
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ঋতু পরিবর্তনের সময় জ্বরে আক্রান্ত হওয়া খুবই সাধারণ। অনেকেই জ্বরকে আলাদা কোনো রোগ মনে করলেও এটি মূলত শরীরে কোনো সংক্রমণ বা সমস্যার বিরুদ্ধে দেহের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পানি পান ও সঠিক পরিচর্যায় জ্বর ভালো হয়ে যায়। তবে এ সময় কিছু ভুল অভ্যাস সুস্থ হতে দেরি করাতে পারে। তাই জ্বর হলে খাবার, পানি পান ও দৈনন্দিন পরিচর্যার বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
জ্বরের সময় শরীরের তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায়। এতে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে এবং মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা ও দুর্বলতার মতো সমস্যা বাড়তে পারে। এ কারণে জ্বর হলে অল্প অল্প করে নিয়মিত পানি পান
জ্বরের সময় ঠান্ডা বা বরফঠান্ডা পানিতে গোসল করাও ঠিক নয়। অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি শরীরে কাঁপুনি তৈরি করতে পারে, যা শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই গোসলের প্রয়োজন হলে হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা ভালো। চাইলে কুসুম গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছেও নেওয়া যায়। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি, কারণ শরীর তখন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
শুধু ওষুধ খেলেই দ্রুত জ্বর সেরে যাবে—এমন ধারণাও ঠিক নয়। জ্বরের সময় শরীরকে বাড়তি চাপ না দিয়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, প্রয়োজনীয় পানি ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর রাখা প্রয়োজন। সঠিক পরিচর্যা শরীরকে স্বাভাবিকভাবে সুস্থ হওয়ার সুযোগ দেয় এবং জ্বরের সময় বাড়তি জটিলতার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।
হালকা জ্বরের ক্ষেত্রে অনেক সময় বাড়িতে বিশ্রাম ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যাই যথেষ্ট হতে পারে। তবে দীর্ঘসময় ধরে বেশি জ্বর থাকা, তীব্র শরীরব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে জ্বরের সঙ্গে গুরুতর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে নিজে থেকে চিকিৎসা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। তাই জ্বর হলে আতঙ্কিত না হয়ে পর্যাপ্ত পানি, হালকা খাবার, বিশ্রাম ও সঠিক পরিচর্যার দিকে নজর দেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
টি/