
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। এ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ও আঞ্চলিক মিত্রদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। তবে ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এপির বরাতে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই কূটনীতিক এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন ট্রাম্প। সম্ভাব্য এ অভিযান কয়েক দিন ধরে চলতে পারে। তবে ইরান ও দেশটির মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পাল্টা হামলা চালালে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সম্ভাব্য পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিও বাড়ানো হয়েছে। গত মাসের শেষ দিকে বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টসহ কয়েকটি সামরিক জাহাজ এবং প্রায় ৯ হাজার সেনা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উদ্দেশে পাঠানো হয়।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান এখনো কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিতে চায়। যুদ্ধবিরতিতে ফিরতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সংঘাতের সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। দেশটি সামরিক উত্তেজনা বাড়ানোর পরিবর্তে রাজনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
এদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের নির্বাচনী প্রচারণায় চাপ সৃষ্টি করছে। যুদ্ধের ব্যয়ও ক্রমাগত বাড়ছে। পেন্টাগনের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭১০ কোটি ডলারে। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে নতুন সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় কি না, তা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
টি/