
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরানকে পারমাণবিক শক্তিধর হতে না দিতে শুরুতেই তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। তাতে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি বাড়লেও দিন দিন দেশটির অনমনীয় এবং প্রতিশোধের ধরন দেখে রীতিমত চমকে উঠছে শত্রুদেশগুলো। এমনকি ট্রাম্পকে সাহায্য করায় ব্রিটিশ ঘাটিতেও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর থেকে ইরানের সক্ষমতার প্রতি নতুন করে ভয় ধরেছে পশ্চিমা বিশ্বেরও।
এছাড়াও ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে ইসরাইল হামলা করবে না বলার পরও যখন দখলদার দেশটি নাতাঞ্জ পরমাণু কেন্দ্রে হামলা করে বসে তখন আর যেন ছাড় দিতে নারাজ ইরান। এরপর সেটার প্রতিশোধ যে ইরান কতটা ভয়াবহ ভাবে নেবে তা বোধহয় আচও করতে পারেনি নেতানিয়াহুর ইসরাইলি বাহিনী। ইসরায়েলের দিমোনা পারমাণবিক রিসার্চ সেন্টারে
আর সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ইসরাইলে এবার রেকর্ড সংখ্যক মিসাইল ছুড়ে হামলা চালিয়েছে ইরান। আর তাতে গোটা দেশই কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভয়াবহ এই হামলার পর আক্রান্ত এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস আইডিএফ-এর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছে যে ইরান তাদের ওপর ৪০০র বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে। আর তাতে তছনছ হয়ে গেছে তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপণাসহ ইহুদিদের বাড়িঘরও।
তাদের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ৪০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তেহরান। হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও আইডিএফ দাবি করেছে যে সেগুলোর ৯২ শতাংশই ধ্বংস করেছে তারা। তবে ইসরাইলের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখে রীতিমত মাথায় হাত নেতানিয়াহুর প্রশাসনের। এমনকি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার স্থান পরিদর্শন করতে এসে ইরানেরন এমন হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রী।