logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/প্রযুক্তি
ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াবেন যেভাবে - image

ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াবেন যেভাবে

21 মে 2026, বিকাল 4:15

আজকের দিনে ইন্টারনেট শুধু বিলাসিতা নয়—এটি দৈনন্দিন জীবনের এক অপরিহার্য অংশ। অফিসের ভার্চুয়াল মিটিং, স্কুলের অনলাইন ক্লাস কিংবা ঘরে বসে বিনোদন উপভোগ—সবকিছুতেই প্রয়োজন দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ। এই চাহিদা মেটাতে অনেকেই ঘরে ওয়াই-ফাই রাউটার স্থাপন করেন। তবে অনেক সময় দেখা যায়, ভালো মানের রাউটার থাকা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া যাচ্ছে না, যা ব্যবহারকারীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়াই-ফাইয়ের কাঙ্ক্ষিত গতি না পাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে রাউটারের অবস্থান। ভুল জায়গায় রাউটার রাখলে তা ইন্টারনেট সংযোগের কার্যক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। কারণ রাউটার থেকে নির্গত ওয়াই-ফাই তরঙ্গ চারদিকে সমানভাবে ছড়ায়। তাই এটি যদি ঘরের এক কোণে, বেসমেন্টে কিংবা বন্ধ ক্যাবিনেট বা ড্রয়ারের ভেতর রাখা হয়, তবে সিগন্যালের একটি বড় অংশ দেওয়ালে আটকে যায় অথবা বাইরে চলে যায়। ফলে ঘরের অন্যান্য অংশে ইন্টারনেট সিগন্যাল অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।বাড়ি বা অফিসের ভেতরের পরিবেশও ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী হতে পারে। বিশেষ করে কংক্রিটের পুরু দেয়াল কিংবা ধাতব আসবাবপত্র ওয়াই-ফাই তরঙ্গ শোষণ করে নেয়, যা ইন্টারনেটের গতিকে ব্যাপকভাবে হ্রাস করে। এ ছাড়া ঘরে থাকা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন—টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, কর্ডলেস ফোন কিংবা ব্লুটুথ স্পিকারের মতো ডিভাইসগুলো রাউটারের সিগন্যালের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটায়। ফলে ঘরের এই নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে রাউটার রাখা একেবারেই উচিত নয় এবং এসব ডিভাইস থেকে রাউটারকে অন্তত তিন ফুট দূরে রাখা জরুরি।ইন্টারনেটের সর্বোত্তম ও নিরবচ্ছিন্ন গতি পেতে রাউটার স্থাপনের জন্য বাড়ির কেন্দ্রীয় কোনো খোলা স্থানকে বেছে নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে। একই সঙ্গে রাউটারটি মেঝেতে না রেখে মাটির থেকে কিছুটা উঁচু কোনো জায়গায় স্থাপন করা উচিত। যেখানে কোনো ধরনের দৃশ্যমান বাধা থাকবে না, সেখান থেকে সিগন্যাল খুব সহজেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে।পরিশেষে বলা যায়, কেবল দামি রাউটার বা উচ্চগতির ইন্টারনেট প্যাকেজ নিলেই হবে না, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারও জানতে হবে। সঠিক নিয়মে এবং উপযুক্ত স্থানে রাউটার স্থাপন করলেই কেবল মিলবে দ্রুত, স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেটের চমৎকার অভিজ্ঞতা। তাই আজই আপনার ঘরের রাউটারের অবস্থান পরীক্ষা করুন এবং গতি বাড়িয়ে নিন।/টিএ

মে ২১, ২০২৬

বিশ্ববাজারে আসছে সাশ্রয়ী রোবট ‘আর১ এয়ার’

চীনের প্রযুক্তি বাজারে রোবটিক্স প্রযুক্তিতে এক বিশাল চমক নিয়ে এসেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিট্রি। তারা তাদের তৈরি নতুন মানবসদৃশ বা হিউম্যানয়েড রোবট ‘আর১ এয়ার’ (R1 Air) মাত্র ২৯ হাজার ৯০০ ইউয়ানে দেশের বাজারে বিক্রি শুরু করেছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটিই বর্তমানে বিশ্ববাজারের সবচেয়ে কমদামি এবং সাশ্রয়ী মানবসদৃশ রোবট, যা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রোবট পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক।প্রযুক্তি বাজার বিশ্লেষকদের দাবি, এই রোবটের যাত্রা শুধু চীনের বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার মাধ্যমে খুব শিগগিরই বিশ্ববাজারেও আর১ সিরিজের রোবট বিক্রি শুরু হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি ইউনিট্রি ও আলিবাবার মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন কিছু চুক্তিপত্রের তথ্য থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে এই রোবট উন্মোচনের জোরালো ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।তবে আন্তর্জাতিক বাজারে আসার পর রোবটটির মূল্য স্থানীয় বাজারের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্ববাজারে এর দাম আনুমানিক ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর সেই হিসেবে মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার পরও আন্তর্জাতিক বাজারে এর সর্বোচ্চ দাম ঠেকতে পারে ৩৬ হাজার ইউয়ানে (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ছয় লাখ ৪৭ হাজার টাকা)।এই মূল্য বৃদ্ধির পরও আর১ সিরিজের রোবটগুলো বিশ্বের সবচেয়ে কমদামি মানবসদৃশ রোবটের খেতাব ধরে রাখবে। মাত্র চার ফুট উচ্চতা এবং ২৫ কেজি ওজনের এই রোবটগুলো নিজস্ব সিস্টেমে লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM) চালাতে সক্ষম, যার ফলে ক্লাউড ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর না করেই এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন এবং ছোটখাটো গৃহস্থালি কাজ করতে পারে। তবে রোবটটির একমাত্র দুর্বলতা এর ব্যাটারি লাইফ, যা মাত্র এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিট্রি আগামী মডেলগুলোতে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর কাজ করলেও, বর্তমান সংস্করণে সহসাই এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।/টিএ

মে ২০, ২০২৬

মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর

আগামী জাতীয় বাজেটে দেশের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর আসতে পারে। সরকার মোবাইল সেবার ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর ও সারচার্জ কমানোর বিষয়ে ইতিবাচকভাবে ভাবছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে কলরেট ও ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ কিছুটা কমে আসবে এবং কোটি কোটি গ্রাহক সরাসরি উপকৃত হবেন।সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য চালু হওয়া ১ শতাংশ সারচার্জ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা। ২০১৬ সালে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পর মোবাইল সেবার ওপর এই বিশেষ সারচার্জ আরোপ করা হয়েছিল। যদিও ২০২২ সালেই সেতুটি চালু হয়েছে, তবুও এখন পর্যন্ত প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে গ্রাহকদের কাছ থেকে ১ টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। আগামী বাজেটে এই অতিরিক্ত চার্জ তুলে দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।বর্তমানে মোবাইল সেবায় সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য কর মিলিয়ে গ্রাহকদের বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হয়। ফলে ১০০ টাকা রিচার্জ করলেও ব্যবহারযোগ্য ব্যালেন্স হিসেবে হাতে থাকে প্রায় ৫৮ টাকা। এছাড়া নতুন সিম কেনা বা সিম রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রেও ৩০০ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হয়। তবে বাজেটে এই সিম কর কমানোর বিষয়েও সরকার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানা গেছে।মোবাইল অপারেটররা বলছেন, প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো কার্যকর হলে গত দেড় দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো টেলিযোগাযোগ খাতে করের চাপ কমবে। এতে গ্রাহকদের ব্যয় কমার পাশাপাশি সেবার বিস্তারও বাড়বে। অপারেটরদের পক্ষ থেকে তরঙ্গ নবায়নের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়েছে। তাদের মতে, অতিরিক্ত ভ্যাট বহাল থাকলে ভবিষ্যতে বিনিয়োগ কমে যেতে পারে, যা পুরো খাতের উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।অন্যদিকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতারাও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ ভ্যাট বাতিলের দাবি তুলেছেন। তাদের দাবি, ভ্যাট কমানো গেলে গ্রামাঞ্চলে আরও সহজে ও কম খরচে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। সরকারও টেলিযোগাযোগ খাতের কর কাঠামো পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, আসন্ন বাজেটে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে ডিজিটাল সেবা আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে।/টিএ

মে ১৬, ২০২৬

স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর ৫ উপায়

বর্তমান সময়ে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট। তবে অনেক সময় নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে মেসেজ পাঠানো, ভিডিও দেখা বা ব্রাউজিংয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কারিগরি বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, ইন্টারনেটের গতি পুরোপুরি নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে না; বরং ফোনের কিছু সেটিংসে পরিবর্তন আনলে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব।ইন্টারনেট ধীর হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ফোনে জমে থাকা অতিরিক্ত 'ক্যাশে ডেটা' (Cache Data)। বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের ফলে ফোনে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো জমা হয়, যা দীর্ঘসময় পরিষ্কার না করলে ফোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং নেট স্পিডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই নিয়মিত বিরতিতে অ্যাপের ক্যাশে ফাইলগুলো মুছে ফেলা ফোনের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাপ খোলা থাকলেও ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। অনেক সময় আমরা অ্যাপ ব্যবহার শেষে পুরোপুরি বন্ধ করি না, ফলে সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা ব্যবহার করতে থাকে। এছাড়া অ্যাপের 'অটো আপডেট' অপশনটি চালু থাকলে অজান্তেই ব্যাকগ্রাউন্ডে বড় ফাইল ডাউনলোড হতে থাকে, যা ব্রাউজিং স্পিড কমিয়ে দেয়। তাই ডেটা সাশ্রয় ও গতি বজায় রাখতে ম্যানুয়ালি অ্যাপ আপডেট করার পরামর্শ দেওয়া হয়।নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থিতিশীল রাখতে ম্যানুয়াল সেটিংস বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। সাধারণত ফোনে 'অটো নেটওয়ার্ক সিলেকশন' দেওয়া থাকে, যার ফলে ফোন বারবার সিগন্যাল খোঁজার চেষ্টা করে এবং সংযোগ অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। এর পরিবর্তে সেটিংস থেকে নিজের অপারেটরের নেটওয়ার্কটি হাতে (Manually) বেছে নিলে তুলনামূলক বেশি স্থিতিশীল ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব।পরিশেষে, ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে বড় কোনো খরচের প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন শুধু সচেতনতা। নিয়মিত ক্যাশে পরিষ্কার রাখা, অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করা, অটো আপডেট নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক নেটওয়ার্ক নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই তাদের মোবাইল ইন্টারনেটের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে পারেন।/টিএ

মে ১৩, ২০২৬

ইয়ারবাড ব্যবহারে যে ৫টি ভুল ডেকে আনছে বিপদ

বর্তমান যুগে স্মার্টফোনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইয়ারফোন বা ব্লুটুথ ইয়ারবাড। তারহীন এই প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই তুরস্কের এক তরুণীর কানে ইয়ারবাড বিস্ফোরণের ঘটনা বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ওই তরুণী গান শোনার সময় হঠাৎ যন্ত্রটি বিস্ফোরিত হয়, যার ফলে তিনি স্থায়ীভাবে তার শ্রবণক্ষমতা হারিয়েছেন। এই বিরল অথচ ভয়াবহ ঘটনাটি প্রযুক্তিপ্রেমীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে এবং সংশ্লিষ্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।ইয়ারবাড বা ইয়ারপডের মতো ক্ষুদ্র যন্ত্রগুলো সরাসরি কানের স্পর্শকাতর অংশে দীর্ঘক্ষণ থাকে। চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের যন্ত্রে ব্যবহৃত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হলে বা যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়। যদিও এমন দুর্ঘটনা সচরাচর ঘটে না, তবে তুরস্কের এই ঘটনা প্রমাণ করে যে সামান্য অসতর্কতা জীবনের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে সস্তা মানের ডিভাইস বা ত্রুটিপূর্ণ চার্জিং ব্যবস্থা এই ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।শ্রবণশক্তি সুরক্ষায় চিকিৎসকরা এখন '৬০-৬০' নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন। অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেল শব্দে দিনে মাত্র ৬০ মিনিট ইয়ারফোন ব্যবহার করা উচিত। দীর্ঘ সময় উচ্চ শব্দে গান শুনলে বা কথা বললে অন্তর্কর্ণের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়, যা ধীরে ধীরে মানুষের শোনার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। কানকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না দিলে কানের ভেতরের স্নায়ুগুলো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা আধুনিক প্রজন্মের জন্য একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।ডিভাইসের রক্ষণাবেক্ষণ ও চার্জিং অভ্যাসের ওপরও বিস্ফোরণের ঝুঁকি অনেকাংশে নির্ভর করে। সারারাত ইয়ারবাড চার্জে দিয়ে রাখা কিংবা মানহীন চার্জার ব্যবহার করার ফলে ব্যাটারি ওভারহিট হয়ে ফুলে যেতে পারে। এছাড়া ইয়ারফোনে জমে থাকা ঘাম, ধুলোবালি এবং কানের ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ সার্কিটে সমস্যা দেখা দিতে পারে। ভেজা হাতে ডিভাইস ধরা বা আর্দ্র পরিবেশে চার্জ দেওয়া থেকেও ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।পরিশেষে, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে শারীরিক সংকেতকে গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য। ইয়ারফোন ব্যবহারের সময় যদি কান অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, জ্বালাপোড়া করে কিংবা অস্বস্তি বোধ হয়, তবে তৎক্ষণাৎ সেটি কান থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। কান শরীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল অঙ্গ, তাই কোনো ধরনের অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রযুক্তির সুবিধা নিতে গিয়ে যেন আমরা নিজের অমূল্য ইন্দ্রিয়কে বিপন্ন না করি, সেদিকে সজাগ থাকাই এখন সময়ের দাবি।/টিএ

মে ১২, ২০২৬

স্মার্টফোনেই ডলার ইনকাম, ফেসবুক কনটেন্টে বাড়ছে আয়

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন শুধু বিনোদনের জায়গা নয়, বরং আয়ের নতুন প্ল্যাটফর্মেও পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকে নিয়মিত ছবি, ভিডিও, রিলস বা স্টোরি পোস্ট করা ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি হয়েছে নতুন সুযোগ। আগে যেখানে কেবল বড় বড় ফেসবুক পেজ থেকেই আয় করা যেত, এখন সাধারণ ব্যবহারকারীরাও নিজেদের ব্যক্তিগত প্রোফাইল ব্যবহার করে আয় করতে পারছেন। অনেকেই ইতোমধ্যে কনটেন্ট তৈরি করে ডলার আয় করছেন, ফলে তরুণদের মধ্যে এ নিয়ে আগ্রহও বাড়ছে।ফেসবুক থেকে আয় শুরু করতে হলে প্রথমেই প্রোফাইলে “Professional Mode” চালু করতে হবে। এজন্য ব্যবহারকারীকে নিজের প্রোফাইলে গিয়ে তিনটি ডট (•••) অপশনে ক্লিক করে “Turn on Professional Mode” নির্বাচন করতে হবে। এটি চালু হলে প্রোফাইলটি অনেকটা পাবলিক পেজের মতো কাজ করবে এবং ব্যবহারকারী ফলোয়ার, ভিউ ও এনগেজমেন্টের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন। একই সঙ্গে ফেসবুকের বিভিন্ন মনিটাইজেশন সুবিধাও ব্যবহার করা যাবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করলে আয় বাড়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। প্রতিদিন বা নির্দিষ্ট সময় পরপর ভিডিও, ছবি বা রিলস পোস্ট করলে দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়। পাশাপাশি লাইভ ভিডিও, কমেন্টের উত্তর দেওয়া এবং ট্রেন্ডিং বিষয় নিয়ে কাজ করলে এনগেজমেন্ট দ্রুত বাড়ে। শিক্ষামূলক ভিডিও, বিনোদনমূলক কনটেন্ট, লাইফস্টাইল ও ভ্রমণভিত্তিক ভিডিও বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।তবে মনিটাইজেশন চালু রাখতে ফেসবুকের নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। অন্যের ভিডিও, ছবি বা মিউজিক ব্যবহার করলে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এছাড়া ঘৃণা, সহিংসতা, গুজব বা আপত্তিকর কনটেন্ট পোস্ট করলে মনিটাইজেশন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ফেসবুক স্টোরি থেকেও আয় করার সুযোগ থাকায় কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।আয়ের অর্থ পেতে হলে মনিটাইজেশন চালুর পর ব্যাংক তথ্য ও টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট যুক্ত করতে হবে। ফেসবুকে আয় ১০০ ডলার পূর্ণ হলে সেটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। তবে এ সুযোগকে কেন্দ্র করে প্রতারণার ঘটনাও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ফলোয়ার বাড়ানো বা “স্টার কেনা”র নামে কেউ টাকা চাইলে তা এড়িয়ে চলতে হবে। নিয়মিত ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি করেই নিরাপদ উপায়ে ফেসবুক থেকে আয় সম্ভব বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।/টিএ

মে ০৯, ২০২৬

স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে কি না বুঝবেন যেভাবে

বর্তমানে আমাদের দিন-রাতের অনেকটা সময় কাটে ইন্টারনেটে। তবে এই নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ যেমন জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি বাড়িয়েছে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি। সাইবার অপরাধীরা নিত্যনতুন কৌশলে স্মার্ট গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলছে। সাধারণত ম্যালিশিয়াস লিঙ্কে ক্লিক করা কিংবা ম্যালওয়্যারযুক্ত ক্ষতিকর অ্যাপ ডাউনলোডের মাধ্যমেই ব্যবহারকারীরা তাদের ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন।আপনার স্মার্টফোনটি অন্য কেউ নিয়ন্ত্রণ করছে কিনা, তা বোঝার প্রথম লক্ষণ হলো ডিভাইসের অস্বাভাবিক আচরণ। যদি দেখেন ফোনের স্ক্রিন হঠাৎ ফ্ল্যাশ করছে, ঘন ঘন সেটিংস পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে কিংবা ফোন হ্যাং হয়ে কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে, তবে বুঝতে হবে ডিভাইসে অনৈতিক প্রবেশ ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।ফোনে কথা বলার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডের শব্দের দিকে নজর রাখা জরুরি। অনেক সময় বিভিন্ন স্পাই অ্যাপ ব্যবহারকারীর অজান্তেই কল রেকর্ড করে। যদি কল চলাকালীন অপরিচিত কোনো শব্দ বা অন্য কারো অস্পষ্ট কণ্ঠস্বর শুনতে পান, তবে সাবধান হওয়া প্রয়োজন। এটি আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথনে তৃতীয় পক্ষের আড়িপাতার একটি বড় সংকেত হতে পারে।ব্রাউজিং হিস্ট্রি চেক করা হ্যাকিং শনাক্তের আরেকটি কার্যকর উপায়। যদি দেখেন আপনার ব্রাউজারে এমন কিছু সাইট বা বিষয় দেখা যাচ্ছে যা আপনি কখনো সার্চ করেননি, তবে নিশ্চিতভাবেই কেউ আপনার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। হ্যাকাররা মূলত ম্যালওয়্যারযুক্ত সাইটের মাধ্যমে তথ্য চুরির উদ্দেশ্যে আপনার ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকে।ডিভাইসে অনুপ্রবেশের লক্ষণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞরা দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন। প্রথমেই ডিভাইসটি কিছুক্ষণ বন্ধ রাখুন এবং এরপর দুই থেকে তিনবার রিস্টার্ট দিন। এতে অনেক সময় সাময়িক ম্যালওয়্যার কার্যক্রম বন্ধ হয়। তবে সমস্যা না মিটলে ফোনের অ্যাপ লিস্টে গিয়ে অচেনা বা সন্দেহজনক কোনো অ্যাপ আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন এবং অবিলম্বে সেগুলো মুছে ফেলুন।/টিএ

মে ০৯, ২০২৬

পিএইচপি মোটরসের হাত ধরে দেশে এলো পেরোডুয়া আরুজ ২০২৬ ব্ল্যাক এডিশন

বাংলাদেশের অটোমোবাইল বাজারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে মালয়েশিয়ার বিখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি পেরোডুয়া। ৬ মে বুধবার বাংলাদেশের বাজারে পর্দা উন্মোচন হলো নতুন মডেল পেরোডুয়া আরুজ (২০২৬) ব্ল্যাক এডিশনের। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে পিএইচপি মোটরস লিমিটেডের সুবিশাল শোরুমে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন এই মডেলটির উদ্বোধন করা হয়।পেরোডুয়া আরুজ ২০২৬ ব্ল্যাক এডিশন একটি প্রিমিয়াম ৭-সিটার এসইউভি, যা আধুনিক চালকদের জন্য স্টাইল ও বাস্তবতার সমন্বয় ঘটিয়েছে। এটির ব্ল্যাক এডিশনের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- গাঢ় কালো থিমের এক্সক্লুসিভ ডিজাইন, ইউনিক অ্যালয় হুইল, উন্নত ফিচারসমূহ অধিক আরামদায়ক ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা।পেরোডুয়া মালয়েশিয়ার বিখ্যাত একটি ব্রান্ড, এই গাড়িতে রয়েছে টয়োটা ইঞ্জিন। কেবল ইঞ্জিন নয় এতে টয়োটার ডুয়েল ভিভিটিআই টেকনোলজিও রয়েছে। যেটা টয়োটা ছাড়া অন্য কোন গাড়ি কোম্পানির কাছে নেই। এছাড়া এই গাড়ির মাইলেজ প্রতি লিটারে ১৭-১৮ কিলোমিটার যাবে বলেও জানিয়েছেন পিএইচপি মোটরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আখতার পারভেজবাংলাদেশে পিএইচপি মোটরসের সঙ্গে মালয়েশিয়ার বিখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। মালয়েশিয়ার প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী মাহাতির মোহাম্মদের মাধ্যমে বাংলাদেশে তারা যৌথভাবে কাজ শুরু করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পিএইচপি মোটরসের সঙ্গে কাজ করা নিয়ে নিজেদের অনুভুতির কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান ।অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে গাড়ি হস্তান্তর করা হয়। আরুজ ২০২৬ ব্ল্যাক এডিশনের প্রথম ইউনিটটি ভ্যালুড ক্লায়েন্ট আবদুল কাদের জিলন-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও লেটেস্ট পেরোডুয়া বেজা ২০২৬-এর চাবি হস্তান্তর করা হয় ক্লায়েন্ট জুয়েল রানার হাতে। এই অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান এবং পিএইচপি মোটরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আখতার পারভেজ যৌথভাবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। দুই দেশের বাণিজ্য ও শিল্প সম্পর্কের জন্য এমন আয়োজন একটি নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। এ সময় মালয়েশিয়ার দূতাবাস এবং পিএইচপি পরিবারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

মে ০৬, ২০২৬

বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাভাটার

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে প্ল্যাটফর্মটি থেকে বহুল আলোচিত ‘অ্যাভাটার’ ফিচারটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেটা। নিয়মিত নিত্যনতুন ফিচার যুক্ত করে চমক দিলেও, এবার একটি বিদ্যমান সেবা বন্ধ করার মধ্য দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ তার অ্যাপের কাঠামোতে বড় ধরনের কাটছাঁট করল।মূলত ব্যবহারকারীদের মধ্যে এই ফিচারের আশানুরূপ জনপ্রিয়তা না থাকা এবং ব্যবহারের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়াকেই এই সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিজিটাল স্টিকার ও অ্যানিমেশনের মাধ্যমে চ্যাটিংকে আরও প্রাণবন্ত করার যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে ফিচারটি চালু হয়েছিল, সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে তা শেষ পর্যন্ত গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। ফলে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমাতে মেটা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।ফিচারটি চালুর শুরুতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছিল যাতে ব্যবহারকারীরা নিজেদের আদলে ভার্চুয়াল চরিত্র বা থ্রি-ডি স্টিকার তৈরি করতে পারেন। এই ফিচারের মাধ্যমে নিজের গায়ের রং, চুলের ধরন ও পোশাক নির্বাচন করে একটি ব্যক্তিগত ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরির সুযোগ ছিল। লক্ষ্য ছিল ইমোজির পরিবর্তে ব্যবহারকারীরা যাতে নিজেদের ভার্চুয়াল প্রতিকৃতি দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন, কিন্তু বাজার বিশ্লেষণ বলছে—মানুষ এখনও প্রকৃত ছবি বা সাধারণ ইমোজি ব্যবহারেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই ফিচারটি হুট করে সবার জন্য বন্ধ না করে বিভিন্ন অঞ্চলে ধাপে ধাপে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক ব্যবহারকারী লক্ষ্য করেছেন যে, অ্যাপের সেটিংস এবং কিবোর্ড সেকশন থেকে অ্যাভাটার অপশনটি উধাও হয়ে যাচ্ছে। এখন থেকে নতুন করে কোনো অ্যাভাটার তৈরি বা পুরনো কোনো প্রোফাইল সম্পাদনা করার সুযোগ আর থাকছে না। অনেক ব্যবহারকারী ইতোমধ্যে অ্যাপের ভেতরে এই সংক্রান্ত নোটিফিকেশনও পেতে শুরু করেছেন।তবে নিয়মিত ব্যবহারকারীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, যাদের আগে থেকে তৈরি করা অ্যাভাটার স্টিকার ব্যবহারের রেকর্ড রয়েছে, সেগুলো এখনই পুরোপুরি মুছে যাচ্ছে না। ব্যবহারকারীরা তাদের ‘রিসেন্ট’ বা ‘ফেভারিটস’ সেকশনে থাকা পুরনো স্টিকারগুলো আগের মতোই চ্যাটিংয়ে পাঠাতে পারবেন। তবে নতুন কোনো এক্সপ্রেশন বা ভিন্ন আঙ্গিকের স্টিকার তৈরি করার কোনো প্রযুক্তিগত সহায়তা আর দেবে না হোয়াটসঅ্যাপ। মূলত অ্যাপের গতি বাড়াতে এবং ইন্টারফেস আরও সহজতর করতেই এই কৌশল নিয়েছে মেটা।/টিএ

মে ০৬, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo