
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
কিউবার ওপর যেকোনো সময় সামরিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক বিভিন্ন মন্তব্য থেকে এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এক্সিওস। মঙ্গলবার (১২ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিউবা সরকারের ওপর ক্রমাগত চাপ বৃদ্ধি করছেন এবং দেশটিতে হামলার যে হুমকি তিনি দিচ্ছেন, তা বাস্তবে রূপ নেওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহ থেকেই কিউবার ওপর মার্কিন নজরদারি বিমান চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ার খবর দিয়েছে সিএনএন, যা এই যুদ্ধশঙ্কাকে আরও উসকে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে কিউবার ওপর আরোপিত নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং জ্বালানি অবরোধ। এই অবরোধের ফলে কিউবার অভ্যন্তরীণ অবস্থা
কূটনৈতিক ও সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত শুক্রবার জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফেরা একটি মার্কিন রণতরী কিউবার সন্নিকটে মোতায়েন করা হতে পারে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, এই রণতরী মোতায়েন করার মাধ্যমে কিউবাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করাই তার মূল লক্ষ্য। যদিও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা জানিয়েছেন যে, ট্রাম্প তাকে ব্যক্তিগতভাবে হামলার পরিকল্পনা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন, তবুও ট্রাম্পের প্রকাশ্য ঘোষণা ও রণতরী পাঠানোর সিদ্ধান্তে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
যদি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় কোনো সামরিক অভিযান চালায়, তবে এটি হবে ১৯৬২ সালের ঐতিহাসিক ‘মিসাইল ক্রাইসিসের’ পর দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘাত। উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালে কিউবায় সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক মিসাইল মোতায়েনকে কেন্দ্র করে বিশ্ব পরমাণু যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল। বর্তমানে ইরান যুদ্ধের দামামা কিছুটা স্তিমিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ আবারও কিউবার দিকে ঘুরে যাওয়ায় ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চলে চরম অস্থিরতা ও নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
/টিএ