
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২২ জুন) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব ছাড়েন। এর ফলে গত এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব পেতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনাকে নতুন এক মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পদত্যাগের পর লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে সাংবাদিকদের তিনি জানান, দলের সিদ্ধান্তকে তিনি ‘সৌজন্যের সঙ্গে’ মেনে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে তার উত্তরসূরিকে পূর্ণ ও নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ার কথাও জানান স্টারমার। তার এই বক্তব্যে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ রাখার বার্তা স্পষ্ট হয়েছে।
বিপুল ভোটে জয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়ার দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে তার পদত্যাগ ঘটল। জানা গেছে, গত সপ্তাহ থেকেই তিনি নেতৃত্বের লড়াইয়ে থাকবেন নাকি সরে
স্টারমারের ওপর চাপ কয়েক মাস ধরেই বাড়ছিল। বিশেষ করে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় লেবার পার্টির ভেতরে নতুন আলোচনা তৈরি করে। বার্নহ্যামের এই জয় দলীয় নেতাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে, কারণ তার যোগাযোগ দক্ষতা হারানো জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে নতুন নেতৃত্বের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। উচ্চ ঋণ, সুদের চাপ, ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সরকারি ব্যয় সংকোচনের মতো জটিল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ব্রিটেন। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নেতা যিনিই আসুন না কেন, তাকে একদিকে বাজারের আস্থা ধরে রাখা এবং অন্যদিকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের কঠিন ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।
/টি