
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ডিম বাঙালির দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সকালের নাশতায় ওমলেট বা সেদ্ধ ডিম থেকে শুরু করে বিকেলের নাস্তায় পোচ—সব ক্ষেত্রেই ডিমের উপস্থিতি চোখে পড়ে। কম খরচে উচ্চমানের প্রোটিন সরবরাহ করার কারণে এটি দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয়। তবে ওজন কমানো, ডায়েট বা শরীরচর্চার ক্ষেত্রে অনেকেই কুসুম বাদ দিয়ে শুধু ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।
পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, ডিমের সাদা অংশে কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল থাকে না এবং এতে ক্যালোরিও কম। একটি ডিমের সাদা অংশে প্রায় ১৭ থেকে ১৮ ক্যালোরি ও ৩.৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। তাই যারা ওজন কমাতে চান বা যাদের কোলেস্টেরল, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস কিংবা কিডনির সমস্যার কারণে চিকিৎসক কুসুম
অন্যদিকে, ডিমের কুসুমকে পুষ্টির ভাণ্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে ভিটামিন এ, ডি, বি-১২, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা চোখ, মস্তিষ্ক ও শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয়। এছাড়া গোটা ডিমে প্রায় ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়, যা শুধু সাদা অংশের তুলনায় বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা বা চিকিৎসকের নিষেধাজ্ঞা না থাকলে কুসুমসহ গোটা ডিম খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।
শরীরচর্চা বা বডি বিল্ডিং করেন এমন ব্যক্তিদের প্রোটিনের চাহিদা তুলনামূলক বেশি থাকে। এ ক্ষেত্রে তারা একটি গোটা ডিমের সঙ্গে আরও এক থেকে দুটি ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন। এতে অতিরিক্ত চর্বি বা ক্যালোরি না বাড়িয়ে প্রয়োজনীয় প্রোটিন গ্রহণ সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, সুস্থ মানুষের জন্য কুসুমসহ গোটা ডিমই সর্বোত্তম খাদ্য, আর বিশেষ স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শুধু সাদা অংশ খাওয়া উচিত।
/টি