
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
অ্যাপল ২০২৬ সালে তাদের আইফোন উন্মোচনের কৌশলে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটি প্রথমবারের মতো ফ্ল্যাগশিপ আইফোন দুটি ভিন্ন মৌসুমে বাজারে আনার পরিকল্পনা করেছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে উন্মোচিত হতে পারে আইফোন ১৮ প্রো, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স এবং অ্যাপলের বহুল প্রতীক্ষিত প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন। অন্যদিকে সাধারণ আইফোন ১৮, আইফোন ১৮ই এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের আইফোন এয়ার বাজারে আসতে পারে ২০২৭ সালের বসন্তে।
বিশ্লেষকদের মতে, ধাপে ধাপে নতুন ডিভাইস উন্মোচনের এই কৌশল অ্যাপলকে উৎপাদন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে প্রথম ফোল্ডেবল আইফোনের মতো জটিল ডিভাইস তৈরিতে নতুন উৎপাদন প্রযুক্তি ও নমনীয় ডিসপ্লে ব্যবহারের কারণে
ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোনে থাকবে প্রায় ৭.৮ ইঞ্চির নমনীয় মূল ডিসপ্লে এবং ৫.৫ ইঞ্চির বাহ্যিক স্ক্রিন। ডিভাইসটি আইফোন ১৮ প্রো সিরিজের সঙ্গে সেপ্টেম্বরের ইভেন্টে ঘোষণা করা হলেও প্রি-অর্ডার কয়েক সপ্তাহ পিছিয়ে যেতে পারে। ২০১৭ সালে আইফোন এক্স উন্মোচনের পর নভেম্বরে বাজারে ছাড়ার কৌশলের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘোষণা ও বাজারজাতকরণের মধ্যবর্তী এই সময় অ্যাপলকে উৎপাদন বাড়াতে এবং পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। এতে একদিকে যেমন নতুন পণ্য নিয়ে আগ্রহ বজায় থাকবে, অন্যদিকে সরবরাহ ব্যবস্থাপনাও সহজ হবে।
প্রাথমিক তথ্য বলছে, আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সের বাহ্যিক নকশা বর্তমান প্রজন্মের আইফোন ১৭ সিরিজের কাছাকাছি হতে পারে। তবে অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আনা হবে। সম্ভাব্য নতুন বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে আরও ছোট ডাইনামিক আইল্যান্ড, স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ৫জি কানেক্টিভিটি এবং ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে ডিজাইনে কিছু পরিমার্জন।
নতুন আইফোন সিরিজের দাম বাড়ার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। দ্রুতগতির নতুন মেমোরি প্রযুক্তিতে আপগ্রেড এবং র্যামের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এই অতিরিক্ত খরচের একটি অংশ গ্রাহকদের বহন করতে হতে পারে।
জানা গেছে, অ্যাপল অন্তত পাঁচটি নতুন আইফোন মডেল বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সংখ্যায় ফোল্ডেবল আইফোন উৎপাদনের লক্ষ্যও রয়েছে। তবে বৃহৎ পরিসরে ফোল্ডেবল স্মার্টফোন উৎপাদনের ক্ষেত্রে ডিসপ্লের স্থায়িত্ব, হিঞ্জের নির্ভরযোগ্যতা এবং স্ক্রিনে ভাঁজের দাগ কমানোর মতো চ্যালেঞ্জ এখনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যদিও একাধিক সূত্রের দাবি, উৎপাদন কার্যক্রম পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে এবং অ্যাপল এসব প্রযুক্তিগত সমস্যার বেশিরভাগই সমাধান করেছে। তবে নতুন ফোল্ডেবল আইফোন বাজারে আসার পর বাস্তব ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাই শেষ পর্যন্ত এর সফলতা নির্ধারণ করবে।
সূত্র: জুম বাংলা
/টি