
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ভয়াবহ হামলায় দিশেহারা সৌদি, ইসরায়েলের সাথে চলছে গোপন যোগাযোগ!
চারদিকে অস্থিরতা। আকাশে আতঙ্ক, সমুদ্রে অনিশ্চয়তা। আর একের পর এক হামলায় বাড়ছে নিরাপত্তার চাপ। যে দেশ এতদিন নিজের শক্তিতেই শত্রুর মোকাবিলা করেছে, সেই দেশই এখন খুঁজছে অন্য এক শক্তির সহায়তা। কিন্তু সেই শক্তির নাম শুনলেই বদলে যায় পুরো গল্প! কারণ, সৌদির নিরাপত্তা সংকটের ছায়ায় এবার উঠে আসছে ইসরাইলের নাম। নেপথ্যে আবার রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও!
ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীদের একের পর এক ভয়াবহ হামলায় ক্রমেই চাপে পড়ছে সৌদি আরব। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশনে ড্রোন হামলা হয়েছে। ইয়েমেন সীমান্তের কাছের একটি মসজিদে সৌদি বেসামরিক নাগরিকদের ওপরও হামলার খবর এসেছে। আর এমন পরিস্থিতিতে ইরান
শুধু তাই নয়। ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদির এই গোপন আলোচনায় মধ্যস্ততাকারী হিসেবে রয়েছে অন্য আরেক পরাশক্তি। আঞ্চলিক কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, মার্কিন সেন্টকমের মধ্যস্থতায় এই যোগাযোগ হচ্ছে। অর্থাৎ, প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও নিরাপত্তার প্রয়োজনে ইসরাইলের গোয়েন্দা সক্ষমতার ওপর ভরসা করছে সৌদি আরব।
তবে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর তৎপরতা শুধু স্থলভাগেই থেমে নেই। এছাড়াও লোহিত সাগরের কৌশলগত এলাকাতেও তাদের কর্মকাণ্ড সৌদি জাহাজ চলাচল ও বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের কাছেও সামরিক সহায়তা চেয়েছে রিয়াদ। যার অংশ হিসেবে ব্রিটিশ সামরিক উপদেষ্টারা দেশটিতে সহায়তার জন্য কাজ করতে পারেন বলে জানা গেছে।
তবে এর মধ্যেই সামনে আসছে আরও বড় সমীকরণ। সৌদির বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টি নিয়েও চলছে টানাপোড়েন। তবে ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধান ছাড়া আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক চায় না রিয়াদ। তবুও ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীদের হামলা যেন পুরোনো দূরত্বের মাঝেও তৈরি করছে নতুন নিরাপত্তা যোগাযোগ।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই ভয়াবহ যুদ্ধের গতিবিধি কোন দিকে মোড় নিবে তা এখনো অনিশ্চিত। আর এরই মধ্যে এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন রয়েই যায়, শত্রুর হামলা ঠেকাতে কি শেষ পর্যন্ত ইসরাইলের গোয়েন্দা সহায়তার ওপরই ভরসা করতে হচ্ছে সৌদিকে?