
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মক্কার পর এবার মদিনায় ভয়ারহ ড্রোন হামলা!
আমেরিকা কি তবে এটাই চেয়েছিল! মুসলিমদের নিজেদের ভেতর যুদ্ধ বাঁধিয়ে দেওয়াই কি তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল? মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনীতি আর একের পর এক পবিত্র স্থানে হামলার ঘটনা এখন বিশ্বজুড়ে এই বড় প্রশ্নটিই সামনে নিয়ে এসেছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য নীতি কি তবে মুসলিম দেশগুলোর দূরত্বকে এক চরম সংঘাতের দিকে ঠেলে দিল, যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে পবিত্র ভূমিগুলোকে? মক্কার পর এবার ইসলামের দ্বিতীয় পবিত্রতম নগরী মদিনায় ড্রোন হামলার দাবি সেই আশঙ্কাজনক প্রশ্নকেই নতুন করে উস্কে দিয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দাবি অনুযায়ী, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভোররাতে মদিনার 'তাইবাহ' বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে একটি ড্রোন
তবে হুথি বিদ্রোহীরা এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা ও ঘৃণ্য প্রোপাগান্ডা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার খবরকে তারা ভিত্তিহীন বলে দাবি করলেও, এই ঘটনা নিয়ে ওআইসি (OIC) সহ পুরো মুসলিম বিশ্বে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।
শত্রুতার জেরে মুসলিমদের পরম শ্রদ্ধার পবিত্র স্থানগুলো কেন বারবার নিশানা হবে—তা নিয়ে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের ক্ষোভ এখন আকাশচুম্বী। তবে কি এই হামলার নেপথ্যে কোনো অদৃশ্য সুতো কাজ করছে, যা মুসলিম উম্মাহকে চিরতরে বিভক্ত করতে চায়? রাজনৈতিক ক্ষমতার খেলায় পবিত্র ভূমির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এখন দেখার বিষয়, মুসলিম রাষ্ট্রগুলো কি এই অদৃশ্য ফাটল তৈরীর চক্রান্ত বুঝতে পেরে ঐক্যবদ্ধ হবে, নাকি চিরশত্রুতার অন্ধগলিতে হারিয়ে যাবে?