
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মক্কার মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে অবস্থিত জমজম কূপের পানি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত বরকতময় ও মর্যাদাপূর্ণ। হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের পাশাপাশি বিশ্বের সব মুসলমানের জন্য জমজমের পানি পান করা মুস্তাহাব। নবীজি (সা.) নিজেও জমজমের পানি পান করেছেন। হজরত আবু জর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৭৩)
জমজমের পানির বিশেষ মর্যাদার কারণে নবীজি (সা.) তা বহনও করতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) পাত্র ও মশকে করে জমজমের পানি সঙ্গে নিয়ে যেতেন। অসুস্থদের ওপর তা ছিটিয়ে দিতেন এবং তাদের পান করাতেন। এ থেকে জমজমের পানির বরকত ও ফজিলত সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
জমজমের
জমজমের পানি দিয়ে অজু ও গোসলের বিষয়েও ইসলামী শরিয়তে কিছু বিধান রয়েছে। আগে থেকেই অজু আছে এবং ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় থাকলে শুধু বরকত লাভের নিয়তে জমজমের পানি দিয়ে নতুন করে অজু বা গোসল করা জায়েজ। পবিত্র কাপড় জমজমের পানিতে ভেজানোও জায়েজ। তবে অজু না থাকা অবস্থায় অন্য পানি থাকা সত্ত্বেও জমজমের পানি দিয়ে অজু করা বা ফরজ গোসল করা মাকরুহ। অন্য কোনো পানি না থাকলে জমজমের পানি দিয়ে অজু করা যাবে; তবে এমন অবস্থাতেও অপবিত্রতা দূর করার জন্য তা দিয়ে গোসল করা মাকরুহ।
তাই জমজমের পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর মর্যাদা ও আদব রক্ষা করা জরুরি। বরকত লাভের উদ্দেশ্যে মুখ, মাথা ও শরীরে জমজমের পানি ঢালা যেতে পারে। তবে শরীরের অপবিত্রতা দূর করা বা নাপাকি পরিষ্কার করার কাজে জমজমের পানি ব্যবহার না করাই উচিত। ইসলামী ফিকহের গ্রন্থ ফতোয়ায়ে শামী-তে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিধান উল্লেখ রয়েছে।
/টি