
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কিংবা কৌশলগত জোটের ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হিলি ফোরামে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আল-আনসারি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ হলেও নিজেদের নিরাপত্তায় আত্মনির্ভরশীল হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, মিত্র ও অংশীদারদের প্রয়োজন রয়েছে, তবে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য শুধু তাদের ওপর নির্ভর করা যাবে না। কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক ঘাঁটি এবং সেন্টকমের আঞ্চলিক সদরদপ্তর থাকলেও সাম্প্রতিক সংঘাতে দেশটি ইরানের পাল্টা হামলার প্রভাবের মুখে পড়েছে।
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পক্ষেও
চলমান সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার সুযোগ নেই বলেও সতর্ক করেন তিনি। তার মতে, হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কিংবা উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত থাকা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব কমে যাওয়ার বিষয়ে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে আল-আনসারি বলেন, হাজার বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে থাকা এই প্রণালির গুরুত্ব কোনো একক ঘটনা বা উদ্যোগে বদলে যাবে না।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা নীতিরও সমালোচনা করেছেন আল-আনসারি। তার দাবি, ইরাক, লিবিয়া ও অন্যান্য দেশে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাশিত ফল আনতে পারেনি। কাতারের অবস্থান হলো, সংকটের কার্যকর ও সরাসরি সমাধান নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নয়, বরং আলোচনার টেবিলেই খুঁজে বের করতে হবে। উপসাগরীয় নিরাপত্তা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা চলার মধ্যেই কাতারের এই অবস্থান সামনে এলো।
/টি