
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সম্প্রতি কাস্পিয়ান সাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনা যেন সেই নতুন সমীকরণেরই বার্তা দিচ্ছে। প্রত্যক্ষ কোনো সীমান্ত না থাকা সত্ত্বেও, এই একটি আক্রমণ উসকে দিয়েছে এক বড় ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত সাময়িক স্থগিত হলেও লড়াইয়ের রূপ বদলে দিতে ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে ইউক্রেন।
দূরপাল্লার ড্রোন, আধুনিক গোয়েন্দা প্রযুক্তি এবং অপারেশন স্পাইডার ওয়েব-এর মতো সফল অভিযানে নিজেদের কৌশলগত সক্ষমতা ইতোমধ্যেই বিশ্বকে দেখিয়েছে কিভ। রাশিয়ার বিরুদ্ধে বছরের পর বছর লড়াইয়ের এই অভিজ্ঞতাকেই এখন ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার ছক কষছে ওয়াশিংটন।
পরিকল্পনাটি ইরানকে সম্পূর্ণ পরাস্ত করার নয়; বরং একাধিক ফ্রন্টে তেহরানকে ব্যস্ত রাখা। যদি ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ইরানের
সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নেতানিয়াহু ও জেলেনস্কির আলাদা বৈঠক এবং ড্রোন প্রযুক্তি হস্তান্তরের আলোচনা এই ছকেরই যেন ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে ইউরোপীয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের এই দুই সংঘাত যদি পুরোপুরি এক সুতোয় গাঁথা হয়ে যায়, তবে কৃষ্ণসাগর থেকে কাস্পিয়ান অঞ্চলজুড়ে তৈরি হতে পারে এক ভয়াবহ নিরাপত্তা ঝুঁকি, যার আঁচ পড়বে গোটা বিশ্বে।