
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গত সপ্তাহের সহিংস সংঘর্ষের পর ব্যাপক দমন-পীড়ন ও কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও ইতালিতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রোম, তুরিন ও বোলোনিয়ায় কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের ঘটনায় নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৭১ জনকে সাময়িকভাবে আটক করে আটটি শহরের পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয়, যাদের মধ্যে ১১০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক।
বার্তা সংস্থা আনাদোলু ও ইতালির সংবাদ সংস্থা আনসার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরিনে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল ও আতশবাজি ছুড়লে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। রোমে মিছিল চলাকালে বোতল ছোড়ার পর জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। অন্যদিকে, বোলোনিয়ায় বিক্ষোভকারীদের বোতল ও পটকা নিক্ষেপের জবাবে পুলিশ তাদের পিছু হটিয়ে দেয়। এসব ঘটনায় শহরগুলোতে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ ছাড়া মিলান ও ফ্লোরেন্সেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার কয়েকটি অংশে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ আটকে দেয় পুলিশ। এর আগে গত সপ্তাহান্তে বিক্ষোভ চলাকালে সংঘটিত সহিংসতার তদন্তের অংশ হিসেবে মিলান, পার্শ্ববর্তী শহর মনজা এবং আরও ২০টি শহরে দেড় শতাধিক স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। পুলিশকে হুমকি দেওয়া, তাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা, যানবাহন ভাঙচুর এবং ভবনে আগুন দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগের তদন্তের সঙ্গে এসব তল্লাশির সম্পর্ক রয়েছে বলে আনসার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ানতেদোসি বলেছেন, পুলিশ ভারসাম্য ও পেশাদারত্বের সঙ্গে সহিংসতায় জড়িত গোষ্ঠীগুলোকে বিচ্ছিন্ন ও নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইতালিতে যারা দায়মুক্তি নিয়ে কাজ করার কথা ভাবছে, তাদের কোনো জায়গা নেই। গত সপ্তাহের সংঘর্ষের পর দেশজুড়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তবে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও নতুন করে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনায় দেশটির বিভিন্ন শহরে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
টি/