয়ন ডলার)।দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখতে এবং অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে চলতি মাসের প্রথমার্ধে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কম থাকায় বিষয়টি নিয়ে অর্থনীতিবিদদের নজর রয়েছে।/টি

জুলাই ১৮, ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত

'রাইজ টুগেদার' স্লোগানে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল খাতের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওয়ালটন ক্যাবলসের তিন শতাধিক ডিলার বা পরিবেশক ও বিক্রয় প্রতিনিধি অংশ নেন। সম্মেলনে ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে বিক্রয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকল্পে বাজার গবেষণা, সময়োপযোগি বিপণন ও ব্যবসায়িক কলাকৌশল নিয়ে পরিবেশকদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে সময় পরিবেশকগণ দেশের প্রতিটি বাড়িতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের ওয়ালটন ক্যাবলস পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের পাঁচতারকা হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানে ওয়ালটন ক্যাবলসের 'বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬' এর উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এবং পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি।সম্মেলনে পরিবেশকগণের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আপনারা হচ্ছেন ওয়ালটন ক্যাবলসের বড় শক্তি। আপনাদের মাধ্যমে ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের ও নিরাপদ ক্যাবলস গ্রাহকদের কাছে যেমন পৌঁছে যাচ্ছে, তেমনি ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ারও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি ও সুসংহত হচ্ছে।তিনি আরো বলেন, নিরাপদ আবাসস্থল ও স্থাপনার ক্ষেত্রে ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স পণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ব্যবসার পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আবাসস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, অফিস-আদালত সর্বত্র নিরাপদ স্থাপনার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ওয়ালটন আন্তর্জাতিকমানের নিরাপদ ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।ওয়ালটনের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি বলেন, আপনাদের (পরিবেশক) অক্লান্ত শ্রম ও প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন ক্যাবলস। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ওয়ালটন ক্যাবলস এখন ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইয়েমেন, নেপাল, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এসময় তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ওয়ালটন ক্যাবলসের ব্যাপক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশকদের পরামর্শ দেন।অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, ইভা রিজওয়ানা ও মো. ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন ক্যাবলসের চিফ বিজনেস অফিসার রাজু আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও সঞ্চালনায় ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।সম্মেলনে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে আসা ওয়ালটন ক্যাবলসের পরিবেশকদের পদচারণায় উৎসবে রূপ নেয় হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানের আঙ্গিনা। সন্ধ্যায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে সারা রাত। সম্মেলনে চলতি বছর ওয়ালটন ক্যাবলস বিক্রয়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় অর্ধ-শতাধিক পরিবেশককে পুরষ্কৃত করা হয়। ছিলো র‍্যাফেল ড্র। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬।/টি 

জুলাই ১৬, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo