
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইসরায়েলের ঘুম হারাম করে এবার আকাশে শক্তিশালী কার্গো বিমান পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন করেছে ইরান। এক যুগেরও বেশি সময় চেষ্টার পর সফলভাবে নিজস্ব ডিজাইনের ‘সিমোর্গ’ নামের কার্গো বিমানের উড্ডয়ন করেছে দেশটি। বিশ্বের ২০টিরও কম দেশ স্বনির্ভরভাবে বিমান নকশা ও উৎপাদন করতে সক্ষম। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালো ইরান।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) মেহের নিউজ এজেন্সিকে ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা জানিয়েছে, ‘সিমোর্গ’ কার্গো বিমান তৈরির দেশীয়করণ প্রক্রিয়া প্রায় ১৫ বছর ধরে চলছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও উন্নয়নের পর ইরান এখন বিশ্বের সীমিত কয়েকটি দেশের মধ্যে নিজস্ব নকশার বিমান তৈরি করতে সক্ষম দেশ। নতুন এই কার্গো বিমান পণ্য, সেনা ও যাত্রী পরিবহনেও ব্যবহারযোগ্য হবে বলে জানানো
বলা হচ্ছে ‘সিমোর্গ’ নামটি ফারসি পুরাণের পৌরাণিক পাখি সিমোর্গ থেকে নেওয়া হয়েছে, যা শক্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বিমানটিতে রয়েছে দুটি আড়াই হাজার হর্সপাওয়ার ইঞ্জিন, যা ৬ মেট্রিক টন পণ্য প্রায় চার হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বহন করতে সক্ষম। এর সর্বোচ্চ টেকঅফ ওজন ২১.৫ মেট্রিক টন।
দ্রুত, হালকা ও চটপটে বিমান হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে এই কার্গো বিমানকে। এর উচ্চ পণ্যবহন ক্ষমতা এবং ইরানের আবহাওয়ায় মানানসই নকশা এটিকে জরুরি চিকিৎসা পরিবহনসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবার জন্য আদর্শ করে তুলেছে। কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এটি ইরানের স্থল ও নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সেনা ও সরঞ্জাম দ্রুত স্থানান্তর সম্ভব করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সিমোর্গ মূলত IrAn-140 মডেলের একটি সংশোধিত সংস্করণ, যা ইউক্রেনের আন্তোনভ An-140 নকশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তবে অনেক সাবেক বেসামরিক কর্মকর্তা এটিকে সম্পূর্ণ নতুন নকশার বিমান হিসেবে দেখছেন, যার ইঞ্জিন ও কাঠামো নতুনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। বর্তমানে বিমানটি ১০০ ঘণ্টার পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন করে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
/টিএ