
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম খাবারের স্বাদ ও রং বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের জন্যও উপকারী হতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ উপাদান শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এসব রঙিন সবজি রাখা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।
ক্যাপসিকাম সবুজ থেকে হলুদ ও লাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এতে থাকা কিছু উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদানের পরিমাণও বাড়ে। লাল ক্যাপসিকামে ক্যাপসানথিন, ক্যাপসোরুবিন ও লাইকোপেনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। অন্যদিকে হলুদ ক্যাপসিকামে লুটেইন ও ভায়োলাক্সান্থিনের মতো উপাদান পাওয়া যায়, যা শরীরের জন্য উপকারী হিসেবে বিবেচিত।
এসব অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে অক্সিডেটিভ চাপ কমাতে এবং কোষ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। লাল ক্যাপসিকামের বিভিন্ন ক্যারোটিনয়েড যেমন
ক্যাপসিকামের পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে রান্নার পদ্ধতির দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় বা অতিরিক্ত তাপে রান্না করলে বিশেষ করে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ কমে যেতে পারে। তাই কাঁচা সালাদ, হালকা ভাপে রান্না কিংবা অল্প তেলে দ্রুত স্টার-ফ্রাই করে খাওয়া যেতে পারে। ক্যারোটিনয়েড শরীরে শোষণে স্বাস্থ্যকর চর্বি সহায়ক হওয়ায় অল্প পরিমাণ অলিভ অয়েল বা সরিষার তেলের সঙ্গে ক্যাপসিকাম খাওয়াও উপকারী হতে পারে।
ক্যাপসিকাম কাটার সময় ভেতরের সাদা অংশ পুরোপুরি ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই; শক্ত বীজ ও কোর বাদ দিয়ে বাকি অংশ ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি ডাল, ছোলা বা পালং শাকের মতো খাবারের সঙ্গে লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম খেলে এতে থাকা ভিটামিন সি উদ্ভিজ্জ উৎসের আয়রন শোষণে সহায়তা করতে পারে। তবে ক্যান্সার প্রতিরোধে কোনো একটি খাবারের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্যসহ পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা জরুরি।
/টি