
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
বয়স বাড়া জীবনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও এর সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া, শক্তি হ্রাস এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হওয়া অনেকের কাছেই উদ্বেগের বিষয়। এ কারণে বর্তমানে ‘হেলদি এজিং’ বা সুস্থভাবে বয়স বৃদ্ধির ধারণা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কেউ বিভিন্ন অ্যান্টি-এজিং চিকিৎসার ওপর নির্ভর করছেন, আবার অনেকে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসকে বেছে নিচ্ছেন দীর্ঘদিন তারুণ্য ধরে রাখার উপায় হিসেবে।
ওয়েলনেস ইনফ্লুয়েন্সার জারিনা মানায়েনকোভা দাবি করেছেন, তার প্রকৃত বয়স ৩৯ হলেও বায়োলজিক্যাল বয়স মাত্র ২৫। তার মতে, এই পার্থক্যের অন্যতম কারণ হলো সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, দৈনন্দিন খাবার শরীরের বয়স, ত্বকের স্বাস্থ্য, শক্তির মাত্রা এবং প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মানায়েনকোভার খাদ্যতালিকায় বিশেষ গুরুত্ব পায়
রঙিন সবজি এবং বিভিন্ন ধরনের বাদামও তার খাদ্যতালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গাজর, কুমড়া, মিষ্টি আলুসহ উজ্জ্বল রঙের সবজিতে থাকা বেটা-ক্যারোটিন ও লাইকোপিন ত্বককে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব থেকে রক্ষা করে। অন্যদিকে আলমন্ড, আখরোট, পিস্তাচিও ও হ্যাজেলনাটে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান প্রদাহ কমাতে এবং বয়সজনিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি হ্রাসে ভূমিকা রাখে।
এছাড়া প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ ফার্মেন্টেড খাবার, যেমন সাওয়ারক্রাউট ও আচার, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সানস্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাসও সুস্থ ও সুন্দরভাবে বয়স বাড়ার জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অনুসরণ করলে ৪০-এর পরেও তারুণ্য ও প্রাণশক্তি ধরে রাখা সম্ভব হতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি
/টি