
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
বর্তমান সময়ে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট। তবে অনেক সময় নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে মেসেজ পাঠানো, ভিডিও দেখা বা ব্রাউজিংয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কারিগরি বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, ইন্টারনেটের গতি পুরোপুরি নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে না; বরং ফোনের কিছু সেটিংসে পরিবর্তন আনলে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব।
ইন্টারনেট ধীর হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ফোনে জমে থাকা অতিরিক্ত 'ক্যাশে ডেটা' (Cache Data)। বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের ফলে ফোনে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো জমা হয়, যা দীর্ঘসময় পরিষ্কার না করলে ফোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং নেট স্পিডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই নিয়মিত বিরতিতে অ্যাপের ক্যাশে ফাইলগুলো মুছে ফেলা ফোনের স্বাস্থ্যের জন্য
স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাপ খোলা থাকলেও ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। অনেক সময় আমরা অ্যাপ ব্যবহার শেষে পুরোপুরি বন্ধ করি না, ফলে সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা ব্যবহার করতে থাকে। এছাড়া অ্যাপের 'অটো আপডেট' অপশনটি চালু থাকলে অজান্তেই ব্যাকগ্রাউন্ডে বড় ফাইল ডাউনলোড হতে থাকে, যা ব্রাউজিং স্পিড কমিয়ে দেয়। তাই ডেটা সাশ্রয় ও গতি বজায় রাখতে ম্যানুয়ালি অ্যাপ আপডেট করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থিতিশীল রাখতে ম্যানুয়াল সেটিংস বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। সাধারণত ফোনে 'অটো নেটওয়ার্ক সিলেকশন' দেওয়া থাকে, যার ফলে ফোন বারবার সিগন্যাল খোঁজার চেষ্টা করে এবং সংযোগ অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। এর পরিবর্তে সেটিংস থেকে নিজের অপারেটরের নেটওয়ার্কটি হাতে (Manually) বেছে নিলে তুলনামূলক বেশি স্থিতিশীল ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব।
পরিশেষে, ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে বড় কোনো খরচের প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন শুধু সচেতনতা। নিয়মিত ক্যাশে পরিষ্কার রাখা, অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করা, অটো আপডেট নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক নেটওয়ার্ক নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই তাদের মোবাইল ইন্টারনেটের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে পারেন।
/টিএ