logo
youtube logotwitter logofacebook logo

স্বাস্থ্যঝুঁকি

দূষিত শহরের তালিকায় আজ তৃতীয় ঢাকা - image

দূষিত শহরের তালিকায় আজ তৃতীয় ঢাকা

25 ফেব্রুয়ারি 2023, বিকাল 6:00

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় রাজধানীর অবস্থান আজ (রবিবার) তৃতীয়। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই)-এর তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় বাতাসের মান ছিল ১৮৬। এই মাত্রাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি, স্কোর ২৪৪। এর পরেই পাকিস্তানের শহর লাহোর ২৩৫ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয়। ভারতের মুম্বাইয়ের অবস্থান চতুর্থ, স্কোর ১৮০। এর পর আছে চীনের উহান, স্কোর ১৭৪। নেপালের কাঠমান্ডু, স্কোর ১৬৭। একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর। নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি—বছরের এই চার মাস ঢাকার বায়ু বেশি দূষিত থাকে। এর মধ্যে জানুয়ারিতে বায়ুর মান থাকে সবচেয়ে বেশি খারাপ।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৩
বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আজ ঢাকা চতুর্থ - image

বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আজ ঢাকা চতুর্থ

20 মে 2023, বিকাল 6:00

বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। আজ রোববার (২১ মে) সকাল ৯টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ১৬২ নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় রাজধানীর অবস্থান চতুর্থ। পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের দিল্লি ও চীনের শেনইয়াং যথাক্রমে ১৯০, ১৯০ ও ১৬৩ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম তিনটি স্থান দখল করেছে। ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয় এবং ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে, সেগুলো হলো—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

মে ২০, ২০২৩
আসুন পুরো বিশ্ব একযোগে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী - image

আসুন পুরো বিশ্ব একযোগে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

10 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এজন্য নিবেদিত কূটনৈতিক তৎপরতার বিকল্প নেই। বাংলাদেশ পুরোভাগে থাকবে। আসুন পুরো বিশ্ব একযোগে কাজ করি। মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জনস্বাস্থ্য ও কূটনীতি নিয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা বিশ্বমানের করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর গত সাড়ে ১৪ বছরে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হয়েছে। বিনামূল্যে ইনসুলিন দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। সরকার তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেছে উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমরা গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিতে আট হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করি। আরও আড়াই হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং আমাদের স্থাপিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দেয়। এতে করে গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করা হয়। সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯ সালে আবারও ক্ষমতায় এসে আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু করি। সেসময় সবমিলিয়ে সাড়ে ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যসেবা শুরু হয়। বর্তমানে সেগুলো থেকে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা সবার পাশাপাশি মানুষকে বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আশ্রিত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য হুমকি। আশা করি শিগগিরই মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেবে। দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমেই কেবল রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

জুলাই ১০, ২০২৩
রোববার থেকে খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক - image

রোববার থেকে খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

26 এপ্রিল 2024, বিকাল 6:00

তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে রোববার (২৮ এপ্রিল) খুলছে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়। তবে সব প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এক শিফটে বিদ্যালয় প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে। আর দুই শিফটের বিদ্যালয়গুলোতে ১ম শিফট সকাল ৮টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা এবং দ্বিতীয় শিফট পৌনে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব পর্যায়ে অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে। শনিবার (২৭ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য জানিয়েছেন। এতে বলা হয়, চলমান তাপপ্রবাহের কারণে কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলোতে শ্রেণি কার্যক্রম চালুর বিষয়ে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চলমান থাকবে। এক শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়গুলো প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে। দুই শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়গুলোর ১ম শিফট সকাল ৮টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা এবং দ্বিতীয় শিফট পৌনে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তাপপ্রবাহ সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) মাসুদ আকতার খান ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক স্কুল ‌খোলা-বন্ধের ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুসরণ করা হয়। মাধ্যমিক স্কুল যেহেতু খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই প্রাথমিক স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে জানানো হবে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আগামী ২৮ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে। চলমান তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখায় যে শিখন ঘাটতি হয়েছে তা পূরণ করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শনিবারও শ্রেণি কার্যক্রম চলবে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
ভেজাল ওষুধ নিয়ন্ত্রণ করা বিরাট চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী - image

ভেজাল ওষুধ নিয়ন্ত্রণ করা বিরাট চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

02 জুলাই 2024, বিকাল 6:00

ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ ব্যবহারে প্রতিনিয়ত বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এটি নিয়ন্ত্রণ করা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাউথ-ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বার্ষিক সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর জাতীয় নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে সংস্থাটি। ডা. সামন্ত লাল বলেন, সাউথ-ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর এই সমাবেশ আমাদের অঞ্চলে ওষুধের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণকে শক্তিশালী করার জন্য একটি মূল্যবান সুযোগ তৈরি করেছে। আমরা সবাই জানি, ওষুধের নিরাপত্তা কার্যকারিতা এবং গুণমান নিশ্চিত করা আমাদের জনগণের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নমানের এবং ভেজাল ওষুধের অব্যাহত ঝুঁকি আমাদের জন্য বিরাট একটি চ্যালেঞ্জ।তিনি আরও বলেন, সাউথ-ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করে আমরা এই চ্যালেঞ্জগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলায় যৌথ দক্ষতা, সম্পদ এবং অভিজ্ঞতাতে কাজে লাগাতে পারি। তথ্য আদান-প্রদান, সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যসেবার এই উদীয়মান হুমকিগুলো মোকাবিলা করার মতো সক্ষমতা অর্জন করতে পারব। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. আহমেদুল কবীর। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং তিমুর-লেস্তের প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকরা সভায় অংশ নেন।

জুলাই ০২, ২০২৪
আজ বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বায়ুদূষিত শহর হিসেবে ঢাকা অবস্থান করছে,  শীর্ষস্থানে রয়েছে বেইজিং। - image

আজ বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বায়ুদূষিত শহর হিসেবে ঢাকা অবস্থান করছে, শীর্ষস্থানে রয়েছে বেইজিং।

28 ফেব্রুয়ারি 2025, বিকাল 6:00

ঢাকার বায়ুদূষণ অব্যাহত, আজও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রাজধানী ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর রয়ে গেছে। শুক্রবারের তুলনায় আজ, শনিবার, দূষণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) ২২৫ রেকর্ড করা হয়েছে। বিশ্বের ১২৫টি দেশের মধ্যে আজ ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দূষিত শহর হিসেবে। শীর্ষস্থানে রয়েছে চীনের বেইজিং, যেখানে বায়ুমান সূচক ২৪৮। শীর্ষ পাঁচ দূষিত শহরের তালিকায় আরও রয়েছে উজবেকিস্তানের তাসখন্দ (১৯৪), ইরাকের বাগদাদ (১৮২) এবং ভারতের দিল্লি (১৬৯)। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান **আইকিউএয়ার** নিয়মিতভাবে বাতাসের মান বিশ্লেষণ করে। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের মূল কারণ। এই মাত্রাতিরিক্ত দূষণ শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা, হৃদ্‌রোগ এবং ক্যানসারের মতো দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বায়ুমান সূচক ও দূষণের মাত্রা বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসারে— ✅ **বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে** থাকলে তা বিশুদ্ধ বাতাস বলে বিবেচিত হয়। ✅ **৫১-১০০** এর মধ্যে থাকলে তা সহনীয়। ✅ **১০১-১৫০** হলে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য অস্বাস্থ্যকর। ✅ **১৫১-২০০** হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর। ✅ **২০১-৩০০** হলে বাতাস খুব অস্বাস্থ্যকর বলে ধরা হয়। ✅ **৩০০-এর বেশি হলে** তা বিপর্যয়কর দূষণ নির্দেশ করে। স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সতর্কতা বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে বহু মানুষ মারা যায়। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে)** প্রকাশিত ২০২৩ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সৃষ্ট বায়ুদূষণ প্রতি বছর প্রায় ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, গৃহস্থালি ও পরিবেষ্টিত বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে প্রতি বছর ৬৭ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার বাতাস অত্যন্ত দূষিত থাকায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়** বাইরে বের হলে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষত, সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। দূষণ কমানোর নির্দেশনা বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিভিন্ন নির্দেশনা জারি করেছে, যার মধ্যে রয়েছে— - ইটভাটা ও শিল্পকারখানার মালিকদের কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা। - নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা ও পানি ছিটানো। - নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া। - পুরোনো ও ধোঁয়া নির্গতকারী যানবাহন রাস্তায় না নামানো। দূষণের ধারা অব্যাহত ঢাকার বায়ুদূষণ কমার কোনো লক্ষণ নেই। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের নভেম্বরে বায়ুর মান ১০% পর্যন্ত খারাপ হয়েছে। বিশেষ করে, ডিসেম্বর মাসে ঢাকার বাতাস ছিল বছরের সবচেয়ে বেশি দূষিত।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
ঢাকার বাতাসের মানের উন্নতি হয়নি, বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে দিল্লি। - image

ঢাকার বাতাসের মানের উন্নতি হয়নি, বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে দিল্লি।

11 মার্চ 2025, বিকাল 6:00

রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রায় কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবারের মতো আজ বুধবারও ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর রয়ে গেছে। আজকের (বুধবার) বিশ্বব্যাপী বায়ুদূষণের সূচকে ১২৫টি দেশের মধ্যে ঢাকা পঞ্চম স্থানে রয়েছে, যা গতকালও একই অবস্থানে ছিল। মঙ্গলবার সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকার একিউআই স্কোর ছিল ১৮৩, যা আজ সকাল ৮টা ২৩ মিনিটে কিছুটা কমে ১৭৯ হয়েছে। যদিও এই মান অস্বাস্থ্যকর বাতাসের সীমার মধ্যেই পড়ে। একিউআই অনুযায়ী, আজ বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহর হিসেবে ভারতের দিল্লি (২২৯) শীর্ষে রয়েছে, এর পরেই রয়েছে মুম্বাই (১৯৫)। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে যথাক্রমে পোল্যান্ডের ওয়ারস (১৯৩) ও নেপালের কাঠমান্ডু (১৯০)। আইকিউএয়ারের ২০২৪ সালের ১২ মার্চ পর্যন্ত রেকর্ডকৃত তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, আর প্রথম স্থানে আছে আফ্রিকার দেশ চাদ। গত বছরও সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও চাদ শীর্ষে ছিল। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার নিয়মিতভাবে একিউআই বিশ্লেষণ করে বায়ু পরিস্থিতির প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাদের তথ্যমতে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা (PM2.5) দূষণের মূল কারণ। এই দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের মতো জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মানদণ্ড অনুযায়ী, একিউআই সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বাতাস বিশুদ্ধ বলে বিবেচিত হয়। ৫১-১০০ হলে সহনীয়, ১০১-১৫০ হলে সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর (শিশু ও বয়স্ক) জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর, ২০১-৩০০ হলে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর বেশি হলে তা ভয়াবহ দূষিত বলে গণ্য হয়। বায়ুদূষণের ফলে প্রতি বছর বহু মানুষ মৃত্যুবরণ করে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (BMJ) প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, গৃহস্থালি ও পরিবেশগত দূষণের সম্মিলিত প্রভাবে প্রতি বছর প্রায় ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার বাতাস চরম দূষিত থাকার কারণে বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। বিশেষ করে সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীকে (শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা) জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া, ইটভাটা ও শিল্পকারখানার মালিকদের কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা এবং পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো বা ধোঁয়া ছড়ানো যানবাহন রাস্তায় নামতে না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৫
ঢাকা আবারও বায়ুদূষণের শীর্ষে, বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ - image

ঢাকা আবারও বায়ুদূষণের শীর্ষে, বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’

16 এপ্রিল 2025, বিকাল 6:00

আজ আবারও বায়ুদূষণে শীর্ষে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। টানা কয়েক দিন অপেক্ষাকৃত সহনীয় থাকার পর রাজধানীর বায়ুমানে ফের অবনতি ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান ছিল ১৮৬, যা বিশ্বের শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ। গত কয়েক দিনের তুলনায় আজকের অবস্থান অনেক খারাপ। গতকাল বুধবার AQI ছিল ১২৯ এবং শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান ছিল ১০ নম্বরে। তার আগের দিন মঙ্গলবার ঢাকার AQI ছিল ১১৫ এবং অবস্থান ছিল ২০তম। আজকের তালিকায় ঢাকার পর বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে সেনেগালের ডাকার (১৭৪), নেপালের কাঠমান্ডু (১৭০), ভিয়েতনামের হ্যানয় (১৫৭) ও চীনের বেইজিং (১৫৩)। আইকিউ-এয়ার জানায়, ঢাকার বায়ুদূষণের মূল কারণ হলো বাতাসে অতিক্ষুদ্র ধূলিকণা বা পার্টিকুলেট ম্যাটার। এই ধরনের দূষণ শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা, হৃদ্‌রোগ এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। বায়ুর মান নির্ধারণে আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, একিউআই স্কোর ৫০-এর নিচে থাকলে তা বিশুদ্ধ, ৫১-১০০ সহনীয়, ১০১-১৫০ সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য ক্ষতিকর, ১৫১-২০০ সকলের জন্য অস্বাস্থ্যকর, ২০১-৩০০ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০’র বেশি হলে পরিবেশকে বিপজ্জনক হিসেবে ধরা হয়। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের ২০২৩ সালের একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে, শুধু জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে উৎপন্ন বায়ুদূষণের কারণেই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ৫২ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, গৃহস্থালি ও বাইরের বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে প্রতিবছর প্রায় ৬৭ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। এই পরিস্থিতিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় নাগরিকদের বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া দূষণ কমাতে কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে—যেমন, ইটভাটা ও কারখানাগুলোর বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও ঘের দেওয়া, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, পরিবহন চলাচলের সময় ঢেকে নেওয়া, আশপাশে নিয়মিত পানি ছিটানো এবং ধোঁয়া সৃষ্টিকারী পুরোনো যানবাহন রাস্তায় না নামানো।

এপ্রিল ১৬, ২০২৫
হজ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত সৌদি সরকারের - image

হজ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত সৌদি সরকারের

11 নভেম্বর 2025, সকাল 11:00

হজ ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি, যা প্রত্যেক সামর্থবান মুসলমানের জীবনে অন্তত একবার পালন করা ফরজ। আসন্ন হজ মৌসুমকে সামনে রেখে সৌদি সরকার হজযাত্রীদের জন্য নতুন স্বাস্থ্যবিধি জারি করেছে। এর অধীনে প্রত্যেক হজযাত্রীকে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি না থাকার বিষয়ে একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। এজন্য হজযাত্রী পাঠানো সব দেশকে তাদের নাগরিকদের পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে সেই প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। তবে প্রশ্ন হচ্ছে—কোন কোন রোগ থাকলে হজ পালনের অনুমতি দিবেনা সরকার!সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব ব্যক্তি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত, তাদের হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে না। মূলত শারীরিকভাবে অক্ষম বা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকা কোনো ব্যক্তি যেন পবিত্র হজের সময় কোনো সমস্যায় না পড়েন, সে লক্ষ্যেই এই নির্দেশনা। এতে হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য।চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শরীরের প্রধান অঙ্গগুলো অকার্যকর বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে হজের অনুমতি দেওয়া হবে না। যেমন—ডায়ালাইসিসে থাকা কিডনি রোগী, গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, সারাক্ষণ অক্সিজেন প্রয়োজন হয় এমন ফুসফুস রোগী এবং ভয়াবহ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না। একইভাবে, গুরুতর মানসিক বা স্নায়বিক ব্যাধি এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার ক্ষেত্রেও হজে অনুমতি মিলবে না।এছাড়া, যক্ষ্মা, ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বরের মতো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং যারা ক্যানসারের কারণে কেমোথেরাপি বা ইমিউনোথেরাপি নিচ্ছেন, তাদেরও হজে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না। এসব রোগের মাধ্যমে অন্য হজযাত্রীদের সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে বলে সৌদি সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।হজযাত্রী পাঠানো প্রতিটি দেশকে ‘নুসুক মাসার’ নামক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে স্বাস্থ্য সনদ ইস্যু করতে বলা হয়েছে। এই সনদের মাধ্যমে হজযাত্রীর স্বাস্থ্যঝুঁকি না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। সৌদি সরকারের মনিটরিং দল এসব সনদের সত্যতা যাচাই করবে এবং কোনো দেশের হজযাত্রী তালিকায় অনুপযুক্ত ব্যক্তি পাওয়া গেলে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। /টিএ

নভেম্বর ১১, ২০২৫
বাড়ছে গরম, যেসব সাবধানতা জরুরি - image

বাড়ছে গরম, যেসব সাবধানতা জরুরি

09 এপ্রিল 2026, বিকাল 11:39

দেশজুড়ে তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমে শরীর থেকে প্রচুর ঘাম ঝরে যাওয়ায় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আর্দ্রতা ও পরিবেশগত কারণে দেখা দিচ্ছে নানা জটিলতা। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা এই তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। সাধারণত ঘামাচি ও ত্বকের সমস্যার পাশাপাশি লিভার ইনফেকশন, ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও হেপাটাইটিসের মতো পানিবাহিত রোগের প্রকোপ এই সময়ে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়।চিকিৎসকদের মতে, রাস্তার পাশের অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অপরিষ্কার পানি পানই এসব রোগের প্রধান কারণ। শরীর সুস্থ রাখতে দিনে কয়েকবার গোসল করা এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পানিশূন্যতা রোধে ডাবের পানি, ফলের রস, ওরস্যালাইন বা ঘরে তৈরি লবণ-চিনির শরবত বেশ কার্যকর। তবে প্যাকেটজাত জুস এড়িয়ে সবসময় তাজা ফলের রস খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।রোদে বের হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বাইরে বের হলে ছাতা ব্যবহার করা, সানস্ক্রিন মাখা এবং হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা জরুরি। অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে; এমন পরিস্থিতিতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত ছায়াযুক্ত স্থানে নিয়ে শরীর ঠান্ডা পানি দিয়ে মোছাতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে, হিটস্ট্রোকের প্রাথমিক পর্যায়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মুখে কিছু খাওয়ানো যাবে না।শিশুদের ক্ষেত্রে গরমকাল আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। শিশুর অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, পাতলা পায়খানা, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা চোখ বসে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে যেসব শিশু মায়ের দুধ পান করে, তাদের ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানোই এই সময়ে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিকার। পাশাপাশি গরমকালে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা ও মশারি ব্যবহার করা আবশ্যক।গরমকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচতে ব্যক্তিগত সচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাই এখন প্রধান অস্ত্র। পানীয় জল ও খাবারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। নিরাপদ থাকার জন্য প্রয়োজনে ভালো মানের বোতলজাত পানি পান এবং বাইরের খোলা খাবার বর্জন করে বাড়িতে তৈরি খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।/টিএ

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo