
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
দফায় দফায় ভয়াবহ হামলা, মৃত্যুর মুখ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি!
চারদিকে ধ্বংসস্তূপ। কয়েক মুহূর্ত আগেও যেখানে ছিল হাসপাতাল, সেখানে এখন শুধু ইট-পাথরের স্তূপ। সেই ধ্বংসস্তূপের নিচেই আটকে ছিলেন মোজতবা খামেনি। উদ্ধার অভিযান চলছে, কিন্তু তিনি বেঁচে আছেন কি না, তখনও জানা নেই। অবশেষে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মিলল তার সন্ধান। জীবিত উদ্ধার করা হলো তাকে। ভয়ংকর সেই ঘটনাই পর এবার সামনে এসেছে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য।
মোজতবা খামেনি, যিনি ইরানের বর্তমান নতুন সর্বোচ্চ নেতা। কিন্তু পথটা মোটেও সহজ ছিল না। সর্বোচ্চ ক্ষমতায় আসার আগে তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে ভয়ংকর এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে। ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের সদস্য মহসেন হায়দারির বলেন, আহত অবস্থায়
ইরানে যখন ভয়াবহ হামলা চলছিল তখন তেহরানের তিনটি হাসপাতালে পরপর বোমা হামলা হয়। আর এই তিনটি হাসপাতালের মধ্যে তৃতীয় হাসপাতালেই ছিলেন মোজতবা। এ হামলার পর ধসে পড়ে হাসপাতাল ভবন। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন তিনি। পরে সেখান থেকেই তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেন হায়দারি। তবে এরপর ঘটে আরও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
৮ মার্চ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলার সময় কোম শহরের বিশেষজ্ঞ পরিষদে হামলার দাবি করেন হায়দারি। এতে আটজন নিহত হন এবং নির্বাচনের নথিপত্র ধ্বংস হয় বলে জানান তিনি। এরপর গোপন কক্ষে কাগজের ব্যালটে ভোট দেন সদস্যরা। ৫৯ ভোটের মধ্যে ৫০ ভোট পান মোজতবা খামেনি। আট ভোট যায় আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফির পক্ষে। একজন ভোটদানে বিরত থাকেন। এরপরই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামনে আসেন মোজতবা।
কিন্তু ক্ষমতার শীর্ষে উঠেও এখনো প্রকাশ্যে আসেননি তিনি। লিখিত বিবৃতিতেই সীমাবদ্ধ তার যোগাযোগ। বাবার জানাজাতেও দেখা যায়নি তাকে। এ নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানান, মোজতবার সঙ্গে তার দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে। আর ট্রাম্পের দাবি, মোজতবা মারা যাননি; তবে তিনি গুরুতর আহত। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, কবে প্রকাশ্যে আসবেন তিনি?