সামরিক প্রযুক্তিতে বরাবরই নিজেদের সেরা ভাবতো ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে চীনা পিএল-১৫ মিসাইল দিয়ে বড় সাফল্য পেয়েছিল পাকিস্তান। আর তা দেখে নিজেরা চেষ্টা করেও সেই প্রযুক্তি আয়ত্বে না আনতে পেরে শেষ পর্যন্ত চীনকে বস মানলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। তাই নিজেরা ব্যর্থ হয়ে এবার সেই আদলে বিধ্বংসী মিসাইল তৈরি করে নিজেদের বহরে যুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা। কি আছে এই বিশেষ মিসাইলে যার আদলে আরেকটি মিসাইল বানাতে উঠে পড়ে লেগেছে যুক্তরাষ্ট্র?
গত মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে আলোচনায় আসে চীনের পিএল-১৫ মিসাইল। ভারতের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান রাফালে ধ্বংস করে প্রথমবারের মতো যুদ্ধক্ষেত্রে শক্তিমত্তার জানান দেয় এটি। শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, ড্রোন

এবং ক্রুজ মিসাইল ধ্বংসের জন্য নকশা করা হয়েছে পিএল-১৫। এটি সক্রিয় রাডার নির্দেশিত, দূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য মিসাইল। যার পাল্লা ২০০ কিলোমিটারেরও বেশি এবং গতি শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি।
স্টাইলিশ ও এলিগেন্ট নকশার এই মিসাইল জে-১০, জে-৬, জে-২০ এবং জেএফ-১৭ এর মতো উন্নত যুদ্ধবিমান থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই মিসাইল একবার উৎক্ষেপণের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে টার্গেট ধ্বংস করতে পারে। ফলে উৎক্ষেপণকারী বিমান দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে পারে।
পাকিস্তান এই মিসাইল ব্যবহার করে ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে সফল হয়েছিল। আর এই সাফল্যে মুগ্ধ হয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীও। তাই তারাও এখন পিএল-১৫ এর মতো উন্নত মিসাইল হাতে পেতে চাইছে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব এআইএম-২৬০ মিসাইল উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। লকহিড মার্টিন কোম্পানি আট বছর ধরে এই মিসাইল তৈরি নিয়ে কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে, শিগগিরই এটি হাতে পাবে মার্কিন বাহিনী।এআইএম-২৬০ কার্যকর হলে এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অত্যাধুনিক মিসাইল।
এমি/এটিএন বাংলা