
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য প্রতিদিন অল্প পরিমাণ সোডিয়াম প্রয়োজন হলেও অতিরিক্ত সোডিয়াম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বেশি সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে হৃদযন্ত্র ও রক্তনালির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে হৃদ্রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই প্রতিদিনের খাবারে লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কম সোডিয়ামযুক্ত খাবারের পরিচিত পদ্ধতিগুলোর একটি হলো ড্যাশ খাদ্যপদ্ধতি। এতে ফল, সবজি ও পূর্ণ শস্য বেশি এবং বাদাম ও কম চর্বিযুক্ত দুধজাত খাবার পরিমিত রাখা হয়। অন্যদিকে লাল ও প্রক্রিয়াজাত মাংস কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে শুধু এই খাদ্যপদ্ধতি অনুসরণ নয়, দৈনন্দিন খাবারে কিছু সহজ পরিবর্তন এনেও সোডিয়াম গ্রহণ কমানো সম্ভব।
প্রথমত, কৌটাজাত, প্রক্রিয়াজাত ও
বাইরে খাওয়ার সময়ও বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ফাস্টফুডের কিছু খাবারে অত্যধিক সোডিয়াম থাকতে পারে। তাই বড় পরিবেশন এড়িয়ে খাবার ভাগ করে খাওয়া, কম সোডিয়ামযুক্ত খাবার বেছে নেওয়া এবং সম্ভব হলে খাবারে কম লবণ দেওয়ার অনুরোধ করা যেতে পারে। একই সঙ্গে লবণ একবারে বাদ না দিয়ে ধীরে ধীরে পরিমাণ কমানো উচিত। এতে জিহ্বা কম লবণের স্বাদে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত লবণের প্রয়োজনও কমে আসবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের জন্য সোডিয়াম প্রয়োজন হলেও অতিরিক্ত সোডিয়াম এড়িয়ে চলা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং হৃদযন্ত্র ও রক্তনালির সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই একসঙ্গে বড় পরিবর্তন না এনে প্রতিদিনের খাবারে ছোট ছোট পরিবর্তন আনা যেতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবারকে প্রাধান্য দিয়ে পরিমিত লবণ ব্যবহার এবং ধীরে ধীরে কম লবণের স্বাদে অভ্যস্ত হওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে। সূত্র: হার্ভার্ড
টি/