
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইসলামে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। শুক্রবারকে মুমিনদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ এই দিনকে অন্যান্য দিনের তুলনায় বিশেষ ফজিলত দিয়েছেন। জুমার নামাজ আদায় করা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে জুমার নামাজের আহ্বান শুনে দুনিয়াবি কাজকর্ম ছেড়ে আল্লাহর স্মরণে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে এগিয়ে যাও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; যদি তোমরা জানতে।’ (সুরা জুমা: ৯)। এ ছাড়া রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মুমিনের জন্য জুমার দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন।’ (ইবনে মাজাহ: ১০৯৮)।
জুমার দিনের
তবে জুমার নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করার ব্যাপারে হাদিসে কঠোর সতর্কবাণী এসেছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত পর পর তিন জুমা পরিত্যাগ করে, আল্লাহ তায়ালা তার অন্তরে মোহর মেরে দেন।’ (বুখারি: ১০৫২; তিরমিজি: ৫০২; মুসলিম: ১৯৯৯)। অন্য এক বর্ণনায় হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে এসেছে, পরপর তিন জুমা পরিত্যাগকারী ইসলামকে পেছনের দিকে নিক্ষেপ করল। এ থেকে জুমার নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে জুমার নামাজ সবার ওপর একইভাবে প্রযোজ্য নয়। হাদিসে ক্রীতদাস, নারী, অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু, মুসাফির ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে জুমার নামাজের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই সক্ষম ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমদের জন্য জুমার নামাজ আদায়ে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। একইভাবে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজও ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী, জুমা ও অন্যান্য ফরজ নামাজ যথাযথভাবে আদায় করার প্রতি প্রত্যেক মুসলমানের যত্নশীল হওয়া উচিত।
/টি