
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যেকারণে সৌদির তেল স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স!
একের পর এক ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলো যখন চরম ঝুঁকিতে, তখন আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন। রিয়াদ ঐতিহাসিকভাবে ওয়াশিংটনকে তাদের প্রধান 'রক্ষাকবচ' ও পরম বন্ধু মনে করলেও, এই সংকটের মুহূর্তে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এমনকি পাকিস্তান কিংবা তুরস্কের মতো মুসলিম মিত্রদের সাথে সৌদি আরবের ঐতিহাসিক 'মক্কা চুক্তি' বা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা থাকা সত্ত্বেও, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাদের ভূমিকাও নেই বললেই চলে।
আমেরিকার এমন উদাসীনতার সুযোগে সৌদির পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় পরাশক্তি ফ্রান্স। লোহিত সাগর উপকূলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল ‘ইয়ানবু’ কে রক্ষা করতে সেখানে সেনা
হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ বা ঝুঁকিপূর্ণ থাকলে এই ইয়ানবু বন্দরটিই সৌদি আরবের তেল রপ্তানির প্রধান বিকল্প রুট হিসেবে কাজ করে। ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করে বলেছেন, ফ্রান্সের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য কোনো সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো নয়, বরং ইউরোপের জ্বালানি সরবরাহ মসৃণ রাখা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।
পরম বন্ধু আমেরিকার নিষ্ক্রিয়তার বিপরীতে ফ্রান্সের এই আকস্মিক ও সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ রিয়াদ ও প্যারিসের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল। বৈশ্বিক জ্বালানি রুটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্রান্সের এই প্রতিরক্ষামূলক মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে কতটুকু প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।