
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গ্রীষ্মের তপ্ত রোদে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন সুস্থ থাকাটাই হয়ে দাঁড়ায় বড় চ্যালেঞ্জ। চিকিৎসকদের মতে, এই মৌসুমে শরীরকে হিটস্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করতে সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। পর্যাপ্ত পানির পাশাপাশি প্রথাগত ও দেশি পানীয় গ্রহণ করলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যায়।
অত্যধিক গরমে বেলের শরবত হতে পারে আপনার সেরা সঙ্গী। ফাইবার, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ বেলের শরবত শুধু শরীরকে তাৎক্ষণিক শীতলই করে না, বরং এটি হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং গরমজনিত পেটের সমস্যা দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই শরবত পান করলে তীব্র তাপদাহেও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে এবং ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে আখের রস ও ছাতুর শরবতের বিকল্প নেই। আখের রসে থাকা প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ক্লান্তি দূর করে শরীরকে সতেজ করে তোলে। অন্যদিকে, প্রোটিন ও ফাইবারে ভরপুর ছাতুর শরবত দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখার পাশাপাশি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে, যা বাইরের রোদে কাজ করা মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
ঐতিহ্যবাহী পানীয় হিসেবে ঠান্ডাই ও জিরাপানি গ্রীষ্মের দুপুরে আনে প্রশান্তি। দুধ ও শুকনো ফল দিয়ে তৈরি ঠান্ডাই যেমন পুষ্টি জোগায়, তেমনি ভাজা জিরা, পুদিনা ও বিট লবণের সংমিশ্রণে তৈরি জিরাপানি হজমশক্তি বাড়িয়ে শরীরকে সজীব রাখে। এই পানীয়গুলো শরীরে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং গরমের ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে।
পরিশেষে, কৃত্রিম ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত কোমল পানীয়ের বদলে ঘরে তৈরি এসব প্রাকৃতিক পানীয় বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। গরমে সুস্থ থাকতে প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই দেশি পানীয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করলে তা আপনাকে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে এবং সারা দিন কাজের উদ্যম বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
/টিএ