
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ভারতের কাছে হার বাংলাদেশের হকির জন্য নতুন কিছু নয়। তবে এক মাসের ব্যবধানে দুই ম্যাচে ২৩ গোল হজম করায় দলের প্রস্তুতি, কৌশল ও লড়াইয়ের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জলন্ধরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে স্বাগতিক ভারতের কাছে ১৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে গত মাসে জাপানে এশিয়ান গেমসেও ভারতের কাছে ১০-০ গোলে হেরেছিল দলটি।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে শুরু থেকেই বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে ভারত। প্রথম কোয়ার্টারেই চার গোল হজম করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আরও দুটি গোল করে বিরতিতে ৬-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। বিরতির পরও ভারতের আক্রমণ সামাল দিতে পারেনি বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। তৃতীয় কোয়ার্টারে তিনটি এবং শেষ কোয়ার্টারে আরও চারটি গোল করে ১৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করে ভারত।
বাংলাদেশের এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক হকি খেলোয়াড় ও ফেডারেশনের সাবেক সদস্য তারেক আদেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা কবে বলতে শিখব যে, আমরাও বাংলাদেশ, ছেড়ে কথা বলব না।’ তাঁর অভিযোগ, দলের এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে হকি ফেডারেশনের কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। একের পর এক বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর বাংলাদেশের হকির ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।
এশিয়ার ছয়টি দেশ অংশ নিচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। পাকিস্তান ভারতে খেলতে না যাওয়ায় এই প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। এশিয়ান গেমসে সপ্তম হওয়া বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করা। তবে ভারতের বিপক্ষে এমন বড় ব্যবধানে হার সেই লক্ষ্যের পথে দলটির দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে।
এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতার পরও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে জার্মান কোচ গেরহার্ড পিটারের ওপর আস্থা রেখেছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে এক মাসের ব্যবধানে দুই ম্যাচে ২৩ গোল হজমের ঘটনা কোচের পরিকল্পনা, খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি এবং দলের সামগ্রিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। প্রতিযোগিতায় কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে বাংলাদেশের হকিতে পরিকল্পনা ও পারফরম্যান্সের উন্নতি কতটা জরুরি, এই হার যেন আবারও তা সামনে নিয়ে এল।
টি/