
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
শিশুদের এই হাসি ঈদে এক টুকরো মাংস পাওয়ার আনন্দের, এই হাসি না-পাওয়ার দীর্ঘ বঞ্চনা ভাঙার। যুদ্ধ আর দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতায় যেখানে উৎসব মানেই শূন্যতা, সেখানে ঈদের এই সামান্য প্রাপ্তিই তাদের কাছে স্বপ্ন পূরণের মতো। ত্যাগ আর ভাগাভাগির সেই মহিমা নিয়েই এবারের ঈদুল আজহা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ও সুদানে—মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে। দেশের ৩৬টি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে ফিলিস্তিন ও সুদানের বিপন্ন মানুষের দোরগোড়ায় কোরবানির গোশত পৌঁছে দিচ্ছে দেশের অন্যতম দাতব্য সংস্থা মাস্তুল ফাউন্ডেশন।
“একটি কোরবানি, হাজারো মুখে হাসি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাস্তুল ফাউন্ডেশন হাতে নিয়েছে এক বিশাল মানবিক কর্মযজ্ঞ। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে
শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই উদ্যোগ। যুদ্ধ, ক্ষুধা ও চরম দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত গাজা এবং সুদানের মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে আন্তর্জাতিক মানবিক নেটওয়ার্কের সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে বিশেষ কার্যক্রম। অবরুদ্ধ গাজার জাবালিয়া, রাফাহ, খান ইউনিস, নুসেইরাতসহ মিশর সীমান্তবর্তী আল-আরিশ অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোতেও পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশিদের পাঠানো কোরবানির এই সহায়তা।
সব মিলিয়ে দেশে ও বিদেশে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কাছে ঈদের আনন্দ পৌঁছে দিচ্ছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন। ত্যাগের প্রকৃত অর্থ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়। সেই মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করেই সীমানা পেরিয়ে সহমর্মিতার উষ্ণতা ছড়িয়ে দিচ্ছে এই উদ্যোগ—প্রমাণ করে দিচ্ছে, সদিচ্ছা থাকলে মানবতা কোনো সীমান্ত মানে না।
/টিএ