
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সকালের নাশতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের প্রথম খাবার যদি পুষ্টিকর হয়, তবে সারাদিন শরীর ও মন দুটোই থাকে চাঙা। এই দিক থেকে ডিম একটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। প্রতিদিন সকালের নাশতায় ডিম রাখলে যে উপকারগুলো পাওয়া যায়, তা নিচে তুলে ধরা হলো—
ডিমে রয়েছে সম্পূর্ণ প্রোটিন, যা শরীরের পেশি গঠন ও ক্ষয় পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং শরীর পায় প্রয়োজনীয় শক্তি।
ডিমে থাকা প্রোটিন হজম হতে সময় নেয়, ফলে ক্ষুধা কম লাগে। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন
ডিমে থাকা কোলিন স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সহায়তা করে। শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা মানসিক কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
ডিমে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এগুলো বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি দুর্বলতার ঝুঁকি কমাতে কার্যকর।
ডিমে থাকা ভিটামিন বি–১২ ও রিবোফ্লাভিন শরীরে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে সারাদিন কাজ করার জন্য শরীর থাকে সতেজ ও কর্মক্ষম।
ডিমে রয়েছে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে শক্তিশালী করে। পাশাপাশি প্রোটিন পেশি গঠনে সহায়তা করে, ফলে শরীর থাকে সবল।
ডিমে থাকা বায়োটিন ও প্রোটিন ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ডিম খেলে ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বজায় থাকে।
তবে যাদের কোলেস্টেরলজনিত সমস্যা বা বিশেষ কোনো শারীরিক জটিলতা রয়েছে, তাদের নিয়মিত ডিম খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
/টিএ