logo
youtube logotwitter logofacebook logo

কাঁপছে

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ - image

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ

10 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

যদি বলা হয় বাংলাদেশ দল এখন লাইফ সাপোর্টে, তবে ভুল হবে না। বাঁচা-মরার শেষ লড়াই না হোক, মান বাঁচানোর শেষ লড়াইয়ে বাংলাদেশ। দেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার শঙ্কা বেশ ভালোভাবেই চেপে ধরেছে টাইগারদের, গত নয় বছরে যা কখনো ঘটেনি! ২০১৪ সালে শেষবার দেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশের তিক্ত স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর এই লজ্জা তো দূর, ইংল্যান্ড ব্যতিত কারো কাছে সিরিজও হারেনি তারা। নয় বছর পর আবারো সেই লজ্জার আশঙ্কায় কাঁপছে টাইগাররা, সেই আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে আফগানিস্তান। ইতোমধ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২-০ তে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। খুঁইয়েছে সিরিজও। যেখানে হারের চেয়েও চক্ষুশূল হারের ধরণ। ব্যাট হাতে যেন রীতিমতো অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে দল। লেগস্পিন জুজু কাঁটাতেই পারছে না। বল হাতেও পেসাররা সেরাটা দিতে পারছেন না। ব্যাটে-বলে একেবারেই নিস্প্রভ একটা সিরিজ কাঁটছে। দুই ম্যাচের কোনোটাতেই দুই শ’র ঘরে পৌঁছায়নি দলীয় সংগ্রহ। প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৬৯ রান করলে বৃষ্টি আইনে ১৭ রানে হারে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অলআউট হয় ১৮৯ রানে। ১৪২ রানে জয় পায় আফগানিস্তান। প্রথম ম্যাচে তাওহীদ হৃদয় আর দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিকের একটি করে ফিফটি ছাড়া ব্যর্থ সবাই। ভিন্ন দুই উদ্বোধনী জুটি মিলেও ভালো ভিত গড়ে দিতে পারেনি কোনো ম্যাচেই। সাকিব আল হাসানের মতো অভিজ্ঞর পাশাপাশি ছন্দে থাকা লিটন-শান্তও ব্যর্থ উভয় ম্যাচে। মিডল অর্ডার ও লোয়ার অর্ডারও পারেনি প্রত্যাশা মেটাতে।গত ৫ জুলাই বুধবার প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছিল উভয় দল। মাঝে দুই দিনের বিরতির পর ৮ জুলাই দ্বিতীয় ম্যাচ খেলে তারা। আজ মঙ্গলবার সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। প্রথম দুই ম্যাচের মতে এই খেলাও গড়াবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায়।

জুলাই ১০, ২০২৩
জাপানে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ৬ - image

জাপানে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ৬

01 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

নতুন বছরের প্রথম দিনে জাপানের মধ্যাঞ্চলে অনুভূত হওয়া বড় ধরনের ভূমিকম্পে কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে সাগরে সৃষ্টি হয় চার ফুট উচ্চতার সুনামি, ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাড়িঘর, আগুন ধরে যায় কোথাও কোথাও। গতকাল সোমবারের (১ জানুয়ারি) এই ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে। গণমাধ্যমের খবরগুলোতে দেখানো হচ্ছে কাত হয়ে পড়া দালানকোঠা, ডুবে যাওয়া নৌকা আর অসংখ্য পোড়া বাড়িঘর। এ ছাড়া স্থানীয় এলাকাগুলো বরফশীতল রাতের বেলায় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পটি মূল ভূখণ্ডের হনশু দ্বীপের ইশিকাওয়া এলাকায় আঘাত করে। তবে জাপানের কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৬। আর এটি এর আগের ৯০টি ভূমিকম্পের চেয়ে জোড়ালো ছিল। সোমবার স্থানীয় সময় দিনগত রাত ১টায় এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। খবর এএফপির। ভূমিকম্পে সোমবার চার ফুট উচ্চতার সুনামি সৃষ্টি হয় ওয়াজিমা এলাকায়। আশপাশের অনেক এলাকাতেও তৈরি হয় ছোট ছোট সুনামি। তবে আরও বড় ধরনের সুনামির আপাতত সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়েছে। ওপর থেকে তোলা ছবিতে দেখা যায়, সুজুর মাছঘাটে নৌকাগুলো ডুবে গেছে। এ ছাড়া ওয়াজিমা এলাকায় বেশকিছু বড় ধরনের আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এলাকাটির ৩২ হাজার ৭০০ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় সময় কাটাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ইশিকাওয়ায় বাড়িঘর ও গাড়িগুলো ভীষণভাবে কাঁপছে। দোকানপাট ও ট্রেনে আতঙ্কিত লোকজন ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে পড়েছে। বাড়িঘর ভেঙে পড়ছে আর রাস্তাগুলোতে তৈরি হয়েছে বড় বড় ফাটল। অগ্নি ও দুর্যোগ ব্যস্থাপনা সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রায় এক হাজার লোক সামরিক ঘাঁটিতে আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে সোমবার দিনের শেষভাগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক বৈঠকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা বলেন, ‘জরুরি বিভাগের কর্মীদের আমি  যেভাবেই হোক দ্রুত উপদ্রুত এলাকায় পৌঁছানোর নির্দেশনা দিয়েছি।’ সাংবাদিকদের কিশিদা বলেন, ‘এখন বেশ শীত পড়েছে। এজন্য আমি জরুরি সহায়তা পণ্য হিসেবে পানি, খাবার, কম্বল, গা গরম রাখার তেল, জ্বালানি, পেট্রোল সরবরাহের নির্দেশনা দিয়েছি।’

জানুয়ারি ০১, ২০২৪
১৩ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ - image

১৩ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ

12 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। এরমধ্যে দেশের ১৩ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এ অবস্থায় রোবাবর সকাল ৯টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এ ছাড়া রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসহ রংপুর বিভাগের (পঞ্চগড়, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলা) ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও দিনে ঠান্ডা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৪
বোমা ও মর্টার শেলের শব্দে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত - image

বোমা ও মর্টার শেলের শব্দে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত

02 নভেম্বর 2024, বিকাল 6:00

মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে। যার বোমা ও মর্টার শেলের শব্দে কাঁপছে বাংলাদেশের টেকনাফ সীমান্ত। রাতে বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত থেমে থেমে আবার টানা বোমা ও মর্টার শেলের ভারী শব্দ শুনতে পান। টেকনাফের হ্নীলা, সাবরাং, শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন সীমান্ত জুড়ে প্রতিবেশি দেশ মিয়ানমারের বিস্ফোরণের শব্দ এসে কানে লাগছে বাংলাদেশিদের। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমারে মংডু ও তার আশপাশের সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ চলছে। স্থানীয়রা আরও বলেন, শনিবার সকাল ও দুপুরে মিয়ানামার অংশে দুই-একবার হেলিকপ্টর উড়তেও দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হেলিকপ্টর থেকে বোমা নিক্ষেপ করছে সরকারি বাহিনী।

নভেম্বর ০২, ২০২৪
মিয়ানমারে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে - image

মিয়ানমারে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে

12 এপ্রিল 2025, বিকাল 6:00

গত মাসের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ধকল সয়ে ওঠার আগেই আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার। ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, এবারের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৬। সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার (২১.৭৫ মাইল) গভীরে আঘাত হেনেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ইএমএসসি জানায়, রোববার সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। ২৮ মার্চের পর থেকে মিয়ানমারে নিয়মিত ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে, গত শুক্রবারও একটি ভূমিকম্প হয়েছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানায়, ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ১০ কিলোমিটার গভীরে। মিয়ানমারে ২৮ মার্চ ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। বহু ভবন, সড়ক এবং সেতু ধ্বংস হয়ে যায়। সরকারি হিসাবমতো, অন্তত ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মানুষ আহত এবং ৪০০ এর বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। ভূমিকম্পের প্রভাব থাইল্যান্ডেও পড়েছিল। ব্যাংককে একটি নির্মীয়মাণ ৩০ তলা ভবন ধসে পড়লে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। মিয়ানমার এখনও সেই ভয়াবহ ভূমিকম্পের পরবর্তী বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত রয়েছে, এবং বারবার ভূমিকম্পের ধাক্কায় দেশটি কাঁপছে।

এপ্রিল ১২, ২০২৫
সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে তেঁতুলিয়া, ঢাকায় শীত কবে? - image

সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে তেঁতুলিয়া, ঢাকায় শীত কবে?

02 ডিসেম্বর 2025, বিকাল 4:20

দেশেরউত্তরাঞ্চলে শীতের দাপট দিন দিন আরও বাড়ছে। আর গত কয়েকদিনধরেই তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও কমতে শুরু করেছে। তবে এতেও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অনেক স্থানেই এখনো দেখা মেলেনি শীতের আমেজ। আর তাতে অনেকেরইপ্রশ্ন যে, কবে থেকে ঢাকায় শীত পড়তে পারে?এবছর কবে থেকে ঢাকায় শীত শুরু হবে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। গত বছর নভেম্বরেসারাদেশে হাড় কাঁপানো শীত পড়েছিলো। তবে ঢাকায় সেরকম কিছু লক্ষ্য করা যায়নি। চলতি বছরের নভেম্বরেও ঢাকায় শীতের প্রভাব দেখা যায়নি। তবে অনেক আবহওয়াবিদরা জানিয়েছেন যে এবারের শীত কিছুটা ধীরে নামবে। মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৭ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। টানা ৭ দিন ধরেএ উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরঘরে থাকায় ভোর ও সকালে শীতেরঅনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। আবহাওয়াবিদমো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শীত ধীরে ধীরে নামলেও ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে শীত আরও বাড়তে পারে। তখন থেকে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীত নামার গতি ঠিকই বোঝা যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহই হতে চলেছে এ মৌসুমের সবচেয়েঠান্ডা সময়। আর চলতি মাসেশৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে, মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে দেশের বড় অংশ কাঁপবে।আর উত্তরাঞ্চলে শীতের প্রভাব থাকবে আরও তীক্ষ্ণ, যা মানুষের দৈনন্দিনজীবন, পরিবহন এবং কৃষিকাজ সবখানেই প্রভাব পড়বে।তবেএ কয়েকদিন ধরে দেশের অন্যত্র সকাল থেকে ঝলমলে রোদের দেখা মেলায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে ২৬-২৯ ডিগ্রিসেলসিয়াসের মধ্যে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসার কারণে আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে একটু বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। এদিকে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ দূরে অবস্থান করায় উপকূলজুড়ে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত বজায় আছে। যদিও আপাতত বাংলাদেশের জন্য বড় কোনো ঝুঁকিনেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।  

ডিসেম্বর ০২, ২০২৫
শৈত্যপ্রবাহে দিশেহারা রংপুর, তিনদিনেই রেকর্ড মৃত্যু - image

শৈত্যপ্রবাহে দিশেহারা রংপুর, তিনদিনেই রেকর্ড মৃত্যু

05 জানুয়ারি 2026, বিকাল 5:43

গত কয়েকদিন ধরেই তীব্র শীতে কাঁপছে গোটা দেশ। ঘন কুয়াশা আর নিম্ন তাপমাত্রার হিমেল আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত উত্তরাঞ্চলের মানুষজন। বিশেষ করে রংপুরের নিম্নআয়ের মানুষগুলোর জন্য যেন অভিশাপ হয়ে এসেছে পৌষের এই রিক্ততা। কুয়াশার কারণে একদিকে যেমন বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা অন্যদিকে শীতের তীব্রতায় বাড়ছে অসুস্থতার দুর্ভোগ। ঠান্ডা জনিত অসুস্থতায় প্রতিদিন হাসপাতালে ভীড় বাড়ছে হাজার হাজার মানুষের। এমনকি ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিনদিনে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। আর তাতে সবকিছু ছাড়িয়ে রংপুর যেন হয়ে উঠেছে এক হিমশীতল মৃত্যুপুরী। শৈত্যপ্রবাহের কারণে ঠান্ডাজনিত রোগেরপ্রকোপে গত ৩ দিনেরংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৪২১ জন রোগী। এইবিপর্যয় উত্তরাঞ্চলের জনজীবনকে স্থবির করে দিয়েছে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে। হাসপাতালের মেডিসিন এবং শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এছাড়াও ঠান্ডাজনিত রোগ যেমন নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট এবং ডায়রিয়ার রোগীও দ্রুত বাড়ছে সেখানে।রংপুরমেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, শিশু এবং বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখাগেছে, রংপুর বিভাগে ঠান্ডাজনিত মৃত্যুর হার দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক বেশি। এর মূল কারণহিসেবে দারিদ্র্য এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিশ্লেষণে রংপুরে মৃত্যুর সংখ্যা অন্যান্য জেলার তুলনায় সর্বোচ্চ ছিল। হিমালয়ের কোল্ড ফ্রন্টের প্রভাবে এমন হাড়কাঁপানো শীত পড়ে এ অঞ্চলে।রংপুরআবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুসারে, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ার কারণে এখানে শীতের তীব্রতা অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে বেশি। গত তিন দিনধরে বরফশীতল হাওয়া এবং ঘন কুয়াশা চলছে, যা রাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন হতে পারে। আগামী ৫ দিন এই অঞ্চলে ঘনকুয়াশা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন তিস্তা, ধরলা এবং যমুনা নদী অববাহিকার চরাঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষজন। তবে সেখানে ইতোমধ্যেই ১২ হাজার ৫০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে এবং আরো সাহায্য দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলাটির ত্রাণও পুনর্বাসন কর্মকর্তারা। /টিএ

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
ইরান উত্তেজনায় কাঁপছে জ্বালানি বাজার, সরবরাহে বড় ধাক্কা - image

ইরান উত্তেজনায় কাঁপছে জ্বালানি বাজার, সরবরাহে বড় ধাক্কা

04 মার্চ 2026, সকাল 11:38

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–বিরোধী মার্কিন-ইসরাইল সামরিক অভিযানের প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি বাজারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সংঘাতের কারণে অঞ্চলের তেল উৎপাদন ও রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে বুধবার (৪ মার্চ) বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১ ডলারেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং পরিবহন ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণেই বাজারে এ ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।বার্তাসংস্থা রয়টার্স–এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১১ ডলার বা ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮২ দশমিক ৫৩ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৭৯ সেন্ট বা ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ দশমিক ৩৭ ডলারে। বাজারে বিনিয়োগকারীরা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।মঙ্গলবার ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি, পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক ইরাক উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে। মজুদের সীমাবদ্ধতা ও রপ্তানি রুট বন্ধ থাকায় দেশটি দৈনিক প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন কমিয়েছে, যা তাদের মোট উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে কয়েক দিনের মধ্যে আরও প্রায় ৩ মিলিয়ন ব্যারেল উৎপাদন বন্ধ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সংঘাতের আরেকটি বড় প্রভাব পড়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি–তে। এ প্রণালি দিয়ে বিশ্ব তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ইরান এখানে ট্যাংকারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করলে পাঁচটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে এবং টানা চার দিন প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে মার্কিন নৌবাহিনী তেল ট্যাংকারগুলোকে এসকর্ট দেবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা ও আর্থিক গ্যারান্টির ব্যবস্থাও করা হবে।তবে সামরিক সুরক্ষা ও বীমা সুবিধা বিশ্ববাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট হবে কি না—তা নিয়ে সংশয় রয়েছে জাহাজ মালিক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানি বিকল্প সরবরাহ ও রুট খুঁজতে শুরু করেছে। এদিকে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো লোহিত সাগর হয়ে রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত ৫ দশমিক ৬ মিলিয়ন ব্যারেল বেড়েছে, যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক বেশি। সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশের পর বাজারে আরও ওঠানামা দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।/টিএ

মার্চ ০৪, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo