
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান এবং দেশটি থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের যেকোনো নতুন সামরিক অভিযান বা সেনা উপস্থিতি এই সমঝোতার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
আরাগচির দাবি, এই সমঝোতায় একদিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, অন্যদিকে রয়েছে ইরান এবং হিজবুল্লাহ। তার মতে, ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে বা দখল বজায় রাখে, তাহলে চুক্তির কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সমঝোতার উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।
জানা গেছে, আগামী শুক্রবার জেনেভা শহরে এই সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে
এদিকে জোসেফ আউন আশা প্রকাশ করেছেন, এই সমঝোতার ফলে লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশটির জনগণের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাহীনতা ও দুর্ভোগের অবসান ঘটবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
তবে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, গাজা, লেবানন এবং সিরিয়ার যেসব অঞ্চলকে ইসরায়েল নিজেদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করে, সেখানে সেনা মোতায়েন অব্যাহত থাকবে। এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম মারিভের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সমঝোতার আওতায় লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের জন্য নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। সূত্র: শাফাক নিউজ।
/টি