
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
লক্ষ্মীপুর:
দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানায় ভরে থাকা লক্ষ্মীপুরের রহমতখালী খালের প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার অংশ পরিষ্কার করা হয়েছে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে ১৫ দিন ধরে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়। এতে প্রায় ৩০০ কর্মী অংশ নেন।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে খালের বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা, ময়লা-আবর্জনা ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এ কাজে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন উজ্জীবন প্রভাতী সংঘের সদস্যরাও অংশ নেন।
স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালের বিভিন্ন অংশে কচুরিপানা ও আবর্জনা জমে থাকায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। এ অবস্থায় নিজেদের উদ্যোগে খালটি পরিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ১৫ দিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমে পরিচ্ছন্নতা
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন কবির স্বপন বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্দেশক্রমে তারা স্বেচ্ছায় এ কার্যক্রমে নেমেছেন। দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানা অপসারণ করে খালের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই তাঁদের উদ্দেশ্য।
মহসিন কবির স্বপন বলেন, প্রায় ৩০০ কর্মী ১৫ দিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেছেন। খালের প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার অংশ পরিষ্কার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষে খালের ওই অংশের চিত্রে পরিবর্তন দেখা গেছে। বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে ফেলায় পানির প্রবাহও আগের তুলনায় স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আউয়াল বলেন, আগে খালের বিভিন্ন অংশে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা জমে থাকত। এতে খালের পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতো। এখন খাল পরিষ্কার হওয়ায় পরিবেশও ভালো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মুকিতুর রহমান বলেন, খালটি পরিষ্কার করায় এখন অনেকটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। তবে খালে আবার যাতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা না হয়, সে বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার ও তদারকি করা প্রয়োজন।
উদ্যোক্তারা জানান, শুধু একবার পরিষ্কার করেই দায়িত্ব শেষ করতে চান না তারা। খালের পরিচ্ছন্নতা ধরে রাখতে ভবিষ্যতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি করা হবে। এতে রহমতখালী খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ও পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে।
টিএ/