
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস মুক্তি পেয়েছেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের মুক্তি দেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লিতে পৌঁছানোর পর তাদের আটক করেছিল পুলিশ।
তিন নেতার আইনজীবী সৌতিক বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তিনজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তারা এখন চলে যেতে পারবেন।
মুক্তির পর নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে সিজেপি। দলটি জানায়, অবশেষে দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে। পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘ককরোচরা (তেলাপোকা) কখনও মরে না।’
পুলিশের ভাষ্য
প্রধান নির্বাচন কমিশনার গনেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি ও বিরোধী দলগুলো। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তারা এ দাবি জানিয়ে আসছে।
বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশের সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে সাত হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়। তাদের জন্তর মন্তরে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয়।
বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার সময় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকারসহ বিরোধী দলের একাধিক নেতাকেও আটক করা হয়।
তিন নেতার মুক্তির পরও বিক্ষোভের কর্মসূচি থেকে সরে আসেনি সিজেপি। রোববার (১১ অক্টোবর) জন্তর মন্তরে আবারও বিক্ষোভের ডাক দেয় দলটি। এদিকে কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বজায় রাখতে ৩০ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া