
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে ইসরাইল নিয়ন্ত্রিত এলাকা লক্ষ্য করে ৩০টি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস বাহিনী এই হামলার নেতৃত্ব দেয়। তেহরানের দাবি, প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে।
ধ্বংস হয়েছে ইসরাইলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আইআরজিসির এয়ারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি এই অভিযানের ফলাফল নিয়ে বড় দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের এই হামলায় ‘দখলদার ইসরাইলের’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এয়ারোস্পেস ব্যবস্থাগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। এর ফলে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ও ধ্বংসক্ষমতা জেনারেল মুসাভি জানান, অভিযানে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছিল
ইরানের নতুন কৌশলগত অবস্থান এই হামলার পর তেহরানের পক্ষ থেকে নতুন সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। মুসাভি দাবি করেছেন, এই অভিযানের সাফল্যের মাধ্যমে ইসরাইলি শাসনের আকাশসীমার আরও একটি বড় অংশ এখন সরাসরি ইরানের লক্ষ্যবস্তুর আওতায় চলে এসেছে। অর্থাৎ, ইরান এখন আগের চেয়েও বেশি গভীরে এবং সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
অনিশ্চয়তায় মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ ইরানের এই সরাসরি হামলার পর পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের দামামা আরও জোরালো হয়েছে। ইসরাইল এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু না জানালেও, দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তেহরানের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সমীকরণকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
টিএ