
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে স্মার্টফোন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহার করা হচ্ছে অসংখ্য মোবাইল অ্যাপ। তবে প্রয়োজনীয় সেবার আড়ালে অনেক অ্যাপ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য গোপনে সংগ্রহ করছে বলে সতর্ক করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সচেতনতার অভাবে অনেকেই অজান্তেই সংবেদনশীল তথ্য বিভিন্ন অ্যাপের কাছে উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, যেকোনো অ্যাপ ইনস্টল করার আগে সেটি কী ধরনের অনুমতি বা ‘পারমিশন’ চাইছে, তা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত। একটি সাধারণ টর্চলাইট বা ক্যালকুলেটর অ্যাপ যদি কন্টাক্ট লিস্ট, ক্যামেরা কিংবা মাইক্রোফোন ব্যবহারের অনুমতি চায়, তাহলে সেটিকে সন্দেহের চোখে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফোনের লোকেশন ব্যবহারের অনুমতিও নিয়মিত পর্যালোচনা
এ ছাড়া স্মার্টফোনের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ব্যবহারের অনুমতি নিয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অনেক অ্যাপ প্রয়োজন শেষ হওয়ার পরও এসব সুবিধার অনুমতি ধরে রাখে, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই নিয়মিত অ্যাপগুলোর অনুমতি পর্যালোচনা করে যেসব অ্যাপের জন্য ক্যামেরা বা মাইক্রোফোন প্রয়োজন নেই, সেগুলোর অনুমতি বাতিল করে দেওয়া উচিত।
আধুনিক অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ‘প্রাইভেসি ড্যাশবোর্ড’ এবং আইফোনের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’ ব্যবহার করেও সহজে নজরদারি করা সম্ভব। এসব ফিচারের মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে কোন অ্যাপ লোকেশন, ক্যামেরা, মাইক্রোফোন বা কন্টাক্ট লিস্ট ব্যবহার করেছে, তা দেখা যায়। ফলে সন্দেহজনক কার্যক্রম দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ব্যবহার না করা অ্যাপ ফোনে রেখে দেওয়া নিরাপদ নয়। অনেক সময় এসব অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে আগের দেওয়া অনুমতির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। তাই ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপ্রয়োজনীয় ও অব্যবহৃত অ্যাপ নিয়মিত আনইনস্টল করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
/টি