
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গ্রীষ্মকাল মানেই রসালো ও সুস্বাদু আমের মৌসুম। এ সময়ে আম খেতে ভালোবাসেন প্রায় সবাই। তবে দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে, আম খাওয়ার পরপরই কিছু নির্দিষ্ট খাবার খেলে হজমের সমস্যা বা শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। যদিও এ বিষয়ে সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় না, তবুও বিশেষজ্ঞরা সংবেদনশীল পাকস্থলীর ব্যক্তিদের কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
বিশেষ করে আম খাওয়ার পরপরই দুধ, দই, ঝাল ও অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলার কথা বলা হয়। অনেকের ক্ষেত্রে আমের সঙ্গে দুধ বা দই খেলে বদহজম, গ্যাস, পেটব্যথা কিংবা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। একইভাবে ঝাল ও মশলাদার খাবার পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি
এ ছাড়া আমের পরপরই সফট ড্রিংক, এনার্জি ড্রিংক বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় পান করাও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। আমে প্রাকৃতিক শর্করা থাকার কারণে এর সঙ্গে অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে, যা ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। একই সঙ্গে আম খাওয়ার পরপরই পানি পান না করে অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে এবং বদহজম, অ্যাসিডিটি বা পেট ফাঁপার ঝুঁকি কমে।
অন্যদিকে, আম খাওয়ার পরপরই ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খেলেও কিছু মানুষের হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে আমের সঙ্গে এসব খাবার খেলে সবারই সমস্যা হবে— এমন কোনো নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। যাদের হজমজনিত সমস্যা, অ্যাসিডিটি বা সংবেদনশীল পাকস্থলী রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এসব সংমিশ্রণ এড়িয়ে চলাই ভালো। নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝে পরিমিত পরিমাণে ও সঠিক সময়ে আম খাওয়াই সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।