
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ সফটওয়্যার খুলতে দেরি, ফাইল ওপেন হতে সময় নেওয়া কিংবা সাধারণ কাজেও সিস্টেম আটকে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকেই এমন পরিস্থিতিতে কম্পিউটার পুরোনো হয়ে গেছে ভেবে নতুন ডিভাইস কেনার কথা ভাবেন। তবে সব সময় নতুন কম্পিউটার কেনার প্রয়োজন হয় না। বরং সমস্যার কারণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে অনেক ক্ষেত্রেই আগের কর্মক্ষমতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। কম্পিউটার ধীর হওয়ার পেছনে থাকা সাধারণ কারণগুলো জেনে নেওয়া যাক।
১. বেশি স্টার্টআপ প্রোগ্রাম
কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হলে সিস্টেম চালু হতে বেশি সময় লাগে। এসব প্রোগ্রাম ব্যাকগ্রাউন্ডেও চলতে থাকে, ফলে কম্পিউটারের
২. স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ
Windows-এর সিস্টেম ড্রাইভে জায়গা কমে গেলে কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা কমতে পারে। অপ্রয়োজনীয় ফাইল, পুরোনো ডাউনলোড ও বড় সফটওয়্যার জমে থাকলেও স্টোরেজ দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায়।
৩. RAM কম থাকা
একসঙ্গে অনেক সফটওয়্যার বা ব্রাউজারের ট্যাব চালু রাখলে RAM-এর ওপর চাপ পড়ে। বিশেষ করে কম RAM-এর কম্পিউটারে এ কারণে সিস্টেম ধীর হয়ে যেতে পারে।
৪. পুরোনো HDD ব্যবহার
পুরোনো কম্পিউটারে থাকা HDD, SSD-এর তুলনায় সাধারণত ধীরগতির। ফলে Windows চালু করা, সফটওয়্যার খোলা কিংবা ফাইল ব্যবহারে বেশি সময় লাগে।
৫. ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার
কম্পিউটারে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার ঢুকে গেলে সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। এতে CPU, RAM ও অন্যান্য সিস্টেম রিসোর্স বেশি ব্যবহৃত হয়ে কম্পিউটার ধীর হয়ে যেতে পারে।
৬. কম্পিউটার অতিরিক্ত গরম হওয়া
কম্পিউটারের ভেতরে ধুলাবালি জমে গেলে বা কুলিং ফ্যান ঠিকমতো কাজ না করলে প্রসেসরের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত গরম থেকে হার্ডওয়্যার রক্ষা করতে প্রসেসর গতি কমিয়ে দেয়, ফলে কম্পিউটার ধীর মনে হয়।
৭. পুরোনো সফটওয়্যার ও ড্রাইভার
অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার বা প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার দীর্ঘদিন আপডেট না করলে কর্মক্ষমতা ও স্থিতিশীলতায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৮. অতিরিক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস
অনেক সফটওয়্যার বন্ধ করার পরও ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ চালিয়ে যায়। একসঙ্গে বেশি প্রসেস চললে CPU ও RAM-এর ওপর চাপ বাড়ে এবং কম্পিউটার ধীর হয়ে যেতে পারে।
কম্পিউটার ধীর হয়ে গেলে প্রথমেই নতুন ডিভাইস কেনার সিদ্ধান্ত না নিয়ে সমস্যার উৎস খুঁজে বের করা উচিত। Task Manager থেকে CPU, Memory ও Disk-এর ব্যবহার দেখে কোন জায়গায় বেশি চাপ পড়ছে তা বোঝা যায়। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে স্টোরেজ খালি করা, বাড়তি স্টার্টআপ প্রোগ্রাম বন্ধ করা, ম্যালওয়্যার স্ক্যান এবং সফটওয়্যার আপডেটের মতো সহজ কিছু পদক্ষেপেও কম্পিউটারের গতি বাড়ানো সম্ভব। তবে হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।
টি/