
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
২০১২ সালে আয়ুষ্মান খুরানার বিপরীতে ‘ভিকি ডোনর’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন ইয়ামি। সিনেমাটি ব্যবসাসফল হলেও ‘প্রথাগত নায়িকা’ হিসেবে স্থান না পাওয়ায় তার কাছে সীমিত ধরনের চরিত্রের প্রস্তাবই আসতে থাকে। ভালো কাজের সুযোগ না পেয়ে ২০১৯ সালে ‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ মুক্তির ঠিক আগে বলিউড ছাড়ার কথা ভেবেছিলেন তিনি। তবে ‘উরি’ এবং এর পরপরই ‘বালা’ সিনেমার সাফল্য তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
সেই সময়ের অনুভূতি প্রকাশ করে ইয়ামি জানান, হিমাচল প্রদেশে তাদের নিজস্ব কৃষিজমি থাকায় সেখানে গিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। বাবা-মাও তার সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানান। তবে মানসিকভাবে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার পরপরই পর পর দুটি ব্যবসাসফল
ইয়ামি বলেন, ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম। ভেবেছিলাম বাড়ি ফিরে যাব। আমাদের সেখানে চাষের জমি রয়েছে। সম্পূর্ণ অন্য রকম একটা জীবন শুরু করার কথা ভাবছিলাম। আমার বাবা-মা ভীষণ সমর্থন করেছিলেন। ওরা শুধু বলেছিলেন, ‘বাড়ি ফিরে এসো। বলিউডে কোনো পারিবারিক পরিচিতি ছাড়া ‘বহিরাগত’ হিসেবে কাজের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ইয়ামি বলেন, তারকাসন্তানেরা একাধিকবার ব্যর্থ হলেও নতুন সুযোগ পান, কিন্তু বাইরের কারও জন্য একটি ভালো সুযোগ তৈরি করাও কঠিন।
তিনি বলেন, কঠিন বিষয়টা শুধু ‘বহিরাগত’ হওয়া নয়। প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রমাণ করতে হতো। হয়তো মনে হচ্ছে, আমি কোনো নির্দিষ্ট সুযোগের জন্য প্রস্তুত। অথচ সেই সুযোগ বার বার এমন কাউকে দেওয়া হচ্ছে যে, আগে থেকেই এই বাস্তুতন্ত্রের (ইন্ডাস্ট্রি) অংশ। তখন মনে হত, আমাকেও যদি এত সুযোগ দেওয়া হত, আমিও কি আরও ভালো অভিনেত্রী হয়ে উঠতে পারতাম না? এতে হতাশা বাড়তো।
তবে বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিতে পরিবর্তন এসেছে বলেও মনে করেন ইয়ামি। তার কথায়, এখন আপনি কোথা থেকে এসেছেন, তা দেখেন না দর্শক। তাঁরা দেখেন, আপনি ভাল অভিনেতা কি না, আপনার ছবি দেখার মতো কি না, এবং আপনার কাজের ওপর তারা ভরসা করতে পারেন কি না। এই পরিবর্তন আগামী প্রজন্মের জন্য আমাকে আশাবাদী করে।