
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাতে বারংবার নাস্তানাবুদ হয়ে যুদ্ধ থেকে বিরত থেকেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকলেও ইরানকে নিজেদের শর্তে আলোচনার টেবিলে আনার বহু চেষ্টাও করেছিলেন তিনি। কিন্তু হুমকি-ধামকি,সংঘাতের ভয় কোনোকিছুই যেন দমাতে পারেনি ইরানকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও যখন তেহরানকে নিজের মুঠোয় করতে পারেনি ট্রাম্প,ঠিক তখনই এমন এক কৌশল তিনি বের করলেন, যা বিশ্ব রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। কী সেই কৌশল, যা ট্রাম্পের জন্য ইরানকে গলানো সহজ হবে? কিংবা আদো কী সেই কৌশল কাজে দিবে নাকি আবারো নিজের তৈরি করা সেই খাদে ট্রাম্প নিজেই পরে যাবেন?
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ থেকে স্পষ্ট যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে ইরানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ পথগুলো দ্রুত সংকুচিত হয়ে এসেছে। টানা বিমান হামলা চালিয়েও দেশটির ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এসব লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি নিঃশেষ করতে হলে প্রয়োজন স্থলবাহিনী মোতায়েন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ। তাছাড়া, নির্বাচনে দেয়া অন্তহীন যুদ্ধ এড়ানোর অঙ্গীকারের কারণে ট্রাম্প নিজেও স্থলসেনা পাঠাতে অনিচ্ছুক।
এর মধ্যেই প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, চলমান বিমান হামলা ইরানের নীতিতে কোনো বড় পরিবর্তন আনতে পারবে না। ইতোমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ায় ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প কোনো প্রতীকী সামরিক সাফল্য দেখিয়ে সংঘাত থেকে বের হয়ে আসার পথ খুঁজছেন কি না, সে আলোচনাও এখন তুঙ্গে। সব মিলিয়ে, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি প্রদর্শনের এই লড়াই যেন নতুন এক সামরিক ও কূটনৈতিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।