logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/অর্থনীতি
সরকারি ভাতা পেতে দেড় কোটি সুবিধাভোগীর পছন্দ নগদ - image

সরকারি ভাতা পেতে দেড় কোটি সুবিধাভোগীর পছন্দ নগদ

15 এপ্রিল 2026, বিকাল 10:49

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন ধরনের ভাতা বিতরণে আগের মতোই সমান জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ। গত কয়েক বছরের নিরবছিন্ন সেবা প্রদানের ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত ভাতা বিতরণ কার্যক্রমেও উপকারভোগীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে নগদ।চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট এক কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৭৯ জন সুবিধাভোগী স্বাচ্ছন্দ্যে সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য নগদকে তাদের পছন্দ প্রথম তালিকায় রেখেছেন। আগের মতোই তারা নগদের মাধ্যমেই সরকারি এই সুবিধা পেতে চেয়েছেন। এই প্রান্তিকে সুবিধাভোগীরা বেশ কয়েকটি ভাগে নগদের মাধ্যমে মোট তিন হাজার ৪৯ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৯ টাকার সরকারি সহায়তা পেয়েছেন।এরমধ্যে (জানুয়ারি-মার্চ) নগদের মাধ্যমে বিতরণ হওয়া সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা এবং টাকার পরিমাণ ছিল সবচেয়ে বেশি। এই প্রান্তিকে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার মোট উপকারভোগী ছিল এক কোটি ৩১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৮ জন। তারা নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মোট দুই হাজার ৮৭৮ কোটি ৩৪ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ টাকা পেয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় টাকার এই অঙ্ক ৩০০ কোটি বেশি। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তির মোট চার লাখ ১২ হাজার ৬৯৭ জন উপকারভোগীর কাছে এই তিন মাসে মোট ৩২ কোটি ৬৭ লাখ ৮৫ হাজার ১৯২ টাকা সফলভাবে পৌঁছে দিয়েছে নগদ। একই সময়ে সেলাই ও এমব্রয়ডারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পাঁচ হাজার ৭৮৫ জন শিক্ষার্থীর কাছে দুই কোটি ৬৮ লাখ ৩১ হাজার ২৭২ টাকা বিতরণ করেছে নগদ। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। কারিগরি শিক্ষা উপবৃত্তির এক লাখ ২২ হাজার ৯৩৭ জন শিক্ষার্থীর কাছে নগদের মাধ্যমে পৌঁছে যায় ৪৫ কোটি ৫৮ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮০ টাকা। যা গতবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ কোটি টাকা বেশি। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি মোট ৩৮ হাজার ৫৫ জন উপকারভোগীর কাছে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ১৬ হাজার ৬২১ টাকা বিতরণ করেছে ডাক বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই প্রতিষ্ঠানটি। মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১০ লাখ ১১ হাজার ৫৫৭ জনের কাছে ৮৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯৫ হাজার ২১৭ টাকা পৌঁছে দিয়েছে নগদ।এসব অঙ্কের বাইরেও একই সময়ে সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অর্থ বিতরণও নগদের মাধ্যমে করা হয়েছে। এ বিষয়ে নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম বলেন, “ভাতা, উপবৃত্তি ও সরকারি অনুদান বিতরণে নগদ সব সময়েই গ্রাহকের পছন্দের ওপরের দিকে থাকে। নগদের ওপর আস্থা রাখায় আমরা গ্রাহক এবং সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। আমরা মনে করি, গুণগত গ্রাহক সেবার কারণেই নগদের ওপর সবাই আস্থা রাখছেন। ফলে প্রতি প্রান্তিকেই নগদের মাধ্যমে ভাতাভোগীর সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে টাকার অঙ্কও।”২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সরকার ৯ হাজার কোটি টাকার সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা নগদের মাধ্যমে বিতরণ করে। চলতি অর্থবছরে এই অঙ্ক আরো অনেক বড় হবে। সহজে যেকোনো জায়গায় নগদের ক্যাশ আউট করার সুবিধা ও সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জের জন্য শুরু থেকেই ভাতাভোগীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে নগদ।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ায় ফের শ্রমবাজার চালু হচ্ছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে এবং বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে প্রাধান্য পাওয়ায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির বাধা দূর হওয়ার পথে রয়েছে। ন্যূনতম খরচ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভেঙে নতুন করে জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সম্মত হয়েছে। এই উদ্যোগকে শ্রমবাজার পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে দেশটিতে পুনরায় জনশক্তি রপ্তানির পথ উন্মুক্ত হয়েছে। সফরকালে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে শ্রমখাত নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী রমনন রামকৃষ্ণন এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে দুই দেশ সাত দফা যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে।যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া শ্রম অভিবাসনে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত কাঠামোর মাধ্যমে সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে। উভয় পক্ষ মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী শ্রমবাজার দ্রুত চালু করা, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করা, মধ্যস্থতাকারী কমানো এবং অভিবাসন ব্যয় হ্রাস করার বিষয়ে একমত হয়েছে। এছাড়া আটকে পড়া কর্মীদের দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।বৈঠকে মালয়েশিয়া একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানায়, যার লক্ষ্য মধ্যস্থতাকারী কমানো, খরচ শূন্যে নামিয়ে আনা এবং ‘নিয়োগকর্তাই পরিশোধ করবেন’ নীতি বাস্তবায়ন করা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পূর্ণ সমর্থন জানায়। পাশাপাশি মানব পাচার-সংক্রান্ত আইনি বিষয়, অনিয়মিত কর্মীদের সমস্যা সমাধান, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে শ্রমবাজারকে আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। গঠনমূলক এই বৈঠকের মাধ্যমে ভবিষ্যতে নিয়মিত সংলাপ বজায় রাখার সম্মতি জানিয়ে বৈঠক শেষ হয় এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়া সরকারের আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

বাংলাদেশের স্পেশাল ইকোনমিক জোনে লায়ন কল্লোল লিমিটেডের নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট স্থাপন

০৬ এপ্রিল, ঢাকা: লায়ন কর্পোরেশন এবং কল্লোল লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে গঠিত লায়ন কল্লোল লিমিটেড বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে (বিএসইজেড) একটি অত্যাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট চালু করেছে।বাংলাদেশ এসইজেড লিমিটেডের অধীনে সকল প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি অনুসরণ করে ৩.৩ হেক্টর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই প্লান্টে ডিশওয়াশিং লিকুইড, টুথব্রাশসহ বিভিন্ন হোম কেয়ার ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য উৎপাদন করা হবে।শিমিজু কর্পোরেশনের নকশা ও নির্মাণে গড়ে ওঠা এই কারখানায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।উদ্বোধন উপলক্ষে লায়ন কল্লোল লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব গো ইচিতানি বলেন,“এই নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্টটি বাংলাদেশের প্রতি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং উন্নত মানের নতুন পণ্য বাজারে সরবরাহের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে এটি মানুষের সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব আরও বিস্তৃত করবে।”কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং লায়ন কল্লোল লিমিটেডের যৌথ অংশীদার জনাব গোলাম মোস্তফা বলেন,“এই প্লান্টটি কল্লোল গ্রুপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, স্থানীয় দক্ষ জনবল গড়ে উঠবে এবং লায়ন কর্পোরেশন জাপানের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে আমাদের পণ্যের মানও আরও উন্নত হবে।”লায়ন কল্লোল লিমিটেডের ফ্যাক্টরি অপারেশনসের পরিচালক জনাব তাকাশি ওচিয়াই বলেন,“কারখানাটি পরিকল্পনা ও নির্মাণের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াগত শৃঙ্খলা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক উৎপাদন মানদণ্ডকে দেশীয় পর্যায়ে প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা একটি নির্ভরযোগ্য উৎপাদনভিত্তি গড়ে তুলছি, যা দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রপ্তানির সম্ভাবনাও বাড়াবে।”উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে জনাব গো ইচিতানি ও জনাব গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রতীকী বৃক্ষরোপণ করা হয়।বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভোক্তা বাজার এবং উৎপাদন খাতের অগ্রগতি যখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, তখন এ ধরনের বিনিয়োগ উদ্যোগ দেশের শিল্পখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। ২০২২ সাল থেকে দেশজুড়ে ক্রেতাদের জন্য উন্নত মানের গৃহস্থালি ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য সরবরাহে লায়ন কল্লোল লিমিটেড নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীনকে টপকালো বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে চীনকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। চীনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরোপের পর শীর্ষ অবস্থান থেকে ছিটকে গেছে দেশটি।শনিবার (০৪ এপ্রিল) এই তথ্য প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা)। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের প্রথম দুই মাসে (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে উঠে এসেছে ভিয়েতনাম। দ্বিতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখা চীন এখন তৃতীয়।অটেক্সার পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। অবশ্য গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের এই রপ্তানি ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমেছে।অন্যদিকে, একই সময়ে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করে শীর্ষস্থান দখল করেছে ভিয়েতনাম। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তাদের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৮৮ শতাংশ।তবে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে চীন। বছরের প্রথম দুই মাসে তাদের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এই সময়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করতে পেরেছে।সার্বিকভাবে বিশ্ববাজার থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি কমেছে। আলোচ্য দুই মাসে দেশটি মোট ১১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ কম।/টিএ 

এপ্রিল ০৫, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মধ্যেও সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও সদ্য বিদায়ী মার্চ মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে বড় প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। যা এক নতুন রেকর্ড গড়েছে।আলোচিত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে একক কোনো মাসে এত বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসেনি।এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২৫ সালের মার্চ মাসে, ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ওই বছরের ডিসেম্বর মাসে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল এ বছরের জানুয়ারি মাসে। ওই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩১৭ কোটি ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ করা পরিসংখ্যাণ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ফেব্রুয়ারি মাসে আসা রেমিট্যান্সের তুলনায় মার্চ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যন্স এসেছিল ৩০১ কোটি ৯৭ লাখ ডলার।তাছাড়া গত বছরের মার্চের তুলনায় এ বছরের মার্চে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ।গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আক্রমনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় যুদ্ধ, যা দ্রুতই গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে।এরপরও বাংলাদেশে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বেশি করে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। তবে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশেই প্রবাসী কর্মীরা খুব একটা ভালো নেই বলেই জানা গেছে। তারপরও তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স ভর করে দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। বুধবার দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার।বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। প্রাপ্ত তথ্যে আরও দেখা যায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) দুই হাজার ৬২০ কোটি ৭৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।এর আগের অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১৭৮ কোটি ৪৩ লাখ ডলার।সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাংলানিউজকে বলেন, ঈদুল ফিতরের সময় রেমিট্যান্স অবশ্যই বাড়ে। তবে এবার যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে, অনেক প্রবাসী কর্মী হয়তো তাদের জমানো টাকা দেশে তাদের স্বজনদের কাছে একবারে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, এ কারণেও রেমিট্যান্স বাড়তে পারে।‘তাছাড়া এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে হুন্ডি-হাওলার প্রতি মানুষের আস্থাটা কিছুটা কমতে পারে। এটা এই মুহুর্তে তাদের কাছে অনেক বড় ঝুঁকি মনে হতে পারে। একারণে নিরাপদে টাকা পাঠানোর জন্য তারা ব্যাংকিং চ্যানেল বেছে নেবেন এটাই স্বাভাবিক,’ যোগ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র।/টি

এপ্রিল ০২, ২০২৬

বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নজরে বাংলাদেশও

যুক্তরাষ্ট্র তাদের বেশ কয়েকটি বড় বাণিজ্য অংশীদারের বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে। এই তালিকায় বাংলাদেশ ও ভারতের নামও রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্যায্য বাণিজ্যচর্চার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এসব দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে আমদানি শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানান, সেকশন ৩০১ আইনের অধীনে এই তদন্ত চালানো হচ্ছে। চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকোর মতো বড় অর্থনীতির পাশাপাশি বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশও এই তদন্তের আওতায় রয়েছে। তদন্তে যদি কোনো দেশের বিরুদ্ধে অন্যায্য বাণিজ্য নীতি প্রমাণিত হয়, তাহলে সেই দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক একটি রায়। কয়েক সপ্তাহ আগে আদালত রায় দেয়, গত বছর এপ্রিল মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা আইনসম্মত নয়। আদালতের মতে, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট এককভাবে শুল্ক আরোপ করতে পারেন না, কারণ সংবিধান অনুযায়ী এ ধরনের ক্ষমতা মূলত কংগ্রেসের হাতে।আদালতের এই রায়ের পরপরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন করে ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন এবং ভবিষ্যতে তা ১৫ শতাংশে বাড়ানোর হুমকিও দেন। তিনি আদালতের রায়কে ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেন এবং তার বাণিজ্যনীতি বাতিল করা বিচারকদের সমালোচনাও করেন। এর আগে গত বছর এপ্রিল মাসে প্রায় সব দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।এরই মধ্যে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছিল, যেখানে কিছু শুল্ক কমানোর পাশাপাশি বিভিন্ন বাণিজ্য শর্তও যুক্ত করা হয়। তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর এসব চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, শুল্ক নীতিতে পরিবর্তন এলেও বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তিগুলো আপাতত বহাল থাকবে। অন্যদিকে, এই সপ্তাহের শেষে প্যারিসে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যা ভবিষ্যৎ বাণিজ্য আলোচনার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

মার্চ ১২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি ঘিরে শঙ্কা: বিশ্ববাজারে তেলের দাম সর্বোচ্চ

ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব ধীরে ধীরে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সোমবার এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কারণে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ফলে তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।আজ সকালে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১৮.৩৫ ডলার বা ১৯.৮ শতাংশ বেড়ে ১১১.০৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১৬.৫০ ডলার বা ১৮.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০৭.৪০ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে গত সপ্তাহেই ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআইয়ের দাম যথাক্রমে প্রায় ২৭ শতাংশ এবং ৩৫.৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল, যা বাজারে গভীর উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ইরাক ও কুয়েত তেল উৎপাদন কমাতে শুরু করেছে। কাতারও ইতিমধ্যে তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ কমিয়েছে। ইরাকের রাষ্ট্রায়ত্ত বসরা অয়েল কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের তেলের মজুদাগারগুলো দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে তারা উৎপাদন প্রায় ৭০ শতাংশ কমিয়ে দৈনিক ১.৩ মিলিয়ন ব্যারেলে নামিয়ে এনেছে।বিশ্লেষকদের মতে, পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবও দ্রুত উৎপাদন কমাতে বাধ্য হতে পারে। বহুজাতিক আর্থিক সেবা সংস্থা এএনজের সিনিয়র কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট ড্যানিয়েল হাইনস জানিয়েছেন, উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে শুধু সরবরাহই কমে যায় না, যুদ্ধ শেষে উৎপাদন স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরতেও দীর্ঘ সময় লাগে। ফলে তেলের উচ্চমূল্য দীর্ঘদিন স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এদিকে সংঘাতের মধ্যেই ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলী খামেনির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এ পরিবর্তন তেহরানের কট্টরপন্থী অবস্থানকে আরও জোরালো করতে পারে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোও হুমকির মুখে পড়েছে—সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ শিল্প এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে এবং সৌদি আরবের শায়বাহ তেলক্ষেত্রের দিকে ধেয়ে আসা একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬

নারী দিবস উপলক্ষে সব ব্যাংককে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

সব তফসিলি ব্যাংককে গুরুত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে আগামী ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) ব্যাংকের রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে জাতীয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের প্রস্তুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংকিং খাতেও দিবসটি যথাযথভাবে পালনের উদ্যোগ নিতে হবে।এ বছর দিবসটির জন্য সরকার নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সব ধরনের কর্মসূচি ও প্রচার কার্যক্রমে তুলে ধরার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলারে আরো বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে হবে এবং নির্ধারিত প্রতিপাদ্য তাদের উদযাপন কর্মসূচিতে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। /টিএ

মার্চ ০৭, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: বিশ্ববাজারে ৫ হাজার ডলার ছাড়ালো স্বর্ণের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ইরান অভিমুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলার জেরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় মঙ্গলবার টানা পঞ্চম দিনের মতো ধাতুটির দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।বাজারের সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মঙ্গলবার গ্রিনিচ মান সময় ০১টা ২২ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্স ৫,৩৭৭.২১ ডলারে পৌঁছায়। এটি আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১ শতাংশ বেশি। সপ্তাহান্তে ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত হামলার পর গত সেশনেই স্বর্ণের দাম গত চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গিয়েছিল।আন্তর্জাতিক বাজারে কেবল স্পট গোল্ড নয়, ফিউচারস মার্কেটেও স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগামী এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৫,৩৯১.৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই ব্যাপক দাম বৃদ্ধি বাজার বিশ্লেষকদের নজরে পড়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কেবল সাময়িক নয় বরং তা দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা বাড়ছে। আঞ্চলিক সংকটের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এখন অনেক বেশি সতর্ক। ফলে শেয়ার বাজার বা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে পুঁজি সরিয়ে নিয়ে তারা স্বর্ণের মতো স্থিতিশীল সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন।পরিশেষে বলা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের এই চলমান বিমান হামলা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদাকে নতুন শিখরে নিয়ে গেছে। যতদিন পর্যন্ত এই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও যুদ্ধের আশঙ্কা বজায় থাকবে, ততদিন নিরাপদ বিনিয়োগ বা 'সেফ হ্যাভেন' হিসেবে স্বর্ণের দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।/টিএ

মার্চ ০৩, ২০২৬

ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার, বাজার থেকে প্রত্যাহার ৪৯ খাদ্যপণ্য

পবিত্র রমজান উপলক্ষে ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে বিএসটিআই। নিম্নমান পাওয়ায় ইফতার ও সেহরিতে ব্যবহৃত ৪৯টি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে পণ্যগুলোর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) সকালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিল্প সচিব মো. ওবাইদুর রহমান।শিল্প সচিব বলেন, রমজান মাস উপলক্ষে রোজাদারগণ সচরাচর যেসব খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করে থাকেন, যেমন-ফ্রুট ড্রিঙ্ক, ফ্রুট সিরাপ, মুড়ি, খেজুর, সফট ড্রিংকস পাউডার, পাস্তুরিত দুধ, ভোজ্য তেল, ঘি, নুডলস, সেমাই ইত্যাদি বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এসব পণ্যের ৭৫০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭০১টি পণ্য মানসম্মত পাওয়া গেলেও ৪৯টি ভেজাল পাওয়া যায়।নিম্নমানের ভোজ্য তেল বাজারজাত করায় একটি কারখানা সিলগালা করা হয়েছে। নিম্নমানের ভোজ্য তেল বাজারজাত করায় ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভেজাল খাদ্য বাজারজাত করায় সাত মাসে ১০৩টি কারখানা ও পেট্রোল পাম্প সিলগালা করা হয়েছে।এক হাজার ৪৭০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে তিন কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলে ভেজাল খাদ্য বাজারজাত কমে এসেছে। সচিব বলেন, সারা বছর ধরে খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে বিএসটিআই অভিযান পরিচালনা করছে। রমজান উপলক্ষে এসব কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।এর মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তিতে ভূমিকা রাখা হচ্ছে। তবে পুরোপুরি ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে ভোক্তাদেরও সচেতনতা জরুরি। ভেজাল মনে হলেই প্রশ্ন করার পাশাপাশি বিএসটিআই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানালে খাদ্যে ভেজালকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। সংবাদ সম্মেলনে বিএসটিআইয়ের কার্যাবলি তুলে ধরে সচিব বলেন, রমজানে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং পণ্যের ওজন ও পরিমাপে কারচুপি রোধকল্পে চলমান মোবাইল কোর্ট ও সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীসহ প্রধান কার্যালয়ের আওতাধীন জেলায় বিএসটিআইয়ের নিজস্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় বন্ধের দিনসহ প্রতিদিন ৩টি করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।জেলা/উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিএসটিআইয়ের সব বিভাগীয়, আঞ্চলিক ও জেলা কার্যালয় থেকে প্রতিদিন একাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।র‍্যাব এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি দেশব্যাপী বিএসটিআইয়ের সার্ভিল্যান্স টিমের অভিযান ও বাজার মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে বিএসটিআইয়ের পরিচালক (প্রকৌশলী) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, রমজানে প্রাণ, ইউনিলিভারের মতো প্রতিষ্ঠানের পণ্য নকল করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। বাজার থেকে আটক করলে কোম্পানি থেকে বলা হয়, এগুলো তাদের উৎপাদিত নয়। পরে দেখা যায়, সেগুলো নকল করা হয়েছে।নকল খাদ্যপণ্য বাজারজাত করার বিষয়ে শিল্প সচিব বলেন, নিম্নমানের খাদ্য বিক্রি করা হলে সেই খাদ্য ধ্বংস করার পাশাপাশি যার কাছে পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বাজারে সরবরাহকারীকে খুঁজে বের করা হবে।/টিএ

মার্চ ০১, ২০২৬

২২ ক্যারেট সোনার দাম পৌঁছাল ২ লাখ ৬২ হাজারে

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। এতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সোনার দামে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা গেল।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক বৈঠকে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বৃদ্ধির কারণেই এই সমন্বয় করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই সোনার দাম কমানো হয়েছিল। শুক্রবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একইভাবে ২১, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দামও কমানো হয়েছিল, যা শনিবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর ছিল।এদিকে সোনার দামে পরিবর্তন এলেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।/টিএ

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬

চলতি মাসে টানা যে দু’দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

দেশের ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য  আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক । সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, জাতীয় বাজেট সম্পর্কিত প্রস্তুতি এবং গণনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য এই ছুটির প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক বন্ধ থাকবে এবং এতে ব্যাংকিং কার্যক্রমের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হবে না।এ ছাড়া দেশের ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এও জানিয়েছে, ছুটির কারণে ব্যাংকগুলোর বিশেষ কার্যক্রম এবং ফান্ড ট্রান্সফারের জন্য ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে হবে।জাতীয় বাজেট প্রস্তুতির কাজের জন্য এই ছুটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যেন পরবর্তীতে সরকারি হিসাব ও ঋণ সম্পর্কিত প্রক্রিয়া সহজতর করা যায়। এদিকে, ব্যাংকিং কার্যক্রমে ছুটি থাকার কারণে গ্রাহকরা যেন কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়েন, সে বিষয়ে আগাম সতর্কতা এবং পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo