
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যের তপ্ত মরুভূমিতে এখন কেবল বারুদের গন্ধ নয়, যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারও। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ঘোষণা পুরো বিশ্বের অর্থনীতির ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি; অন্যথায় ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় সরাসরি হামলার হুঁশিয়ারি এসেছে হোয়াইট হাউস থেকে। একদিকে ট্রাম্পের এই চরমপত্র, আর অন্যদিকে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান আরও কয়েক সপ্তাহ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা—এই দুই ঘটনার সংঘাতময় আবহে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এখন আকাশচুম্বী। তবে কী এই যুদ্ধের দামামা কি শেষ পর্যন্ত আমাদের সাধারণ মানুষের পকেট খালি করার মূল কারণ হয়ে দাঁড়াবে?
এই উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে তেলের বাজারে। গত রোববার
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি যদি সত্যিই বন্ধ থাকে, তবে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতার ঢেউ এসে আছড়ে পড়েছে দেশের বাজারেও। সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট আর যুদ্ধের কারণে অনিশ্চয়তা তেলের বাজারকে অস্থির করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের এই উর্ধ্বগতি রুখে দেওয়া এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমদানিকারক দেশ হিসেবে আমাদের মতো দেশগুলো পড়েছে চরম বিপাকে। তেলের দাম বাড়লে কি শুধু পরিবহন খরচই বাড়ে?একদমই না,পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে নিত্যপণ্যের দামও।অর্থনীতির এই দুষ্টচক্র থেকে মুক্তির পথ খোঁজা এখন সময়ের দাবি।
সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপের কথা বললেও বৈশ্বিক এই ঝড় সামলানো কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় কাটছে না। তেলের এই বাড়তি দাম শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কতটা ভেতরে থাকবে, তা বলে দেবে সামনের দিনগুলো।