
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
এ বছর বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষা ও প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী নাভি পিল্লাই। সুইডেনের দ্য নোবেল অ্যাসেম্বলি আন্তর্জাতিক শান্তির মঞ্চে তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম ও নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা বিবেচনা করে এই সর্বোচ্চ সম্মাননায় ভূষিত করে।
শান্তি পুরস্কারের পাশাপাশি সাহিত্য ও বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখায়ও নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন কানাডীয় সাহিত্যিক অ্যান কারসন। ৭৬ বছর বয়সী এই লেখিকা কবিতা ও গদ্যের ব্যতিক্রমী মিশ্রণ এবং সমকালীন গল্পের সঙ্গে প্রাচীন পুরাণের অনবদ্য সমন্বয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত তাঁর পদ্য উপন্যাস ‘অটোবায়োগ্রাফি অব রেড’-এ গ্রিক পুরাণের নতুন রূপায়ণ বিশ্বসাহিত্যে ব্যাপকভাবে
এর আগে বিজ্ঞানের তিন প্রধান শাখায় নোবেলজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়। বুধবার রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পান ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি কাগান ও জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই; অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে নন-লিনিয়ার প্রভাব ও অটোক্যাটালাইসিস আবিষ্কারের জন্য তাঁরা এ পুরস্কার পান। মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পান বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন, যিনি অ্যান্টার্কটিকার বরফ ব্যবহার করে মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো শনাক্তকরণের পথ দেখান। সোমবার চিকিৎসায় যৌথভাবে নোবেল অর্জন করেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডাইসেরথ এবং জার্মানির পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল; ‘আলোক-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস’ সংক্রান্ত তাঁদের আবিষ্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।
নোবেল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজয়ীরা প্রত্যেকে একটি স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং নগদ ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ৯ লাখ পাউন্ড বা ১৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা) পাবেন। যেসব বিভাগে একাধিক বিজয়ী রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে এই নির্দিষ্ট অর্থ সমপরিমাণে ভাগ হয়ে যাবে। নোবেল কমিটির আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মধ্য দিয়েই তাঁদের হাতে এই ঐতিহাসিক স্মারক তুলে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ১৮৯৫ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ও ব্যবসায়ী আলফ্রেড নোবেলের লিখিত উইলের ভিত্তিতে এই পুরস্কারের সূচনা ঘটে। পরবর্তীতে বিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তির ক্ষেত্রে মানবজাতির কল্যাণে অনন্য ও অবিস্মরণীয় অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯০১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশ্বখ্যাত পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
টি/