
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
আগামী জাতীয় বাজেটে দেশের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর আসতে পারে। সরকার মোবাইল সেবার ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর ও সারচার্জ কমানোর বিষয়ে ইতিবাচকভাবে ভাবছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে কলরেট ও ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ কিছুটা কমে আসবে এবং কোটি কোটি গ্রাহক সরাসরি উপকৃত হবেন।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য চালু হওয়া ১ শতাংশ সারচার্জ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা। ২০১৬ সালে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পর মোবাইল সেবার ওপর এই বিশেষ সারচার্জ আরোপ করা হয়েছিল। যদিও ২০২২ সালেই সেতুটি চালু হয়েছে, তবুও এখন পর্যন্ত প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে গ্রাহকদের কাছ থেকে ১ টাকা কেটে
বর্তমানে মোবাইল সেবায় সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য কর মিলিয়ে গ্রাহকদের বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হয়। ফলে ১০০ টাকা রিচার্জ করলেও ব্যবহারযোগ্য ব্যালেন্স হিসেবে হাতে থাকে প্রায় ৫৮ টাকা। এছাড়া নতুন সিম কেনা বা সিম রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রেও ৩০০ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হয়। তবে বাজেটে এই সিম কর কমানোর বিষয়েও সরকার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানা গেছে।
মোবাইল অপারেটররা বলছেন, প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো কার্যকর হলে গত দেড় দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো টেলিযোগাযোগ খাতে করের চাপ কমবে। এতে গ্রাহকদের ব্যয় কমার পাশাপাশি সেবার বিস্তারও বাড়বে। অপারেটরদের পক্ষ থেকে তরঙ্গ নবায়নের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়েছে। তাদের মতে, অতিরিক্ত ভ্যাট বহাল থাকলে ভবিষ্যতে বিনিয়োগ কমে যেতে পারে, যা পুরো খাতের উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
অন্যদিকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতারাও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ ভ্যাট বাতিলের দাবি তুলেছেন। তাদের দাবি, ভ্যাট কমানো গেলে গ্রামাঞ্চলে আরও সহজে ও কম খরচে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। সরকারও টেলিযোগাযোগ খাতের কর কাঠামো পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, আসন্ন বাজেটে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে ডিজিটাল সেবা আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে।
/টিএ